ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে এনায়েতপুরে থানা পুলিশের আনন্দ উদযাপন অনুষ্ঠান

এনায়েতপুরে ৭ই মার্চের ভাষণ ও বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চুড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে আনন্দ উদযাপন করেন এনায়েতপুর থানা প্রশাসন। রবিবার ৩৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং গণভবন থেকে সম্পচারিত অনুষ্ঠান প্রজেক্টটর এর মাধ্যমে দেখানো হয়।

এনায়েতপুর থানার ওসি আতাউর রহমান এর সভাপতিত্বে এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেত্রী বৃন্দদের উপস্থিতিতে কেক কাটা হয়, এবং অতিথিরা তাদের মুল্যবান বক্তব্য রাখেন।

এনায়েতপুর থানার ওসি আতাউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এর ভাষণ সম্পর্কে বলেন, এই ভাষণে নিপিড়ীত বাঙ্গালি জাতি মুক্তির আশা পায় এবং তিনি আরো বলেন এই বক্তব্য সুধু বক্তব্য না এটি বাঙ্গালী জাতির মুক্তির দলিল, এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি হয়েছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এ যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭-ই মার্চ উদযাপিত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭-ই মার্চ উদযাপিত হয়েছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। পরে একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গণের বঙ্গবন্ধু’র পতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক শিবলী মাহবুব, সহকারী রেজিস্ট্রার শেখ আল-মাসুদ, সহকারী পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ার হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭ টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ এর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী জানিয়েছেন।

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে শাহজাদপুরে মানববন্ধন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সংবাদকর্মী বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের গণমাধ্যমকর্মীরা।

আজ শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শাহজদপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিমল কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি এম এ জাফর লিটন,যুগ্ম-সাধারণ সম্পদাক সাংবাদিক মোঃ আল আমিন হোসেন, সাংবাদিক রাসেল সরকার, এসময় সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদকর্মীরা বলেন, সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হত্যাকারীরা গ্রেফতার হয়নি। দ্রুত দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই সংবাদ কর্মী না ফেরার দেশে চলে যান। এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মুমিদুজ্জামান জাহান, সাগর বসাক, শামসুর রহমান শিশির, জহুরুল ইসলাম, মাসুদ মোশারফ, মিলন মাহফুজ, আমিনুল ইসলাম,এম এ হান্নান, নয়ন আলী, জাহিদ হাসান, মীর্জা হুমায়ন, মিথুন বসাক প্রমুখ।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। এরপর সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গনে স্থাপিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রওশন আলম, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব বরুণ চন্দ্র রায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এছাড়াও সকাল ৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব লয়লা ফেরদৌস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব, সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিকাল ৪.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ,তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি আজ এ কথা ঐতিহাসিক সত্যি যে রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনেরও প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তিনি আরো বলেন, যে বাংলাকে ভালোবাসে না, সে মানুষকে ভালোবাসে না, সে তার মাকে ভালবাসতে পারে না। যে বাংলাকে ভালবাসে না সে নিজেকে ভালোবাসা না,কাজেই নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন, দেশকে ভালোবাসুন, মাকে ভালোবাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন,এই হোক আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের ভাষা আন্দোলন নয় আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা আন্দোলন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের দরবারে পৌঁছেছে এই জায়গাটা আমাদের ধারণ করে বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে হবে, এমন একটি আয়োজন করে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২১ এর চেতনা সঞ্চারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে রবিবার ১২.০১ মিনিটে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এর আগে তারা ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করে।এসময় তারা বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারী মানে আন্দোলন সংগ্রামের প্রেরণা।

এই চেতনা ধারণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই ২১শের হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব লাভ করেছে। তাই বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ডে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আছে। আমরা বিশ্বাস এটি আরও বিস্তার লাভ করবে। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে বাংলা ভাষাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণ করে আগামীতে সকল অপশক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে রবীন্দ্র বিশ্বাবিদ্যালয় ছাত্রলীগ দীপ্ত শপত গ্রহণ করে।

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন


শাহজাদপুরে মহান ওস্তাদজী হযরত শাহ শামসুদ্দীন তাবরেজি (রহ.) এর ওরশ সোমবার

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শাহজাদপুরের দরগাহপাড়ায় হযরত মখদুম শাহদৌলা শহিদ ইয়ামেনি (রহ.) ও হযরত মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমী (রহ.) এর মহান ওস্তাদজী শাহানশাহে তরিকত আউলিয়াকুল শিরমণি জগৎ বরেণ্য সুফী সাধক হযরত শাহ শামসুদ্দীন তাবরেজি (রহ.) এর বাৎসরিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী উক্ত ওরশ শরীফে প্রধান অতিথি করা হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য, শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন ছাহেবকে। শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহার সভাপতিত্বে উক্ত ওরশ শরীফে প্রধান বক্তা হিসেবে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ওয়াজ নসিহত করবেন হযরত মাওলানা হাফেজ জুনায়েত হোসেন ফারুকী ছাহেব, ময়মনসিংহ। ছদরে মাহফিল খাদেমে মিল্লাত সৈয়দ গোলাম ওয়ারেছ শাহ্ ওয়ারেছী পীর ছাহেব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান স্পেশাল পিপি এসএ হামিদ লাবলু, পৌরসভার মেয়র মনির আক্তার খান তরু লোদী, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ নাজমুল হোসেন প্রমূখ।

উক্ত ওরশ শরীফ উপলক্ষে কাল রোববার বাদ আছর গিলাফ মিছিল ও বাদ এশা গিলাফ চড়ানো অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, মহান ওস্তাদজী হযরত শাহ শামসুদ্দীন তাবরেজি (রহ.) এর উক্ত বাৎসরিক ওরশ শরীফে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বয়ান করবেন মখদুমিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আলী আকবর ছাহেব, সহকারী ইমাম মাওলানা সৈয়দ আবু বক্কর সিদ্দিক ছাহেব, হাফেজ মাওলানা শফিকুল ইসলাম ছাহেব, হাফেজ মাওলানা শাহাদৎ হোসেন মুক্তারী ছাহেবসহ স্থানীয় ওলামায়ে কেরামগন।

মহান ওস্তাদজীর উক্ত বাৎসরিক ওরশ শরীফের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন ওরশ শরীফ এন্তেজামিয়া কমিটি। ইতমধ্যেই উক্ত ওরশ শরীফ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তগন শাহজাদপুরে আসতে শুরু করেছেন।

শাহজাদপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

মামুন রানা : শাহজাদপুরে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্টিত হয়েছে। 

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২১ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

সোবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহার সভাপতিত্বে এ প্রস্তুতিমূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, শাহজাদপুর সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ লিয়াকত,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শাহজাদপুরের স্কুল – কলেজের শিক্ষক মন্ডলী, গুনীজন, শাহজাদপুরের বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী ও সাংবাদিক বৃন্দ।
এ প্রস্তুতিমূলক সভায়, শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি যেন সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে পালিত হয় সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষি, মৎসসহ প্রকৃতি নীর্ভর বহুমূখী খাতগুলো


পানি নেই নদ-নদীর বুকে!

এক সময়ের প্রবলা, প্রমত্তা, প্রগলভা পদ্মা, যমুনা, করতোয়া, বড়াল, হুরাসাগর, নন্দকুজা, বেশানী, আত্রাই, গুমানী, গুর, ফকিরনী, শিববারনই, নাগর, ছোট যমুনা, মুসাখান, নারদ ও গদাইসহ উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদ-নদীগুলো পানি প্রবাহ এলাকা শুকিয়ে নদী বক্ষে মাইলের পর মাইল বিরাজ করছে ধুঁ-ধুঁ বালুচর। ভারতের মেরুকরণের প্রক্রিয়ার যাঁতাকলে নিঃষ্পেষিত হয়ে উত্তরাঞ্চলের অসংখ্য নদ-নদী বক্ষে বর্তমানে পর্যাপ্ত পানি নেই। আর শাখা নদীগুলোর অবস্থা আরও করুণ। ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নীচে নেমে গেছে। ফলে এ অঞ্চলের সেঁচ কার্যক্রম বিঘ্নিত হবার শংকার সৃষ্টি হয়েছে। 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯৫৪ ও ১৯৫৫ সালের ভয়াবহ বন্যার পর খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১৯৫৭ সালে জাতিসংঘের অধীনে ক্রুগ মিশন এর সুপারিশক্রমে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষে ১৯৫৯ সালে পূর্ব পাকিস্থান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠন করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) ইপিওয়াপদা এর পানি উইং হিসাবে দেশের বন্যা নিয়ন্ত্রন, পানি নিষ্কাষন ও সেঁচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে কৃষি ও মৎস সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রধান সংস্থা হিসাবে কার্যক্রম শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৫৯ মোতাবেক ইপিওয়াপদা এর পানি অংশ একই ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাইবো) সম্পূর্ণ স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর পর্যায়ক্রমে সংস্কার ও পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় জাতীয় পানি নীতি-১৯৯৯ ও জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা-২০০৪ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাপাউবো আইন-২০০০ প্রণয়ন করা হয়। এ আইনের আওতায় মন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় এর নেতৃত্বে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট পানি পরিষদের মাধ্যমে বোর্ডের শীর্ষ নীতি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

জানা গেছে, ভারতের মরুকরণ প্রক্রিয়ার ফলে শুষ্ক মৌসুমে যৌবন হারিয়ে যমুনা, পদ্মা, করতোয়া, বড়াল, হুরাসাগর, নন্দকুজা, বেশানী, আত্রাই, গুমানী, গুর, ফকিরনী, শিববারনই, নাগর, ছোট যমুনা, মুসাখান, নারদ ও গদাইসহ উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো প্রায় পানিশূন্য হয়ে পড়ে। ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর অতীতের তুলনায় উদ্বেগজনক হারে নীচে নেমে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি শাখা নদী, খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ার ফলে পর্যাপ্ত পানি প্রাপ্তি ব্যাহত হচ্ছে। ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আগের তুলনায় আনেক নীচে নেমে যাওয়ায় নদী তীরবর্তী অঞ্চলের গভীর-অগভীর নলকূপ থেকে পর্যাপ্ত পানি প্রাপ্তি ব্যহত হচ্ছে। এ কারণে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। নদী নীর্ভর এ অঞ্চলে ভ-ূগর্ভস্থ পানির অপরিকল্পিত ও অতিমাত্রায় ব্যবহার এবং সেঁচ কাজে পানির অপচয় রোধ করা না গেলে বাংলাদেশ এক মহাসংকটের মুখোমুখি হবে বলে বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ারী উচ্চরণ করেছেন। এ অঞ্চলের এক সময়ের ভয়াল, উত্তাল অনেক নদী ও শাখানদী বক্ষে বর্তমানে পর্যাপ্ত পানি আর দেখা যাচ্ছে না। করতোয়ার পরিণতিও বর্তমানে একই পথে! নাব্যতা সংকট, বাস যোগ্য পানি ও প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজ করায় উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী থেকে দেশীয় বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তি’র পথে! এসব কারণে এ অঞ্চলের নদী নীর্ভর কৃষক ও এলাকাবাসীর বুকভরা আশা ক্রমশঃ হতাশায় পরিণত হচ্ছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে এসব নদ-নদী বক্ষে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় একদিকে যেমন নৌ-চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে জাতীয় অর্থনীতিতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ার শংকার সৃষ্টি হয়েছে।
শাহজাদপুরের যমুনা নদী তীরবর্তী এলাকাবাসী জানান, ‘ছোট বেলায় তারা ভয়াল-উত্তাল যমুনার এপাড় (পশ্চিম) থেকে ওপারে (পূর্ব) তাকালে চোখে পড়তো দিগন্তছোঁয়া পানি আর পানি । আর এখন চোখে পড়ে ধুঁ-ধুঁ বালু চর। বিজলী বাতি জ্বলা জাহাজ তো দুরের কথা! পানির অভাবে পাল তোলা নৌকাও আর দেখা যায় না। ফলে যমুনার বিস্তৃত জলসীমা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে ও বালির চরের পরিধি বাড়ছে। ভারতের মরুকরণের কু-প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের জীব বৈচিত্র হুমকির সন্মুখীন হয়ে পড়েছে। মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষক।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতি বছরের শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই এ অঞ্চলের স্রোতস্বিনী যমুনা, পদ্মা, করতোয়া, বড়াল, হুরাসাগর, নন্দকুজা, বেশানী, আত্রাই, গুমানী, গুর, ফকিরনী, শিববারনই, নাগর, ছোট যমুনা, মুসাখান, নারদ ও গদাইসহ উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী ও এর শাখা প্রশাখাসহ খাল-বিল শুকিয়ে যায়। ফলে নদ-নদী বিধৌত উত্তরাঞ্চলবাসীর শুরু হয় দুঃখ দুর্দশার পালা। প্রকৃতি নীর্ভর কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের বিস্তুর্ণ এলাকা কালের আবর্তনে সময়ের পরিধিতে ক্রমেই মিনি মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। দু’চোখ নদী বক্ষের যেদিকে যায় সেদিকেই দেখা যায় ধূঁ-ধূঁ বালুচর। প্রতিবেশী দেশ ভারত নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক গতিপথ রূদ্ধ করে দেওয়ায় সুজলা-সুফলা, শষ্য-শ্যামলা বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে মরু অঞ্চলে পরিণত হতে চলেছে। উত্তরাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে নদীগুলো অবস্থান করায় মরুকরণের কু-প্রভাব এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশকে করছে ভারসাম্যহীন। এসব কারণে এ অঞ্চলের নদীগুলোর গতি প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটছে। আমরা হারাতে বসেছি আমাদের অনেক গ্রামীন ঐহিত্য। আবহমান কাল থেকে গ্রামীন জনপদের মানুষের প্রিয় সুস্বাদু দেশী মাছ এখন সোনার হরিণের মতো। এখন আর দেখা যায়না গ্রামীণ ঐহিত্যের অনুসঙ্গ নৌকা বাইচ, খরা জাল, সূতি ফাঁদ, সেঁচের মাধ্যম দাঁড়। মৎসভান্ডার সংকুচিত বা শুকানোর ফলে অনেক মৎসজীবী বর্তমানে বেকার। আবার অনেকেই পেশার পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে।
পানিসম্পদ বিষয়ক গবেষকদের মতে, ভারতের মরুকরণ প্রক্রিয়ার যমুনা, করতোয়া, বরাল, হুরাসাগর, নন্দকুজা, বেশানী, আত্রাই, গুমানী, গুর, ফকিরনী, শিববারনই, নাগর, ছোট যমুনা, মুসাখান, নারদ ও গদাইসহ উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো নদীর পানির স্তর ভূগর্ভস্থ পানির স্তরেরও নীচে নেমে গেছে। সরাসরি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে অসংখ্য শাখা নদী ও নালা গুলোতে। এ দুরবস্থার আরও একটি কারণ হচ্ছে যমুনা নদী অববাহিকায় অপরিকল্পিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে অতিমাত্রায় অগভীর নলকূপের ব্যবহার। এতে মরা খালে পরিনত হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী, চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষি, মৎসসহ প্রকৃতি নীর্ভর খাতগুলো ।

বিজ্ঞমহলের মতে, ‘উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বীল শুকিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভারতের মরুকরণ প্রক্রিয়া। দেশের পানি হিস্যা আদায়ে বহুমুখী পরিকল্পনা ও কর্মপন্থার কথা বলা হলেও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য সাড়া মেলেনি আজও। তাই আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করে যদি ২০০ ন্যাটিক্যাল মাইল সমুদ্রসীমা অর্জন সম্ভব হয়, তাহলে কৃষিপ্রধান এ দেশকে রক্ষায় কেন আসন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করে দেশের নদ-নদীগুলোতে নদী বক্ষে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ কেনো নিশ্চিত করা যাবে না !

শিমুল হত্যার সুবিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা


শাহজাদপুরে সাংবাদিক শিমুল হত্যার ৪র্থ বার্ষিকী উপলক্ষে শোক র‌্যালি ও পথসভা

শাহজাদপুরে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার ৪র্থ বার্ষিকী উপলক্ষে শোক র‌্যালি ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘শিমুলের খুনিদের ফাঁসি চাই, দিতে হবে; শিমুল হত্যার বিচার দ্রæত সম্পন্ন করতে হবে’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সমকাল পত্রিকার শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুলের ৪র্থ হত্যা বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০ টায় শাহজাদপুর প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। শাহজাদপুরের কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের অংশগ্রহণে বের হওয়া শোক র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত শোক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিমল কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক শফিকুজ্জামান শফি, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাসেম, প্রেস ক্লাব,শাহজাদপুর’র সভাপতি আতাউর রহমান পিন্টু, সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান তুহিন, সাংবাদিক আল-আমিন প্রমূখ। বক্তব্যে বক্তারা প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির কাছে শিমুল হত্যা মামলাটির বিচারকার্য দ্রæত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জোর দাবী জানান। শোক পথসভা শেষে শোক র‌্যালিটি পুনরায় সেখান থেকে প্রেস ক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়।
এর আগে প্রয়াত সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুলের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে সকালে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, সাংবাদিক শিমুলের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের ২ ফেব্রæয়ারি বিকেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রæপের সংঘর্ষ চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন ও পরদিন ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী শামছুন্নাহার বাদী হয়ে সাবেক পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুকে প্রধান আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে। এরপর থেকে নানা আইনী জটিলতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আজও সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার বিচারকার্য শুরু হয়নি।
অবিলম্বে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার সুবিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের আত্মীয় স্বজন, সহকর্মীসহ এলাকার সচেতন মহল।

 

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন; বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ


এনায়েতপুরে মুক্তিযোদ্ধা গাজী সরাফ উদ্দিন আহম্মেদের ইন্তেকাল

মোঃ আসাদুর রহমান, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার জালালপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী সরাফ উদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সোমবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন ।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। অনেকদিন যাবত তিনি ডায়াবেটিস সহ নানা রকম রোগব্যাধিতে আক্রন্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ আছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

তার মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ -৬ (শাহজাদপুর)আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুর রহমান স্বপন, থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ সহ মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।