বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্যের ওপর হামলা মানেই স্বাধীন বাংলাদেশের ওপর হামলা


শাহজাদপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ শাখার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাস্কর্য বিনষ্ট ও অবমাননার প্রতিবাদে শাহজাদপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

রোববার দুপুরে শাহজাদপুর পৌরসদরের বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ এর সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শাখার আহ্বায়ক রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, যুগ্ন-আহ্বায়ক মোঃ শিবলী মাহবুব, সদস্য সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, সদস্য ফারহানা ইয়াসমিন, সদস্য ড. মোহাম্মদ তানভীর আহম্মেদ, সদস্য অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায় প্রমূখ । এছাড়াও এ মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্যের ওপর হামলা মানেই স্বাধীন বাংলাদেশের ওপর হামলা । দেশের প্রত্যেক নাগরিক তাদের স্ব-স্ব জায়গা থেকে সচেতন হলেই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির পথ রুদ্ধ করে দেয়া যাবে । অন্যথায় পাকিস্থানী প্রেতাত্মারা সমাজের মধ্যে ওঁৎ পেতে বসে আছে সুযোগের অপেক্ষায়। তারা স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক বঙ্গবন্ধু’কে আঘাত করেছে। পরবর্তীতে স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিসহ দেশবাসী সজাগ থাকলে ওই অপশক্তির উত্থান রোধ করা যাবে।

‘বঙ্গবন্ধু’কে অবমাননা করা বাংলাদেশকে অস্বীকার করার সামিল’ – প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য বিনষ্ট ও অবমাননার প্রতিবাদে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে এক শ্রেণির ধর্মান্ধ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক চিন্তার মানুষেরা বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতি বিনষ্ট তথা অবমাননার যে প্রয়াস দেখিয়েছেন তা মেনে নেয়ার মত নয়। বঙ্গবন্ধু’কে অবমাননা করা বাংলাদেশকে অস্বীকার করার সামিল। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ঘৃণা প্রকাশ করছি এবং এ সকল সাম্প্রদায়িক শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য সকলকে সচেতন ও সোচ্চার থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে শাহজাদপুর পৌর এলাকার বিসিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্যের পাশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষের নেতৃত্বে পালিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তারসহ বিশ্বিবদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন ।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

মহান বিজয় দিবস ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে বুধবার দিনের প্রথম প্রহরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এ স্থাপিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতিতে সকাল পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অন্যান্যের মধ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোঃ গোলাম সরোয়ার, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মোছাঃ শারমিন আক্তার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান বরুণ চন্দ্র রায়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোঃ শিবলী মাহবুব-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনের দ্বিতীয় প্রহরে সন্ধ্যা ৭:০০ টায় ভার্চুয়াল (ফেসবুক লাইভ) আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শাহ্ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে স্থাপিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন ৫ শিক্ষক। এরা হলেন, রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল, ম্যানেজমেন্ট অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রওশন আলম, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের শিক্ষক জান্নাতুল মাওয়া মুন। মঙ্গলবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর রেজিস্টার মোঃ সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্র মনোনীত ওই ৫ শিক্ষক হাতে পেয়ে উপাচার্য ড. বিশ্বজিৎ ঘোষসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মনোনীত শিক্ষকেরা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৮ (১) ঝ ধারা মোতাবেক এ ৫ শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আলী জানিয়েছেন।

শাহজাদপুরবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন


‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সংগীত বিভাগে শাহজাদপুরের কৃতী শিক্ষার্থী অন্তরা ও আল আমিনের স্থান লাভ

শামছুর রহমান শিশির : সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ’ এ চলতি সেশনে ২০ আসন বিশিষ্ট সংগীত বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতীত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে শাহজাদপুরের মেধাবি শিক্ষার্থী অন্তরা কুন্ডু ও আল আমিন হোসেন । ২০ আসন বিশিষ্ট সংগীত বিভাগের ওই ভর্তি পরীক্ষায় শাহজাদপুর থেকে ২ জন ভর্তিযুদ্ধে অন্যান্য সকল পরীক্ষার্থীকে টপকে মেধা তালিকায় স্থান লাভ করে।
অন্তরা কুন্ডু শাহজাদপুর পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর মহল্লার বিশিষ্ট সংগীত শিক্ষক ওস্তাদ বিধান কুন্ডুর মেয়ে বলে জানা গেছে। অন্তরা ছোট বেলা থেকেই তার বাবার কাছে সংগীতে তালিম নিয়েছে। সে এবার শাহজাদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিএম শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতীত্বের সাথে পাশ করে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ এর সংগীত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এদিকে, ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র সংগীত বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন স্থানের সকল শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শাহজাদপুরের ২ কৃতী শিক্ষার্থী অন্তরা ও আল আমিন মেধা তালিকায় স্থান লাভ করায় শাহজাদপুরবাসী তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে।

উপাচার্য ড. প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষ


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থানান্তর ও ঢাকায় জমি কেনার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেছেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। এ ছাড়া একশ কোটি টাকা ব্যায়ে ঢাকায় জায়গা কেনার বিষয়টিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্ত ছড়াতে এ ধরণের প্রপাগান্ড ছড়াচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রবীন্দ্র বিশ^বিদ্যালয় শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি শাহজাদপুরেই থাকবে। রোববার সকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির অভিষেক ও নবনির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন-১ এর হলরুমে এ অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি আরো বলেন,রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন অনিয়ম দূর্ণীতি হয়নি। আদালতে যে মামলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অভিষেক অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের প্রভাষক লায়লা ফেরদৌস হিমেল, প্রভাষক জাবেদ ইকবাল, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের প্রভাষক ফারহান ইয়াসমিন, প্রভাষক মোঃ আজিম উদ্দিন প্রমুখ। উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. ফখরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফারহান ইয়াসমিন, কোষাধক্ষ্য লায়লা ফেরদৌস হিমেল ও কার্যহির্বাহী সদস্য মোঃ রিফাত-উর-রহমান, আরিফুল ইসলাম, বরুণ চন্দ্ররায় ও শারমিন সুলতানাকে অভিষেক অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২জন নবীব শিক্ষককে এ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.ফখরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ও এ মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবীতে শাহজাদপুরে অচিরেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেও পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হবে।

বক্তারা বলেন, জেলখানা নিরাপদ স্থান হলেও ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনা। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি


‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ এ জেলহত্যা দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন কথা ডটকম, শনিবার, ৩ নভেম্বর- ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ : শনিবার সকালে জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদনসহ যথাযথ মর্যাদায় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস-২০১৮ পালিত হয়েছে। এদিন সকালে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ ,ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় চার নেতা পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’ এর সহকারী প্রক্টর ড. ফকরুল ইসলাম। এ সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা ও বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার সোহরাব হোসেন, শিক্ষার্থী সোহাগ হোসেন, সজিব আলমগীর, রাসেল, নীরব, ওয়াকিল, আদনান, মালেক প্রমূখ। বক্তব্যে বক্তারা বলেন, জেলখানা নিরাপদ স্থান হলেও ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনা। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সভাটি পরিচালনা করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা রওশন আলী। এ সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর শিক্ষকমন্ডলীসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম, শামছুর রহমান শিশির, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর -২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ : জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কণ্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ শুক্রবার শাহজাদপুর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ হল রুমে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে কেক কাটা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগ এর চেয়ারম্যান ড. ফখরুল আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মারুফ হাসান সুনাম, আলমগীর হোসেন, সজীব, রাসেল, ওয়াকিল, বিপ্লব, সোহাগ হোসেন, সজীব হাসান বাধন, আলমগীর কবীর, অশোক ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, জয়নুল আবেদীন, অনিক দাস প্রমুখ।

ঈদান্তে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কাছাড়িবাড়িতে দর্শনার্থীরা এসে ভীড় করছেন এবং কবিগুরুর স্মৃতিধন্য কাছাড়িবাড়ি পরিদর্শণ করে তৃপ্তি নিয়ে ফিরছেন


ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছারিবাড়িতে

ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছারিবাড়িতে

শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম, শামছুর রহমান শিশির, বৃহস্পতিবার, ২৩ আগস্ট ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ : ঈদ-উল-আজহা’র পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। তাদের পদচারনায় ও মিলনমেলায় মুখরিত ও প্রাঞ্জলিত হয়ে উঠেছে কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণ। বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত শাহজাদপুরের কাছাড়িবাড়ি দর্শণে এসে তারা কবিগুরুর ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দেখে তৃপ্তির ঢেঁকুর ফেলে বাড়ি ফিরছেন। ঈদ পরবর্তীতে দেশ বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শত শত পর্যটক ও রবীন্দ্র অনুরাগীরা কাছারিবাড়ি পরিদর্শনে শাহজাদপুরে আসছেন। শাহজাদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় বিনোদন পিয়াসুদেরও ঢল নেমেছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র। ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিন তৌজির অন্তর্গত ডিহি শাহজাদপুরের জমিদারী একদা নাটোরের রানী ভবানীর জমিদারীর অংশ ছিল। ১৮৪০ সালে শাহজাদপুরের জমিদারী নিলামে উঠলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর মাত্র তের টাকা দশ আনায় এই জমিদারী কিনে নেন। জমিদারীর সাথে সাথে ওই কাছারিবাড়িটি ঠাকুর পরিবারের হস্তগত হয়েছিল বলে ধারনা করা হয়। আগে এই কাছারিবাড়ির মালিক ছিল নীলকর সাহেবরা। ১৮৯০ সাল থেকে ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত কবি রবীন্দ্রনাঠ ঠাকুর জমিদারী দেখাশোনার কাজে শাহজাদপুরে সাময়িকভাবে বসবাস করতেন। তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন কুষ্টিয়ার শিলাইদহে। সম্ভবত এই কারণেই শিলাইদহে তাঁর বাসগৃহ কুঠিবাড়ী নামে এবং শাহজাদপুরের বাড়িটি কাছারিবাড়ি নামে পরিচিত। শাহজাদপুরে কবিগুরু ঘুরে বেড়িয়েছেন পালকিতে, নৌকায় ও পায়ে হেটে। শাহজাদপুর শহরের প্রানকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে অবস্থিত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহত কাপড়ের হাটের দক্ষিণ পাশে এক সবুজ শ্যমল পরিবেশে কবিগুরুর কাছারিবাড়ি অবস্থিত। শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি দ্বিতল ভবন। ভবনটির দৈর্ঘ্য ২৬.৮৫ মিটার, প্রস্থ ১০.২০ মিটার এবং উচ্চতা ৮.৭৪ মিটার। ভবনটির দ্বোতলার সিড়ি ব্যতিত মোট সাতটি কক্ষ রয়েছে। ভবনটির উত্তর দক্ষিনে একই মাপের প্রশস্ত বাড়ান্দা,বাড়ান্দার গোলাকৃতির জোরামাপের খাম,উপরাংশে আছে অলংকরণ করা বড় মাপের দরজা,জানালা ও ছাদের ওপরে প্যারাপেট দেয়ালে পোড়ামাটির শিল্পকর্ম দর্শনাথীদের বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে। ভবনটির জানালা দিয়ে চারপাশের মনোরম, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ কবি উপলব্ধি করতেন। কাছারিবাড়িতে বসেই কবি প্রাণভরে ছোট নদী দেখতেন ও শুনতেন ছোটনদীর স্রোতধারার মিশ্রিত সুর।
শাহজাদপুরে এসে মানুষ ও প্রকৃতিকে কবি গভীরভাবে ভালবেসেছিলেন। এখানে তিনি খুজে পেয়েছিলেন সাহিত্য সৃষ্টির নানা উপাদান। এখানে অবস্থানকালে তিনি রচনা করেন, সোনারতরী, বৈষ্ণব কবিতা, দুটি পাখি, আকাশের চাঁদ, পুরস্কার ,যমুনা, হৃদয়, ভরা ভাদরে, প্রত্যাক্ষান ও লজ্জা, চিত্রা, শীত ও বসন্তে, নগর সংগীত, নদীযাত্রা, মৃত্যুমাধুরী, স্মৃতি বিলয়, প্রথম চুম্বন, শেষ চুম্বন, যাত্রী, তৃণ, ঐশ্বর্য, স্বার্থ,প্রেয়সী, শান্তিময়, কালিদাসের প্রতি, কুমার, মানষলোক, কাব্যপ্রার্থনা, ইছামতী নদী, সুশ্রুসা, অশিক্ষাগ্রহন, বিদায়, নববিবাহ, রজ্জিতা, বিদায়, হতভাগ্যের গান, গতোনিক, বঞ্চনা, সংকোচ, মানষপ্রতিভা, রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা, ব্যবধান, তারাপ্রসন্নের কীর্তি, ছুটি, সম্পত্তি, ক্ষুধিত পাষাণ, অতিথি,ইত্যাদি। এছাড়া কবিগুরু এখানে অবস্থান করে ৩৮ টি বিভিন্ন ছিন্ন পত্রাবলী লিভেছেন, রচনা করেছেন পঞ্চভূতের অংশবিশেষ ও নাটক বিসর্জন ।
শাহজাদপুর কাছারিবাড়ির দ্বোতলার উত্তর পাশে লিচুগাছ ও শোভা বর্ধনের জন্য নানা ফুলের গাছে ঘেরা কবিগুরুর অপরূপ কাছারিবাড়িটি বহুদুরের পথিকেরও দৃষ্টি আকর্ষন করে। কাছারিবাড়ির চারদিক প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্রাচীরের আশেপাশে রয়েছে নানা দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষের বাগান। কাছারিবাড়ির ভিতরে একটি বকুলগাছ ছিল। কবি ওই গাছের নীচে বসে কবিতা লিখতেন। ১৯৬৯ সালে প্রতœতত্ব্ অধিদপ্তর কর্তৃক অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় কাছাড়িবাড়িকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ওই কাছাড়িবাড়ির মূল ভবনটির নান সংস্কার কাজ সমাপ্ত করে ভবনটিতে রবীন্দ্রভিত্তিক আলোকচিত্র ও এ বাড়িতে কবির ব্যবহৃত প্রাপ্ত আসবাপত্র নিয়ে একটি স্মৃতি যাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিকের দরজা দিয়ে ওই যাদুঘরে প্রবেশ করতে হয়। নিচতলা ও দ্বোতলার বিশাল হলরুমসহ যাদুঘরের সকল কক্ষ সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত । চারদিকে পাঁকা দেয়ালে বেষ্ঠিত কাছারিবাড়ির আঙ্গিনাটিও বেশ বড়।
এখানে রয়েছে রবীন্দ্র মিলনায়তন,কবির ব্যবহৃত সামগ্রীর মধে চৌকি, লেখার জন্য ডেস্ক, সোফাসেট, আরাম কেদারা, আলনা, আলমারী, সিন্দুক, ঘাস কাটার যন্ত্র, ওয়াটার ফিল্টার, ল্যাম্প, কবির স্বহস্তে আঁকা ছবি, দেশী বিদেশী রাষ্ট্রনায়ক, বিজ্ঞানীসহ গুণিজনদের সাথে কবির অগনিত ছবি।
ঈদান্তে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কাছাড়িবাড়িতে দর্শনার্থীরা এসে ভীড় করছেন এবং কবিগুরুর স্মৃতিধন্য কাছাড়িবাড়ি পরিদর্শণ করে তৃপ্তি নিয়ে ফিরছেন। ঈদের ছুটির সদ্ব্যবহারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি ঘুরে আসুন।

শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭ তম মহা প্রয়ান দিবস পালিত

শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম, নিজস্ব প্রতিবেদক, সোমবার, ৬ আগষ্ট ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ : আজ ২২ শ্রাবণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহা প্রয়ান দিবস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৭ তম মহা প্রয়ান দিবস উপলক্ষে আজ সোমবার সন্ধ্যায় শাহজাদপুর রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ থেকে ৭৪ বছর আগে বাংলা ১৩৩৮ সনে কোলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরলোকগমন করেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খাঁনের সভাপতিত্বে প্রয়ান দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান।  আলোচনা সভায় প্রবন্ধ পাঠ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ এর সহকারি অধ্যক্ষ ড. ফখরুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র নাসির উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাক আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হাসিব সরকার।