এনায়েতপুর থানা ইয়ূথ ফোরামের সংবর্ধণা ও পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আজ এনায়েতপুর থানা ইয়ূথ ফোরামের সংবর্ধণা ও পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নানা আয়োজনে পরিপূর্ণ ছিল এদিন। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্য্যক্রম শুরু হয়।

টি শার্ট বিতরণ ও খেলা-ধুলাসহ নানা প্রকার আয়োজন ছিল দিনের প্রথম ভাগে। পরে উপদেষ্টা ও সম্পাদক মন্ডলদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রধান করা হয়।

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও টেক্সজেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব সেখ আব্দুল সালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব আব্দুল মমিন মন্ডল, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্য সিরাজগঞ্জ ৫।

বক্তারা এনায়েতপুর থানার বিভিন্ন দাবি তুলে ধরাসহ এনায়েতপুর থানাকে উপজেলায় রুপান্তর করার লক্ষে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার জন্য আহবান করেন।

এছাড়াও যমুনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনরোধে সরকারের দৃষ্টি গোচর করার লক্ষে নানা রকম কর্মসুচি হাতে নেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, এই সংগঠনের মধ্যে দিয়ে এনায়েতপুরের মানুষের দাবি উপলব্ধি হবে বলে আশা ব্যাক্ত করেন। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনায়েতপুর থানা ইয়ূথ ফোরামের সভাপতি জাকারিয়া তৌহিদ তমাল । অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, এনায়েতপুর থানা ইয়ূথ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।

যমুনার দুর্গম চরে আলোর ছোয়া

যেখানে মানুষের চলাচলের জন্য নেই ভাল যাতায়াত ব্যবস্তা, নেই চিকিৎসা ব্যবস্তা, সেখানে সোলার বিদ্যুৎ এর আলোয় আলোকিত হয়েছে যমুনা চরবাসী। এই অসাধ্য সাধন করেছে রহিম আফরোজ রিনিউএবল এনার্জি লিমিটেড। তাদের এই মহৎ উদ্দেগের কারনে চরবাসী আজ আলোকিত হতে পেরেছে। অন্ধকার আচ্ছন্ন চরবাসী পেয়েছে আলোর দেখা।

রাতের অন্ধকার কাটাতে এক সময় কুপি কিংবা হারিকেনের আলোই ছিল চরবাসীর মূল ভরসা। কিন্তু এখন তা অতীত হয়েছে। কারণ, দুর্গম চরে পৌঁছে গেছে সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ সংযোগ। আর সেই সংযোগে ঘরে ঘরে জ্বলছে আলো। ছাত্র-ছাত্রীতাছারা লেখা পড়া করতে আরো বেশি উৎসাহ পাচ্ছে। চর বাসী ডাকাতের ভয়ে থাকত এখন সোলার বিদ্যুৎ এর কারণে গ্রামে গ্রামে বাতি হওয়ায় আলোকিত চরে পরিণত হয়েছে ফলে চোর ডাকাতের উপদ্রুপ অনেকটাই কমেছে।

এ বিষয়ে প্রজেক্টট ইনচার্জ মুজাম্মেল হক জানান আমাদের এই প্রজেক্টটি ৮০ কিলো ওয়াট পিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম।এখানে ২৫০ টি প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় এবং তিনটি ফেজের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ৬ কিলো মিটার বিস্তৃত ২২০ টি পরিবার এই সেবার আওতায় রয়েছে এবং ২৫ বছরের প্রজেক্ট নিয়ে কোম্পানিটি কাজ করছে।সেবার আওতার গ্রাম গুলো হলো বাইনতিয়ার চর,গোরজান,নওহাটা।গ্রাহকদের প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয় এবং প্রিপেইড মিটারের আওতাদিন সকল সংযোগ।

নওহাটার গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা মোল্লা বলেন এই বিদ্যুৎ আমাদের এলাকার মানুষের জীবন যাত্রার মান আমুল পরিবর্তন এনেছে। আগে আমরা মোবাইল ফোন চার্জ দিতে পারতাম না,চার্জের জন্য নদীপার দিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে হতো।এখন মোবাইল চার্জ টিভি,ফ্রিজ সব চালাতে পারি কোন সমস্যা হয় না।আমাদের অনেক উপকার হয়েছে এবং এলাকার মানুষ খুবই আনন্দিত।

সরকারিভাবে সহজশর্তে ঋণ দেয়ার দাবী


এনায়েতপুরের তাঁতি ও শ্রমিকদের মানবেতর দিনযাপন

করোনাে ক্রান্তিকালে ভালো নেই এনায়েতপুরে থানার অন্তর্গত এনায়েতপুর, খুকনি, শিবপুর, গোপীনাথপুর, রুপসীসহ আশপাশের তাঁতি ও  শ্রমিকেরা।

ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পে মন্দাভাব বিরাজ করায় পুঁজি সংকটসহ বহুমূখী সমস্যায় জর্জরিত হয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। তাঁত নির্ভর জেলা সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরের মানুষের প্রধান কর্মই হল তাঁত । অর্থাভাবে তাঁত বন্ধ থাকায় ও অন্য কোন কাজ না জানায় তারা দিনে দিনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ফলে তাদের সংসার চালানোর কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। কাজের কোন পথ খোলা না থাকায় তারা রাজধানীর বুকে পাড়ি দিচ্ছে। এতে করে তাঁত শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

তাঁত মালিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি শাড়ি কাপর তৈরি করতে আগে খরচ হতো ৪০০টাকা সেই শাড়ি বর্তমানে ৫০০/৫৫০ টাকা উৎপাদন খরচ হচ্ছে।খরচ বৃদ্ধি পেলেও ন্যায্য দামে উৎপাদিত বস্ত্র বিক্রি করতে পারছে না তারা। তাছাড়া চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় ক্রেতা সংকট পড়েছে তাঁত মালিকরা।  এমতবস্থায় কাপড় উৎপাদন করতে আগ্রহ হারাচ্ছে সাধারণ তাঁত মালিক ও মহাজনেরা।

স্থানীয়  তাঁত শ্রমিক কুরবান সেখ বলেন, ‘তাঁতের কাজ না থাকায় স্বপরিবারে কাজের সন্ধানে নারায়ণগঞ্জ চলে যাচ্ছি। এখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। তিনি আরো বলেন আমার মতন অনেক তাঁত শ্রমিক এলাকা ছাড়া হয়েছে।’

এলাকার বেশ কয়েকজন কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, বাইরের ক্রেতা না আসার কারণে কাপড় বিক্রি করতে পারছিনা, ফলে মহাজনদের নিকট থেকে কাপড় নিতে পারছিনা, বিক্রি না থাকার ফলে তারা কাপড় উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় তাঁতী মহাজন  আজাহার বলেন, কাপড় বিক্রি করতে না পারলে উৎপাদন করে কি করব। তা ছাড়া সুতার দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবার কারণে খরচের মাত্রা বেড়ে গেছে, আমরা এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না । এমতাবস্থায় তাঁত বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছি।

তাঁতীরা আরও জানান, করোনাকালীন সময়ে দেশের তাঁতসমৃদ্ধ বিভিন্ন এলাকায় প্রান্তিক তাঁতিদের পুঁজি সংকট লাঘবে সরকারিভাবে সহজশর্তে ঋণ দেয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে আমাদের তা না দেয়ায় পুঁজি সংকটে পড়ে বর্তমানে আমরা চোখেমুখে সর্ষের ফুল দেখছি।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন; বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ


এনায়েতপুরে মুক্তিযোদ্ধা গাজী সরাফ উদ্দিন আহম্মেদের ইন্তেকাল

মোঃ আসাদুর রহমান, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার জালালপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী সরাফ উদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন । ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সোমবার ভোর ৪টা ২০ মিনিটে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন ।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। অনেকদিন যাবত তিনি ডায়াবেটিস সহ নানা রকম রোগব্যাধিতে আক্রন্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার বাদ আছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

তার মৃত্যুতে সিরাজগঞ্জ -৬ (শাহজাদপুর)আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুর রহমান স্বপন, থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ সহ মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ


মন্ডল গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি আবদুল মজিদ মন্ডল আর নেই

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুল মজিদ মন্ডল (৭২) আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে স্বাসকষ্ট জনিত কারণে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে স্কয়ার হাসপাতালে নেয়ার পথে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মন্ডল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

তার বড় ছেলে বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুল মমিন মন্ডলের এপিএস তাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আবদুল মজিদ মন্ডল মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, জেলা-থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, শাহজাদপুরের এমপি আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন, এনায়েতপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহল।

পারিবার ও রাজনৈতিক সুত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানাধীন রুপনাই গ্রামের মৃত হাজী জহুরুল ইসলামের বড় ছেলে শিল্পোদ্যক্তা আলহাজ্ব আবদুল মজিদ মন্ডল ব্যবসায়ী জগতে এক উজ্জল নক্ষত্র হয়ে দেশের বিখ্যাত গার্মেন্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান মন্ডল গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ হিতৈশী ব্যক্তিত্ব হিসেবে এলাকায় যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।

এছাড়া রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আবদুল মজিদ মন্ডল তার নির্বাচনী এলাকায় একজন মানবিক সংসদ সদস্য হিসেবে নেতাকর্মীদের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছিলেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। এর আগে তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মজিদ মন্ডল সরকারী সহায়তার পাশাপাশি হাজী আবদুল মজিদ মন্ডল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতের সময় কম্বল, বন্যা ও নানা দুর্যোগে আর্থিক, ইফতার ও খাদ্য সামগ্রীসহায়তা করেছেন। নির্লোভ এই শিল্পপতি ও সাবেক সাংসদ এলাকার উন্নয়নে রেখেছেন স্বরণীয় ভুমিকা।

এদিকে আবদুল মজিদ মন্ডলের ইন্তেকালের খবরে তার নির্বাচনী এলাকার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের জনসাধারনে মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শুক্রবার বাদ জুমা রুপনাই ঈদগাহ ময়দানে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন সম্পন্ন হবে।

তার বিদেহী আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন বড় ছেলে বর্তমান সংসদ সদস্য ও মন্ডল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মমিন মন্ডল।

এনায়েতপুরের বিশিষ্ট সমাজ সেবক শফি হাজী আর নেই

সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্পকে অনন্য উচ্চতায় নিতে ভুমিকা পালনকারী এনায়েতপুর থানার খুকনী গ্রামের বিশিষ্ট তাঁত ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক হাজী শফিকুল ইসলাম শফি (৬৪) বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্বীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

শনিবার বাদ আসর খুকনী আটারদাগ জামিয়া হুসাইনিয়া মদীনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা ময়দানে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্মপ্রাণ মসুল্লীদের শরিক হবার আহবান জানানো হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম শফি মাস খানেক আগে ফুসফুসে সমস্যা নিয়ে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন। এখানে তার দেহে করোনা পজিটিভ আসে। এরপর ঢাকার সমরিতা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শনিবার ভোর রাতে হাজী শফি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তার মৃত্যুতে সাবেক মন্ত্রী সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, স্থানীয় এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন, সামাজিক সংগঠন একুশে ফোরামের সভাপতি আখতুরুজ্জামান তালুকদার সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা গভীর শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, শফি হাজীর মৃত্যু এনায়েতপুর এক দরদী সমাজপতিকে হারালো।

শফি হাজী এক দিকে সামাজিক ভাবে মানুষের পাশে যেমন দাঁড়াতেন। তেমনি ছিলেন শিক্ষানুরাগী। ছিলেন ঐতিহ্যবাহী খুকনী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের দীর্ঘ দিন সভাপতি।

জনমনে প্রশ্ন, লম্পট নাজমুলের খুঁটির জোর কোথায় ?


শাহজাদপুরে মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট নাজমুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টাসহ নারীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী মন্ডলপাড়ার জনতা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার-২ এর মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট লম্পট নাজমুলের একের পর ধর্ষন চেষ্টাসহ নারীদের শ্লীলতাহানীর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক ঘটে যাওয়া এসব ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝড় বইছে। সবশেষ ওই ক্লিনিকের যুবতী এক আয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষন চেষ্টার ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। এ ঘটনাও ধামাচাপা দিতে একটি প্রভাবশালী মহল উঠেপড়ে লেগেছে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জনতা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার-২ এ গত ২০১৮ তাড়াশ উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলামকে মেডিকেল এ্যাসিষ্টেন্ট পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর থেকেই নাজমুল নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগীদের সাথে চিকিৎসাসেবা প্রদানের নামে প্রতারণা চালিয়ে আসছে ও বিভিন্ন সময়ে নারীদের নানাভাবে যৌন হয়রানী করে আসছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, আড়াই বছর আগে জনতা ক্লিনিকে কর্মরত বাক্ষ্মণগ্রামের এক আয়াকে মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট নাজমুল ধর্ষনের চেষ্টা করে। ভুক্তভোগী আয়া এ ঘটনা পরিবারের সদস্যদের জানালে সালিসী বৈঠকে হাত-পা ধরে সেবারের মতো পার পান লম্পট নাজমুল। একই ভাবে বছর খানেক আগে খোকশাবাড়ি গ্রামের জনৈক প্রবাসীর স্ত্রী চিকিৎসাসেবা নিতে আসলে তার শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায় লম্পট নাজমুল। বিষয়টি ভুক্তভোগীর অভিভাবকেরা জানতে পেরে বিচার চাইলে গ্রাম্য সালিশে মোটা অর্থের বিনিময়ে আবারও ধামাচাপা পড়ে যায় নাজমুলের এ কুকর্ম। সর্বশেষ গত ১৮ আগষ্ট রাতে জনতা ক্লিনিক-২ এর এক আয়াকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে নাজমুল। নির্যাতনের শিকার ওই আয়া এর বিচার চাইলে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে মোটা টাকার বিনিময়ে এবারও ন্যাক্কারজনক ওই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে অনৈতিকভাবে সমঝোতার মাধ্যমে রক্ষা পায় নাজমুল।

এ বিষয়ে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী আয়া আমার কাছে অভিযোগ করে প্রায়শই নাজমুল তাকে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে সাড়া না দেয়ায় নাজমুল তাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। নাজমুলের নানা কু-কর্ম বরাবরই অজ্ঞাত খুঁটির জোরে ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে । তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, ‘মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট নাজমুল কর্তৃক হাসপাতালে কর্মরত ও চিকিৎসাসেবা নিতে নারীদের ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতহানীর অসংখ্য ঘটনায় হাসপাতালের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। লম্পট নাজমুলের নানা অপকর্মের ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন সিভিল সার্জন।’

এ বিষয়ে এনায়েতপুর থানার ওসি মোল্লা মাসুদ পারভেজ জানান, ‘অভিযোগ পেলে মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট নাজমুলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শনিবার দুপুরে মুঠোফোনে এসব বিষয়ে সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ জাহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মেডিকেল এসিষ্ট্যান্ট নাজমুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সাধারন ঘটনা নিয়ে আয়ার সাথে সৃষ্ট মনমালিন্য মিমাংসা করে নেয়া হয়েছে।’

এদিকে, বহু নারী কেলেংকারির হোতা লম্পট নাজমুল একের পর এক নানা অপকর্ম ঘটিয়ে প্রতিবারই বেচে যাওয়ায় জনমনে প্রশ্ন জেগেছে তার খুঁটির জোর কোথায় ? সেইসাথে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন এলাকাবাসী।

বিচার দাবী


যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হত্যা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের রুপনাই গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে দোলেনা খাতুন (৩৩) নামের এক গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত দোলেনা রুপনাই গ্রামের মামুন খানের স্ত্রী এবং খুকনী গ্রামের তাঁত ব্যবসায়ী সুলতান হোসেনের মেয়ে। এনায়েতপুর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ১৩ বছর আগে উপজেলার রুপনাই গ্রামের কাদের খানের ছেলে যৌতুক লোভী মামুন খানের সাথে খুকনী গ্রামের তাঁত ব্যবসায়ী সুলতান হোসেনের মেয়ে দোলেনার বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের ঘরে ৩ সন্তান রয়েছে। মামুন কাপড়ের ব্যবসা করতো। পরে শ্বশুর বাড়ি থেকে জোর করে টাকা নিয়ে বিদেশে কাজের জন্য গিয়ে মাস খানেক থাকার পর দেশে ফিরে আসে। এরপর মামুন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নানা ব্যবসা করে ঋনগ্রস্থ হয়ে পড়ে । এজন্য মামুন টাকা ও গহনার জন্য স্ত্রী দোলেনা খাতুনকে মাঝে-মধ্যেই নির্যাতন করতো ও টাকার জন্য দোলেনার স্বজনদের ওপর চাপসৃষ্টি করতো। গত কোরবানীর ঈদের সময় মামুন ঢাকা থেকে বাড়ি এসে দাবীকৃত টাকা গহনা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর গৃহবধুর বাড়ির লোকজনে চাপ বহুগুণে বেড়ে যায়। এতেও গয়না টাকা না পেয়ে শুক্রবার বিকেলে দোলেনা খাতুনকে শ^শুরবাড়িতেই পরিকল্পিতভাবে শ^াসরোধে হত্যা করা হয় বলে নিহতের স্বজনেরা অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে এনায়েতপুর থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে নিহত দোলেনা খাতুনের বড়ভাই ইব্রাহীম হোসেন জানান, ‘বিয়ের পর থেকে দোলেনার স্বামী মামুনসহ শ^শুরবাড়ির লোকজন টাকা ও গহনার জন্য অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলো। টাকা গহনার জন্যই তাকে শ্বাসরোধে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।’

অপরদিকে, এ বিষয়ে এনায়েতপুর থানার ওসি মোল্লা মাসুদ পারভেজ জানান, ‘লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

‘উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাঁড়ে’


শাহজাদপুরে দুস্থদের কার্ড দেয়ার নামে উৎকোচ গ্রহণ ও আত্মসাতের অভিযোগ

শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতার কার্ড দেয়ার নামে উৎকোচ গ্রহণ করে আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, ওই ইউনিয়নের জনৈক নুরুন্নাহার ও সামাদ নামের ২ জন ওই ইউনিয়নের দ্বাদশপট্টি এলাকার ৮/১০ জন দুস্থ্যকে বিভিন্ন ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৭ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে ‘উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাঁড়ে’ চাপানোর মতোই নিজেরাই আবার বাদী হয়ে জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে জালালপুর ইউনিয়নের দ্বাদ্বশপট্টি জেলেপাড়া মহল্লার ভুক্তভোগী বাতাসী খাতুন, লিপি রানী, মর্জিনা বেওয়া, অঞ্জনা ও আছিয়া খাতুন সাংবাদিকদের জানান, ‘৩ বছর আগে ভাতা’র কার্ড করে দেয়ার কথা বলে একই মহল্লার নুরুন্নাহার তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়েছে। শুনেছি, পরে নুরুন্নাহার সেই টাকাগুলি সামাদকে দিয়েছে। আমরা চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদকে কোন টাকা দেইনি। কার্ড না পেয়ে নুরুন্নাহারের কাছে টাকা ফেরত চাইলে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নুরুন্নাহার বাদী হয়ে সামাদ ও চেয়ারম্যানকে বিবাদী করে এনায়েতপুর থানায় একটি অভিযোগ করেছে। আমরা নুরুন্নাহারের কাছে টাকা ফেরত চাই।
এ বিষয়ে নুরুন্নাহার বলেন, ‘ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে আমি বাতাসী খাতুন, লিপি রানী, মর্জিনা বেওয়া, অঞ্জনা, আছিয়া খাতুনসহ ৮/১০ জনের কাছ থেকে ৭ হাজার করে টাকা নিয়েছি। সেই টাকাগুলো আমি সামাদের কাছে দিয়েছি। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেয়ায় আমি বাধ্য হয়ে সামাদ ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি।’ কার্ড দেয়ার নামে ঘুষের টাকা তোলা অপরাধ কি না ?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুন্নাহার বলেন, ‘এ ঘুষের টাকা তুলে আমি অপরাধ করেছি। আমি নিজ হাতে চেয়ারম্যানকে কোন টাকা দেইনি।’
অপরদিকে আব্দুস ছামাদ বলেন, ‘চেয়ারম্যান টাকা আনতে বললে আমি ওই টাকা এনে চেয়ারম্যানকে দিয়েছি। তাছাড়া আর কিছু জানি না।’
এ বিষয়ে জালালপুর ইউপি চেয়ারমান হাজী সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘ভাতার কার্ড করে দেয়ার নামে জালালপুর ইউপিতে কখনও টাকা নেয়ার নজির নেই। তবে জানতে পারলাম ৩ বছর আগে আমার নাম ভাঙ্গিয়ে নুরুন্নাহার ও সামাদ কার্ড করে দেয়ার কথা বলে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটা টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছে। এ বিষযে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে উৎকোচ গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে এনায়েতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ মাসুদ পারভেজের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

৯৯৯-এ কল দিয়ে যমুনার চর থেকে উদ্ধার পেল অর্ধশত শিক্ষার্থী

৯৯৯-এ কল দিয়ে উদ্ধার হল যমুনা চরে আটকে পড়া অর্ধশত শিক্ষার্থী। সোমবার রাত ১২টার পর বঙ্গবন্ধু সেতু ও যমুনা নদীতে ঈদ আনন্দ ভ্রমণ করতে আসা এসব শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও আটকে পড়া শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কামুটিয়া গ্রামের প্রায় ৫০ জন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী মিলে ইঞ্জিনচালিত একটি শ্যালো নৌকা নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু ও যমুনা নদীতে আনন্দ ভ্রমণে রওনা হন। দিনভর নদীতে নির্মল বিনোদনসহ দুপুরের খাবার গ্রহণ ও সেতু দর্শন করেন শিক্ষার্থীরা।

পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে যমুনা নদীর মাঝে আকস্মিকভাবে নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও মেশিন চালু না হওয়ায় রাত ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলাধীন এনায়েতপুরের যমুনা চরের ধুলিয়াবাড়ি এলাকায় আটকা পড়েন শিক্ষার্থীরা।

পরে শিক্ষার্থীরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ রাত ১২টার দিকে চরে গিয়ে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে। এছাড়া পুলিশি নিরাপত্তায় শিক্ষার্থীদের রাতযাপন শেষে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নিরাপদে তাদের বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে এনায়েতপুর থানার ওসি মোল্লা মাসুদ পারভেজ জানান, আটকে পড়া শিক্ষার্থীরা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের উদ্ধার করা হয়। তবে কারও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সকালে নিরাপদে সবাইকে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সূত্রঃ যুগান্তর