শাহজাদপুরে এমপি স্বপনের সুস্থতা কামনায় আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দোয়া মাহফিল

তুরস্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিরাজগঞ্জ-০৬ ( শাহজাদপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সাবেক শিল্প-উপমন্ত্রী ও উপজেলা আ.লীগ সভাপতি, শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বাদ জুম্মা পৌর এলাকার দরগাহপাড়াস্থ মখদুমিয়া জামে মসজিদে আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা তরু লোদী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আহবায়ক আশিকুল হক দিলার, উপজেলা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি শেখ মোঃ রাসেলের সমন্বিত উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যৌথভাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মখদুমিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা আলী আকবর ছাহেব, সহকারী আলহাজ্ব মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিকী ছাহেব, ইমাম আলহাজ্ব ক্বারি আবুল কালাম আজাদ ছাহেব প্রমূখ। 

উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে দলীয় নেতাকর্মী ও শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা অংশ নিয়ে স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের সুস্থতা কামনায় ও সমগ্র মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনায় আল্লাহপাকের নিকট প্রার্থনা করেন। দোয়া শেষে নেওয়াজ বিতরণ করা হয়।

শাহজাদপুরেই হবে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা মর্মে সংবাদ সম্মেলন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : শাহজাদপুরেই হবে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা এই মর্মে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ও আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা কেন্দ্র (ইকরা) শাহজাদপুর সেন্টার তৈরিতে সবাইকে সার্বিকভাবে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান । জানা যায়, ইতিমধ্যেই দুইজন ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এখন থেকে শাহজাদপুরেই হবে ক্যান্সারের চিকিৎসা। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যে শাহজাদপুরে দুইজন ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা করেছি। এখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এবং এখানেই এ ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা করা হবে। এ সময় তিনি দুইজন রোগীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন ,যাদের তিনি চিকিৎসা করে সুস্থ্য করেছেন। তিনি শাহজাদপুরে ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে সবার সহযোগীতা কামনা করেন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ নাজনিন মমতাজ ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।

সুস্থতা কামনায় দুই মাজার শরীফের কাঙালদের দোয়া


শাহজাদপুরে এমপি স্বপনের সুস্থতা কামনায় কাঙালদের মাঝে খাবার বিতরণ

তুরস্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিরাজগঞ্জ-০৬ ( শাহজাদপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সাবেক শিল্প-উপমন্ত্রী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, শাহজাদপুরের গণমানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় হযরত মখদুম শাহদৌলা শহিদ ইয়ামেনি (রঃ) ও হযরত শাহ হাবিবুল্লাহ (রঃ) এর মাজার শরীফে অবস্থানরত কাঙালদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৭ টায় মণিরামপুর বাজারস্থ শাহজাহান সুপার মার্কেটের মালিক শহিদুল ইসলাম জুলফিকারের ব্যক্তি উদ্যোগে কাঙালদের মাঝে এ খাবার বিতরন করা হয়। উক্ত দুই মাজার শরীফে অবস্থানরত কাঙাল, কাঙালিনী, দুস্থরা খাবার পেয়ে স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের সুস্থতা কামনায় আল্লাহপাকের নিকট দোয়া করেন।

মুসলিম জাহানের কল্যাণে দোয়া


শাহজাদপুরে এমপি হাসিবুর রহমান স্বপনের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

তুরস্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিরাজগঞ্জ-০৬ ( শাহজাদপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সাবেক শিল্প-উপমন্ত্রী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, শাহজাদপুর তাঁত শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা, শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ( ১০ নভেম্বর) বাদ মাগরিব শাহজাদপুর উপজেলা তাঁত শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে তাঁত শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শাহজাদপুর উপজেলা তাঁত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি তাঁতী ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক আল মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন, শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আজাদ রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, মেয়র পদপ্রার্থী তরু লোদী, শামসুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু, তাঁতী নেতা টিপু সুলতান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আহবায়ক আশিকুল হক দিলার, উপজেলা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি শেখ মোঃ রাসেল প্রমূখ। দোয়া পরিচালনা করেন দ্বারিয়াপুর হাফিজিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার। উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে দলীয় নেতাকর্মী, তাঁত শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শতাধিক জনগন অংশ নিয়ে স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের সুস্থতা কামনায় ও সমগ্র মুসলিম জাহানের কল্যাণ কামনায় আল্লাহপাকের নিকট প্রার্থনা করেন।

কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়


শাহজাদপুরে প্রফেসর নাছিম উদ্দিন মালিথার রোগমুক্তি কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের সাবেক বাংলা বিভাগীয় প্রধান ও রবীন্দ্র গবেষক প্রফেসর নাছিম উদ্দিন মালিথা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে থাকায় তাঁর রোগমুক্তি কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা হলরুমে কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান । সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব কাজী শওকতের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এএম আব্দুল আজিজ, শাহজাদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রহুল আমিন, জামিরতা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হায়দার আলী, কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া ইসলাম ঠান্ডু প্রমূখ । আলোচনা শেষে নাছিম উদ্দিন মালিথার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।

শাহজাদপুরে এমপি স্বপনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এমপি আলহাজ¦ হাসিবুর রহমান স্বপনের রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।  শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ উপজেলা শাখার আয়োজনে পরিষদ কার্যালয়ে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি উপাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বাবলার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মোঃ জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান । বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বিনয় পাল, সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম সাকলাইন প্রমূখ। এ সময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান তালুকদার, সাবেক জিএস আরিফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আশিকুল হক দিনার, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ রাসেল, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমের জনসংযোগ কর্মকর্তা নাছির উদ্দিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ৫ ধরনের স্বতন্ত্র করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের (সার্স-কোভ-২) সংক্রমণ, মিউটেশনের হার, জিনগত বৈশিষ্ট্য, নন-সিনোনিমাস মিউটেশন এবং জেনোমিক ফাইলোজেনি পর্যবেক্ষণ করে দেশে পাঁচ ধরনের স্বতন্ত্র করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যা বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) মিলনায়তনে বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ এর জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতিবেদন অবহিতকরণ সভা বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আফতাব আলী শেখ এ তথ্য জানান।

এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানসহ বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. আফতাব আলী শেখ জানান, করোনা ভাইরাসের (করোনা ভাইরাস ডিজিজ-১৯ সংক্ষেপে কোভিড-১৯) জিনগত বৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করার জন্য সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের সর্বমোট ২৬৩টি জিনোম সিকোয়েন্সিং ও ডাটা বিশ্লেষণ করা হয়। এ নমুনা চলতি বছরের ৭ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলোর জিনোম সিকোয়েন্সিং করে আন্তর্জাতিক ডাটাবেজ Global Initiative on Sharing All Influenza Data (GISAID) তে প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংগৃহীত নমুনায় শতভাগ ক্ষেত্রে আধিপত্যকারী ভ্যারিয়েন্টের G 414 (স্পাইক রুটিনে ৬১৪তম অবস্থানে অ্যাসপার্টিক গ্লাইসিন হওয়ার কারণ) উপস্থিতি পাওয়া যায়। প্রাপ্ত ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের মধ্যে ২৪৩টি GR ক্লেড, ১৬টি G ক্লেড এবং ১টি O ক্লেডের অন্তর্ভুক্ত।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ জিনোম বিশ্লেষণ করে জানা যায় যে সর্বমোট ৭৩৭টি পয়েন্টে মিউটেশন হয়। যার মধ্যে ৩৫৮টি নন সিনোনিমাস অ্যামিনো এসিড প্রতিস্থাপন ঘটায়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের মিউটেশনের হার বার্ষিক ২৪ দশমিক ৬৪ নিউক্লিওটাইড। সারাবিশ্বে নমুনা প্রতি মিউটেশন হার ৭ দশমিক ২৩। যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৬০ লক্ষ্য করা যায়‌। অর্থাৎ অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি অনেক দ্রুত গতিতে এর রূপ পরিবর্তন করছে। স্পাইক প্রোটিনের জিনে ১০৩টি নিউক্লিওটাইড নিউটেশনের মধ্যে ৫৩টি নন সিনোনিমাস এমোনিয়া বেশি প্রতিস্থাপন ঘটে, যার মধ্যে পাঁচটি স্বতন্ত্র। যা বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যায়নি। সংগৃহীত নমুনা সময়ের মধ্যে ১০০ ভাগ ক্ষেত্রে চারটি নিউটেশনের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায়।

বিসিএসআইআররের চেয়ারম্যান বলেন, চলমান বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারিতে সারাবিশ্বের বিজ্ঞানীরা সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের উৎস, গতি প্রকৃতি ও বিস্তার নির্ণয়ের পাশাপাশি এ ভাইরাসের ওষুধ ও ভ্যাকসিনের ওপর গবেষণা করছেন। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশেও সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করার প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। জিনোম সিকোয়েন্সিং ল্যাবরেটরি বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সর্বমোট ৩০০টি-ভাইরাস পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং করার প্রকল্প গ্রহণ করেন। গবেষণালব্ধ ফল রিসার্চ পেপার আকারে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে চীন ইউএসএ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের প্রায় ৫০টি কোভিড-১৯ টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে এ প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

২০২১ সালেও দেশের সবাই করোনা টিকা পাবে না

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে সারা বিশ্ব টিকার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশ্বের কয়েকটি দেশ সে টিকার চূড়ান্ত পরীক্ষার মধ্যেই আছে। রাশিয়া এরইমধ্যে একটি করোনা টিকার অনুমোদনও দিয়েছে।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও টিকা পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। তবে করোনার টিকা বাজারে এলেও বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না। সরকার তা কিনে আনতেও পারবে না। প্রথম ধাপে দেশের পাঁচ শতাংশ মানুষ টিকা পেতে পারে। সে অনুযায়ী ২০২১ সাল শেষ হলেও দেশের সব মানুষ টিকা পাবে না।

বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী।

বিএমএ মহাসচিব বলেন, কোভিড-১৯ প্রতিরোধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত ১৪১টি টিকা (ভ্যাকসিন) তৈরির কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে ২৫টি টিকা মানুষের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হচ্ছে। মাত্র ছয়টি টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের তৃতীয় ধাপে আছে। সেগুলোর গবেষণা কবে নাগাদ শেষ হবে বলা যাচ্ছে না। টিকা যদি ডিসেম্বরে বের হয়ে যায়, তা হলেও আমাদের দেশে আসতে আসতে জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারি লেগে যাবে। তাও সবাই প্রথম ধাপে পাবে না।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আপনি যদি একটি সুড়ঙ্গের মুখে অবস্থান করেন তাহলে এটার শেষ প্রান্ত কোথায় গিয়ে ঠেকেছে সেটা প্রথমেই বলতে পারবেন না। এই সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তটা সিলেটও হতে পারে, এমনকি ভারতেও হতে পারে। সুড়ঙ্গটা কত লম্বা, সেটা সঠিকভাবে বলা কঠিন। ভ্যাকসিনের ব্যাপারটাও তাই। তারা আগে বলছে, অক্টোবরে এসে যাবে। এখন বলছে ডিসেম্বরে আসবে। কেউ কেউ ভ্যাকসিন ডিসেম্বরেও আনতে পারবেন। তখন আমাদের অবস্থাটা কী হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ জনের মৃত্যু হচ্ছে। আমরা যখন পিক টাইমে ছিলাম, তিন মাস আগেও মৃত্যুর সংখ্যা আরও কম ছিল। তাহলে বলতে হয় আমাদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। কখন পিক, কোথায় পিক আমরা কিছুই বুঝলাম না। আমরা কোন জায়গায় আছি সে জায়গাটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিংবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে বলতে হবে। মিডিয়া এসে সংবাদ সম্মেলন করে ১৬ কোটি মানুষকে জানাতে হবে, সাইন্টিফিকভাবে ডাটা উপস্থাপন করতে হবে এবং সঠিকভাবে বলতে হবে, আমরা কখন পিকে ছিলাম, আমরা এখন কোন অবস্থানে আছি, কিংবা আমরা নিচের দিকে নামছি অথবা আমরা ওপরের দিকে উঠছি।

ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, বইপত্রে বৈজ্ঞানিকভাবে সেকেন্ড ওয়েভ বলতে কোনো শব্দ নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আমাদের ঈদের আগে একটা পর্যায়ে ছিল। তখন অনেক মানুষ শহর থেকে গ্রামে গেছেন। ট্রেনে, বাসে চড়েছেন, বাজারে গেছেন, ঈদের কোলাকুলি করেছেন। ঈদের পরে কিংবা পরবর্তী সময়ে এর একটা ইফেক্ট হতে পরে। এটাকে সেকেন্ড ওয়েভ কিংবা থার্ড ওয়েভ বলা যেতে পারে।

তিনি বলেন, বিশ্বের যেসব দেশে করোনার সংক্রমণ কমেছে, তারা ধাপে ধাপে সবকিছু খুলে দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের এখানে এখন সবকিছু স্বাভাবিক। আমদের কখন প্রথম ওয়েভ গেল, কখন দ্বিতীয় ওয়েভ আসবে কিছুই বুঝতেছি না।

বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ের বিভিন্ন গবেষণা সম্পর্কে মন্তব্য করে বিএমএ মহাসচিব বলেন, এই গবেষণার দিয়ে, এই অল্প সংখ্যক মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে যদি মনে করে করোনা কমে গেছে, করোনা আটকে ফেলবেন, করোনা চলে গেছে, তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন। করোনাকে এত অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ৬৪ জেলার ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষের তথ্য নিয়ে যদি গবেষণা করা যেত, তাহলে বোঝা যেত বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা। ঢাকা শহরের দুই থেকে চার হাজার মানুষের নমুনা নিয়ে স্টাডি করলে সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ঢাকা জেলার জনসংখ্যা যেখানে দুই কোটি, সেখানে অন্তত দুই লাখ মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে স্টাডি করলে প্রকৃত তথ্য উঠে আসত।

সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার প্রকোপ কমেছে। এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করতেই তিনি বলেন, ঢাকা, গত তিন মাসের তথ্য উপস্থাপন করে যদি তারা এ কথা বলতেন, তাহলে মানুষ হয়তো তা বিশ্বাস করতো।

তিনি বলেন, যেখানে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে আমাদের মন্ত্রী, আমলারা কীভাবে এসব কথা বলেন। দেশে না আছে গবেষণা, না আছে টেস্টিং ফ্যাসিলিটি, না আছে হসপিটাল ফ্যাসিলিটি, না আছে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষমতা। তারা একেক জন একেক রকম কথা বলছেন। একজনের কথার সঙ্গে অন্যজনের কথার কোনো মিল নেই। তারা সবাই রাজনীতিবিদদের মতো কথা বলছেন। জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যরা যদি সংবাদ সম্মেলন করে কিছু বলতেন, তাহলে কিছু গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতো। কিন্তু কিছুই হচ্ছে না।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

করোনার টিকা পরীক্ষার জোর প্রস্তুতি চলছে

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর চীন থেকে টিকা আনার অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশকে (আইসিডিডিআরবি)। আইসিডিডিআরবি করোনার টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ (ট্রায়াল) দ্রুত শুরু করার জন্য জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে টিকা তৈরির প্রযুক্তি পাবে বাংলাদেশ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

আইসিডিডিআরবি চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাকের টিকার পরীক্ষার সরকারি অনুমতি পায় গত বৃহস্পতিবার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ওই দিন সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতির কথা ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর চীন থেকে টিকা আমদানির অনুমোদন দেয়।

সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও গত শুক্র ও শনিবার আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তারা টিকার কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে একাধিক কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী প্রথম আলোকে জানিয়েছেন। আইসিডিডিআরবি চীন থেকে টিকা আনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি ও যোগাযোগ শেষ করেছে। এখন টিকা আসার অপেক্ষা। ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে চীন থেকে টিকা আসবে বলে কর্মকর্তারা আশা করছেন।

ঢাকার ৭টি হাসপাতালের ৪ হাজার ২০০ স্বাস্থ্যকর্মীর এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তারা এসব হাসপাতাল ইতিমধ্যে ঘুরে দেখেছেন। তবে এসব হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের অনুমতি এখনো আইসিডিডিআরবি পায়নি। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই সপ্তাহে সেই অনুমতিও পাওয়া যাবে।

আইসিডিডিআরবি সূত্রে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে ২৫০ জন গবেষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। আজ-কাল নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষে তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।

আইসিডিডিআরবি চীন থেকে টিকা আনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি ও যোগাযোগ শেষ করেছে। ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে টিকা আসতে পারে।

প্রশিক্ষিত মাঠ গবেষকেরা স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেবেন এবং পরবর্তী কয়েক মাস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

টিকা গবেষণার মুখ্য গবেষক ও আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. কে জামান প্রথম আলোকে বলেন, সুনির্দিষ্ট দিন বলা সম্ভব না হলেও এটুকু বলা যায় যে খুব শিগগির পরীক্ষা শুরু করা হবে।

সূত্রগুলো বলছে, পরীক্ষায় স্বাস্থ্যকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলবে প্রায় দুই মাস ধরে। এই কাজ শেষ করতে হবে করোনাভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ বজায় থাকা পরিস্থিতিতে। টিকা দেওয়ার পর আরও প্রায় ছয় মাস স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন মাঠ গবেষকেরা।

সিনোভ্যাকের সঙ্গে আইসিডিডিআরবির টিকার পরীক্ষার চুক্তিতে বাংলাদেশ কী সুবিধা পাবে, তার উল্লেখ আছে। চুক্তিতে বলা আছে, টিকার পরীক্ষা সফল হলে সিনোভ্যাক বাংলাদেশকে টিকা তৈরির প্রযুক্তি হস্তান্তর (টেকনোলজি ট্রান্সফার) করবে। সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের কোম্পানি দেশেই টিকা উৎপাদন করতে পারবে। তবে এ রকম কোম্পানি দেশে আছে দুটি। তিন মাস আগে এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সঙ্গে ওষুধ কোম্পানি ইনসেপটা ও পপুলারের বৈঠক হয়েছিল।

গত শুক্রবার রাতে পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের বৈঠকে টিকার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার বিনা মূল্যে ও অল্প মূল্যে টিকা সংগ্রহের জন্য কী কী করছে, তা বৈঠকে আলোচনা হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ ও কেনার চেষ্টা চালাচ্ছে। টিকা সংগ্রহের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প তৈরির কাজ চলছে।

অন্যদিকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (বিপিএল) ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের (এসআইআই) মধ্যে টিকার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। কোভিড-১৯ টিকার উন্নয়নে এসআইআইয়ে বিনিয়োগ করবে বিপিএল। বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে গত পরশু সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়, টিকা যখন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে, তখন যেসব দেশ সবার আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ টিকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশকেও অন্তর্ভুক্ত করবে এসআইআই ।

তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো

শাহজাদপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট ২০২০) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌরসদরের পারকোলা বাজার সংলগ্ন ইমারত মুন্সী জামে মসজিদের সামনে সালেহা জালাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হয়েছে l

মেডিকেল ক্যাম্পে চারজন এমবিবিএস ডাক্তার বিনামূল্যে গরীব ও অসহায় রোগীদের ফ্রি-চিকিৎসাপত্র ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মাস্ক বিতরণ করেন l

উক্ত ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো: শামসুজ্জোহা, মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন হোপ ফাউন্ডেশন ফর উইমেন এন্ড চিলড্রেন অব বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান,অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনিটারি ইন্সপেক্টর গাজী মো: নাজিম উদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেনিটারি ইন্সপেক্টর শফিউল হাসান লাইফ, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ কর্মকর্তা কে এম জাফর উজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম, মাদ্রাসা সুপার মো: শরীফুল ইসলাম, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মনিরুল গনি চৌধুরী শুভ্র প্রমুখ।

উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পের সার্বিক সমন্বয় করেন সালেহা জালাল ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মীর সামিউল ইসলাম সমীর।