শাহরিয়ারের ভ্রমণ জীবনের শুরু, শাহজাদপুর নিয়ে তার পরিকল্পনা ও ভালো লাগা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন শাহজাদপুর ডট কমের সঙ্গে-
ভ্রমণের শুরু কীভাবে?
ছোটবেলা থেকেই আমি ভীষণ চঞ্চল প্রকৃতির ছিলাম। ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগতো সব সময়। সুযোগ পেলেই পরিবারের সাথে বিভিন্ন জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরতে যাওয়া হতো। তখন থেকেই ভ্রমণের প্রতি ভালোবাসার জন্ম। নেশা খুব ক্ষতিকর, কিন্তু ভ্রমণ এমনই এক নেশা যা কখনো কোনো মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে না। ভ্রমণ করতে আমার পরিবারের সবাই অনেক ভালোবাসে। মূল অনুপ্রেরণা আসলে তাদের থেকেই পাওয়া। সেই সময় ফিল্ম ক্যামেরার যুগ ছিলো। মানুষের হাতে হাতে মুঠোফোন তখন ছিলো না। মাঝে মাঝে অ্যালবাম বের করে যখন ভ্রমণের ছবিগুলো দেখতাম তখন সেই সময়টাতে যেন আবার ফিরে যেতাম। যুগের সাথে সাথে প্রযুক্তির উন্নতি ঘটেছে। এখন অনেক উন্নত মানের গ্যাজেটস আইটেমস বা ভালো মানের ক্যামেরা, মোবাইল কমবেশি সবার কাছেই আছে। তাই ভ্রমণের স্মৃতিগুলো আরো ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতেই মূলত ইউটিউবে আসা। প্রথমে ভেবেছিলাম আমার ভ্রমণ ভিডিও মাঝে মাঝে মন চাইলে আমিই শুধু দেখবো অন্য কেউ দেখে সেগুলো এতো উপভোগ করবে তা কল্পনাও করিনি। কিন্তু একটা সময় যখন দেখলাম মানুষ এগুলো দেখে বেশ উপভোগ করছে এবং সুন্দর সুন্দর কমেন্টস করছে, তখন থেকে ইউটিউবিং এ আরো সিরিয়াস হই আর সেই থেকে শাহরিয়ার আফিসিয়াল নামে চ্যানেলটি পরিচিতি পায়।
জন্ম ও বেড়ে ওঠা
আমার বেড়ে ওঠা শাহজাদপুরেই। মানুষের জীবনে চাঞ্চল্যকর যে সময়টি থাকে মানে ছোটবেলা সেটা এখানেই কেটেছে। ক্লাস ৫ পর্যন্ত এখানে পড়ার পর ঢাকায় চলে আসা। তারপর ঢাকাতেই বেড়ে ওঠা।
শাহজাদপুরে দেখার মতো আকর্ষণীয় জায়গা ও এখানকার বাণিজ্য নিয়ে কিছু বলুন-
শাহজাদপুরের বিশেষ একটি ব্যাপার হচ্ছে এখানে যদি কেউ ঘুরতে আসে তাহলে একসাথে অনেকগুলো জায়গা দেখার সুযোগ পাবে। যেমন- শাহ মখদুম মাজার, রবীন্দ্রনাথের কাছারি বাড়ি, বাঘাবাড়ি সি-পোর্ট, বেলকুচির আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ, হাবিবুল্লাহ বাবার মাজার, করতোয়া নদীতে নৌ-ভ্রমণ, মিল্কভিটা, রেশমবাড়ি সহ আরো বেশ কিছু জায়গা তবে সেগুলোর নাম এখন বলবো না তাহলে ভিডিওর সারপ্রাইজটা নষ্ট হয়ে যাবে।
আমি জন্মের পর থেকেই দেখেছি আমার বাবা-দাদা সবাই কাপড়ের ব্যবসায়ী এবং আমাদের নিজস্ব কাপড়ের ফ্যাক্টরি "প্রথম আলো শাড়িঘড়" বেশ নামকরা ছিলো। তবে সময়ের সাথে সাথে তাঁতশিল্প এখন আর আগের মতো দেখা যায় না। অনেকটাই বিলুপ্তর পথে। তাঁত বুনানোর সময় যে শব্দ হয় সেটা আগে প্রায় প্রতিটা অলিগলিতেই পাওয়া যেতো কিন্তু এখন হাতে গোনা কয়েকটি জায়গা ছাড়া আর পাওয়া যায় না। সপ্তাহে দুই দিন এখানে কাপড়ের হাট বসে। এখনও এটি শাহজাদপুরের ঐতিহ্যকে বহন করে। প্রতি হাটেই শত শত মানুষের ভিড় জমে এবং দূর দূরান্ত থেকেও তাঁতের শাড়ি,লুঙি কিনতে বা বিক্রি করতে এখানে মানুষ আসে।
ঢাকা থেকে শাহজাদপুরে কীভাবে আসা যায়?
দুইভাবে ঢাকা থেকে শাহজাদপুরে আসা যায়। এক, আরিচাঘাট হয়ে, দুই, সিরাজগঞ্জ রোড হয়ে। আরও কয়েকভাবে আসা যায় (শর্টকাট রাস্তা) তবে সেটি সবার জন্য আরামদায়ক নাও হতে পারে।
সম্পর্কিত সংবাদ
অপরাধ
কুড়িগ্রামে ২কেজি ৫'শ গ্রাম গাঁজাসহ মা-মেয়ে আটক
- কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ২কেজি ৫০০গ্রাম গাঁজাসহ সোনাভান বেগম(৪৫) ও তার তালাকপ্রাপ্ত মেয়ে আশা বেগম(২৫) কে আট...
ফটোগ্যালারী
এনায়েতপুরে ৪টি ডাহুক পাখি উদ্ধার
রফিক মোল্লা: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার আজগরা গ্রামে শিকারির কাজে ব্যবহৃত মুল ডাহুক সহ চারটি ডাহুক পাখি উদ্ধার করা হয়েছ...
খেলাধুলা
চলতি বছরেই পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর নিশ্চিত হলো
এই করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ও পাকিস্...
কামারখন্দ
কামারখন্দে তরুণদের ধানকাঁটা মজুরির টাকায় করোনায় কর্মহীন দরিদ্রদের দেওয়া হবে ঈদ সামগ্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান লকডাউনে কর্মহীন হয়েপড়া হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দিতে সিরাজগঞ্জের...
ফটোগ্যালারী
২৪ জেলার যাত্রী ভোগান্তি: খানাখন্দে ভরা সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের বেহাল দশার কারনে প্রতিদিনই হাটিকুমরুল গোল চত্তর থেকে নলকা ব্রিজ পর্যন্ত বাড়ছে য...
কাজীপুরে নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :-সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ শূণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। কাজী...
