শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
004শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ শাহজাদপুর উপজেলাসহ সিরাজগঞ্জ জেলার ৯ উপজেলার সর্বত্র ধান কাটা কামলার চরম সংকট দেখা দিয়েছে। একজন কামলাকে দিন হাজিরা ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা মজুরী, ৩ বেলা খাওয়া, তেল সাবান ও কাপড়-চোপড় দিয়েও পাওয়া যাচ্ছেনা। অপরদিকে বাজারে নতুন ধানের দাম প্রতি মণ ৫০০ টাকা থেকে ৫২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে প্রতি মণ ধানের চেয়ে কামলার দাম দ্বিগুণ পড়ে যাচ্ছে। তার পড়েও কামলা পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়েছে। কামলার অভাবে জেলার অনেক স্থানের পাকা ধান ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কামলা না পেয়ে অনেকে আবার আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীকে দাওয়াত করে কুটুমপাইঠা নিতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে ধানের দাম কম হওয়ায় এ এলাকার কৃষকেরা এ বছর ধান আবাদ করে চরম লোকসানের মুখে পড়েছে। ধান বিক্রি করে তাদের কামলার দামই উঠছেনা। ফলে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ গ্রামের নুরুল ইসলাম, মোকাদ্দেস আলী, সবকত আলী, হরিরামপুর গ্রামের বাবলু মিয়া, আব্দুল হালিম, আলতাব হোসেন, বৃ-আঙ্গারু গ্রামের আব্দুল খালেক, জয়পুরা গ্রামের সবুজ মিয়া, উল্লাপাড়া উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের আবু তালেব, আব্দুল মালেক, বেলকুচি উপজেলার সগুনা গ্রামের হাফিজুর রহমান, মাসুদ মিয়া ও আনসার আলী জানান, এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু হাটে-বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষকেরা বিপাকে পড়েছে। এর উপরে প্রতি মণ ধানের চেয়ে ধান কাটা কামলার দাম দ্বিগুণ হওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জেলার উপজেলা গুলো হলো, শাহজাদপুর,উল্লাপাড়া, তাড়াশ, রায়গঞ্জ, কাজীপুর, কামারখন্দ, বেলকুচি, চৌহালি ও সদর উপজেলা।

সম্পর্কিত সংবাদ

শাহজাদপুরের আদিবাসী বাগদী পরিবারগুলোর মানবেতর জীবন

জীবনজাপন

শাহজাদপুরের আদিবাসী বাগদী পরিবারগুলোর মানবেতর জীবন

শামছুর রহমান শিশির : বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোট গল্প ‘পোষ্ট মাস্টার’-এর রতন চরিত্রটি শা...

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতিঃ পানি বিপদ সীমার ৪১ সেঃ মিঃ উপরে

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতিঃ পানি বিপদ সীমার ৪১ সেঃ মিঃ উপরে

বেলকুচিতে নবাগত ইউএনও সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

বেলকুচিতে নবাগত ইউএনও সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

লাক্ষা চাষ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও পরিবেশ উন্নয়ণ সহায়ক