ছেলের পর এবার অগ্নিদগ্ধ সাংবাদিক নান্নু, অবস্থা সংকটাপন্ন

ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নুর বাসায় আবারো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগরের ৩ নম্বর রোডের বি ব্লকের ৪৪/৪৬ নম্বর নিজ বাসায় হঠাৎ আগুন লাগে। এতে দগ্ধ হন সাংবাদিক নান্নু। গুরুতর অবস্থায় তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, রোগীর অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল। তার শরীরে গভীর দগ্ধ। প্রায় ৬০ শতাংশের মতো পুড়ে গেছে। আশংকাজনক হওয়ায় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

সাংবাদিক নান্নুর স্ত্রী শাহীনা আহমেদ পল্লবী জানান, রাত্রিকালীন অফিস শেষে বাসায় ফিরে খাওয়া দাওয়ার পর রাত ৩টার দিকে হঠাৎ করে শব্দ হয়। গ্যাসের গন্ধও পাওয়া যাচ্ছিল। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সম্ভবত অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। তাতেই দগ্ধ হন তিনি।

উল্লেখ্য যে, মাত্র ছয় মাস আগে গত ২ জানুয়ারি একই বাসায় এসি বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান নান্নুর একমাত্র সন্তান মিউজিক ডাইরেক্টর পিয়াস (২৪)। বাবা মায়ের চোখের সামনেই আগুনে পুড়ে মারা যান তিনি। সে সময় ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সাংবাদিক নান্নু এবং তার স্ত্রী।

লকডাউন রাজধানীর ৩৮ এলাকা; দেখুন কোনগুলো

আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন নিয়মে লকডাউন। আক্রান্তের আধিক্য বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ঢাকা মহানগরীর ৩৮টি এলাকাকে আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) হিসেবে ঢাকার কোনো এলাকাকে দেখানো হচ্ছে না।

মহানগরীর আংশিক লকডাউন বলে চিহ্নিত ৩৮টি এলাকা হলো-

আদাবর থানা, উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, ওয়ারী, কদমতলী, কলাবাগান, কাফরুল, কামরাঙ্গীরচর, কোতয়ালী, খিলক্ষেত, গুলশান, গেন্ডারিয়া, চকবাজার, ডেমরা, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, দক্ষিণখান, দারুসসালাম, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, পল্টন মডেল, পল্লবী, বংশাল, বাড্ডা, বিমানবন্দর, ভাটারা, মিরপুর মডেল, মুগদা, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, রমনা মডেল, লালবাগ, শাহআলী, শাহজাহানপুর, শেরেবাংলা নগর, সবুজবাগ, সুত্রাপুর ও হাজারীবাগ থানা এলাকা।

করোনা মোকাবিলায় জোনিং ব্যবস্থা পুরোদমে বাস্তবায়ন করতে একটি অ্যাপ তৈরি করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে- বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজধানীর যে ১১ এলাকা গ্রিন জোন চিহ্নিত

দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আক্রান্ত বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ।সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।

শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ আপডেট করা তালিকায় ঢাকা মহানগরীর ১১টি এলাকাকে লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) বলে দেখানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) হিসেবে ঢাকার কোনো এলাকাকে দেখানো হচ্ছে না।

লকডাউন নয় বলে চিহ্নিত ১১টি এলাকা হলো- উত্তরখান থানা, ক্যান্টনমেন্ট থানা, খিলগাঁও, তুরাগ, বনানী, ভাষানটেক, মতিঝিল, রামপুরা, রূপনগর, শাহবাগ ও শ্যামপুর থানা এলাকা।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, আজ রোববার (৭ জুন) থেকেই কিছু জায়গায় জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হচ্ছে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদক্ষেপ থাকলেও রেড জোনে করোনার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পুলিশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৩৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৮৪৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মারা গেছেন ৩৫ জন।

ঢাকার ওয়ার্ডগুলোতে ফের লক ডাউন শুরু

ঢাকার রাজারবাগে ২৭ নাম্বার ওয়ার্ড লক ডাউন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মেয়র আতিক। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, ঢাকা উত্তরের অতি সংক্রমণ এলাকা রাজারবাগের ২৭ নাম্বার ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লক ডাউন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আজ রাতেই এই লক ডাউন করা হবে বলে মেয়র অফিস সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য যে, সরকার এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অতি সংক্রমণ এলাকা, যে এলাকাগুলোতে এক লাখে ৩০ থেকে ৪০ জন আক্রান্ত সেই এলাকাগুলো রেড জোন চিহ্নিত করা হবে। সেই এলাকার যাতায়াত যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হবে। শুধুমাত্র জরুরি স্বাস্থ্য সেবাসহ সব ধরণের চলাচল বন্ধ করা হবে। সেখানে খাদ্য সরবারহ নিশ্চিত করা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এলাকাগুলোকে অবরোধ করে সংক্রমণ ঠেকানোর কৌশল নিয়েছে সরকার। সেই কৌশলের অংশ হিসেবে রাজারবাগের এই এলাকা লক ডাউন হচ্ছে বলে সিটি কর্পোরেশন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঢাকার দুই এলাকা লক ডাউন

আজ শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরীক্ষামূলক লকডাউন হচ্ছে রাজধানীর রাজাবাজার ও পুরান ঢাকার ওয়ারী এলাকা। কিছুক্ষণের মধ্যেই এই লকডাউন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

রাজধানীসহ বাংলাদেশের চারটি জেলার করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। জানা যায়, সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এখন নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহর এবং জেলা, যেগুলোতে ব্যাপকভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে সেগুলোকে চিহ্নিত করেছে। ব্যাকপভাবে সংক্রমিত এলাকগুলোকে ‌`রেড জোন` এর আওতায় এনে পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে ঢাকার যেসব রেড জোন চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে দু`টিকে আজকেই পরীক্ষামূলকভাবে লকডাউন ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইতিমধ্যেই পুরান ঢাকার ওয়ারী এবং পূর্ব ও পশ্চিম রাজাবাজারকে লকডাউন ঘোষণা করার কথা। বাকী এলাকাগুলো আগামীকাল সোমবার লকডাউন করা হবে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সারাদেশে যেসব এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্য লকডাউন করা হবে। রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত লকডাউন এলাকার কেউ কোনভাবেই ঘর থেকে বের হতে পারবেন না। পুরোপুরি কড়াকড়ি থাকবে ওইসব এলাকায়।

রাজধানীতে আবারও বেপরোয়া বাস, প্রাণ গেল ২ জনের

রাজধানীর বাংলামোটরে বিহঙ্গ বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ১ জন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর পরই বাসটিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

প্রসঙ্গত যে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার গত ১ জুন আবারও চালু হয় বাস চলাচল। বাস চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং শৃংখলা আনার কথা বলা হলেও তা মানা হচ্ছে না। উপরন্তু চালকরা যে এখনও আগের মতই বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছেন, আজকের ঘটনাই তার প্রমাণ।

‘রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি; লেশমাত্র রাখব না’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, করপোরেশনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি রয়েছে। এই দুর্নীতিকে আমি প্রশ্রয় দেব না এবং দুর্নীতির লেশমাত্র এই সংস্থায় রাখব না।

মঙ্গলবার (২ জুন) নগর ভবনে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত করপোরেশনের ২য় পরিষদের প্রথম করপোরেশন সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকাবাসীর কাছে দেয়া ওয়াদা পূরণে করপোরেশনের কাউন্সিলররাই তার পথচলার প্রধান সঙ্গী উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, আজ থেকে আমাদের নবযাত্রা শুরু হলো। ঢাকাবাসীর কল্যাণে দেয়া ওয়াদা পূরণের লক্ষ্যে আমরা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছি। ইনশাল্লাহ আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই ঢাকাবাসী এর প্রতিফলন দেখতে পাবেন।

সভায় অর্থ ও সংস্থাপন বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিষয়ক বা দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতির অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ প্রদানের অনুরোধ করেন মেয়র তাপস। কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে কর্মকর্তাদের প্রতি তিনি পুনরায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মেয়র তাপস বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় আমরা উন্নত ঢাকা গড়ার ভিত্তি রচনা করে যাব। এজন্য বছরে ৩৬৫ দিন ১২ মাস ২৪ ঘণ্টা আমাদের কাজ করে যেতে হবে। ঢাকাবাসীর কাছে আমাদের যে দায়বদ্ধতা তা সবাই নিষ্ঠা নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে করলে সব সংকট মোকাবিলা করেই করপোরেশনকে ঢাকাবাসীর আস্থা ও গর্বের সংগঠনে পরিণত করতে সক্ষম হবো। এখন থেকে করপোরেশনের সব কাজে কাউন্সিলরদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং ঢাকাবাসীর কল্যাণে যা কিছু করা হবে, যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তা তাদের নিয়েই করা হবে এবং তার বাস্তবায়ন করা হবে। আজ থেকে করপোরেশনের দরজা আপনাদের জন্য খোলা। আপনারা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

মেয়র তাপস ঢাকাবাসীর সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিকল্পে যৌক্তিকভাবে নতুন নতুন আয়ের খাত সৃষ্টি করার ঘোষণা দেন। তবে নাগরিকদের উপর কোনো কর বৃদ্ধি হবে না বলেও উল্লেখ করেন।

সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় ৪ নেতা, ১৫ আগস্ট শহীদ তার প্রয়াত পিতা শেখ ফজলুল হক মনি, মা আরজু মনিসহ সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে মেয়র মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যানজট, জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও অবৈধ দখলমুক্তকরণ ইত্যাদি কাজে কাউন্সিলরদের সক্রিয় সহায়তা কামনা করেন।

বোর্ড সভায় মেয়র উন্নয়ন কাজে কাউন্সিলরদের সম্পৃক্ত করা এবং তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার ব্যাপারে বেশকিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তিনি।

তাপস বলেন, এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হবে এবং কাউন্সিলররা সপ্তাহে একদিন সমস্যা নিরসনে তার সঙ্গে আলাপ করতে পারবেন। এজন্য সপ্তাহের একটি দিন ধার্য করে দেবেন বলেও কাউন্সিলরদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

নবনির্বাচিত কাউন্সিলররা মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে মেয়র কর্তৃক আশ্বস্ত হওয়ায় কাউন্সিলররা ফজলে নূর তাপসকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

আমি ২৪ ঘণ্টার মেয়র: তাপস

নিজেকে ২৪ ঘণ্টার মেয়র দাবি করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, তিনি যে কোনো সময় যে কোনো স্থানে পরিদর্শনে যেতে পারেন, ওই সময় কর্মস্থলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না থাকলে চাকরি হারাবেন।

তাপস বলেন, ‘আমি ২৪ ঘণ্টার মেয়র। যে কোনো সময় যে কোনো কার্যক্রম পরিদর্শনে যাবো। সে সময় স্পটে কাউকে পাওয়া না গেলে ধরে নেবেন তিনি আর ডিএসসিসিতে কর্মরত নেই। সেটা তিনি যে পর্যায়ের কর্মকর্তাই হন।’

সোমবার নগর ভবন সেমিনার রুমে মেয়র তাপসের সভাপতিত্বে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মশক নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কর্মপরিকল্পনা শুরু করার কথা তুলে ধরে তাপস বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে যেসব কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরা হলো তার সঠিক বাস্তবায়নে কোন ব্যার্তয় বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবেনা।

গৎবাধা পুরনো লোকদেখানো কার্যক্রম থেকে বেরিয়ে এসে ‘মাইন্ডসেট’ পরিবর্তন করে অর্জিত মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর সেবাদানে আন্তরিক ভাবে কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

‘এজন্য তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত মশক নিয়ন্ত্রণের পুরো কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হবে,’ যোগ করেন তিনি।

সভায় ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফ আহমেদ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর আবদুল বাতেন, সচিব মো. আকরামুজ্জামানসহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ ও এন্টোমোলজিষ্টগন উপস্থিত ছিলেন।

২ মাসেরও বেশি সময় পর খুলছে নিউমার্কেট

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর রবিবার (৩১ মে) থেকে খুলছে ঢাকা নিউমার্কেট। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখা হবে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত মেনে রোববার সকালে নিউমার্কেটের ৪টি ফটকের ৩টি খুলে দেয়া হবে।

এর আগে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ২৫ মার্চ সারাদেশে লকডাউন চালু হওয়ার কয়েকদিন আগেই বন্ধ হয়ে যায় ঢাকার নিউমার্কেট। পরে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মে মাসের শুরুতে সরকার মার্কেট খোলার অনুমতি দিলেও ঝুঁকি এড়াতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ নেননি।

সূত্রঃ বিডি-প্রতিদিন
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।

রাজধানীর ১৭ টি স্পটে অসহায় মানুষের মাঝে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

করোনা ভাইরাসের কারনে দেশের মানুষকে লকডাউনে থাকতে হচ্ছে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জরুরী কাজে বের হতে হচ্ছে। এতে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে। এই সংকট দূরীকরণে সরকারের পাশাপাশি অনেক রাজনৈতিক সংগঠন এগিয়ে এসেছে। সাথে সাথে তরুণদের বিরাট একটা অংশ সেবায় নিয়োজিত হয়েছে।

যুব ও ক্রিয়া প্রতিমন্ত্রী  মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল ২৭ মে ২০২০ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গার ১৭ টি স্পটে করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষদের জন্য ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে একযোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও যুব সংগঠক বৃন্দ ঊপস্থিত থেকে প্রত্যেকটি স্থানে আমার সাথে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে উদ্বোধনে অংশগ্রহন করেন পাশাপাশি স্ব স্ব স্থানে তারা অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এতে করে অসহায় মানুষের পাশে থাকছে যুব সমাজ। খাবার পেয়ে যুব অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানায় অসহায় মানুষজন।