জয়ের কর্মকাণ্ড অশ্লীল ও বিব্রতকর: শেলী মান্না

একটি টিভি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হয় উপস্থাপক জয় ও শেলী মান্নার অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ। অনুষ্ঠানের একটি পর্বে কেবিন ক্রুদের প্রেম ও বিদেশ থেকে কেনা জিনিসপত্র দেশে এনে বিক্রি করা প্রসঙ্গে অতিথিকে প্রশ্ন করেন জয়, যা মেনে নিতে পারেননি প্রযোজনা সংস্থা কৃতাঞ্জলী চলচ্চিত্রের কর্ণধার ও কেবিন ক্রু হিসেবে কর্মরত শেলী মান্না। ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে এ নিয়ে প্রতিবাদও করেন তিনি। সেখানে সাত দিনের মধ্যে জয়কে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জয় ক্ষমা না চাওয়ায় তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও পাঠান তিনি। সেই চিঠির ভাষাকে অশ্লীল বলার প্রতিবাদ করেছেন শেলী মান্না।

শেলী মান্না জানান, জয় তারকাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তিদের তাঁর অনুষ্ঠানে ডেকে অযাচিত প্রশ্ন করেন। শিল্পী হয়ে তিনি অন্য শিল্পীদের অসম্মান করেন। তিনি বলেন, ‘তাঁর (জয়ের) কাজ শুধু নেগেটিভ প্রশ্ন করা। এ জন্য তিনি বেছে নেন সেলিব্রিটিদের। তিনি কোনো গেস্টকে এভাবে অসম্মান করতে পারেন না।’ চিঠির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার চিঠিতে অশালীন কিছু নেই। তাঁর অনুষ্ঠানে অনেক তারকাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়, ছোট করা হয়। পজিটিভ ব্যাপারগুলো তিনি জানতে চান না, শুধু নেগেটিভ বিষয় দিয়ে মানুষকে এন্টারটেইন করাতে চান।’ তিনি বলেন, ‘সব জায়গার কিছু নিয়মনীতি আছে। কেউ চাইলেই নিজের ইচ্ছামতো যা খুশি তা–ই করতে পারেন না। তাঁর অনুষ্ঠানের সেন্সর হওয়া দরকার। তিনি কোনো সম্প্রদায়কে আক্রমণ করতে পারেন না। এতে তাঁরই সুনাম নষ্ট হচ্ছে।’

শেলী মান্নার চিঠি পাওয়ার পর জয় প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘শেলী ভাবি জ্ঞানী মানুষ। আমরা তাঁকে বাড়তি জ্ঞান দিতে চাই না। আমার ধারণা, তাঁকে জ্ঞান দেওয়ার অনেক লোক আছেন। আমি শুধু বলতে চাই, আপনি অযথাই বিষয়টিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনার থামা উচিত।’ এ প্রসঙ্গে শেলী মান্না বলেন, ‘আমাকে জ্ঞান দিতে হবে কেন! তিনি কি মনে করেন আমার নিজস্ব কোনো চিন্তাচেতনা নেই? আমার প্রশ্ন, জয় সাহেব, আমি কোন জায়গায় থামব? তাঁকে বলতে চাই, আপনি থামুন। নেগেটিভ বিষয়গুলো উন্মোচন করা বন্ধ করুন। আপনি মানুষের সম্মান ধূলিসাৎ করে এ রকম অনুষ্ঠান করতে পারেন না। ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিত করে টিআরপি বাড়াতে পারেন না। এটা মানহানিকর।’

 

এবার নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে হ্যারি-মেগানকে

এবার ব্রিটিশ যুবরাজ হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেলকে দেখা যাবে অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের সিরিজ ও অনুষ্ঠানে। বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান তৈরির জন্য নেটফ্লিক্সের সাথে চুক্তি করেছেন তারা। বুধবার এই চুক্তির খবর জানান নেটফ্লিক্সের প্রধান টেড সারানডোস। খবর স্কাই নিউজের।

মেগান জানিয়েছেন, নেটফ্লিক্সের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে চান তারা। অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে তথ্যচিত্র, ডকু-সিরিজ, ফিচার ফিল্ম ও শিশুদের অনুষ্ঠান।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের পদবি ত্যাগের ছয় মাস পর বিনোদন জগতে আসার এ উদ্যোগ নিলেন হ্যারি-মেগান দম্পতি। বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে বসবাস করছেন।
প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানার ছোট ছেলে হ্যারি (৩৫) ও মেগান মার্কেলের (৩৮) দেখা হয়েছিল ২০১৬ সালে। দীর্ঘ সময় প্রেম করার পর ২০১৮ সালের মে মাসে উইন্সরের সেন্ট জর্জ চ্যাপেলে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে করেন তারা।

ডায়ানাপুত্র হ্যারিকে বিয়ে করার আগে মেগান মার্কেলের পেশা ছিলে অভিনয়। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন সিরিজ ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন তিনি।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

আবারও আদালতে গড়াল চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যু রহস্য

চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যু রহস্য নিয়ে পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদনে নারাজি দিতে সময় চাইল পরিবার। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় বার বার তদন্তে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

সিআইডি, বিচার বিভাগীয়, র‌্যাবের পর এবার পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদনও প্রত্যাখ্যান করেছে সালমান শাহের পরিবার। হত্যা হলেও, বার বার এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে দাবি করে, আজ সোমবার আদালতে নারাজি আবেদনের জন্য সময় চান সালমানের মায়ের আইনজীবী। ন্যায়বিচারের জন্য তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেও জানান।

সালমানের মায়ের আইনজীবী বলেন, ‘পিবিআই আমাদের এভিডেন্সগুলো পর্যালোচনা করেনি। এজন্য আমরা মন করি সঠিক রিপোর্ট আসেনি। সালমানের মা এখনও ইংল্যান্ডে আছেন। আদালত একারণে আমাদের সময় দিয়েছেন।’
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমানের মৃত্যুর এক বছর পর তার বাবা হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, পিবিআইয়ের প্রতিবেদন গ্রহণ নিয়ে শুনানির জন্য ১১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিডি-প্রতিদিন

সুজানার ফ্যাশন হাউজে নিপুন, শারমিন লাকি ও সাবিলা

ক্যামেরা আর অ্যাকশনের ঝলমলে দুনিয়াকে বিদায় জানিয়েছেন লাক্স ফটো-সুন্দরী খেতাবপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সুজানা জাফর। সে সময় দুবাই থেকে জানিয়েছিলেন, অভিনয় ছেড়ে ধর্মে মন দেবেন।

করোনার কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস পর সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন সুজানা। দেশে ফিরেই ছয় মাস বন্ধ থাকা ফ্যাশন হাউস প্রিজম সুজানা’স ক্লোসেট সচল করেছেন তিনি।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর বনানীর ১১ নম্বর রোডে প্রিজম সুজানা’স ক্লোসেটে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন এ অভিনেত্রী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী নিপুণ, ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ সাবিলা নূর ও শারমিন লাকি।

শারমিন লাকি সুজানার জন্য শুভাশীষ জানিয়ে বলেন, সুজানার রুচি ও চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে আমি পূর্বেই পরিচিত। স্বাভাবিকভাবেই ওর কালেকশন চমৎকার হবে। আমি এসে দেখলাম ঠিক তাই।

সাবিলা নূর বলেন, আমি যে চমৎকার গাউনটি পরে রয়েছি এটা সুজানা আপুরে শো-রুমের। তাই আমার অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি আপুর শো রুমের কালেকশনগুলো চমৎকার। মান ও দাম্যার সমন্বয় রয়েছে।

এসময় সুজানা বলেন, ‘পোশাকের প্রতি আমার দুর্বলতা রয়েছে। সর্বোচ্চ মানসম্মত পণ্যগুলোয় আমাদের শো রুমে পাওয়া যাবে। আমাদের এখানে সমস্ত আয়োজন এক্সক্লুসিভ। দেশ-বিদেশের নানা ধরনের পোশাক ও অন্যান্য মেয়েদের লাইফস্টাইল সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে।’

বিডি প্রতিদিন

এবার অনার্স ভর্তির মেধা তালিকায় নেহা কাক্কারের নাম

ভারতে এবার অনার্স ভর্তির তালিকায় জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী নেহা কাক্কারের নাম এসেছে। ঘটনাটি নজরে আসার পর নড়েচড়ে বসে কলেজ কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সমস্ত ঘটনা উপর মহলে জানানো হয়।

ভারতের মালদহের মানিকচক কলেজের কলা বিভাগের পাস কোর্সে ভর্তি তালিকার প্রথমে নাম রয়েছে তার। এছাড়া ইংরেজি বিষয়ে অনার্সের মেধা তালিকায় নেহা কাক্কারের নাম রয়েছে। এই নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে ঠেকেছে বলে দাবি বিজেপির।

কলেজের প্রিন্সিপাল দাবি জানিয়েছেন, যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কঠোর শাস্তি হোক।
গত ২৭ আগস্ট এই কলেজে মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়। এরপরই দেখা যায় ইংরেজি অনার্স, এডুকেশন অনার্স এবং পাস কোর্সের তিনটি তালিকার এক নম্বরে নাম রয়েছেন নেহা কাক্কার।

কলেজের প্রিন্সিপাল অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী বলেন, কোনো টেকনিক্যাল কারণে এই ধরনের ভুল হয়েছে। কলকাতার একটি সংস্থাকে দিয়ে আমরা এই কাজ করায় তাদের সাথে আমার কথা হয়েছে। কেউ যদি ইচ্ছা করে এই ভুল করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিডি-প্রতিদিন

সিসিমপুর এবার মাছরাঙা টেলিভিশনে

মাছরাঙা টেলিভিশনে ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিসিমপুর প্রচারিত হতে যাচ্ছে। সপ্তাহের রবি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭টা পর্যন্ত প্রচারিত হবে সিসিমপুর। সেই সাথে প্রতি শুক্রবার প্রচারিত হবে সকাল ৯টায়।

এ প্রসঙ্গে সিসিমপুরের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, সিসিমপুর প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের শিক্ষা ও বিকাশে একটি অনন্য উদ্যোগ- যার প্রতিটি অংশ গবেষণালব্ধ এবং শিশুদের মনস্তাত্বিক দিককে মাথায় রেখে নির্মিত। আমরা সব সময়ই চাই সিসিমপুরের এই প্রয়াস পৌঁছে যাক বাংলাদেশের সকল শিশুর কাছে। তারই অংশ হিসেবে এখন থেকে দেশের মাছরাঙা টেলিভিশনে দেখা যাবে সিসিমপুর। সিসিমপুরের নতুন-পুরোনো সব পর্বই থাকছে মাছরাঙায়। ফলে ছোট্ট বন্ধুরা যারা বারবার সিসিমপুর দেখতে চায় তাদের জন্য এই উদ্যোগটি অনেক কাজে লাগবে। সেই সাথে যারা এবারই প্রথম সিসিমপুর দেখছে, তারাও পাবে সিসিমপুরের অনেক পর্ব একসাথে দেখার সুযোগ।

উল্লেখ্য, সিসিমপুর বিশ্বখ্যাত আমেরিকান টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘সিসেমি স্ট্রিট’র বাংলাদেশি সংস্করণ। শিশুদের ভাষা, সাক্ষরতা, গণিত, সামাজিক, মানসিক ও মানবিক দক্ষতা বিকাশের জন্য সিসেমি স্ট্রিট কাজ করছে পৃথিবীব্যাপী দেড় শতাধিক দেশে। প্রাক প্রাথমিক শিশুর বিকাশ কার্যক্রমের আওতায় ‘সর্বত্র শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’-এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সিসিমপুরের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।
২০১০ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্ট পরিচালিত একটি জরিপে সিসিমপুর শিশুতোষ অনুষ্ঠান হিসেবে শীর্ষস্থানীয় এবং সামগ্রিকভাবে তৃতীয় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হয়েছে। ২০০৭ সালে পরিচালিত এসিপিআরের একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দেখে, তারা তাদের চাইতে এক বছরের বড় শিশু, যারা সিসিমপুর দেখে না, তাদের চেয়ে ভাষা ও বর্ণ, গণিত এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়ে বেশি দক্ষতা প্রদর্শন করছে।

বাংলাদেশে সিমিপুরের যাত্রা, নির্মাণ এবং সম্প্রচার করা হয়েছে ইউএসএআইডি’র সহায়তায়।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

লাইফ সাপোর্টে প্রখ্যাত সুরকার আলাউদ্দিন আলী

বরেণ্য গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলীর গুরুতর অসুস্থ। শনিবার (৮ আগস্ট) ভোরে তাকে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলীর কন্যা কণ্ঠশিল্পী আলিফ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাবার অবস্থা বেশ খারাপ। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিলো। ভোরের দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। একটু দোয়া চাই সবার কাছে।’
এদিকে, আলাউদ্দিন আলীর ছেলে শওকত আলী রানা তার বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো গুজব না ছড়ানোর জন্য অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘ভোরে চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখেন তার অক্সিজেন মাত্রা খুব কম। হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক না। তীব্র শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তার। ফুসফুসের একটা অংশ পুরোপুরি নিমোনিক। আগামী ২৪ ঘণ্টা তার জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে আলাউদ্দিন আলী ফুসফুসের প্রদাহ ও রক্তে সংক্রমণসহ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন। ক্যান্সারেও আক্রান্ত তিনি। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই এক পরীক্ষায় তার ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়ে। বাংলাদেশ ও ব্যাংককে তার চিকিৎসা হয়েছে। সাভারে সেন্টার ফর রিহ্যাবিলিটেশন অব প্যারালাইজড কেন্দ্রেও চিকিৎসা নিয়েছেন দীর্ঘদিন।

আলাউদ্দিন আলী বাংলাদেশের বরেণ্য সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গীতিকার। এ পর্যন্ত ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার পুরস্কৃত হয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

বিডি প্রতিদিন

রামেন্দু-ফেরদৌসী দম্পতি করোনায় আক্রান্ত

জনপ্রিয় নাট্যজন দম্পতি রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদার কোভিড-১৯ আক্রান্ত। বর্তমানে তারা বাসায় আইসোলেশনে আছেন। রামেন্দু মজুমদার নিজেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই ফেরদৌসী মজুমদার জ্বরে আক্রান্ত হন। তার মধ্যে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ১৮ জুলাই টেস্ট করা হয়। সেখানে রেজাল্ট পজিটিভ আসে। তখন থেকেই তিনি আইসোলেশনে ছিলেন। করোনার উপসর্গ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। দু-তিন দিনের মধ্যে আবারও টেস্ট করাবেন এ দম্পতি।

রামেন্দু গণমাধ্যমকে বলেন, ফেরদৌসীর করোনা ধরা পড়ার এক সপ্তাহ পর আমারও জ্বর অনুভব হয়। তখন আমিও টেস্ট করাই। আমারও পজিটিভ রেজাল্ট আসে। তবে সবার প্রার্থনা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে আপাতত আমরা দুজনই সুস্থ আছি।  উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে এদেশের অভিনয়ে জনপ্রিয় নাম রামেন্দু ও ফেরদৌসী মজুমদার। মঞ্চের পাশাপাশি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন এই দম্পতি।

বিডি-প্রতিদিন

 

টাকা দিয়ে ফলোয়ার কেনেন প্রিয়াঙ্কা-দীপিকা!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ও পেইড ফলোয়ার নিয়ে নানা রকম বিভ্রান্তি ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মাঠে নেমেছে মুম্বাই পুলিশ। তদন্তে বলিউডের বেশ ক’জন বড় তারকার নাম বেরিয়ে এলো, যেখানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাড়ুকোনের মতো তারকারাও রয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে আটজনকে ডাকা হলেও ভারতীয় পুলিশ ১৭৬ জনের নাম পেয়েছেন, যারা ফলোয়ার কেনার সঙ্গে যুক্ত। এদিকে পুলিশের একাধিক সূত্র ভারতীয় মিডিয়াকে জানায়, তাদের তালিকায় আরও আটজন সেলিব্রেটি আছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও দীপিকা পাড়ুকোন। তাদেরও হয়তো প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে।

বিডি-প্রতিদিন

সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট!

সুশান্ত সিং রাজপুত এর বাবা কে কে সিং দাবি করেছেন ফেব্রুয়ারি মাসেই মুম্বাই পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন সুশান্তের জীবনে কোনো বিপদ আসতে পারে। কিন্তু মুম্বাই পুলিশ কোনো রকম পদক্ষেপ করেনি বলে দাবি করেছেন সুশান্তের বাবা। সেই সময় সুশান্ত, তার দিদি প্রিয়াঙ্কা, দুলাভাই তথা হরিয়ানার পুলিশ ওপি সিং এর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে কিছু কথাবার্তা হয়। সেই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এর কিছু অংশ সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও প্রকাশ করেছে।

জানা যাচ্ছে, এই সময় বান্দ্রার ডিসিপি পরমজিৎ সিংকে জানানো হয় সুশান্তের কাছে হুমকি আসছে। সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি এই সংক্রান্ত খবরাখবর তাদের যাতে জানানো হয় তার আবেদন করেছিল সুশান্তের পরিবার। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ১৪ জুন বান্দ্রার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ। মুম্বাই পুলিশ জানায় আত্মঘাতী হয়েছেন অভিনেতা।

টাইমস নাও-এর হাতে আসা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এ দেখা যাচ্ছে, সুশান্ত এর দুলাভাই তাকে মেসেজ করে বলছেন, তাকে নিয়ে খুব চিন্তায় রয়েছে পরিবার। তিনি লিখছেন, তোমার পরিবারের সকলে তোমার স্বাস্থ্য নিয়ে খুব চিন্তায় রয়েছে। তারা ভাবছে তোমার ক্ষতি করছে কয়েকজন ষড়যন্ত্রকারী মানুষ, যারা তোমাকে ভুল ওষুধ দিচ্ছে এবং ঠিকমত খেতে দিচ্ছে না, ঘুমোতে দিচ্ছে না। তোমায় হতাশায় ভুগতে বাধ্য করছে এবং নিজেদের বশে রাখছে। তারা তোমার টাকা ওড়াচ্ছে এবং তোমার সমস্ত কন্টাক্ট ব্যবহার করছে।

সুশান্তের দুলাভাই এই সমস্তটাই জানিয়েছিলেন বান্দ্রা ডিসিপিকে। তিনি সেই চ্যাটে সুশান্তকে বলেছিলেন, কোনও কিছু সমস্যা হলে সেটা পুলিশের জানা উচিত। তাই তিনি সমস্ত বিষয় বান্দ্রা পুলিশকে জানাবেন। তিনি হোয়াটসঅ্যাপে আরও লিখেছিলেন, আমি বিভিন্ন জায়গা থেকে জানতে পেরেছি যে সুশান্তকে বাঁচানোর জন্য আমাদের কাছে বেশি সময় নেই। রিয়া নামের মেয়েটি মিরান্ডা ও শ্রুতিকে কাজে লাগিয়ে সুশান্তকে আর্থিক, মানসিক এবং শারীরিক দিক থেকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছে।

সুশান্তের বোন একটি মেসেজে লিখেছিলেন, রিয়া চাইছে সুশান্তের সমস্ত মূল্যবান যোগাযোগ ব্যবহার করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা তৈরি করতে। সুশান্ত এর উপর ভর করে বলিউডে খ্যাতি পেতে চাইছে। সুশান্তের কাছে সময় থাকলেও ও কিন্তু আমাদের সাবধান করেছে। ওকে কড়া ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। রিয়ার ঠিক করা তিনজন চিকিৎসক ওকে কড়া সাইকোটিক ওষুধ দিয়েছে যার প্রেসক্রিপশন রয়েছে। এই সমস্ত সমস্যার মূলে রয়েছে রিয়া এবং ওর পরিবার।

এই সমস্ত কথাবার্তাই হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে। চ্যাট থেকে সম্পূর্ণ বোঝা যায় যে খুবই চিন্তিত ছিল সুশান্ত সিং রাজপুত এর পরিবার। সুশান্তের সঙ্গে যে খারাপ কিছু হতে চলেছে তার আশঙ্কা করেছিলেন তারা আগেই। কিন্তু মুম্বাই পুলিশকে জানিয়ে কোনো কাজ হয়নি। সূত্র : কলকাতা ২৪x৭।

বিডি-প্রতিদিন