সদামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন যুবলীগ নেতা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন

গত ১২ অক্টোবর ২০২০ ইং, তারিখে বিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এ পি মহাদয়ের অনুমোদন এ বিদ্যুৎসাহী সদস্য নির্বাচিত হয়ে সাবেক সভাপতি মোঃ জহুরুল ইসলাম এর প্রস্তাবে সদামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয় প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন।

১১ সদস্যের পুর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হলঃ- সভাপতিঃ শহিদুল ইসলাম জীবন, সহ-সভাপতিঃ মোঃ আঃ লতিফ, সদস্য সচিবঃ মোঃ নিজাম উদ্দীন সদস্যবৃন্দঃ মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোছাঃ সালমা খাতুন, মোছাঃ শিল্পী খাতুন, মোঃ মোমিনুর রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন বলেন, আজ আপনারা সবাই আমাকে যে দায়িত্ব দিলেন তা যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি, এজন্য সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। আমরা সবাই এক সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ সহ সকল কাজে অগ্রগতি করবো ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। এরপর সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গনে স্থাপিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রওশন আলম, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব বরুণ চন্দ্র রায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এছাড়াও সকাল ৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব লয়লা ফেরদৌস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব, সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিকাল ৪.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ,তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি আজ এ কথা ঐতিহাসিক সত্যি যে রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনেরও প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তিনি আরো বলেন, যে বাংলাকে ভালোবাসে না, সে মানুষকে ভালোবাসে না, সে তার মাকে ভালবাসতে পারে না। যে বাংলাকে ভালবাসে না সে নিজেকে ভালোবাসা না,কাজেই নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন, দেশকে ভালোবাসুন, মাকে ভালোবাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন,এই হোক আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের ভাষা আন্দোলন নয় আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা আন্দোলন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের দরবারে পৌঁছেছে এই জায়গাটা আমাদের ধারণ করে বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে হবে, এমন একটি আয়োজন করে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২১ এর চেতনা সঞ্চারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী।

"আলোকবর্তিকা"র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০০ জন দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল, মাস্ক বিতরণ


শাহজাদপুরে শীতার্তদের পাশে শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু

সূর্যের দেখা নেই বেশ কয়েকদিন। ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে লোকালয়। উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া শেলের মত ঢুকে পড়ছে শরীরে। প্রচন্ড ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে গেছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশী কষ্টে আছে নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষ। এই শীতে সমাজের সেই সমস্ত সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়েছেন শিক্ষা ও সেবা মূলক সংগঠন “আলোকবর্তিকা”র প্রতিষ্ঠাতা শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু।

সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষা ও সেবা মূলক সংগঠন “আলোকবর্তিকা”র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০০ জন দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল, মাস্ক বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্ত্বে ও সহকারী শিক্ষক শামীমা নাহারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ হোসেন, ৭১ টিভির স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ, আলোকবর্তিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সহকারি শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু, আলোকবর্তিকার সদস্য আলোকছটা ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আফসানা ইসলাম অর্পি প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট মানবিক বিপর্যয়। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করাই হবে “আলোকবর্তিকা”র প্রধান উদ্দেশ্য। তারা আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন, এই সংগঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেকে একজন নির্ভিক, ন্যায়নিষ্ঠ, পরপোকারী, উদ্যমী সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা পাবে।
তারা আরও বলেন- বাধ্যবাধকতা নয়, উৎসাহ আর অনুপ্রেরণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক গুণাবলীর বিকাশ এবং শিক্ষাগ্রহণের প্রতি মনোযোগী করে গড়ে তোলার দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। সেইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাগুলো যেন প্রস্ফুটিত হতে পারে সেই সুযোগ করে দিয়ে পরিশুদ্ধ মানুষ গঠনের লক্ষ্যেই সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে। এজন্য শিক্ষিকা সুমনা আক্তার শিমুসহ আলোকবর্তিকার আলোকছটাদের সফলতা কামনা করেন।

করোনায় মারা গেলেন শাহজাদপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কাজল

শাহজাদপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার তাহিরা হাসান কাজল (৫৩) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মারা গেছেন। তিনি রাজবাড়ি জেলার সদর পৌর এলাকার সজ্জনকান্দা মহল্লার প্রফেসর আজাদ হাসানের স্ত্রী ও একই এলাকার এ্যাডভোকেট খন্দকার আবুল বাশারের মেয়ে। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে শাহজাদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন হল ঠান্ডা জনিত রোগে ভুগছিলেন। তার অবস্থার চরম অবনতি হলে তাকে ১ সপ্তাহ আগে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় এ দিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শাহজাদপুরের সরকারি হাই স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি

শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লটারির মাধ্যমে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার সকালে বিদ্যালয় চত্বরে এ লটারি অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ভর্তি কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ শামসুজ্জোহা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রধান শিক্ষক এস.এম সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার আমিনুল ইসলাম খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস.এম শাহাদৎ হোসেন, সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলাম, সহকারি প্রধান শিক্ষক শামীমা নাহার প্রমুখ।

লাটারি বাছাইকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, সবার উপস্থিতিতে লাটারির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে বাছাই করেই ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হলো। যাদের ভাগ্যে ভর্তির সুযোগ এসেছে তাদেরকে জানাই অভিনন্দন এবং যারা সুযোগ পায় নি, তাদেরকেও ধন্যবাদ জানিয়ে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে ভালোভাবে লেখাপড়া করার জন্য আহবান করছি। উল্লেখ্য, মোট ৭ শ’ ৪৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আবেদন করেন, তার মধ্যে লটারির মাধ্যমে ১ শ’ ১০ জন এবং ১০ জনকে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্দ্বী, সরকারি কর্মচারী কোটায় ভর্তি করা হয়েছে।

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি


এসএসসি পরীক্ষা জুনে এইচএসসি জুলাইয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ২০২১ সালের জুন মাসে এসএসসি ও জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে। এ ছাড়াও জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে।

বই উৎসবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে মঙ্গলবার অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি’র ফল নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবে না। করোনার কারণে এবার বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে সেই সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল নিয়ে যদি কোনো শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হন তাহলে তিনি নিজ শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। তবে আশা করছি রেজাল্ট নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না। এইচএসসি’র ফল তৈরি রয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধ্যাদেশ জারি করা হবে। অধ্যাদেশ জারির সঙ্গে সঙ্গেই ফল প্রকাশ করা হবে। জেএসসি বা জেডিসি’তে কোনো মার্কিং করা হবে না। শুধুমাত্র সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

২০২১ সালে শ্রেণিতে কোনো রোল নম্বর থাকবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নম্বর দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বৈষম্য দূরীকরণে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে সহযোগিতামূলক আচরণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রোল নম্বরের কারণে।

তাই ২০২১ সাল থেকে শ্রেণিকক্ষে থাকছে না কোনো রোল নম্বর। একজন শিক্ষার্থীর জন্য এই ইউনিক আইডি সারাজীবন থাকবে। এই আইডি সে সারাজীবন ব্যবহার করবে। এরমাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৬ই মার্চ থেকে প্রত্যক্ষ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল এই সময়কালে ক্লাসরুমে পড়ানোর উদ্যোগ নেবো, সেই চেষ্টা করছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও স্বল্প পরিসরে খুলে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম চলমান থাকবে।

বই উৎসবের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১লা জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষার্থী নতুন বই পাবে না। ধারাবাহিকভাবে ১২ দিনে সব ক্লাসে বই বিতরণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের বই নিতে হবে।

গত ১০ বছর থেকে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এটি আমাদের একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। করোনা হানা দিয়েছে বলে এবার সেই উৎসব আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ৩১শে ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি পাঠ্যবই বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।

এরপর থেকে স্কুলে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাগে তিনদিন বই বিতরণ করা হবে। মোট ১২ দিনে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আমরা দেখবো তারা সেটি পালন করে কিনা।

ভার্চ্যুয়াল এ সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

[ তথ্যসূত্র : যোগাযোগ বিডি ডটকম ]

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোঁধের বিকাশের লক্ষ্যেই 'আলোকবর্তিকা'


শাহজাদপুরে শীতার্তদের পাশে মহান শিক্ষক  সুমনা আক্তার শিমুর ‘মানবতার দেওয়াল’

জহুরুল ইসলাম, শাহজাদপুর ( সিরাজগঞ্জ ) প্রতিনিধি : ভেঙে পড়া সমাজ ব্যাবস্থায় মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব। যান্ত্রিকতার যুগে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক হয়ে উঠেছে কেবল স্বর্থের। একবিংশ শতাব্দীতে আত্মিক সম্পর্ক এখন কল্পনা। মানবিক সংকটের এই কালেও কেউ কেউ মানবতার ছাতা ধরেন অসহায় মানুষদের মাথার উপর। এমনই একজন মানবিক গুণসম্পন্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু। কেবল মানবিক দায়িত্ব বোধ থেকেই তৈরী করেছেন মানবতার দেওয়াল! শুধু তাই নয়, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেবাধর্মী মনোভাব তৈরি করে হারিয়ে যাওয়া নৈতিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছেন প্রাণপন। এই বিপর্যস্ত সময়ে আশার আলোর মত গড়ে তুলেছেন ‘আলোকবর্তিকা’ নামে শিক্ষা মূলক সংগঠন। শিশু-কিশোরদের চোখে স্বপ্ন বুনে দিতে, মানবিক গুণাবলি হৃদয়ে রোপন করতেই তিনি গড়ে তুলেছেন সংগঠনটি। আর এই সংগঠনের ব্যানারেই তিনি সৃষ্টি করেছেন ‘মানবতার দেওয়াল’! সমাজের সুবিধা বঞ্চিত অর্থহীন জনমানুষ যেন এখান থেকে তাদের প্রয়োজনীয় কাপড় ও শীতবস্ত্র বিনামূল্যে নিয়ে পরিধান করতে এবং সমাজের বিত্তবানেরা যেন তাদের অপ্রয়োজনীয় পোশাক ও শীতবস্ত্র অসহায়দের জন্য রেখে যায়;  সেই উদ্দেশ্যেই নির্মাণ করা হয়েছে ‘মানবতার দেওয়াল’!  এই প্রচেষ্টা তিনি গত বছর থেকেই চলিয়ে আসছেন বলে জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত বছরের মত করে আরও নতুন উদ্যোমে শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে দেয়ালের সাথে হ্যাঙ্গারে বিভিন্ন ধরনের পোশাক ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় পোশাক নিয়ে ব্যবহার করছে। বিদ্যালয়ের কিছু অভিভাবক ও শিক্ষার্থী ওই দেয়ালে পোশাক রেখে যাচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত ও অভাবগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও পরিধেয় কাপড় সরবরাহের জন্য এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের মহান শিক্ষক ও মানবতার দেয়ালের উদ্যোক্তা সুমনা আক্তার শিমু বলেন, “বিদ্যালয়ের ধনী পরিবারের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা নতুন ও তাদের অব্যবহৃত পুরাতন স্কুল ড্রেস ও পরিধেয় কাপড় এই দেয়ালে টাঙিয়ে রাখবে। বিদ্যালয়ের যে শিক্ষার্থীদের কাপড় প্রয়োজন ওই দেওয়াল থেকে তারা নিয়ে ব্যবহার করবে। সুবিধা বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও পরিধেয় কাপড় যোগান দিতেই এটি চালু করা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক গুণাবলী বিকশিত হবে।”

এটি সবসময়ই চালু থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ আরও জানান, “বর্তমান সময়ে মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট মানবিক বিপর্যয়। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত করাই ‘আলোকবর্তিকার’ প্রধান উদ্দেশ্য। এই সংগঠন শিক্ষার্থীদের  নির্ভিক, ন্যায়নিষ্ঠ, পরপোকারী, উদ্যোমী সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। নৈতিকতা বিবর্জিত কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বাধ্যবাধকতা নয়, উৎসাহ আর অনুপ্রেরণার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক গুণাবলীর বিকাশ এবং শিক্ষাগ্রহণ এর প্রতি মনোযোগী করে গড়ে তোলার দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।সেই সাথে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভা গুলো যেন প্রস্ফুটিত হতে পারে সেই সুযোগ করে দিয়ে পরিশুদ্ধ মানুষ গঠণের লক্ষ্যেই সংগঠণটি সৃষ্টি করা হয়েছে।”
এদিকে, সংগঠনটির মহৎ উদ্দেশ্যগুলোকে স্বাগত জানিয়ে এলাকার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ এবং সচেতনমহল সংগঠণটির উত্তরোত্তর প্রসার ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

লাশ পোস্টমর্টেমে : থানায় ইউডি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি


শাহজাদপুরে বিষাক্ত চোলাই মদপানে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু : অসুস্থ্য ৩

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিষাক্ত চোলাই মদপানে রুবেল হোসেন (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রের করুন মৃত্যু হয়েছে । নিহত রুবেল উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের নগরডালা মহল্লার শহিদুল মুন্সীর ছেলে। সে স্থানীয় মাওলানা সাইফুদ্দিন এহিয়া ডিগ্রি কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র। একই সাথে বিষাক্ত চোলাই মদ্যপায়ী অপর ৩ ছাত্র অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তারা হলেন, পৌর এলাকার শক্তিপুর মহল্লার ফটিকের ছেলে মোক্তার (২২), আলমের ছেলে সম্রাট (১৭) ও সাহেব আলীর ছেলে আলামিন (১৮)। এদের মধ্যে মোক্তারের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসক জানিয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, গতকাল শুক্রবার রাতে শাহজাদপুর পৌর এলাকার শক্তিপুর গ্রামের মোক্তার, সম্রাট, আলামিন ও হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের নগরডালা মহল্লার রুবেল এ ৪ ছাত্র বিষাক্ত চোলাই মদপান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে এদিন রাত ২ টার দিকে রুবেলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তার শারীরীক অবস্থার চরমাবনতি ঘটলে রাতেই তাকে বগুড়া জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হলে পথিমধ্যেই রুবেল মারা যায়। অপরদিকে, শনিবার সকালে অসুস্থ্য মোক্তার, সম্রাট ও আলামিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ রাকিব হাসান জানিয়েছেন।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহজাদপুর থানার এসআই এসলাম আলী জানান, ‘শনিবার দুপুরে রুবেলের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে স্থাপিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক। এরা হলেন, রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল, ম্যানেজমেন্ট অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের শিক্ষক জান্নাতুল মাওয়া মুন। মঙ্গলবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর রেজিস্টার মোঃ সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্র মনোনীত ওই ৫ শিক্ষক হাতে পেয়ে উপাচার্য ড. বিশ্বজিৎ ঘোষসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মনোনীত শিক্ষকেরা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৮ (১) ঝ ধারা মোতাবেক এ ৫ শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী জানিয়েছেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর জনসংযোগ দপ্তরের পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন


ইউজিসি’র সাথে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

উচ্চ শিক্ষায় সুশাসন ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাথে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী এবং বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি অডিটরিয়ামে চলতি অর্থবছরের চুক্তি সম্পাদন এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের এপিএ’র মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য গত দুইদিন ১ম ও ২য় পর্র্যায়ে ইউজিসি’র সঙ্গে ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারি কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এপিএ প্রবর্তন করা হয়। কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান এর সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এবং অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রারবৃন্দ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির ভাষণে অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও মানসম্পন্ন প্রশাসন উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উচ্চশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে সুশাসন অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের কষ্টের টাকা কোনক্রমেই অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আইন শৃঙ্খলা মেনে দক্ষ ভূমিকা রাখতে হবে। আইনের ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে ১৯ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, এপিএ’র ফোকাল পয়েন্ট এবং ইউজিসি’র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর জনসংযোগ দপ্তরের পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসি প্রতিবছর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে আসছে।