শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে


আলহাজ্ব মাঃ মোঃ আসির উদ্দিন স্যারের স্মরণে ভার্চুয়াল স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ আসির উদ্দিন স্যারের স্মরণে শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে গতকাল (০৪ ‍জুন, শুক্রবার) এক ভার্চুয়াল স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত ভার্চুয়াল স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন অত্র সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি জনাব মোজাফ্ফর হোসেন। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ জনাব রকীব আহমেদ এবং পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সংগঠনের সদস্য জনাব মোঃ সাহাদত হোসেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর এর বর্তমান পৌর মেয়র জনাব তরু খান লোদী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার, সংগঠনের উপদেষ্টা এম এ সাদিক খান মজলিস এবং ড. রমিজ আহমেদ।

সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনাব খন্দকার শামছুল হক সজল।

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও স্মৃতি চারণ করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবু হানিফ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরীফ সরকার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল আলীম মিলন।

আরো বক্তব্য রাখেন উক্ত সংগঠনের কার্যকরি কমিটির সদস্যদের মধ্যে ডাঃ লুৎফুল কবীর দুলাল, শাহরিয়ার খান, আলমগীর মোঃ মহিউদ্দিন আলহাদী সদস্য, মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ হাসিবুল হাসান শান্ত প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত আলোচনায় অংশগ্রহন করেন জনাব নূর মোহাম্মদ, একে আজাদ, আব্দুল লতিফ, শুভ্র চৌধুরী, গোলাম সাকলায়েন, রিপা খান, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

নিজ বাসা থেকে জাবি’র অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীতে নিজ বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রেহমানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ এপ্রিল) উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টের দোলনচাঁপা ভবনের নিজের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

জানা যায়, উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের ওই বাসায় একাই থাকতেন ড. তারেক শামসুর রেহমান। শনিবার সকালে বাসার কাজে নিযুক্ত গৃহপরিচারিকা এলেও ভেতর থেকে কেউ দরজা না খোলায় আশপাশের লোকজনকে খবর দেয় সে। পরে পুলিশ এলে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে দেখা যায় বাথরুমের সামনে পড়ে আছেন তিনি।

প্রতিবেশীরা জানান, শুক্রবারও বেশ প্রাণবন্ত ছিলেন তিনি। তাই হঠাৎ করে মৃত্যুর কোনো কারণ বলতে পারছেন না প্রতিবেশীদের কেউই।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী অধ্যাপক রেহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও বৈদেশিক নীতি এবং তুলনামূলক রাজনীতি নিয়ে তার একাধিক গ্রন্থ রয়েছে।

তার লেখা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গণতন্ত্রের শত্রু-মিত্র, নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র, উপআঞ্চলিক জোট, ট্রানজিট ইস্যু ও গ্যাস রফতানি প্রসঙ্গ, বাংলাদেশঃ রাষ্ট্র ও রাজনীতি, বাংলাদেশঃ রাজনীতির ২৫ বছর, বাংলাদেশঃ রাজনীতির চার দশক, গঙ্গার পানি চুক্তিঃ প্রেক্ষিত ও সম্ভাবনা, সোভিয়েত-বালাদেশ সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর ইত্যাদি।

অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. রেহমান নিয়মিত কলাম লিখতেন। প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে তার কলাম নিয়মিত ছাপা হতো।

শাহজাদপুরে মানচিত্রে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের শুভ উদ্বোধন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর ইব্রাহিম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (বিএম)-এ দেশের মানচিত্রের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন প্রধান অতিথি থেকে উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, পৌর মেয়র মনির আক্তার খান তরু লোদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাসুদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাক হোসেন, প্যানেল মেয়র তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাসুদ হাসান খান, শিক্ষক চন্দন কুমার বসাক প্রমুখ।

এখানে প্রথম বাংলাদেশের মানচিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের ছবি সম্বলিত এ ধরনের মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার উদ্বোধন করা হলো।

শাহজাদপুর সরকারি কলেজে ৩ ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন

শাহজাদপুর সরকারি কলেজের নতুন তিনটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করছেন সাংসদ আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন। বুধবার সকাল ১১ টায় সরকারি কলেজে এ ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আজাদ রহমান, কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস ছাত্তার,পৌর মেয়র মনির আক্তার খান তরু লোদী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাক আহমেদ,সহকারী কমিশনার মোঃ মাসুদ হোসেন, অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু উপস্থিত ছিলেন । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র কলেজের
শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা ।

সদামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন যুবলীগ নেতা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন

গত ১২ অক্টোবর ২০২০ ইং, তারিখে বিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এ পি মহাদয়ের অনুমোদন এ বিদ্যুৎসাহী সদস্য নির্বাচিত হয়ে সাবেক সভাপতি মোঃ জহুরুল ইসলাম এর প্রস্তাবে সদামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয় প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন।

১১ সদস্যের পুর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হলঃ- সভাপতিঃ শহিদুল ইসলাম জীবন, সহ-সভাপতিঃ মোঃ আঃ লতিফ, সদস্য সচিবঃ মোঃ নিজাম উদ্দীন সদস্যবৃন্দঃ মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোছাঃ সালমা খাতুন, মোছাঃ শিল্পী খাতুন, মোঃ মোমিনুর রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জীবন বলেন, আজ আপনারা সবাই আমাকে যে দায়িত্ব দিলেন তা যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি, এজন্য সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। আমরা সবাই এক সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ সহ সকল কাজে অগ্রগতি করবো ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। এরপর সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গনে স্থাপিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রওশন আলম, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব বরুণ চন্দ্র রায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এছাড়াও সকাল ৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব লয়লা ফেরদৌস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব, সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিকাল ৪.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ,তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি আজ এ কথা ঐতিহাসিক সত্যি যে রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনেরও প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তিনি আরো বলেন, যে বাংলাকে ভালোবাসে না, সে মানুষকে ভালোবাসে না, সে তার মাকে ভালবাসতে পারে না। যে বাংলাকে ভালবাসে না সে নিজেকে ভালোবাসা না,কাজেই নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন, দেশকে ভালোবাসুন, মাকে ভালোবাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন,এই হোক আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের ভাষা আন্দোলন নয় আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা আন্দোলন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের দরবারে পৌঁছেছে এই জায়গাটা আমাদের ধারণ করে বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে হবে, এমন একটি আয়োজন করে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২১ এর চেতনা সঞ্চারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী।

"আলোকবর্তিকা"র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০০ জন দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল, মাস্ক বিতরণ


শাহজাদপুরে শীতার্তদের পাশে শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু

সূর্যের দেখা নেই বেশ কয়েকদিন। ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে লোকালয়। উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া শেলের মত ঢুকে পড়ছে শরীরে। প্রচন্ড ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে গেছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশী কষ্টে আছে নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষ। এই শীতে সমাজের সেই সমস্ত সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়েছেন শিক্ষা ও সেবা মূলক সংগঠন “আলোকবর্তিকা”র প্রতিষ্ঠাতা শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু।

সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষা ও সেবা মূলক সংগঠন “আলোকবর্তিকা”র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০০ জন দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল, মাস্ক বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্ত্বে ও সহকারী শিক্ষক শামীমা নাহারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ হোসেন, ৭১ টিভির স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ, আলোকবর্তিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সহকারি শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু, আলোকবর্তিকার সদস্য আলোকছটা ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আফসানা ইসলাম অর্পি প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট মানবিক বিপর্যয়। এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করাই হবে “আলোকবর্তিকা”র প্রধান উদ্দেশ্য। তারা আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন, এই সংগঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেকে একজন নির্ভিক, ন্যায়নিষ্ঠ, পরপোকারী, উদ্যমী সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা পাবে।
তারা আরও বলেন- বাধ্যবাধকতা নয়, উৎসাহ আর অনুপ্রেরণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক গুণাবলীর বিকাশ এবং শিক্ষাগ্রহণের প্রতি মনোযোগী করে গড়ে তোলার দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। সেইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাগুলো যেন প্রস্ফুটিত হতে পারে সেই সুযোগ করে দিয়ে পরিশুদ্ধ মানুষ গঠনের লক্ষ্যেই সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে। এজন্য শিক্ষিকা সুমনা আক্তার শিমুসহ আলোকবর্তিকার আলোকছটাদের সফলতা কামনা করেন।

করোনায় মারা গেলেন শাহজাদপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কাজল

শাহজাদপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার তাহিরা হাসান কাজল (৫৩) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মারা গেছেন। তিনি রাজবাড়ি জেলার সদর পৌর এলাকার সজ্জনকান্দা মহল্লার প্রফেসর আজাদ হাসানের স্ত্রী ও একই এলাকার এ্যাডভোকেট খন্দকার আবুল বাশারের মেয়ে। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে শাহজাদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন হল ঠান্ডা জনিত রোগে ভুগছিলেন। তার অবস্থার চরম অবনতি হলে তাকে ১ সপ্তাহ আগে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় এ দিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শাহজাদপুরের সরকারি হাই স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি

শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লটারির মাধ্যমে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার সকালে বিদ্যালয় চত্বরে এ লটারি অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ভর্তি কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ শামসুজ্জোহা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রধান শিক্ষক এস.এম সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার আমিনুল ইসলাম খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস.এম শাহাদৎ হোসেন, সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলাম, সহকারি প্রধান শিক্ষক শামীমা নাহার প্রমুখ।

লাটারি বাছাইকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, সবার উপস্থিতিতে লাটারির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে বাছাই করেই ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হলো। যাদের ভাগ্যে ভর্তির সুযোগ এসেছে তাদেরকে জানাই অভিনন্দন এবং যারা সুযোগ পায় নি, তাদেরকেও ধন্যবাদ জানিয়ে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে ভালোভাবে লেখাপড়া করার জন্য আহবান করছি। উল্লেখ্য, মোট ৭ শ’ ৪৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আবেদন করেন, তার মধ্যে লটারির মাধ্যমে ১ শ’ ১০ জন এবং ১০ জনকে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্দ্বী, সরকারি কর্মচারী কোটায় ভর্তি করা হয়েছে।

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি


এসএসসি পরীক্ষা জুনে এইচএসসি জুলাইয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ২০২১ সালের জুন মাসে এসএসসি ও জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে। এ ছাড়াও জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে।

বই উৎসবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে মঙ্গলবার অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি’র ফল নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবে না। করোনার কারণে এবার বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে সেই সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল নিয়ে যদি কোনো শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হন তাহলে তিনি নিজ শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। তবে আশা করছি রেজাল্ট নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না। এইচএসসি’র ফল তৈরি রয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধ্যাদেশ জারি করা হবে। অধ্যাদেশ জারির সঙ্গে সঙ্গেই ফল প্রকাশ করা হবে। জেএসসি বা জেডিসি’তে কোনো মার্কিং করা হবে না। শুধুমাত্র সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

২০২১ সালে শ্রেণিতে কোনো রোল নম্বর থাকবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নম্বর দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বৈষম্য দূরীকরণে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে সহযোগিতামূলক আচরণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রোল নম্বরের কারণে।

তাই ২০২১ সাল থেকে শ্রেণিকক্ষে থাকছে না কোনো রোল নম্বর। একজন শিক্ষার্থীর জন্য এই ইউনিক আইডি সারাজীবন থাকবে। এই আইডি সে সারাজীবন ব্যবহার করবে। এরমাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৬ই মার্চ থেকে প্রত্যক্ষ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল এই সময়কালে ক্লাসরুমে পড়ানোর উদ্যোগ নেবো, সেই চেষ্টা করছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও স্বল্প পরিসরে খুলে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম চলমান থাকবে।

বই উৎসবের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১লা জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষার্থী নতুন বই পাবে না। ধারাবাহিকভাবে ১২ দিনে সব ক্লাসে বই বিতরণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের বই নিতে হবে।

গত ১০ বছর থেকে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এটি আমাদের একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। করোনা হানা দিয়েছে বলে এবার সেই উৎসব আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ৩১শে ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি পাঠ্যবই বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।

এরপর থেকে স্কুলে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাগে তিনদিন বই বিতরণ করা হবে। মোট ১২ দিনে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আমরা দেখবো তারা সেটি পালন করে কিনা।

ভার্চ্যুয়াল এ সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

[ তথ্যসূত্র : যোগাযোগ বিডি ডটকম ]