বাংলাদেশের কোনো আইনজীবীকে হাতকড়া পড়ানো যাবে নাঃ অ্যাটর্নি জেনারেল

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন

বাংলাদেশের কোনো আইনজীবীকে হাতকড়া পড়ানোর ব্যাপারে কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম মানছে না পুলিশ । বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট বারসহ অন্যান্য যে কোন বারের যে কোন আইনজীবিকে গুরুতর অপরাধ ব্যতীত অন্য যে কোন কারনে গ্রেপ্তার করার সময়ে হাত কড়া না পরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক রেজুলেশন করার ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, মাননীয় ভাইস-চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে কথা বলেছেন।

হাতকড়া পরানোর বিষয়টি নিয়ে সারাদেশের বিজ্ঞ আইনজীবীগনসহ বিভিন্ন মহল পূর্ব থেকেই সমালোচনা করে আসছেন।পুলিশের পিআরবিতে (পুলিশ প্রবিধান) আইনে ব্যক্তির অবস্থা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি পড়ানোর নিয়ম থাকলেও তা তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।

অনেক সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া অসুস্থ আসামি, কিশোর, নারী ও বৃদ্ধদের হাতকড়া পরিয়ে আদালতে ও কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে , দেশের সম্মানির ব্যক্তিদের মধ্যে আইনজীবীদের অবস্থান সবার উপরে সেক্ষেত্রে বিশেষ কোন ক্ষেত্র অথবা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ব্যাতিত সুপ্রীম কোর্ট বারসহ অন্যান্য যে কোন বারের যে কোন আইনজীবিকে গুরুতর অপরাধ ব্যতীত অন্য যে কোন কারনে গ্রেপ্তার করার সময়ে হাত কড়া না পরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক রেজুলেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

পুলিশের হাতকড়া পড়ানোর নিয়ম না মানার বিষয়টিকে সংবিধান লঙ্ঘন হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেছেন মানবাধিকার কমিশন। এ বিষয়টির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘যাকে তাকে হাতকড়া পরানো সভ্য দেশের আলামত নয়। এটি পরানোর নিয়ম আছে বটে। কিন্তু, এটি পুলিশের মানার প্রবণতায় ঘাটতি রয়েছে। যা ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘটনায় লক্ষ্য করা গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক না পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে। এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু সেটি নিয়ম মেনে করতে হবে। হাতকড়ার ব্যবহার নিয়ে আইন আছে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবিতে। ওই বিধির ৩৩০ ধারায় বলা হয়েছে,‘বিচারাধীন বন্দিকে তাহাদের পলায়ন বন্ধ করিবার জন্য যাহা প্রয়োজন তাহার চাইতে বেশি কড়াকড়ি করা উচিত নহে।

হাতকড়া বা দড়ির ব্যবহার প্রায় ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয় এবং অমর্যাদাকর। বয়স, সম্মান ও পেশা বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন ইতি পূর্বেই বলেছেন, ‘নিয়ম ভঙ্গ করে যাকে তাকে হাতকড়া পরানো হচ্ছে। এতে ব্যক্তির ভাব মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ থেকে উত্তরণের পথ হিসাবে তিনি কর্তৃপক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতিকে হাত কড়া পড়ানোর ব্যাপারে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।

সূত্রঃ বিডি ল’ নিউজ ডট কম

মৌসুমি-ওমর সানি পুত্রের সিসা বারে অভিযান, গ্রেফতার ১১

মৌসুমি-ওমর সানি পুত্রের সিসা বার

রাজধানীর গুলশানে একটি সিসা বারে অভিযান চালিয়ে এর ম্যানেজার ও বয়সহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। এসময় ছয় প্যাকেট সিসা ও সিসা গ্রহণের স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। সিসা বারটি তারকা দম্পতি মৌসুমি ও ওমর সানি পুত্র ফারদিন এহসান স্বাধীনের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৯ মে) সকালে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মৌসুমি-ওমর সানি পুত্রের সিসা বার

গুলশান অ্যাভিনিউয়ের আরএম সেন্টারের তৃতীয় তলায়  ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ নামে এই সিসা বারটি  চালানো হতো। দেশীয় আইনে সিসা অবৈধ মাদক হিসেবে চিহ্নিত। তাই বারটির সবাইকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বারটি মৌসুমী পুত্র স্বাধীনের। পুলিশ পরবর্তীতে জানতে পেরেছে। তবে মাদকের বিষয়ে কারও সঙ্গে আপস নেই। তাই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

গুলশান থানার ওসি জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বারে অভিযান চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ২০।

মৌসুমি-ওমর সানি পুত্রের সিসা বার

তবে মামলায় মৌসুমী পুত্র স্বাধীনকে আসামি করা হয়নি। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বার থেকে ছয় প্যাকেট দামি সিসা, ১৭টি সিসা স্ট্যান্ড ও ২৫টি পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মৌসুমী ও ওমর সানি দম্পতি দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন সময়ে অংশ নিয়েছেন।

 

সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

শাহজাদপুরে জামায়াতের দুই নেতা আটক

নাশকতাসহ সরকারবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক করার সময় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে জামায়াতের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) গভীর রাতে শাহজাদপুর পৌর এলাকার পুকুরপার মহল্লায় জামায়াত নেতা মো. হোসেন আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় হকিস্টিক, দেশীয় অস্ত্র, জিহাদী বই ও টাকা আদায়ের রশিদ উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন- শাহজাদপুর পৌর জামায়াতের রোকন পুকুরপাড় মহল্লার মো. হোসেন আলী (৬৩) ও সদস্য দ্বারিয়াপুর মহল্লার সালমান ওরফে আলমাস আকন্দ (৩২)।

রোববার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কুমার দেবনাথ বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পুকুরপাড় মহল্লায় জামায়াত নেতা হোসেন আলীর বাড়িতে সরকারবিরোধী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য গোপন বৈঠক চলছিল এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াত নেতাকর্মীরা পালানোর চেষ্টা করে। এ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে হোসেন আলী ও সালমানকে আটক করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে হকি স্টিক, দেশীয় অস্ত্র, জিহাদী বই ও জামায়াতের টাকা আদায়ের রশিদ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আটক জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর রোববার (২৫ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ বাংলা নিউজ ২৪

শাহজাদপুরে লকডাউন কার্যকরে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন; মার্কেটে তালা

শাহজাদপুরের প্রাণকেন্দ্র মণিরামপুর বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপনী বিতাণের মালিকেরা চলমান লকডাউনে সরকারি বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে কৌশলে শার্টার খুলে দোকানে ক্রেতা ঢুকিয়ে গোপনে বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে শাহজাদপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন নূর সুপার মার্কেটে গিয়ে হাতেনাতে তা ধরে ফেলেন ও মার্কেটে তালা ঝুলিয়ে দেন। সেইসাথে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সরকারি বিধি মোতাবেক চলার পরামর্শ দেন। এর ব্যাত্যয় ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ জরিমানা করা হবে বলে তিনি ব্যবসায়ীদের সর্তক করেন।

এছাড়া গত কয়েকদিনের লকডাউনে শাহজাদপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত আইন অমান্যকারী আমজনতা ও পরিবহন মালিকদের সরকারি বিধি মেনে চলতে সতর্ক করেন এবং অমান্যকারীদের জরিমানা করেন।

আদালতে মামুনুল হক


আমি যেন রোজা, নামাজ ও কোরআন পড়তে পারি

ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ড শুনানি চলাকালে বিচারক মামুনুলকে বলেন, ‘আপনার কি কিছু বলার আছে?’ জবাবে মামুনুল বিচারককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি প্রতি রমজান মাসে ৬ বার কোরআন শরীফ খতম দেই। রমজান মাস পবিত্র মাস। এই মাসে আমি যেন রোজা, নামাজ ও কোরআন পড়তে পারি তার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আবেদন করছি।’

এর আগে, আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটের দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে থেকে মামুনুলকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।এদিন ২০২০ সালের মোহাম্মদপুর থানার একটি ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

 

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

শাহজাদপুরে এক বালু ব্যবসায়ীর অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা

শাহজাদপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এক ব্যবসায়ীকে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

উক্ত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন শাহজাদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন।

জানা যায়, শনিবার(১৭এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের চর গুধিবাড়ী সুইচগেট সংলগ্ন যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় ট্রাকসহ মোতালেব নামে এক ব্যবসায়ীকে আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শাহজাদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন। এ সময় অবৈধভাবে যমুনা থেকে বালু উত্তেলন করার দায়ে অর্ধ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শাহজাদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন জানান, আমরা সেখানে অবৈধ ব্যবসার সন্ধান পাচ্ছি সেসব স্থানে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কোন অবস্থাতেই যমুনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান। এবং এজন্য তিনি এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

শাহজাদপুরে ইউপি সদস্যসহ ৯ জুয়াড়ি কারাগারে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শফিকুল ইসলাম বাবুসহ (৪৫) নয় জুয়াড়িকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) মামলা দিয়ে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাতে উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের ডায়া গ্রামসহ বিভিন্ন স্থান অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ইউপি সদস্য ছাড়া বাকিরা হলেন, সেলিম হোসেন (৪৮), দেলোয়ার হোসেন (২৫), হেলাল শেখ (৩১), মনিরুল ইসলাম (২১), জাননু হোসেন (৩৪), শামছুল হক (৪৫), মানিক মোল্লা (৫২) ও আমিরুল ইসলাম (৩৪)।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদ মাহমুদ বলেন, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বাবু দীর্ঘদিন ধরে ডায়া বাজারসহ আশপাশের এলাকায় জুয়ার আসর বসিয়ে আসছিল। বেশ কিছুদিন ধরে পুলিশ এদের খুঁজছিল। পরে বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রঃ jagonews24.com

শাহজাদপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ৭ জুয়ারী আটক

শাহজাদপুরে ৭ জুয়ারী আটক

শাহজাদপুর থানাধীন বাশুরিয়া এলাকার একটি জুয়ার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে সাত জুয়ারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আকটকৃতরা হলো- ১। মোঃ দেলোয়ার হোসেন (২৫), পিতা-মোঃ ময়নাল হক মোল্লা, সাং-জগতলা, ২। মোঃ হেলাল শেখ (৩১), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, সাং-জগতলা বালিয়াটা, ৩। মোঃ মনিরুল ইসলাম (২২), পিতা-শাহজাহান মোল্লা, ৪। মোঃ জান্নু হোসেন (৩৫), পিতা-মৃত ছাদেক আলী প্রাং, ৫। মোঃ শামসুল হক মন্ডল (৪৩), পিতা-মৃত ওয়াজ মন্ডল, সর্ব সাং-বড় বাশুরিয়া, ৬। মোঃ মানিক মোল্লা (৫২), পিতা-মৃত হায়াত আলী, সাং-নতুন জোতপাড়া, ৭। মোঃ আমিরুল ইসলাম (৩৬), পিতা-মোঃ মকদুম প্রাং, সাং-কাশিপুর, এ/পি-সাং-জামিরতা হাইস্কুলপাড়া, সর্ব থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

শাহজাদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১৫এপ্রিল) দিবাগত রাতে এসআই মোঃ আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে¡ শাহজাদপুর থানাধীন বড় বাশুরিয়া গ্রামের জনৈক জুলফিকার আলী ভুট্টুর ইরি ধানের জমি সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বের কাচা রাস্তার উপর জুয়া খেলা অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।

শাহজাদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কুমার দেবনাথ জানান, আটককৃত জুয়ারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার আটককৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শাহজাদপুরে লকডাউন কার্যকরে প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ সময় সবাইকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলা ও মাস্ক পরিধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার(১৫এপ্রিল) পৌর সদরে সরকারি নির্দেশনা লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মুল আইন-২০১৮) এর আওতায় ৪ টি মামলা করে ১০০০(এক হাজার) টাকা এ অর্থদন্ড দেয়া হয়।

এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন।

শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন জানান, সরকারের এই কঠোর লকডাউন এর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তাড়াশে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ মামলা, গৃহশিক্ষক গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী (আদিবাসী) এক কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষক আবু সাইদ মোল্লাকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধর্ষণের পর গণপিটুনির শিকার হয়ে আহত আবু সাইদ পুলিশি প্রহরায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি তাড়াশ উপজেলা তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামের মৃত জাফর মোল্লার ছেলে।

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে আশিক বাংলানিউজকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ এনে কলেজছাত্রীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষক আবু সাইদকে মারধর করায় আহত হয়ে তিনি সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে ভর্তি রাখা হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে মেয়েকে বাড়িতে রেখে তার বাবা-মা নিজেদের দোকানে চা বিক্রি করছিলেন। এ সুযোগে গৃহশিক্ষক আবু সাইদ মোল্লা কলেজছাত্রীকে পড়াতে আসেন এবং তাকে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ভিকটিমের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার (১৯ মার্চ) কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।