গ্রেফতার ১


শাহজাদপুরে ৪র্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪র্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ১ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের কালামের ৪র্থ শ্রেণি পড়ুয়া শিশুকন্যাকে একই মহল্লার আলহাজের ছেলে ইউসুফ (১৬), মিন্টু প্রামাণিকের ছেলে জীবন (১৩) ও মানিকের ছেলে ফয়সাল (১৪) এ ৩ জন মিলে ফয়সালের বাড়িতে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। পরে এ ঘটনা জানাজানি হলে মঙ্গলবার সকালে ধর্ষিতার পিতা কালাম বাদী হয়ে ৩ ধর্ষককের বিরুদ্ধে মামলা করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক ইউসুফকে গ্রেফতার করে। বাকী ২ ধর্ষক পলাতক রয়েছে। শাহজাদপুর থানার এসআই আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ বছর প্রেমের পর ৪ মাস আগে বিয়ে; অতপর হত্যা


শাহজাদপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যৌতকের দাবিতে সোনিয়া খাতুন (২১) নামের এক গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ করেছে পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর থেকে শ্বশুড়, শ্বাশুড়ী ও স্বামীসহ বাড়ির সবাই পলাতক রয়েছে। নিহত সোনিয়া খাতুন উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের পাথালিয়া পাড়া গ্রামের মামুন শরীফুল ইসলামের স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের পূর্ব চর-কৈজুরি গ্রামের সৈয়দ মোল্লার মেয়ে।  সোমবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের বড় ভাই আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের পাথালিয়া পাড়া গ্রামের সামাদ বেপারীর ছেলে শরীফুল ইসলামের সাথে পূর্ব চর-কৈজুরি গ্রামের সৈয়দ মোল্লার মেয়ে সোনিয়ার ৫ বছর প্রেমের পর দুই পরিবারের সমঝোতায় প্রায় ৪ মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক লোভী স্বামী ও শ্বশুর বাড়ীর লোকজন সোনিয়ার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে গত শনিবার সোনিয়া বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি গেলে পরদিন রোববার গভীর রাতে সোনিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে নিহতের ভাই হাফেজ মোঃ রেজাউল করিম অভিযোগ করেন। নিহতের স্বজনদের আরও অভিযোগ, রোববার রাতে সোনিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সোমবার সকালে বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়ার নাটক করে। কোন হাসপাতালেই সোনিয়াকে নেয়া হয়নি বলে নিশ্চিত হই। পরে তারা লাশ বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে, খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ঘাতক ট্রাকসহ ৪ ট্রাক উদ্ধার; ঘাতক ট্রাক ড্রাইভার পলাতক


শাহজাদপুরে ট্রাক চাপায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বালু বোঝাই ট্রাক চাপায় সোহান (৪) নামের একটি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত সোহান ভাটপাড়া গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে। ঘাতক ট্রাকের চালক ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে,  রোববার সকাল সাড়ে ৮ টায় শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পাড়-জামিরতা গ্রামে রাস্তা পার হওয়ার সময় হাবিব এন্টারপ্রাইজের বালু বোঝাই একটি ট্রাক ( রংপুর ড-১১-০১০৭) শিশু সোহানকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এলাকাবাসী শিশুটিকে উদ্ধার করে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।

এ সময় ঘাতক ট্রাক চালক পালিয়ে গেলে উত্তেজিত জনতা ঘাতক ট্রাকসহ পাশে থাকা আপর আরও ৩টি ট্রাক ও ড্রাইভার হেলপারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটককৃতরা হলো ড্রাইভার জেলহক হোসেন, হেলপার ইমরান হোসেন ও আলামিন হোসেন। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খানা জানান, ‘যে ড্রাইভার শিশু সোহানকে চাপা দিয়েছে সে ড্রাইভার গাড়ি রেখে পালানোর পর এলাকাবাসী পাশে থাকা গাড়ির ড্রাইভার -হেলপারকে আটক করে রাখে। আমরা আটককৃত গাড়ির ড্রাইভার হেলপার ও ট্রাকগুলো থানায় নিয়ে আসি এবং শিশু সোহানের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে প্রেরণ করি।’

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শাহজাদপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

বুধবার ( ২৫ নভেম্বর) সকালে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের বাদলবাড়ী (কুমির গোয়ালিয়া) এলাকায় দাবীকৃত ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর জখম বাসুদেব সরকারকে আশংকাজনক অবস্থায় প্রথমে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরবর্তীতে শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে বগুড়া শহিদ জিয়া মেডিকেল কজেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের বাদলবাড়ীতে অসত কুমার সূত্রধর নিজ বাড়িতে পাঁকা বিল্ডিং তৈরির কাজ শুরু করলে একই এলাকার সুধান্য চন্দ্র শীল, সুশান্ত চন্দ্র শীল, অশান্ত চন্দ্র শীল, সিন্দু চন্দ্র রায়, দুলাল চন্দ্র রায়, ভজন চন্দ্ররায় , নারায়ন চন্দ্র শীল ও দেবু চন্দ্র সূত্রধর ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল। এক পর্যায়ে বুধবার সকালে দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে চাঁদাবাজরা ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালিয়ে বাসুদেব সরকারকে কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় বাসুদেব সরকারের ভাতিজা অশোক কুমার সূত্রধর বাদী হয়ে ৮ জনকে বিবাদী করে থানায় একটি অভিযোগ করেছে।

সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রকৃত ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সাধারণ


নকল গোলাপী জর্দ্দা উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধে শাহজাদপুরে সংবাদ সম্মেলন

শামছুর রহমান শিশির ও মিঠুন বসাক : শাহজাদপুরের মেসার্স তৃপ্তি জর্দ্দা ব্র্যান্ডের গোলাপী জর্দ্দা নকল করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক বাজারজাতকরণের প্রতিবাদে শাহজাদপুরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার গঙ্গাপ্রসাদ এলাকায় অবস্থিত মেসার্স তৃপ্তি জর্দ্দা ফ্যাক্টরি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তৃপ্তি জর্দ্দা ফ্যাক্টরির স্বত্ত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর হোসেন শামীম। সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর হোসেন শামীম সাংবাদিকদের জানান, গত ৬ মাস ধরে ঢাকা ও চট্রগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী তৃপ্তি জর্দ্দা ফ্যাক্টরির নিজস্ব ব্র্যন্ডের গোলাপী জর্দ্দার ডিজাইন, ট্রেডমার্ক, নাম ঠিকানা হুবহু নকল করে বাজারজাত করে আসছে। এতে একদিকে যেমন তৃপ্তি জর্দ্দা ব্রান্ডের গোলাপী জর্দ্দার সুনাম বিনষ্ট হবার পাশাপাশি স্বত্তাধিকারী ব্যবসায়ীকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারও বিপুল পরিমান অর্থ রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সেইসাথে, আসল গোলাপী জর্দ্দার ভোক্তারাও প্রতারিত হচ্ছেন। তৃপ্তি জর্দ্দা ফ্যাক্টরির স্বত্তাধিকারী জাহাঙ্গীর হোসেন শামীম এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গত ১৯ অক্টোবর ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তৃপ্তি জর্দ্দা ব্যান্ডের নকল গোলাপী জর্দ্দা উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তৃপ্তি জর্দ্দা ফ্যাক্টরির স্বত্তাধিকারী জাহাঙ্গীর হোসেন শামীম। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে শাহজাদপুরে কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২টি পিস্তল একটি চাপাতি, বোমা তৈরীর সরঞ্জামাদী ও জিহাদী বই উদ্ধার


শাহজাদপুরে র‌্যাবের অভিযানে জেএমবি’র আঞ্চলিক প্রধান কিরণসহ ৪ জেএমবি সদস্য আটক

শামছুর রহমান শিশির ও মিঠুন বসাক : শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার শেরখালী উকিলপাড়া এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে উপ সহকারী প্রকৌশলী (ফ্যাসিলিটিজ) শামসুল হক রাজার বাড়ি থেকে সিরাজগঞ্জ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২) জেএমবির আঞ্চলিক প্রধান (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) কিরণসহ জেএমবির চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছেন। এরা হলেন পাবনা সাথিয়ার নাইমুল ইসলাম , দিনাজপুরের আতিয়ার রহমান, সাতক্ষিরার আমিনুল ইসলাম শান্ত। তাদের আস্তানা থেকে ২টি পিস্তল একটি চাপাতি, বোমা তৈরীর সরঞ্জামাদী ও জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে। কিরন একাধিক ছদ্ম নাম ব্যবহার করতেন বলে র‌্যাবের অতিরিক্তি মহা পরিচালক (অপারেশন) কর্ণেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার প্রেস ব্রিফিং এ এ কথা জানান। তিনি আরো জানান, মাদক সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় রাজশাহীর শাহ মখদুম এলাকায় এক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে মাহমুদ, জুয়েল ও আশরাফুলকে আটক করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এদিন রাত ২ টার দিকে র‌্যাবের একটি দল শাহজাদপুর উপজেলা সদরের উকিলপাড়া একটি বাড়ি ঘিরে রাখে। জঙ্গিরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ভোরে পিস্তলের গুলি ছোঁড়ে। এ সময় এ অভিযানে শাহজহাদপুর থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর থেকে এই বাড়িটিতে জঙ্গিদের আস্তানা রয়েছে এমন খবরে র‌্যাব-১২ ঘিরে রাখে। শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১২’র কোম্পানি কমান্ডার মিরাজউদ্দিন। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে র‌্যাবের বোমা ডিসপোজাল ইউনিট ওই আস্তনায় প্রবেশ করলে কিরণ, নাইমুল, আতিয়ার ও আমিনুল ইসলাম শান্ত সহ চারজন জঙ্গি বেড়িয়ে এসে র‌্যাবের হাতে ধরা দেন।
র‌্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার মিরাজউদ্দিন জানান, চলতি মাসের ৫ তারিখে ছাত্র পরিচয়ে ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়। এরই মধ্যে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই বাড়ির ভেতর থেকে গুলি ছোঁড়া হয়েছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হ্যান্ড মাইকে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। বেলা ১০ টার মধ্যে আত্মসমর্পণের জন্য সময় বেধে দেয়া হয়। এর আগেই সকাল সাড়ে নয়টায় জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করে। এ খবরে সকাল নয়টার দিকে র‌্যাব সদরদপ্তর থেকে হেলিকপ্টারযোগে শাহজাদপুরে আসেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহা পরিচালক (অপারেশন) কর্ণেন তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার। আটককৃত জঙ্গিদের র‌্যাবের সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এদেরকে শাহজাদপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই বাড়িটি এখনও ঘিরে রেখেছে র‌্যাব ও পুলিশ। তার আশেপাশে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ছাড়া এলাকার আশপাশ দিয়ে স্থানীয়দের চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে না। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বোমা ডিসপোজাল ইউনিট আস্তানাটি তল্লাসি চালাচ্ছেন।

বগুড়ায় সিআইডির হাতে দুলালী হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার

সিআইডি বগুড়া জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের দিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ হাসান শামীম ইকবালের তত্বাবধানে সিআইডি’র একটি বিশেষ টিম দির্ঘদিন পলাতক থাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এজাহারনামীয় আসামীকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে শিবগঞ্জ থানা এলাকার তার নিজ বসত বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সাইদুল আলম সিআডি’র একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে শিবগঞ্জ থানার মামলা নং ৫২ তারিখ ২৪/১০/২০১৯ খ্রিঃ ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ক/৩০ এর প্রধান আসামী মোঃ আইয়ুব আলী ফকির (৩৪) পিতা মৃত জোব্বার ফকির গ্রাম রায়নগর থানা শিবগঞ্জ জেলা বগুড়া-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী তার স্ত্রী দুলালী বেগম (২৪)-কে কৌশলে হত্যা করে দির্ঘদিন পলাতক ছিল।
এদিকে, দীর্ঘদিন পরে হলেও দুলালী হ্ত্যা মামলার প্রধান আসামী সিআইডির হাতে ধরা পড়ায় বাদীপক্ষ ও এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

যুবলীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কর্তৃক বিষয়টি খতিয়ে দেখার অভিমত বিজ্ঞ মহলের


সাঁথিয়া যুবলীগ সেক্রেটারি মিজানূর কর্তৃক পত্রিকার সম্পাদককে হুমকি ও অশ্লীল গালিগালাজের অডিও ভাইরাল

পাবনার বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেনকে সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশের সংবাদ পাবনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকায় প্রকাশ না করার ঘটনায় দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বেড়া উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক সরকার আরিফুর রহমান (আরব আলী)-কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও চতুর বাজার ইছামতি বিচিত্রা বিতান বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান (উকিল)।

গত ২২ অক্টোবর সাংবাদিক সরকার আরিফুর রহমানকে অশালীন ভাষায় দেয়া গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান সংক্রান্ত একটি অডিও ফোনালাপ সম্প্রতি নানা যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দা ও প্রতিবাদমূলক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
সমালোচনার মাধ্যমে সমালোচকেরা কড়া ভাষায় নিন্দা জ্ঞাপনপূর্বক জানান, “অশালীন মন্তব্যের জন্য তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, সেখানে সংবাদকর্মীদের কাজে বাধা তো পড়বেই।’
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওটিতে শোনা যায়, মিজানুর রহমান উকিল দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার হকার রাজাকে বলছেন, “তোর এ যুগের দীপ কোথায়, তুই এ যুগের দীপ বিক্রি করবি না।” হকার রাজা এ সময় একটি কর্মের দাবী জানালে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মিজানূর রহমান সাংবাদিক আরিফুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল  ও চরম আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করে গর্জনের সাথে হুমকি দিয়ে বলেন, “মেয়র, মন্ত্রীর সাথে লাগে; আবার আমাদের সাথে লাগে।”
এছাড়া, সাঁথিয়ার যুবলীগ সম্পাদক মিজানূর ক্ষমতার দাপটে মাঝে মধ্যেই হকারের কাছ থেকে দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকা কেড়ে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, পাবনা থেকে প্রকাশিত পাঠকনন্দিত দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সরকার আরিফুর রহমানকে যুবলীগ নেতা মিজানূর রহমান কর্তৃক গালিগালাজ ও হুমকি দেয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা, বিভিন্ন উপজেলার অনেক গণমাধ্যমকর্মী, সুধীমহলসহ বিভিন্ন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিজ্ঞমহলের মতে, “বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাঁথিয়া উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকে এহেন অশোভন আচরণ করে মিজানূর রহমান পুরো যু্বলীগের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভাবমর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে অবিলম্বে বিষয়টি দ্রুত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দর খতিয়ে দেখা উচিত বলেও তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।”

( তথ্য সূত্র : ডেস্ক রিপোর্ট, দৈনিক এ যুগের দীপ)

নিজেরাই মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে বিরোধীদের ফাঁসানোর অভিযোগ নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে

জহুরুল ইসলাম, শাহজাদপুর( সিরাজগঞ্জ ) প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ৬ নং পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততোই উত্তাপ ছড়াচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশ নিজের পক্ষে ধরে রাখতে রাতদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। নিজেদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করতে চলছে মুহুর্মুহু মহরা ও নানান কূটকৌশল। এরই মধ্যে হামলা, মারপিট এবং প্রচারনায় বাধা প্রদানের অভিযোগসহ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও আসছে নিয়মিত। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই উপনির্বাচনে লড়াই করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র ধানের শীষের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র ৭ জনসহ মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এমনই এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গতকাল বুধবার ১৪ আগষ্ট রাতে নির্বাচনী এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মোটরসাইকেলটির মালিকানা দাবিকারী বড় বাচড়া গ্রামের যুবক মোঃ আতিকুর রহমান জানান, নৌকা প্রতীকের প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন লোক তার পথরোধ করে মারপিট করে এবং তার মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

অপরদিকে ঘটনার প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, আঃলীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন বাবু’র কয়েকজন সমর্থক বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় তিনটি মোটরসাইকেলে কাকুড়িয়া পূর্ব পাড়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন একটি স্থানে দাঁড়ায়। পরে তারা একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে বাকী দুটি মোটরসাইকেল যোগে তারা চলে যায়। পরে স্থানীয়রা পানি দিয়ে মোটরসাইকেলের আগুন নেভায়।

পরে শাহজাদপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে উপপরিদর্শক জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মোটরসাইকেলটির মালিকানা দাবিকারী যুবক আতিকুর রহমান উপস্থিত হয়ে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ করে। সাংবাদিকরা নৌকার কর্মী পরিচয়দানকারি আতিকুর রহমানকে মোটরসাইকেলের মালিকানার কাগজ দেখতে চাইলে তিনি কোন বৈধ কাগজপত্র নেই বলে জানায়। মোটরসাইকেল চুরি করা কিনা প্রশ্ন করা হলে কোন উত্তর দিতে পারেনি, উপস্থিত জনতা মোটরসাইকেল পোড়ানোর বিষয়ে নৌকার সমর্থক আতিকুর রহমানকেই অভিযুক্ত করলে তৎক্ষণাৎ যুবকটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে পুলিশ আগুনে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, কাকুড়িয়া গ্রামেই বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল হাসান বাবু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতিকের মোঃ রফিকুল ইসলাম শাহীনের বাড়ি। আশ্চর্যের বিষয় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হলেও নৌকার ব্যানারটি সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে, মনে হচ্ছে মোটরসাইকেল পোড়ার পরে কেউ ইচ্ছে করে ব্যানারটি রেখে প্রতিহিংসার রং দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিএনপি’র প্রার্থী রফিকুল হাসান বাবু জানান, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নৌকার প্রার্থী আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা নানান ভাবে প্রচার প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে, নিজেরাই মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে আমাদের কর্মী সমর্থকদের মামলা হামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এদিকে আঃলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম শাহীন জানান, এখন পর্যন্ত পোরজনা ইউনিয়নে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। নৌকার প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বাবু বিরোধী প্রার্থীদের প্রচারণায় হামলা ও বাধার সৃষ্টি করছে। তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে নিজেরাই মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে বিরোধী পক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

তিনি আরও জানান, নেতাকর্মীদের মতামত ও জনপ্রিয়তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নৌকার প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। যে ব্যাক্তি ইউনিয়ন আঃলীগের সম্মেলনে পরাজয় বরণ করেছে, যার ওয়ার্ড মেম্বার হওয়ার যোগ্যতা নেই তাকেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল সোমবার নৌকার প্রার্থীর সমর্থকরা আমার উপর হামলা করেছিল। বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি ও হামলা করে চলেছে। প্রতিদিন শতশত মোটরসাইকেল নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় মহড়া দিচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে জনগণের ভোট ছিনতাই ও ভোটাধিকার ভূলন্ঠিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান জানান, বিষয়টি আমি অবহিত আছি। আমরা সতর্ক আছি যেনো ঘটনাটি কেউ ভিন্ন খাতে নিতে না পারে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী


শাহজাদপুরে ২ নারীর শ্লীলতাহানীসহ ৬ জনকে পিটিয়ে আহত

শামছুর রহমান শিশির ও মামুন রানা : পূর্র বিরোধের জেরে শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চরবেলতৈল গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলা, মারপিট, ছিনতাইসহ ২ নারীর শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় ৩ নারীসহ একই পরিবারের ৬ জন আহত হয়েছে। তন্মদ্ধে গুরুতর অাহত শাহিদা খাতুন (২৫) কে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে পোতাজিয়াস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে তার শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অপর আহতরা হলেন, শফিউদ্দিন মোল্লা (৬০), তার মেয়ে বিলাসী খাতুন (৩৫), তাসলিমা (১৬), ছেলে জাকের ও মেহের। অাহতদের মধ্যে শফিউদ্দিন, বিলাসী, জাকের মেহেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকালে সন্ত্রাসীরা শাহিদা ও বিলাসীর শ্লীলতাহানী ঘটিয়ে তাদের গলা থেকে প্রায় ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাটি গত রোববার বেলা ৪ টার দিকে ঘটেছে। এ ঘটনায় শাহজাদপুর থানায় শফিউদ্দিন মোলা বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেশ করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকেলে পূর্ব বিরোধের জের ধরে উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চর বেলতৈল গ্রামের আনার (৫০), আফসার (৫২), হেলালের নেতৃত্বে কামরুল, হাচেন, সোহেল, শরিফ, সিরাজুলসহ ১৩/১৪ জন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শফিউদ্দিন মোল্লার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৩ নারীসহ ৬ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম ও গুরুতর আহত করে।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খলিল জানাস, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।’
এদিকে, ধর্ষণ ও নারীর শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদে সারাদেশ যেখানে প্রতিবাদ নিন্দার ঝর বইছে, ঠিক সেই মুহুর্তে শাহজাদপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে ৩ নারীর ওপর অমানবিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানীর ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝর বইছে। অবিলম্বে ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্ত শাস্তির জোর দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।