শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
শামসুর রহমানঃ আবহমান গ্রাম বাংলার ঐহিত্য, ধারক বাহক হিসাবে বাংলা নববর্ষের শুরুর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খাওয়ার কোন নিয়মাচার না থকলেও বাংলাদেশের উঠতি শহুরে ধনিক শ্রেনীর মাঝে  নববর্ষে পান্তা ইলিশের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। পহেলা বৈশাখের সাথে পান্তা ইলিশ খাওয়াটা বাঙালির সংখ্যা নিতান্তই কম। অতীত থেকে অদ্যাবদধ বাঙালি সম্প্রদায়ের কাছে এদিনটি হলো ধারদেনা পরিশোধের দিন। চৈত্রের অনাবৃষ্টি ঘরতাপের পর বৈশাখের বৃষ্টি ভোজা জমিতে ফসল বুনানীর শুভসূচনার দিন। আর একারনেই বাঙালির কাছে পহেলা বৈশাখ আনন্দের আর্শিবাদ ও বাংলা নববর্যকে গ্রহন করবার দিন। এ দিনের সাথে পান্তা-ইলিশের সম্পর্ক বাংলা স্ংস্কৃতির সাথে অনেকাটাই সাংর্ঘর্ষিক। এর মাঝদিয়ে বিপুল সংখ্য গরীব মানুষকে হেও করারই সংস্কৃত বহন করে। এ কারনে পহেলা বৈশাখ, পান্তা-ইলিশ সার্বজনীন বাংলা সংস্কৃতির সমার্থক নয়। পান্তা-কাঁচা মরিচ-পিয়াজ বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতির প্রতিক। তাই পান্তার সাথে ইলিশ যোগ করে অন্যকে অপমান করবার অধিকার আমাদের নেই। বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের আকাশচুম্বি দাম থাকার কারনে উত্তরাঞ্চলের দরিদ্র, নিম্নবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। তাদের মতে, পহেলা বৈশাখে পান্তাভাতের সাথে ইলিশ মাছ খাওয়াটাতো দুরের কথা ইলিশের গন্ধ নেবার মত ক্ষমতা তাদের নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ হতদরিদ্র, অসহায়, নিম্নবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তাভাতের সাথে ইলিশ মাছ খাওয়া এখন দুঃসাধ্য। দেশের প্রায় ১৫ কোটে মানুষ পান্তা-ইলিশ থেকে বঞ্চিত। এলাকার সিংহভাগ মানুষের বক্তব্য পান্তা ইলিশের সাথে পহেলা বৈশাখ ও বাঙালি সংস্কৃতির কোন সেতু বন্ধন নেই।

সম্পর্কিত সংবাদ

মিষ্টান্ননগরী  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর

শাহজাদপুর

মিষ্টান্ননগরী সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর

শাহজাদপুরে ছোট-বড় অনেক জমিদার ছিল। বিভিন্ন উৎসব-পূজা-পার্বণে তারা প্রজাদের নিমন্ত্রণ করে পেটপুরে মিষ্টি খাওয়াতেন। তারা ব...

শাহজাদপুরের আদিবাসী বাগদী পরিবারগুলোর মানবেতর জীবন

জীবনজাপন

শাহজাদপুরের আদিবাসী বাগদী পরিবারগুলোর মানবেতর জীবন

শামছুর রহমান শিশির : বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোট গল্প ‘পোষ্ট মাস্টার’-এর রতন চরিত্রটি শা...

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতিঃ পানি বিপদ সীমার ৪১ সেঃ মিঃ উপরে

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতিঃ পানি বিপদ সীমার ৪১ সেঃ মিঃ উপরে

বিকিনি পরতে শরীর তৈরি করছেন পারিনীতি!