লকডাউনে ‘১৫ হাজার মানুষকে’ টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছে যুবলীগ

করোনাভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় ডেউয়ে লকডাউনের মধ্যে ১৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে সেবা দেওয়ার কথা জানিয়েছে যুবলীগের ‘টেলিমেডিসিন সেবা টিম’।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যুবলীগের এই টেলিমেডিসিন টিম দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে গেছে।

“এই দুর্যোগ ও মহামারীর সময় যদি আমরা মানুষের পাশে না দাঁড়াতে পারি, আর কখন দাঁড়াব? এই অনুভূতি আর চেতনা থেকেই যুবলীগের চিকিৎসকরা দিনরাত মানুষকে বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।”

যুবলীগের কমিটিতেই প্রায় ১৫ জন ‘প্রতিষ্ঠিত’ ডাক্তার আছেন এবং তাদের নেতৃত্বেই এ সেবা চলছে জানিয়ে সংগঠনের চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা গত বছরও স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি, এবছরও সেটার পুনরাবৃত্তি করছি। এবছর আমরা অলরেডি ১৫ হাজার মানুষকে টেলিমেডিসিন সেবা দিতে পেরেছি।”
চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের উদ্যোগে গত ৫ এপ্রিল শতাধিক চিকিৎসককে নিয়ে যুবলীগের এই টেলিমেডিসিন টিম কাজ শুরু করে।

নিখিল বলেন, “ঘরে বসেই যেন মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে, সেজন্য টেলিমেডিসিন সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণ কিছুটা উপকার পেলেই আমরা সার্থক।”

এই সেবা কার্যক্রমের সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে আছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য খালেদ শওকত আলী। সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ফরিদ রায়হান, উপ-স্বাস্থ্য সম্পাদক মাহফুজার রহমান উজ্জ্বলসহ কয়েকজন।

হেলাল উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত চিকিৎসা পরামর্শের পাশাপাশি মা ও শিশু, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে মানুষকে পরামর্শ ও সেবা দিচ্ছেন তাদের চিকিৎসক দল।

“বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল, আর যেসব জায়গায় লকডাউনের কারণে মানুষ ঘরের কাছের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল, যুবলীগের এই টেলিমেডিসিন টিমের সেবার কারণে তারাও হাতের নাগালে চিকিৎসা পরামর্শ পেয়েছেন।”

সূত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, নইলে আবারো লকডাউন : কাদের

ফাইল ছবি

লকডাউনের পর গণপরিবহন চলাচলের সুযোগ দেয়া হলে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, নইলে সরকার আবারো কঠোর লকডাউন দিতে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার সকালে নিজের সরকারি বাসবভন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের পর গণপরিবহন চলাচলের সুযোগ দেওয়া হলে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তা না হলে সরকার আবারো কঠোর লকডাউন দিতে বাধ্য হবে।’

এর আগে শনিবার বরিশাল সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সাথে ভার্চুয়াল মতবিনিময়সভায় ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্ত সাপেক্ষে সরকার গণপরিবহন চালু করার চিন্তা করছে।’ সেতুমন্ত্রী বলেন, বিধি-নিষেধ শিথিল হলেও মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে যে ভাড়া নির্ধারণ ছিল, সেই ভাড়ার অতিরিক্ত নিলে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

একইদিন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছিলেন, ২৯ এপ্রিল থেকে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে একই সাথে ট্রেনও চলবে। তিনি বলেন, ‘ট্রেন চলাচলের সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। সরকার ২৯ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চালানোর সিদ্ধান্ত নিলে একই দিন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনও চলবে।’

 

তালিকা দিন, আমি তাঁদের নিয়ে জেলে চলে যাব: বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী দাবি করেছেন, আলেম-ওলামাদের গ্রেপ্তারের সময় ‘গণপ্রতিরোধ’ ও ‘প্রতিবাদ’ রুখতে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এতে জনগণের কষ্ট হচ্ছে। সরকারের উদ্দেশে বাবুনগরী বলেছেন, ‘দেশের নিম্ন আয়ের গরিব মানুষকে আর হয়রানি ও কষ্ট না দিয়ে আমার কাছে তালিকাটা (হেফাজত কর্মীদের গ্রেপ্তারের জন্য কথিত তালিকা) পাঠান, আমি অভিযুক্তদের সকলকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জেলে চলে যাব। একজন পুলিশও পাঠাতে হবে না। এর বিনিময়ে আপনারা লকডাউন তুলে নিন।’

আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বাবুনগরী এ কথা বলেন। বিবৃতিতে রমজান মাসে আলেম–ওলামা ও তৌহিদি জনতার ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিও জানান তিনি।

সম্প্রতি বিভিন্ন স্থান থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতার বিভিন্ন মামলায় সংগঠনের আরও অনেককে গ্রেপ্তার করা হতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশ হয়েছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের বিবৃতিতে হেফাজত আমির বলেন, ‘সারা বছরের মধ্যে পবিত্র মাহে রমজান মুসলমানদের জন্য আমল করার সেরা সময়। …মাহে রমজান হলো সাহায্য সহানুভূতির মাস। অথচ এই মাসেই বাংলাদেশে জুলুম, গ্রেপ্তার, নির্যাতন চালানো হচ্ছে শত শত হেফাজতের নেতা–কর্মী, আলেম–ওলামা, ছাত্র ও তৌহিদি জনতার ওপর।’

তিনি বলেন, ‘রমজানের এই পবিত্র মাসে ফিতনা-ফাসাদ এবং প্রতিহিংসা পরিহার করার শিক্ষা যখন ইসলাম আমাদেরকে দেয়, তখন সরকার ইসলাম প্রচারকদের বন্দী করে রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করছে।’

বাবুনগরী দাবি করেন, গ্রেপ্তার হেফাজত নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা ‘জেলখানার নোংরা পরিবেশে’ স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল, অজু, নামাজ, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করাসহ সাহ্‌রি ও ইফতার খেতে পারছেন না। তিনি সব মাদ্রাসা ও হেফজখানা খুলে দেওয়ারও অনুরোধ করেন।

হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন সব সময়ই ‘শান্তিপূর্ণ’ ছিল ও থাকবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করা দেশবাসীর সাংবিধানিক অধিকার। কোনো সরকারই জনগণের এই মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। কথিত ‘তাণ্ডব ও ভাঙচুর’–এর অভিযোগে সারা দেশে গত আট বছরে যত মামলা হয়েছে, তার সবই অবৈধ, ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা।’

সব ‘ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা’ বিনা শর্তে বাতিলের দাবি করে হেফাজত কর্মীদের মুক্তির আবেদন জানান তিনি।

সূত্রঃ প্রথম আলো

আদালতে মামুনুল হক


আমি যেন রোজা, নামাজ ও কোরআন পড়তে পারি

ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ড শুনানি চলাকালে বিচারক মামুনুলকে বলেন, ‘আপনার কি কিছু বলার আছে?’ জবাবে মামুনুল বিচারককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি প্রতি রমজান মাসে ৬ বার কোরআন শরীফ খতম দেই। রমজান মাস পবিত্র মাস। এই মাসে আমি যেন রোজা, নামাজ ও কোরআন পড়তে পারি তার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আবেদন করছি।’

এর আগে, আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৪৩ মিনিটের দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে থেকে মামুনুলকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।এদিন ২০২০ সালের মোহাম্মদপুর থানার একটি ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

 

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন ভিপি নুর

ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন ভিপি নুর

‘যারা আ.লীগ করে তারা মুসলমান নয়’- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া নিজের এমন বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

রোববার রাতে ফেসবুক লাইভ এসে তিনি ক্ষমা চান। এর আগে রাতে শাহবাগ থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে লাইভ এসে তিনি তার এই প্রতিক্রিয়া জানান।

নূর বলেন, স্বাভাবিকভাবেই অল্প বয়সে একটা গুরুদায়িত্ব নিয়ে ফেলেছি আমরা। বিভিন্ন ধরনের মানুষ, পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ার মাধ্যমে আমাদের একটা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ডেভেলপ করেছে। যে কারণে আমরা কথা বলার ক্ষেত্রে, কাজ করার ক্ষেত্রে সিনিয়রদের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করেছি। তারা যখন যেসব বিষয়গুলোতে আমাদেরকে উপদেশ দেন আমরা সেসব বিষয়গুলো মেনে চলি। বিশেষ করে আমি যাদের সাথে মিশি তারা আমাকে বলেন তোমার কথাবার্তা যেন শুধু ইসলামকেন্দ্রিক না হয়, সব ধর্মের মতাদর্শের মানুষদের সহনশীলতার কথা থাকে, সম্প্রীতির কথা থাকে, তোমার কথায় যেন সহিংসতার ঘটনা না থাকে। আমি চেষ্টা করি কথাগুলো মেনে চলার এবং আমার কাজের ক্ষেত্রে প্রতিফলন ঘটানোর। বিভিন্ন সময় আমার ফেসবুক পোস্ট লাইভকে কেন্দ্র করে মানুষ যেগুলো পরামর্শ দিয়েছে আমি সেগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করেছি। কারণ আমি মনে করি আমি একজন নবীন সহযোদ্ধা, নবীন রাজনৈতিক নেতা, একজন নবীনকর্মী। বিভিন্ন সময় ভিন্ন মতের মানুষের কারণে আমি আমার ফেসবুক পোস্ট লাইভ ডিলিট করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, গত ১৬ মার্চ একটা লাইভ করেছি আমি। স্বাভাবিকভাবে একটা দেশের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে, একটি নেতৃস্থানীয় জায়গা থেকে আমার কাজ অবশ্যই মানুষের সমস্যাকে অ্যাড্রেস করা। সেখানে আমি লাইভে বিভিন্ন কথাবার্তা বলেছি। কথাবার্তার বিভিন্ন জায়গায় আমি যৌক্তিকভাবে কিছু বিষয় তুলে ধরেছি।

তিনি আরো বলেন, কিছু ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য আমি আমার স্বাভাবিক জায়গা থেকে রাগ ক্ষোভ আবেগ অনুভূতির জায়গা থেকে কিছু কথা বলেছিলাম। আমি মনে করি অবশ্যই আওয়ামী লীগে অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ আছে ধর্মপ্রাণ মুসলমান আছে, সব ধর্মেরই লোক আছে এবং সব দলেই সব ধর্মেরই ধর্মপ্রাণ লোক আছে। আমি আওয়ামী লীগ সমর্থককে কিংবা আওয়ামী লীগকে আক্রমণ করে কোনো কথা বলিনি।

নুর বলেন, আমি সানন্দে অনেকের পরামর্শ নিয়ে থাকি। কেউ কেউ আমাকে বলেছিলেন গত ১৬ মার্চের লাইভে যা বলেছি একজন নেতৃত্বশীল জায়গা থেকে আমাকে একটু সহনশীল হতে হবে। এমনকি শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করে কোনো কথা বলা আমার জায়গা থেকে কাম্য নয়। কিছু কিছু কথা সাধারণ মানুষ তার জায়গা থেকে বলতে পারে, আমি আমার জায়গা থেকে বলতে পারি না। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগে আমার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে। ডাকসু নির্বাচনের সময় আমাকে ছাত্রলীগের অনেকেই ভোট দিয়েছেন। সুতরাং সেই জায়গা থেকে আমি এমন কিছু বলবো না যাতে তারা ক্ষুব্ধ হয় কিংবা আমার প্রতি বিরাগভাজন হয়।

নুর আরো জানান, ১৭ তারিখের একটি লাইভে আমি স্বভাবতই বলেছি আমার ১৬ তারিখের কথায় দুঃখ পেয়ে থাকলে, কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন- তাহলে আমি তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি ক্ষমাপ্রার্থী, স্বাভাবিকভাবে আমার যদি ভুল হয় আমার জায়গা থেকে ১০০ বার ক্ষমাপ্রার্থী থাকবো। আমি বিনয়ের সঙ্গে সেটার জন্য ক্ষমা চাইবো। কারণ আমার ভুল হতেই পারে, আমি মানুষ ফেরেশতা না। আমার ভুল হলে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী, আমি ক্ষমা চাই। লাইভের কারণে যেকোনও ভাই-বন্ধু, সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষী আমার জন্য যদি মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

নূর বলেন, আমি একজন তরুণ ছাত্রনেতা হিসেবে প্রতিবার যেখানে মানুষ চুপ করে আছে সেখানে কথা বলে যাচ্ছি। সেখানে অবশ্যই আমাদের কাজগুলোকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সেক্ষেত্রে আমি আমার যে কোনো আচরণের জন্য, সেদিনের জন্য কেউ কষ্ট পেয়ে থাকে আমি নিজে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানি করা আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে আমার লাইভে আসা।

মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ওই বক্তব্যকে পুঁজি করে হয়রানি করার জন্য মামলা করা পুরোপুরি একটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্র শুধু আমার বিরুদ্ধে নয়, এদেশের গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই-সংগ্রাম করছে তাদের বিরুদ্ধেও হচ্ছে।

খালেদা জিয়া ‘এখনই শঙ্কামুক্ত’ বলা যাচ্ছে না

ফাইল ছবি

করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শঙ্কামুক্ত তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলে শুক্রবার দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, কোভিডের পরিভাষায় ম্যাডাম এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে আছেন। আর কোভিডের সব বড় সমস্যা হয় দ্বিতীয় সপ্তাহেই। তাই এখনই শঙ্কামুক্ত তা বলা যাচ্ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ রাখা হবে।

তিনি জানান, শনিবার আবার মেডিকেল টিমের সদস্যরা গুলশানের বাসভবনে যেতে পারেন খালেদা জিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।

এর আগে ডা. জাহিদ সাংবাদিকদের বলেন, সিটি স্ক্যানের মূল প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে করোনায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার চিকিৎসাপত্রে আরেকটি ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জাহিদ বলেন, আমরা গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ম্যাডামের সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। রাতেই লন্ডনে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, যিনি ম্যাডামের সব কিছু তদারকি করছেন, তিনিসহ দেশ-বিদেশে ওনার মেডিকেলে টিমের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আমরা পুরো রিপোর্টটি পর্যালোচনা করেছি। সবার পরামর্শ নিয়ে আরেকটি ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে। চিকিৎসায় যেসব ওষুধ দেওয়া হয়েছে তা ঠিক আছে।

তিনি বলেন, সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্টে ‘মিনিমাম ইনভোলমেন্ট’র কথা বলা হয়েছে। যেটা সাময়িক রিপোর্টে বলা হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা সবাইকে জানাতে চাই যে, সিটি স্ক্যানের ফাইন্ডিংস, সেটাকে ক্লিনিক্যালি আমরা মনে করতে পারি যে এটি অত্যন্ত মিনিমাম, নেগলিজিবল।

দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়া দোয়া চেয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক জাহিদ।

বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়। গুলশানের বাসা থেকে তাকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিশেষ নিরাপত্তায় এভারকেয়ারে নিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আবার গুলশানের বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়।

১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর প্রখ্যাত ‘বক্ষব্যাথি ও মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীরে নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম গুলশানের বাসায় তার চিকিতসা শুরু হয়।

‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়া আরো আটজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসাও এখানে চলছে।

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দন্ডিত। দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।

বিএনপির বক্তব্য মানুষকে ঘরে থাকতে নিরুৎসাহিত করতে পারে: কাদের

ছবি: ফাইল

ভ্যাকসিন নিয়ে অপরাজনীতি করে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন লকডাউন নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির দ্বিচারিতা বক্তব্য মানুষের ঘরে অবস্থানকে নিরুৎসাহিত করতে পারে। আসলে কী বিএনপি চায় না করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসুক?

শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি আয়োজিত কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাঝে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

‘দেশে গণতন্ত্র নেই’- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে কী ভূমিকা পালন করেছে? পদে পদে বাধা সৃষ্টি করে অগণতান্ত্রিক চর্চা করে তারা এখন গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা সেজেছে।

এ দেশে গণতন্ত্রকে হত্যা এবং দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল বিএনপি- এমনি দাবি করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যতই পেছন থেকে দেশের এগিয়ে যাওয়াকে টেনে ধরে রাখতে চায় কিন্তু সফল হবে না, কারণ জনগণ এখন উন্নয়নমুখী।

তিনি আরও বলেন, অপরিণামদর্শী ও জনবিরোধী কর্মসূচির কারণেই বিএনপির রাজনীতি এখন গভীর সাগরে রাডারবিহীন জলযানের মতো। তারা এখন পথহারা পথিক।

ধানমন্ডি প্রান্তে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ প্রমুখ।

খালেদা জিয়াকে নেয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে

করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালেদা জিয়ার গুলশানের ‘ফিরোজা’য় গাড়িবহর অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, সিটিস্ক্যানের ফলাফলের ওপর দলের চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী বলেন, খুব দ্রুত খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করানো হবে।

তিনি বলেন, কোভিডে আগে থেকে বলা যায় না অবস্থা কেমন হবে। এটা খুব দ্রুত পরিবর্তনশীল একটা রোগ। তবু আমরা দ্রুত সিটি স্ক্যান করিয়ে ফেলব। সিটি স্ক্যান দেখে যদি মনে করি, বাসায় রেখে চিকিৎসা করাটা উনার জন্য ভালো হবে, তাহলে বাসায় রাখব। যদি মনে করি, দু–তিন দিনের জন্য বা কয়েক দিনের জন্য হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার, আমরা সেটাও করব। এটা নির্ভর করবে সিটি স্ক্যানের রিপোর্টের ওপর।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে দেখে আসার পর ফিরোজার সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন এফএম সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সকালে জ্বর আসলেও এখন তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। তার ব্লাড রিপোর্ট ভালো। আমরা তার সিটিস্ক্যান করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যে কোনো সময় সিটিস্ক্যান করানো হবে। ইতোমধ্যেই আমরা সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসাবে গত ১০ এপ্রিল নমুনা দেন। রাতেই ফল পজিটিভ আসে।

রোববার বিকালে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপারসনের করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়া ছাড়াও তার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ বাসার মোট নয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, করোনায় আক্রান্ত দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন পর্যন্ত ভালো আছেন। সারাদেশের মানুষের দোয়ায় আশা করি, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন।

আসন্ন পোতাজিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী


শাহজাদপুরে ছাত্রলীগ সম্পাদককে নৌকায় মনোনয়ন দেয়ার দাবীতে মতবিনিময় সভা

শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে শাহজাদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ মোঃ রাসেলকে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবীতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার দিলরুবা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখ মোঃ রাসেলের নিজস্ব কার্যালয়ে পোতাজিয়া ইউনিয়নের মাদলা-কাকিলামারী গ্রামবাসীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত
মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ দাবী জানান।

গ্রাম প্রধান ছলিম মেম্বারের (সাবেক) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চেয়ারম্যানের পদে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ মোঃ রাসেল, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মহির উদ্দিন শেখ, সাইফুল ইসলাম, গ্রাম প্রধান রহিম শিকদার, মোকছেদ প্রামানিক, মাওলানা ছাইফুদ্দিন এহিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারঃ) আব্দুল মতিন, পোতাজিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি চান্নু শিকদার,ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহজাহান আকন্দ, ছোলাই মেম্বার (সাবেক), মোয়াজ্জেম হোসেন তারা, গণি খাঁ, মোক্তার সরদার, মেম্বর প্রার্থী জামাত আলী সরদার প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, ‘আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি মহোদয়ের নির্দেশনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ মো: রাসেল দীর্ঘদিন ধরে দলের ও এলাকাবাসীর খেদমতে আত্মনিবেদিত প্রাণ হিসেবে দক্ষতা ও সফলতার সাথে কাজ করে চলেছেন। আসন্ন পোতাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাকে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে একইভাবে তিনি পোতাজিয়া ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে, ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান তরুন মুজিব সৈনিক আলহাজ্ব শেখ মোঃ রাসেলকে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন দেবার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

অপরদিকে, চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব শেখ মোঃ রাসেল জানান, ‘আসন্ন পোতাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি পোতাজিয়া ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়নে রূপ দেবেন এবং ইউনিয়নবাসীর ভাগ্যেন্নয়নে ও কল্যাণে কাজ করে যাবেন। এজন্য দলীয় নেতাকর্মীসহ সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগীতা তিনি কামনা করেন।’

উক্ত মতবিনিময় সভায় উপজেলা ও পোতাজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকেরা ছাড়াও মাদলা-কাকিলামারি গ্রামের অসংখ্য সাধারন জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি'র নির্দেশনায় ভবিষ্যতেও জনকল্যাণে এভাবেই কাজ করবে যুবলীগ


শাহজাদপুরে যুবলীগের উদ্যোগে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ

নতুন করে করোনার সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে যুবলীগের উদ্যোগে শাহজাদপুরে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেলে শাহজাদপুর পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র দ্বারিয়াপুর বাজারে সর্বসাধারনের মাঝে ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আশিকুল হক দিনার ও যুগ্ম-আহবায়ক কামরুল হাসান হিরোক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সোহেল রানা, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক আশিকুল হক দিনার ও যুগ্ম-আহবায়ক কামরুল হাসান হিরোক বলেন, ‘শাহজাদপুরের গণমানুষের নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় করোনার ক্রান্তিকালের শুরু থেকেই জনকল্যাণে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, খাবারসহ নানা স্বাস্থ্য উপকরন বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচী পালন করে আসছে শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ হাজার মাস্ক বিতরণ কর্মসূচীর প্রথম দিনে সর্বসাধারণের মধ্যে এদিন ১০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া করোনার সংক্রমন হ্রাসে ভবিষ্যতেও সাধারন জনমানুষের পাশে এভাবেই থাকবে যুবলীগ।’

উল্লেখ্য, উক্ত মাস্ক বিতরণকালে শাহজাদপুর উপজেলা ও পৌর যুবলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।