রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

শুক্রবার ২৬শে মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৯:০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। সকাল ৯:৩০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গণে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়, পরবর্তীতে অস্থায়ী একাডেমিক ভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। অনুষ্ঠান শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়।পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দ্বায়িত্ব) শিবলী মাহবুবসহ
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সন্ধ্যা ৭.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হবে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে আলোচনা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তা হিসাবে আলোচনা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করবেন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্ম-শতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

বঙ্গবন্ধুর জন্ম-শতবার্ষিকী ও জাতী শিশু দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। পরে অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১-এ বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে পরবর্তী কর্মসূচি শুরু করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। এস ময় উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ, ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দ্বায়িত্ব) মোঃ শিবলী মাহবুবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক,কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সন্ধ্যায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ এর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভ) এর উদ্যোগ নেয়া হয়। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.আবদুল খালেক। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী। এছাড়াও অন্যান্য আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম,পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড.মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এ যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭-ই মার্চ উদযাপিত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭-ই মার্চ উদযাপিত হয়েছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। পরে একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গণের বঙ্গবন্ধু’র পতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক শিবলী মাহবুব, সহকারী রেজিস্ট্রার শেখ আল-মাসুদ, সহকারী পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ার হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭ টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ এর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী জানিয়েছেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। এরপর সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গনে স্থাপিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রওশন আলম, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব বরুণ চন্দ্র রায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এছাড়াও সকাল ৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব লয়লা ফেরদৌস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব, সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিকাল ৪.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ,তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি আজ এ কথা ঐতিহাসিক সত্যি যে রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনেরও প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তিনি আরো বলেন, যে বাংলাকে ভালোবাসে না, সে মানুষকে ভালোবাসে না, সে তার মাকে ভালবাসতে পারে না। যে বাংলাকে ভালবাসে না সে নিজেকে ভালোবাসা না,কাজেই নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন, দেশকে ভালোবাসুন, মাকে ভালোবাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন,এই হোক আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের ভাষা আন্দোলন নয় আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা আন্দোলন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের দরবারে পৌঁছেছে এই জায়গাটা আমাদের ধারণ করে বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে হবে, এমন একটি আয়োজন করে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২১ এর চেতনা সঞ্চারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে রবিবার ১২.০১ মিনিটে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এর আগে তারা ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করে।এসময় তারা বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারী মানে আন্দোলন সংগ্রামের প্রেরণা।

এই চেতনা ধারণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই ২১শের হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব লাভ করেছে। তাই বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ডে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আছে। আমরা বিশ্বাস এটি আরও বিস্তার লাভ করবে। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে বাংলা ভাষাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণ করে আগামীতে সকল অপশক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে রবীন্দ্র বিশ্বাবিদ্যালয় ছাত্রলীগ দীপ্ত শপত গ্রহণ করে।

বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্যের ওপর হামলা মানেই স্বাধীন বাংলাদেশের ওপর হামলা


শাহজাদপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ শাখার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাস্কর্য বিনষ্ট ও অবমাননার প্রতিবাদে শাহজাদপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

রোববার দুপুরে শাহজাদপুর পৌরসদরের বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ এর সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শাখার আহ্বায়ক রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, যুগ্ন-আহ্বায়ক মোঃ শিবলী মাহবুব, সদস্য সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, সদস্য ফারহানা ইয়াসমিন, সদস্য ড. মোহাম্মদ তানভীর আহম্মেদ, সদস্য অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায় প্রমূখ । এছাড়াও এ মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্যের ওপর হামলা মানেই স্বাধীন বাংলাদেশের ওপর হামলা । দেশের প্রত্যেক নাগরিক তাদের স্ব-স্ব জায়গা থেকে সচেতন হলেই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির পথ রুদ্ধ করে দেয়া যাবে । অন্যথায় পাকিস্থানী প্রেতাত্মারা সমাজের মধ্যে ওঁৎ পেতে বসে আছে সুযোগের অপেক্ষায়। তারা স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক বঙ্গবন্ধু’কে আঘাত করেছে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিসহ দেশবাসী সজাগ থাকলে ওই অপশক্তির উত্থান রোধ করা যাবে।

‘বঙ্গবন্ধু’কে অবমাননা করা বাংলাদেশকে অস্বীকার করার সামিল’ – প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য বিনষ্ট ও অবমাননার প্রতিবাদে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে এক শ্রেণির ধর্মান্ধ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক চিন্তার মানুষেরা বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতি বিনষ্ট তথা অবমাননার যে প্রয়াস দেখিয়েছেন তা মেনে নেয়ার মত নয়। বঙ্গবন্ধু’কে অবমাননা করা বাংলাদেশকে অস্বীকার করার সামিল। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ঘৃণা প্রকাশ করছি এবং এ সকল সাম্প্রদায়িক শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য সকলকে সচেতন ও সোচ্চার থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে শাহজাদপুর পৌর এলাকার বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্যের পাশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের নেতৃত্বে পালিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তারসহ বিশ্বিবদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন ।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে বুধবার দিনের প্রথম প্রহরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এ স্থাপিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতিতে সকাল পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অন্যান্যের মধ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোঃ গোলাম সরোয়ার, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মোছাঃ শারমিন আক্তার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোঃ শিবলী মাহবুব-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনের দ্বিতীয় প্রহরে সন্ধ্যা ৭:০০ টায় ভার্চুয়াল (ফেসবুক লাইভ) আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শাহ্ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে স্থাপিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক। এরা হলেন, রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল, ম্যানেজমেন্ট অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের শিক্ষক জান্নাতুল মাওয়া মুন। মঙ্গলবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর রেজিস্টার মোঃ সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্র মনোনীত ওই ৫ শিক্ষক হাতে পেয়ে উপাচার্য ড. বিশ্বজিৎ ঘোষসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মনোনীত শিক্ষকেরা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৮ (১) ঝ ধারা মোতাবেক এ ৫ শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী জানিয়েছেন।

শাহজাদপুরবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন


‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সংগীত বিভাগে শাহজাদপুরের কৃতী শিক্ষার্থী অন্তরা ও আল আমিনের স্থান লাভ

শামছুর রহমান শিশির : সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’ এ চলতি সেশনে ২০ আসন বিশিষ্ট সংগীত বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতীত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে শাহজাদপুরের মেধাবি শিক্ষার্থী অন্তরা কুন্ডু ও আল আমিন হোসেন । ২০ আসন বিশিষ্ট সংগীত বিভাগের ওই ভর্তি পরীক্ষায় শাহজাদপুর থেকে ২ জন ভর্তিযুদ্ধে অন্যান্য সকল পরীক্ষার্থীকে টপকে মেধা তালিকায় স্থান লাভ করে।
অন্তরা কুন্ডু শাহজাদপুর পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর মহল্লার বিশিষ্ট সংগীত শিক্ষক ওস্তাদ বিধান কুন্ডুর মেয়ে বলে জানা গেছে। অন্তরা ছোট বেলা থেকেই তার বাবার কাছে সংগীতে তালিম নিয়েছে। সে এবার শাহজাদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিএম শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতীত্বের সাথে পাশ করে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ এর সংগীত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এদিকে, ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সংগীত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন স্থানের সকল শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শাহজাদপুরের ২ কৃতী শিক্ষার্থী অন্তরা ও আল আমিন মেধা তালিকায় স্থান লাভ করায় শাহজাদপুরবাসী তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে।