চন্দন কুমার আচার্য, বেলকুচি প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ জেলার সকল উপজেলার স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা লোকসানের পথে বসেছে। এমনিতে শ্রাবণ মাসে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সাত পাকের বন্ধনে বাধ্যমূলক কনের বাবাকে স্বর্ণালংকার তৈরি দিতেই হচ্ছে ১ ভরি থেকে ১০ ভরি পর্যন্ত । তাদের প্রতি ভরি স্বর্নের মূল্য বেশী যাচ্ছে ১ হাজার টাকার মতো। নতুন বাজার বৃহস্পতিবার থেকে কার্য করা হবে বলে জুয়েলার্স সমিতির কাছ থেকে যানা গেছে। বেলকুচি উপজেলা ও এনায়েতপুর থানায়, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, সলঙ্গা থানা, রায়গঞ্জ থানা, তাড়াশ উপজলার অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছে পূর্বের বাজার অনুযায়ী স্বর্ণালংকার তৈরি অর্ডার কেটেছে এবং স্বর্ণও কিনেছে। কিন্তু স্বর্নের বাজার কমেছে মর্মে অনেক গ্রাহক এখন পূর্বের মেটানো বাজার থেকে বর্তমান বাজার ধরতে বলছে। এতে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা অনেক বিপাকে পড়েছে। বেলকুচি উপজেলার মা জুয়েলার্স, শিলা জুয়েলার্স, শুভ জুয়েলার্স, অঞ্জলী জুয়েলার্স, আনন্দ জুয়েলার্স এর মালিকবৃন্দ বলেন, স্বর্ণের বাজার যখন যে ভাবে চলবে সেভাবেই গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে হবে। ভরি প্রতি ১ হাজার টাকা কমেছে এতে মজুরী থেকে আমাদের লোকসান গুনতে হবে। বেলকুচি-এনায়েতপুর জুয়েলার্স মালিক সমিতির সভাপতি নিমাই শীল শর্মা বলেন, স্বর্নের বাজার ধাপে ধাপে কমে আসবে এটা কল্পনার বাইরে। পূর্বে ঈদ মৌসুমের কেনা বেচার বিক্রির সময় একধাপ স্বর্ণের দাম কমছে, আবারও বিবাহ-সাদীর স্বর্ণের দামে কমে আমাদের পথে বসিয়ে দিয়েছে। এতে আমাদের বেশ কিছু দোকান ঋণধার নিয়ে স্বর্ণ কিনে বিবাহের অর্ডার নিয়েছে। আগামী ১০ই আগষ্ট থেকে ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত স্বর্নালঙ্কার গুলো তাদের দিয়ে দিতে হবে। সে গ্রাহক পূর্নাঙ্গ টাকা পরিশোধ করে নাই। অনেক গ্রাহককে আবার কিছু না কিছু বাকী দিতে হচ্ছে। এভাবে স্বর্ণের দাম কমে আসলে সে বাকী টাকা গুলো উঠে আসবে কি না এটা সন্দেহাতীত। সিরাজগঞ্জ জেলা জুয়েলার্স মালিক সমিতির সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু বলেন, উপজেলা পর্যায়ের যেসব জুয়েলার্সের শো-রুম আছে তাদের চাইতে জেলার শো-রুম ব্যবসায়ীদের মোটা অংকের টাকা লোকসান খেতে হচ্ছে। কারণ একে একে দু-দু বার স্বর্ণের দাম কমলো। এতে বিবাহের কাজ আমাদের প্রায় আগষ্ট মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত চলে। এতে অনেক জূয়েলার্সের দোকানে অর্ডার তো আছেই তা ছাড়া অনেকেই শো রুম থেকে বিশ্বাসযোগ্য স্বর্ণের শো-রুম থেকে স্বর্ণালঙ্কার কিনে বিবাহ দেয়। যেমন- গলার চেইন, হাতের শাখা, পলা, বালা, আংটি ইত্যাদি। শো রুম ব্যবসায়ীরা এসব স্বর্ণালঙ্কার তৈরি করেও রেখেছে, তাদের লোকসানে হার অনেকটাই বেশী গুনতে হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে এখন প্রায় বড় শো রুম ব্যবসা হচ্ছে কেউ ২৫-৩০ ভরি স্বর্ণের স্বর্ণালঙ্কার তৈরি করে রেখেছে। অনেকেই ব্যাংক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েও শো রুম দিয়েছে তাদের অবস্থা অনেকটাই কষ্টদায়ক। জেলার সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু বলে, শুধু স্বর্ণ নয় রূপার ভরি প্রতি কমে এসেছে প্রায় ৫৫ টাকার মতো।
সম্পর্কিত সংবাদ
ক্রিকেট
টেস্ট র্যাংকিংয়ে ফিরলেন সাকিব
স্পোর্টস ডেস্কঃ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের পর আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়েও ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। আইসিসির সর্বশেষ হ...
শাহজাদপুর
শাহজাদপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ৭ জুয়ারী আটক
শাহজাদপুর থানাধীন বাশুরিয়া এলাকার একটি জুয়ার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে সাত জুয়ারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আকটকৃতরা হলো- ১।...
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শাহজাদপুরে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বিরোধী র্যালি ও আলোচনা সভা
শাহজাদপুর উপজেলা সংবাদদাতা : শাহজাদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে...
আইন-আদালত
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আইসিউতে
হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড...
জাতীয়
অপরূপ সাজে সেজেছে শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী মঙ্গলবার রবি কবির ১৫৭তম জন্ম তীথি। এ উপলক্ষে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপ...
