৪১ দিন পর দেশে শনাক্ত আড়াই হাজার, মৃত্যু ৩৬

দেশে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় করোনায় মৃত্যু কমলেও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৫৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

টানা ৪১ দিন পর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল এক দিনে আড়াই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। গতকাল ২ হাজার ৩২২ রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। মৃত্যু হয়েছিল ৪৪ জনের।

এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮১৯। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৫৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় ৫ এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এ বিধিনিষেধে মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত মাসের মাঝামাঝিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ‘লকডাউন’ ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে । ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ও যাতায়াতে বিপুল লোকসমাগম দেখে জনস্বাস্থ্যবিদেরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করেছিল, ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ১৫টি জেলায় রোগী দ্রুত বাড়ছে। কিছুদিন ধরে সারা দেশেও করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে।

৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসব সেবা দেওয়া হয় লেখাটি সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ


নরিনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি যেন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার আখড়া

অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, নিরাপত্তা ও চিকিৎসা-এ পাঁচটি মৌলিক চাহিদা সরকারের কাছে সেবা হিসেবে পাওয়া মানুষের রাষ্ট্রীয় অধিকার। এর মধ্যে অন্যতম একটি সেবা হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। মানুষের জন্মগত এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং সেবা প্রদানের জন্য স্বাধীনতার পক্ষের বর্তমান সরকার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছেন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে। কিন্তু, কিছু অর্থলোভী ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে জনসাধারণ সরকারের এ ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিনামূল্যে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে সেবা পাওয়ার পরিবর্তে পদে পদে চরম ভোগান্তিসহ দূর্ব্যাবহার ও কাংখিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের একমাত্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা। ছোট একটি সাইবোর্ডে ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসব সেবা দেওয়া হয় লেখা থাকলেও তা ঐ সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ আছে।

এমন হাজারো অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। হেন কোন অনিয়ম নেই যা এখানে হয়না। ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ইউনিয়ের সাধারণ জনগন। হাসপাতাল শুরু থেকেই ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের সেবা সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ আছে। ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ হাসপাতালটির দোতালা ভবনে আবাসিক কোয়াটারের ব্যবস্থা করলেও আজ পর্যন্ত কেউ থাকনি ঐ কোয়াটারে। কিন্তু প্রতি বছর কোয়াটারটি রং ও মেরামত করার জন্য সরকারের ক্ষতি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোয়াটার গুলো স্টোর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার জন্য সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকার পরও তোয়াক্কা করছেন না এ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা। সঠিক সময়ে খোলা হচ্ছে না স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়ায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এর ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি থাকতেও কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পাইভেট ক্লিনিক এর মার্কেটিং অফিসারদের নিয়মিত আনাগোনা আছে হাসপাতালটিতে। এতে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে ইউনিয়নের সেবা নিতে আসা দরিদ্র রোগীরা। এখানে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে তাদের কথা মত দৌরাচ্ছে পাইভেট ক্লিনিক গুলোতে এতে যেমন আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমন কাঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা মোছাঃ খাদিজা খাতুন বলেন, এই চড়ার মধ্যে আমি কি ভাবে থাকবো। আমি ভুতের ভয় খাই। আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে তাই আমি এখানে থাকি না। আপনি আপনার বাচ্চার চিন্তা করছেন অথচ সরকার আপনাকে যে অসংখ্য মায়ের অনাগত বাচ্চারা স্বাভাবিক সুস্থ্য ভাবে যেন পৃথীবিতে আসতে পারে সে ব্যপারে সহযোগীতা করার জন্যই সরকার আপনাকে মাসিক বেতনসহ নানাবিধ সুবিধা দিয়ে এখানে থাকার ব্যবস্থা করেছেন আর এই জায়গাকে আপনি কেন চড়া বলছেন আশেপাশে তো অনেক বাড়ী ঘর আছে প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দেননি।

কিন্তু খাদিজা খাতুনের বিষয়ে এলাকাবাসীর মুখে শোনা যায় ভিন্ন কথা সেখানে থেকে সেবা দেওয়া তো দূরের কথা তিনি তাহার মনমর্জি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে আসেন এবং তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি ত্যাগ করেনও তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী। এ যেন তাহার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান।

অপরদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির সভাপতি ও নরিনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুল হক (মন্ত্রী)‘র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমাকে কোন বিষয়ে কিছু জানানো হয় না, এমনকি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির বরাব্দকৃত ঔষধ খোলার সময় আমাকে অবগত করার নিয়ম থাকলেও তা আমাকে আজ অব্দি কোন দিন জানানো হয়নি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন এর কাছে এ ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, এমন কোন নিয়ম নাই। তাই আমি কাওকে অবগত করি না।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ছাইফুল ইসলাম এর কাছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির এমন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির বরাব্দকৃত ঔষধ খোলার সময় অবশ্যই জনপ্রতিনিধিকে অবগত করতে হবে এবং ৭দিন ২৪ ঘন্টাই যেন প্রসব সেবা ইউনিয়ন বাসী পায় তার জন্য অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত সন্দেহে ২ জন বারডেমে ভর্তি

ফাইল ছবি

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত সন্দেহভাজন দুজন রোগী রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ভারতফেরত এ দুজন আসলেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত কি-না তা জানতে আজ (মঙ্গলবার) তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র ও পরিচালক (সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

বারডেম হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত দুজন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তির কথা স্বীকার করলেও কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘দুজন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত’ বলে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল বলে দাবি করেন তিনি।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার একাধিকবার বারডেম হাসপাতালের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ দুজন রোগীর ব্যাপারে আলোচনা করে জানা গেছে, এখনও তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি। আজ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। আগামী পাঁচ থেকে সাতদিনের মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেলে আদৌ তারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত কি-না, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র বলেন, নিশ্চিত না হয়ে কেউ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন তথ্য প্রচার বা প্রকাশিত হলে তা জনমনে আতঙ্ক তৈরি হবে। এ রোগের চিকিৎসায় গাইডলাইন তৈরির লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারতে একদিকে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস অন্যদিকে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মিউকরমাইসিসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। মে মাসের প্রথমদিকে ভারতের চিকিৎসকরা এ ব্যাপারে সতর্ক করা শুরু করেন।

দেশটিতে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৮০০ জন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ মারা যাচ্ছে। আর যারা বেঁচে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে একটি অংশের চোখ অপসারণ করতে হচ্ছে।

ভারতে এখন পর্যন্ত যারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে দেখা গেছে, অধিকাংশই হয় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা কিছুদিন আগে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। মূলত সুস্থ হয়ে ওঠার পরও অনেকের ইমিউন সিস্টেম অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন লোকজনই নতুন এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। এছাড়া এ রোগে আক্রান্তের তালিকায় রয়েছেন ডায়াবেটিসের রোগীরাও। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন: কোভিড-১৯ রোগ পরবর্তী কালো ছত্রাক কী, এটি কেন হয়, কাদের হয়, লক্ষণগুলো কেমন

SOURCE: GETTY IMAGES

করোনাভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন বা কালো ছত্রাক সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এমন খবর এখন পাওয়া যাচ্ছে।

বিষয়টি বেশি ঘটছে ভারতে এবং সেখানকার চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বাড়ার মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকে মারাত্মক এই ছত্রাকে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন এবং এমন আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে চিকিৎসকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

কোভিড ভাইরাসের কারণে যখন রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকে, তখন সেই ব্যক্তি ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে সেটি মূহূর্তের মধ্যেই মৃত্যু ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ঔষধ তৈরি করার জন্য ভারত সরকার তাদের একটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে বলেও খবর বেরিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এ ধরণের সমস্যাগুলোই করোনা-উত্তর সময়ে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে, যেগুলোকে তারা পোস্ট কোভিড বা লং কোভিড সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

 

কেন হয়?

বাংলাদেশের একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন জানাচ্ছেন যে করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয় বলে পরবর্তীতে ‘মিউকোরমাইকোসিস’ বা এ ধরনের কালো ফাঙ্গালের ইনফেকশন হতে পারে।

তিনি বলেন, রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় সব ঔষধ দিতে পারেন। তবে তারপরেও সতর্ক থাকতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোন ঔষধে কী ধরণের নির্দেশনা দিয়েছে সেটিও দেখতে হবে।

“বিজ্ঞানীদের পরামর্শকে বিবেচনায় নিতে হবে। না হলে এ ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন ভবিষ্যতে বড় আকারের সমস্যায় রূপ নেয়ার আশংকা আছে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

মুশতাক হোসেন বলেন, যেসব রোগী আইসিইউতে যাচ্ছেন তাদের অনেক সময় স্টেরয়েড দিতে হয়, কিংবা এর আগেও চিকিৎসক এটি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বোধ করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হলো এই স্টেরয়েডই পরে ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা ছত্রাক সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

“তাই এসব বিষয়ে সতর্কতার বিকল্প নেই,” মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতীয় চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে সেখানকার গণমাধ্যমও বলছে যে মিউকোরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণে বেশি সমস্যায় পড়ছেন আইসিইউতে থাকা রোগীরাই।

বিশেষ করে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে যাদের ডায়াবেটিস, ক্যান্সার বা হার্টের সমস্যার মতো কোন রোগ থাকে, তারাই বেশি আছেন এই সংক্রমণের ঝুঁকিতে।

 

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন আসলে কী?
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক লেলিন চৌধুরী জানান, মানুষের শরীরে অনেক ধরণের ইনফেকশন হতে পারে – এবং এগুলো হতে পারে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস থেকে।

মূলত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিপর্যস্ত হলে শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ফাঙ্গাস এই ইনফেকশনগুলো শুরু করে এবং সে কারণেই কোভিডের পর এ ধরণের প্রবণতা বেশি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, “করোনার লক্ষ্মণ ও প্রভাবের কোনো শেষ নেই। মজা করে বলা হলেও এটি সত্যি যে প্রেগন্যান্সি আর ফ্র্যাকচার ছাড়া আর সব কিছুই করোনার লক্ষ্মণ হতে পারে। মানসিক রোগ থেকে শুরু করে হার্ট বা মস্তিষ্ক – কোন কিছুই এর বাইরে নয়। আবার পোস্ট-কোভিড সম্পর্কিত সমস্যাকে এখন লং কোভিড বা দীর্ঘমেয়াদী কোভিড বলা হচ্ছে।

“অর্থাৎ করোনাভাইরাস সেরে গেলেও নতুন করে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফাঙ্গাস ইনফেকশন তারই একটি,” বলছিলেন লেলিন চৌধুরী।

এই চিকিৎসক জানান যে রক্ত, চামড়া, মুখ, নখসহ শরীরের নানা জায়গায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন হতে পারে এবং সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।

 

লক্ষ্মণগুলো কেমন, কারা বেশি আক্রান্ত হন?

মুশতাক হোসেন ও লেলিন চৌধুরী দু’জনেই মনে করেন যে করোনাভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন, এমন যে কেউ, অথবা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম – তারাই এ ধরনের ইনফেকশনে পড়ার ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশনের লক্ষণের বিষয়ে ভারতীয় চিকিৎসকদের অনেকে বলছেন যে রোগীর চোখ জ্বালা পোড়া করা, নাক বন্ধ থাকা, জ্বর, দৃষ্টিশক্তি কমে আসা-সহ অনেকগুলো লক্ষণ তাদের চোখে পড়েছে।

আবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুস দুর্বল থাকায় সহজেই ফুসফুসে আক্রমণ করে এই ছত্রাক। এরপর তা ধীরে ধীরে পুরো শরীরেই ছড়িয়ে পড়ে রোগীকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিতে পারে বলে তারা মনে করেন।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে গুজরাট ও দিল্লিতে এমন অনেক রোগী পাওয়া গেছে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম খবর দিচ্ছে।

নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, চোখ কিংবা গাল ফুলে ওঠা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশনের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া, নাক দিয়ে কালো কিছু বেরিয়ে এলে সঙ্গে সঙ্গে বায়োপসি বা পরীক্ষা করিয়ে চিকিৎসা শুরুর জন্য ভারতীয় চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন।

ফাঙ্গাস ইনফেকশন দ্রুত চিহ্নিত করে ঔষধ প্রয়োগ করার মাধ্যমে ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশের লেলিন চৌধুরী।

“বাংলাদেশে এ রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ঔষধ যথেষ্ট আছে। তাই, এ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে যে কোন ধরনের পোস্ট-কোভিড জটিলতা হলেই দ্রুত চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হবে,” বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

সূত্রঃ বিবিসি নিউজ

শাহজাদপুরে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ শুরু

সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরেও শুরু হয়েছে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ। আজ রোববার (১৬ মে) সকাল ১১ টায় উপজেলার রুপপুর পুরাতন পাড়া আনোয়ার হাজির বাড়ীতে কৃমি সপ্তাহের উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমকে জানান, এবছর কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ ১৬ মে থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলমান থাকবে।

এছাড়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মোট ৫৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও  প্রতিদিন পৌরসভার ২টি করে ওয়ার্ডে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১লক্ষ ৪৪ হাজার ৪৪০ জন শিশুকে ১ ডোজ কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ানোর লক্ষ‍্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমকে জানায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম খান ।

বাতাসে উড়ে কত দূর যেতে পারে করোনাভাইরাস, কতক্ষণের মধ্যে ছড়ায় সংক্রমণ?

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয় মূলত নাক-মুখ বা চোখের মাধ্যমে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্তা ও চিকিৎসকেদের এমনটাই বক্তব্য। সংক্রমিত ব্যক্তির খুব কাছে এলে তার মুখ বা নাক থেকে ছিটে আসা সামান্য কয়েকটা ফোঁটাও ছড়াতে পারে কোভিড সংক্রমণ। ফলে অন্তত দু’মিটার বা ছ’-সাত ফুট দূরে থাকতে হবে কোভিড রোগীর থেকে। না হলে সংক্রমিতের শরীর থেকে ভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে অন্যের শরীরেও। তার শরীরেও দেখা দিতে পারে মাথা ব্যথা, জ্বর, কাশির মতো উপসর্গ। অথবা উপসর্গ না থাকলেও সংক্রমিত হতে পারেন কেউ।

করোনা আক্রান্ত কারও হাঁচি, কাশি থেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে ভাইরাস। সে কারণেই একে অপরের সঙ্গে মিটার দুয়েক দূরত্ব রেখে চলাফেরা করতে বলা হচ্ছে বারবার। পরতে বলা হচ্ছে মাস্ক। যাতে কারও শ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ভাইরাস ছড়ালেও তা ঢুকতে না পারে অন্যের শরীরে।
তবে দু’মিটার দূরত্ব কেন রাখতে বলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। বিশেষ করে যখন অনেকে বলছেন যে করোনাভাইরাস আসলে বায়ু বাহিত? বিজ্ঞানীদের মত, বাতাসে থাকলেও এই ভাইরাস বেশি দূর এগোতে পারে না। সংক্রমিতের শরীর থেকে বেরিয়ে, তার দু’মিটারের মধ্যেই ঘোরাফেরা করে। তার মধ্যেই মধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে নীচে নেমে আসে এই ভাইরাস। আর বাতাসে ঘুরে বেড়াতে পারে না। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরে দু’-তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকে ভাইরাস। তারপর নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এই কারণেই কোথাও হাত দিলে বারবার সাবান আর পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে বলা হচ্ছে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেও বলা হচ্ছে সেজন্য।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার

করোনায় একদিনে আরও ৯৮ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৭৮১ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৪ জন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪ জনে।
বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে গত ৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

লকডাউনের প্রথম দিনে জনসচেতনতায়


শাহজাদপুরে থানা পুলিশের মাস্ক বিতরণ

মোঃ আল আমিন হোসেন,শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : ‘আসুন সবাই মাস্ক পরি, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি, করোনা মুক্ত দেশ গড়ি।’- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে ২য় ধাপে লকডাউনের প্রথম দিনে করোনার ২য় ঢেউ মোকাবেলায় শাহজাদপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এদিন সকালে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রাটি থানা চত্বর থেকে বের হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানা চত্বরেই গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা চলাকালে মাস্কবিহীন অসংখ্য পথচারীদের মাস্ক পরিয়ে দেয় থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।

জনসচেতনতামূলক এ শোভাযাত্রায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ ন্যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) হাসিবুল ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান, ওসি (তদন্ত) কমল কুমার দেবনাথ, ওসি (ওপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদ, পৌর কাউন্সিলর আল মাহমুদ, নাজমুল হোসেন,আফসার উদ্দিন,নারী কাউন্সিলর সিলভী পারভিন মিঠুসহ থানা পুলিশের সকল এসআই, এএসআই ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

শাহজাদপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন

এমএ হান্নান শেখ, নিজস্ব প্রতিবেদক :প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা লক্ষ্যে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নে নিজাম উদ্দিন রতনকান্দি উত্তরপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ফিতা কেটে এই কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করেন শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মোঃ আজাদ রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আমিনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন(দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত) সিরাজগঞ্জ ড. আশরাফুল নাহার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হোসেন, ডি.পি.এম-সি.বি.এইচ.সি. ঢাকা ড. ফারুক হোসাইন, প্রশিক্ষন কর্মকর্তা (সিবিএইসি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ) মোঃ শামীম রোজা, হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বাচ্চু প্রমুখ।

আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি'র নির্দেশনায় ভবিষ্যতেও জনকল্যাণে এভাবেই কাজ করবে যুবলীগ


শাহজাদপুরে যুবলীগের উদ্যোগে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ

নতুন করে করোনার সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে যুবলীগের উদ্যোগে শাহজাদপুরে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেলে শাহজাদপুর পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে সর্বসাধারনের মাঝে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আশিকুল হক দিনার ও যুগ্ম-আহবায়ক কামরুল হাসান হিরোক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সোহেল রানা, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক আশিকুল হক দিনার ও যুগ্ম-আহবায়ক কামরুল হাসান হিরোক বলেন, ‘শাহজাদপুরের গণমানুষের নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় করোনার ক্রান্তিকালের শুরু থেকেই জনকল্যাণে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, খাবারসহ নানা স্বাস্থ্য উপকরন বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচী পালন করে আসছে শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ হাজার মাস্ক বিতরণ কর্মসূচীর প্রথম দিনে সর্বসাধারণের মধ্যে এদিন ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া করোনার সংক্রমন হ্রাসে ভবিষ্যতেও সাধারন জনমানুষের পাশে এভাবেই থাকবে যুবলীগ।’

উল্লেখ্য, উক্ত মাস্ক বিতরণকালে শাহজাদপুর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।