শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোভিড ১৯ মহামারীতে গোটা দুনিয়া দিশেহারা। আক্রান্ত কোটি কোটি মানুষ হাপিত্যেশ করছে, নিদ্রাহীন রজনী পার করছে। দুনিয়া জুড়ে বিজ্ঞানীকূল হন্যে হয়ে কার্যকর ভ্যাকসিন ও ওষুধ পেতে নির্ঘুম সময় অতিবাহিত করছেন। বিজ্ঞানীকূলের ত্বরিত এবং নিরন্তর চেষ্টার ফলস্বরূপ বিশ্বময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বেশকিছু ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমানের নিরীক্ষা চলছে। ওষুধের বেলাতেও এমন অনেক পরীক্ষা চলছে কিন্তু অদ্যাবধি কার্যকর কোনো ওষুধের হদিস মেলে নাই। কোভিড ১৯ মহামারী থেকে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে দুনিয়া ব্যাপী প্লাজমা থেরাপি নিয়ে কথা চলছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে এই থেরাপির প্রয়োগ হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও কাঙ্ক্ষিতমাত্রার ফল মিলেছে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছোটখাট বিপর্যয়ও পরিলক্ষিত হয়েছে। উল্লেখ্য প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগ চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন সংযোজন নয়। এক শতকের বেশি বছর পূর্বে ১৮৯০ সালে প্রথম এই পদ্ধতি শুরু হয় এবং সময়ে সময়ে দেশে দেশে মহামারীতে এই পদ্ধতির প্রয়োগ হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ ১৯১৮ সালে এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েন্জা ভাইরাস মহামারী, ২০০২-০৩ সালে সার্স, ২০১৪ সালে ইবোলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। যদিও বিশ্বস্বাস্থ সংস্থা কোভিড ১৯ মহামারীর চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্লাজমা থেরাপি-কে অনুমোদন দেয় নাই, কারণ প্লাজমা থেরাপি পরীক্ষা-নীরিক্ষায় প্রমাণিত কোনো ওষুধ নয়। তবে বিশ্বস্বাস্থ সংস্থা করোনা আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচাতে প্লাজমা থেরাপি-কে নিষেধ করে নাই। স্বাভাবিক কারণেই আমাদের দেশেও প্লাজমা থেরাপি প্রয়াগের সরাসরি অনুমোদন দেওয়া হয় নাই, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে চিকিৎসকগন রোগীর প্রয়োজনে প্লাজমা থেরাপি প্রয়াগ করতে পারেন এবং এতে কোনো বাঁধা নাই। ইতোমধ্যেই আমাদের দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে ক্ষেত্র বিশেষে ব্লাড-প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগে চিকিৎসকগন ভাল ফল পেয়েছেন। সমাজের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষ প্লাজমা থেরাপি নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ও উঠছেন। তবে মনে রাখতে হবে, ব্লাড-প্লাজমা থেরাপির ক্ষেত্রে অবশ্যৈ চিকিৎসকের পরামর্শ ও অনুমোদন থাকতে হবে। ডোনার ও রিসিপিয়েণ্ট -কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (ভাইরাস ও অন্যান্য ইনফেক্সাস স্কিনিং, এন্টিবডির উপস্থিতি ইত্যাদি) মেনেই প্লাজমা থেরাপির জন্য প্লাজমা দিতে এবং নিতে হবে। আশা এবং আনন্দের কথা হলো, স্বেচ্ছায় রক্তদাঁতাদের সংগঠন বাঁধন ও ৩০ টি টিভি মাধ্যম সাংবাদিকদের সংগঠন বিজেসি এর যৌথ উদ্যোগে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিট, গাজী গ্রপস ও সবাই মিলে সবার ঢাকা' এর সার্বিক সহযোগিতায় দেশময় প্লাজমা থেরাপি নিয়ে কাজ শুরু করেছে--'প্লাজমা সাপোর্ট সেন্টার' নামক প্লাটফর্মে। আগামী দুই /তিনের মধ্যে 'প্লাজমা সাপোর্ট সেন্টার' এর ডোনার কালেকশন সহ অন্যান্য প্রচারনা শুরু হবে। সবাই ভালো থাকুন। সকলকে ধন্যবাদ। চেয়ারম্যান বাঁধন ফাউন্ডেশনরকীব আহমেদ চেয়ারম্যান বাধঁন ফাউন্ডেশন

সম্পর্কিত সংবাদ

‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এ বছরেই' উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন: এমপি স্বপন

জাতীয়

‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এ বছরেই' উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন: এমপি স্বপন

শামছুর রহমান শিশিরঃ ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাষণামলে শাহজাদপুরে জনগণ সর্বোচ্চ উন্নয়নের মুখ দেখেছে। অতীতের অন্য কোন স...

শাহজাদপুর মডেল পাইলট হাইস্কুল এলামনাই এসোসিয়েশন (শাহজাদপুর)'র আহবায়ক কমিটি গঠন

শিক্ষাঙ্গন

শাহজাদপুর মডেল পাইলট হাইস্কুল এলামনাই এসোসিয়েশন (শাহজাদপুর)'র আহবায়ক কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, শাহজাদপুর : শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে শাহজাদপুর মডেল পাইলট হাইস্কুল এলামনাই এসোসিয়েশন (শাহজাদপুর)'র ১৭ সদস...

“বিশ্ব ভালবাসা দিবসের জয় হোক”

আন্তর্জাতিক

“বিশ্ব ভালবাসা দিবসের জয় হোক”

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। ভালবাসার জয় হোক, ভালবাসা দিবসের জয় হোক। ভালবাসার মহিমায় উদ্ভাসিত...

শাহজাদপুর উপজেলায় কর্মকর্তাদের মাঝে ট্যাব বিতরণ

তথ্য-প্রযুক্তি

শাহজাদপুর উপজেলায় কর্মকর্তাদের মাঝে ট্যাব বিতরণ