বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শামছুর রহমান শিশির, শাহজাদপুর থেকে : সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। তাদের মিলনমেলায় মুখরিত হয়ে উঠেছে কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণ! বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরের কবিগুরুর কাছাড়িবাড়ি দর্শনে এসেছে দর্শনার্থীর একবার দেখার জন্য তাঁর ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দেখে নিজের মনের তৃপ্তি লাভ করে ফিরছে বাড়ি। ঈদ পরবর্তীতে দেশ বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত পর্যটক ও রবীন্দ্র অনুরাগীরা কাছারিবাড়ি পরিদর্শনে শাহজাদপুরে প্রতিদিন আসছেন, দেখছে ঘুরে ঘুরে তার বাড়ি এবং ব্যবহৃত আসবাবপত্র। শাহজাদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হলেও বিনোদন পিয়াসুদেরও ঢল কোন রকমই ফিরাতে পারেনি, বরং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে ঢল নেমেছে হাজারো দর্শনার্থীদের। মা-বাবা-ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজন সবাই যেন হয়ে গেছে একাকার। শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র। ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিন তৌজির অন্তর্গত ডিহি শাহজাদপুরের জমিদারী একদা নাটোরের রানী ভবানীর জমিদারীর অংশ ছিল। ১৮৪০ সালে শাহজাদপুরের জমিদারী নিলামে উঠলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর মাত্র তের টাকা দশ আনায় এই জমিদারী কিনে নেন। জমিদারীর সাথে সাথে ওই কাছারিবাড়িটি ঠাকুর পরিবারের হস্তগত হয়েছিল বলে ধারনা করা হয়। আগে এই কাছারিবাড়ির মালিক ছিল নীলকর সাহেবরা। ১৮৯০ সাল থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারী দেখাশোনার কাজে শাহজাদপুরে সাময়িকভাবে বসবাস করতেন। তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন কুষ্টিয়ার শিলাইদহে। সম্ভবত এই কারণেই শিলাইদহে তাঁর বাসগৃহ কুঠিবাড়ী নামে এবং শাহজাদপুরের বাড়িটি কাছারিবাড়ি নামে পরিচিত। শাহজাদপুরে কবিগুরু ঘুরে বেড়িয়েছেন পালকিতে, নৌকায় ও পায়ে হেটে। শাহজাদপুর শহরের প্রানকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাটের দক্ষিণ পাশে এক সবুজ শ্যামল পরিবেশে কবিগুরুর কাছারিবাড়ি অবস্থিত। শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি দ্বিতল ভবন। ভবনটির দৈর্ঘ্য ২৬.৮৫ মিটার, প্রস্থ ১০.২০ মিটার এবং উচ্চতা ৮.৭৪ মিটার। ভবনটির দ্বোতলার সিড়ি ব্যতিত মোট সাতটি কক্ষ রয়েছে। ভবনটির উত্তর দক্ষিনে একই মাপের প্রশস্ত বাড়ান্দা, বাড়ান্দার গোলাকৃতির জোরামাপের খাম, উপরাংশে আছে অলংকরণ করা বড় মাপের দরজা, জানালা ও ছাদের ওপরে প্যারাপেট দেয়ালে পোড়ামাটির শিল্পকর্ম দর্শনাথীদের বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে। ভবনটির জানালা দিয়ে চারপাশের মনোরম, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ কবি উপলব্ধি করতেন। কাছারিবাড়িতে বসেই কবি প্রাণভরে ছোট নদী দেখতেন ও শুনতেন ছোটনদীর স্রোতধারার মিশ্রিত সুর। শাহজাদপুরে এসে মানুষ ও প্রকৃতিকে কবি গভীরভাবে ভালবেসেছিলেন। এখানে তিনি খুজে পেয়েছিলেন সাহিত্য সৃষ্টির নানা উপাদান। এখানে অবস্থানকালে তিনি রচনা করেন, সোনারতরী, বৈষ্ণব কবিতা, দুটি পাখি, আকাশের চাঁদ, পুরস্কার,যমুনা, হৃদয়, ভরা ভাদরে, প্রত্যাক্ষান ও লজ্জা, চিত্রা, শীত ও বসন্তে, নগর সংগীত, নদীযাত্রা, মৃত্যুমাধুরী, স্মৃতি বিলয়, প্রথম চুম্বন, শেষ চুম্বন, যাত্রী, তৃণ, ঐশ্বর্য, স্বার্থ,প্রেয়সী, শান্তিময়, কালিদাসের প্রতি, কুমার, মানষলোক, কাব্যপ্রার্থনা, ইছামতী নদী, সুশ্র“সা, অশিক্ষাগ্রহন, বিদায়, নববিবাহ, রজ্জিতা, বিদায়, হতভাগ্যের গান, গতোনিক, বঞ্চনা, সংকোচ, মানুষ প্রতিভা, রামকানাইয়ের নিবুর্দ্ধিতা, ব্যবধান, তারাপ্রসন্নের কীর্তি, ছুটি, সম্পত্তি, ক্ষুধিত পাষাণ, অতিথি,ইত্যাদি। এছাড়া কবিগুরু এখানে অবস্থান করে ৩৮ টি বিভিন্ন ছিন্ন পত্রাবলী লিখেছেন, রচনা করেছেন পঞ্চভূতের অংশবিশেষ ও নাটক বিসর্জন । শাহজাদপুর কাছারিবাড়ির দ্বোতলার উত্তর পাশে লিচুগাছ ও শোভা বর্ধনের জন্য নানা ফুলের গাছে ঘেরা কবিগুরুর অপরূপ কাছারিবাড়িটি বহুদুরের পথিকেরও দৃষ্টি আকর্ষন করে। কাছারিবাড়ির চারদিক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্রাচীরের আশেপাশে রয়েছে নানা দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষের বাগান। কাছারিবাড়ির ভিতরে একটি বকুলগাছ ছিল। কবি ওই গাছের নীচে বসিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। তাদের পদচারনায় ও মিলনমেলায় মুখরিত ও বসন্তের কোকিলের কলরব ফুঠে উঠেছে কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে। বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরের কবিগুরুর কাছাড়িবাড়ি দর্শনে এসেছে দর্শনার্থীর একবার দেখার জন্য তাঁর ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দেখে নিজের মনের তৃপ্তি লাভ করে ফিরছে বাড়ি। ঈদ পরবর্তীতে দেশ বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত পর্যটক ও রবীন্দ্র অনুরাগীরা কাছারিবাড়ি পরিদর্শনে শাহজাদপুরে প্রতিদিন আসছেন, দেখছে ঘুরে ঘুরে তার বাড়ি এবং ব্যবহৃত আসবাবপত্র। শাহজাদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হলেও বিনোদন পিয়াসুদেরও ঢল কোন রকমই ফিরাতে পারেনি, বরং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে ঢল নেমেছে হাজারো দর্শনার্থীদের। মা-বাবা-ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজন সবাই যেন হয়ে গেছে একাকার। শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র। ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিন তৌজির অন্তর্গত ডিহি শাহজাদপুরের জমিদারী একদা নাটোরের রানী ভবানীর জমিদারীর অংশ ছিল। ১৮৪০ সালে শাহজাদপুরের জমিদারী নিলামে উঠলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর মাত্র তের টাকা দশ আনায় এই জমিদারী কিনে নেন। জমিদারীর সাথে সাথে ওই কাছারিবাড়িটি ঠাকুর পরিবারের হস্তগত হয়েছিল বলে ধারনা করা হয়। আগে এই কাছারিবাড়ির মালিক ছিল নীলকর সাহেবরা। ১৮৯০ সাল থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারী দেখাশোনার কাজে শাহজাদপুরে সাময়িকভাবে বসবাস করতেন। তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন কুষ্টিয়ার শিলাইদহে। সম্ভবত এই কারণেই শিলাইদহে তাঁর বাসগৃহ কুঠিবাড়ী নামে এবং শাহজাদপুরের বাড়িটি কাছারিবাড়ি নামে পরিচিত। শাহজাদপুরে কবিগুরু ঘুরে বেড়িয়েছেন পালকিতে, নৌকায় ও পায়ে হেটে। শাহজাদপুর শহরের প্রানকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাটের দক্ষিণ পাশে এক সবুজ শ্যামল পরিবেশে কবিগুরুর কাছারিবাড়ি অবস্থিত। শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি দ্বিতল ভবন। ভবনটির দৈর্ঘ্য ২৬.৮৫ মিটার, প্রস্থ ১০.২০ মিটার এবং উচ্চতা ৮.৭৪ মিটার। ভবনটির দ্বোতলার সিড়ি ব্যতিত মোট সাতটি কক্ষ রয়েছে। ভবনটির উত্তর দক্ষিনে একই মাপের প্রশস্ত বাড়ান্দা, বাড়ান্দার গোলাকৃতির জোরামাপের খাম, উপরাংশে আছে অলংকরণ করা বড় মাপের দরজা, জানালা ও ছাদের ওপরে প্যারাপেট দেয়ালে পোড়ামাটির শিল্পকর্ম দর্শনাথীদের বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে। ভবনটির জানালা দিয়ে চারপাশের মনোরম, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ কবি উপলব্ধি করতেন। কাছারিবাড়িতে বসেই কবি প্রাণভরে ছোট নদী দেখতেন ও শুনতেন ছোটনদীর স্রোতধারার মিশ্রিত সুর। শাহজাদপুরে এসে মানুষ ও প্রকৃতিকে কবি গভীরভাবে ভালবেসেছিলেন। এখানে তিনি খুজে পেয়েছিলেন সাহিত্য সৃষ্টির নানা উপাদান। এখানে অবস্থানকালে তিনি রচনা করেন, সোনারতরী, বৈষ্ণব কবিতা, দুটি পাখি, আকাশের চাঁদ, পুরস্কার,যমুনা, হৃদয়, ভরা ভাদরে, প্রত্যাক্ষান ও লজ্জা, চিত্রা, শীত ও বসন্তে, নগর সংগীত, নদীযাত্রা, মৃত্যুমাধুরী, স্মৃতি বিলয়, প্রথম চুম্বন, শেষ চুম্বন, যাত্রী, তৃণ, ঐশ্বর্য, স্বার্থ,প্রেয়সী, শান্তিময়, কালিদাসের প্রতি, কুমার, মানষলোক, কাব্যপ্রার্থনা, ইছামতী নদী, সুশ্র“সা, অশিক্ষাগ্রহন, বিদায়, নববিবাহ, রজ্জিতা, বিদায়, হতভাগ্যের গান, গতোনিক, বঞ্চনা, সংকোচ, মানুষ প্রতিভা, রামকানাইয়ের নিবুর্দ্ধিতা, ব্যবধান, তারাপ্রসন্নের কীর্তি, ছুটি, সম্পত্তি, ক্ষুধিত পাষাণ, অতিথি,ইত্যাদি। এছাড়া কবিগুরু এখানে অবস্থান করে ৩৮ টি বিভিন্ন ছিন্ন পত্রাবলী লিখেছেন, রচনা করেছেন পঞ্চভূতের অংশবিশেষ ও নাটক বিসর্জন । শাহজাদপুর কাছারিবাড়ির দ্বোতলার উত্তর পাশে লিচুগাছ ও শোভা বর্ধনের জন্য নানা ফুলের গাছে ঘেরা কবিগুরুর অপরূপ কাছারিবাড়িটি বহুদুরের পথিকেরও দৃষ্টি আকর্ষন করে। কাছারিবাড়ির চারদিক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্রাচীরের আশেপাশে রয়েছে নানা দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষের বাগান। কাছারিবাড়ির ভিতরে একটি বকুলগাছ ছিল। কবি ওই গাছের নীচে বসে কবিতা লিখতেন। ১৯৬৯ সালে প্রতœতত্ব্ অধিদপ্তর কর্তৃক অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় কাছাড়িবাড়িকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ওই কাছাড়িবাড়ির মূল ভবনটির নান সংস্কার কাজ সমাপ্ত করে ভবনটিতে রবীন্দ্রভিত্তিক আলোকচিত্র ও এ বাড়িতে কবির ব্যবহৃত প্রাপ্ত আসবাপত্র নিয়ে একটি স্মৃতি যাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিকের দরজা দিয়ে ওই যাদুঘরে প্রবেশ করতে হয়। নিচতলা ও দ্বোতলার বিশাল হলরুমসহ যাদুঘরের সকল কক্ষ সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত। চারদিকে পাঁকা দেয়ালে বেষ্ঠিত কাছারিবাড়ির আঙ্গিনাটিও বেশ বড়। এখানে রয়েছে রবীন্দ্র মিলনায়তন, কবির ব্যবহৃত সামগ্রীর মধে চৌকি, লেখার জন্য ডেস্ক, সোফাসেট, আরাম কেদারা, আলনা, আলমারী, সিন্দুক, ঘাস কাটার যন্ত্র, ওয়াটার ফিল্টার, ল্যাম্প, কবির স্বহস্তে আঁকা ছবি, দেশী বিদেশী রাষ্ট্রানায়ক, বিজ্ঞানীসহ গুণিজনদের সাথে কবির অগনিত ছবি। ঈদান্তে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কাছাড়িবাড়িতে দর্শনার্থীরা এসে ভীড় করছেন এবং কবিগুরুর স্মৃতিধন্য কাছাড়িবাড়ি পরিদর্শণ করে তৃপ্তি নিয়ে ফিরছেন। হে কবিগুরু তোমাকে জানাই আমার হৃদয় নিংড়ানো প্রনাম, পৃথিবীর চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন বেঁচে থাকবে তুমি। নব প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলবে তোমার কলমের লিখনিতে, জেগে উঠবে নব জাগরণ। কবিতা লিখতেন। ১৯৬৯ সালে প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় কাছাড়িবাড়িকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ওই কাছাড়িবাড়ির মূল ভবনটির নান সংস্কার কাজ সমাপ্ত করে ভবনটিতে রবীন্দ্রভিত্তিক আলোকচিত্র ও এ বাড়িতে কবির ব্যবহৃত প্রাপ্ত আসবাপত্র নিয়ে একটি স্মৃতি যাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিকের দরজা দিয়ে ওই যাদুঘরে প্রবেশ করতে হয়। নিচতলা ও দ্বোতলার বিশাল হলরুমসহ যাদুঘরের সকল কক্ষ সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত। চারদিকে পাঁকা দেয়ালে বেষ্ঠিত কাছারিবাড়ির আঙ্গিনাটিও বেশ বড়। এখানে রয়েছে রবীন্দ্র মিলনায়তন, কবির ব্যবহৃত সামগ্রীর মধে চৌকি, লেখার জন্য ডেস্ক, সোফাসেট, আরাম কেদারা, আলনা, আলমারী, সিন্দুক, ঘাস কাটার যন্ত্র, ওয়াটার ফিল্টার, ল্যাম্প, কবির স্বহস্তে আঁকা ছবি, দেশী বিদেশী রাষ্ট্রানায়ক, বিজ্ঞানীসহ গুণিজনদের সাথে কবির অগনিত ছবি। ঈদান্তে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কাছাড়িবাড়িতে দর্শনার্থীরা এসে ভীড় করছেন এবং কবিগুরুর স্মৃতিধন্য কাছাড়িবাড়ি পরিদর্শণ করে তৃপ্তি নিয়ে ফিরছেন

সম্পর্কিত সংবাদ

শাহজাদপুরে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ! নিহত ২

শাহজাদপুর

শাহজাদপুরে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ! নিহত ২

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাটি পরিবহনের ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজির চালকসহ ২ জন...

শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ!

অর্থ-বাণিজ্য

শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ!

এম এ হান্নান শেখঃ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী নৌবন্দরের পূর্ব পাশে অবস্থিত পিডিবির ৩টি ও বেসরকারি ১টি মিলে মো...

জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক

জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় সেনা নিহত

সেনা কর্মকর্তারা জানায়, বন্দুকধারীদের উপস্থিতি সম্পর্কে তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হওয়া একটি ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযানের সময় দু...

শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাকী'র ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

শাহজাদপুর

শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাকী'র ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধ কালীন থানা কমান্ডার, শাহজাদপুরের প্রথম থানা প্রশাসক, শাহজাদ...

ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য বিকেএসপিতে সাকিব

খেলাধুলা

ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য বিকেএসপিতে সাকিব

করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ সাকিব আল হাসান। তাই বিএসপিতে যেতে কোনো বাধা নেই দেশ সের অলরাউন্ডারের। শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ক...

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন ৯ জন প্রার্থী

জাতীয়

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন ৯ জন প্রার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দি...