পায়রা বন্দরে শের-ই-বাংলা নৌ-ঘাটিতে যাওয়ার সড়কটি যেন মরনফাঁদ

কলাপাড়া পায়রা বন্দরে শের-ই-বাংলা নৌ-ঘাটিতে যাওয়ার সড়কটি এখন যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার থেকে দুই কিলোমিটার ইটের সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে খানা-খন্দক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও ইট সড়ে গিয়ে কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। আবার কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে কয়েক হাজার মানুষ। এমনকি সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই সড়কটির দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া, দশকানি, ছোনখলা, চড়পাড়া গ্রামের কয়েক হাজার লোকজন এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানসহ মালবাহী ট্রলি চলাচলের কারনে সড়কটি বেহাল দশা হয়ে পড়ে। বর্তমানে জরুরী রোগী যাতায়াতে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

পশরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো.রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারনে এখন আরো খারাপ অবস্থা হয়েছে।

লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো.লিটন সাউগার বলেন, পায়রা বন্দরের শের-ই-বাংলা নৌঘাটিতে যাওয়ার দুই কিলোমিটার রাস্তাই খারাপ অবস্থা হয়ে পড়েছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
লালুয়া ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, এ সড়কটির ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। কিন্তু অদ্যাবদি কোন সুরাহা পায়নি বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।

ধর্ষণ করতে গিয়ে ধরা, উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যায়

ইন্দুরকানীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা থানায় মামলা। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার চরণী পত্তাশী গ্রামের পত্তাশী হাছানিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী দুপুর বেলা নিজ বাড়িতে গোসল করে কাপড় পাল্টানোর সময় একই গ্রামের সাকাওয়াত খানের ছেলে মাসুম খান (২৫) বাড়িতে একা পেয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে ওই ছাত্রীর মা বাসায় আসালে টের পেয়ে লম্পট মাসুম উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এঘটনায় ওই ছাত্রীর মা পিয়ারা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত লম্পট মাসুমকে আসামী করে শুক্রবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ইন্দুরকানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এব্যাপারে ওই ছাত্রীর মা পিয়ারা বেগম জানান, ঘটনার দিন আমি বাড়ির পাশ্ববর্তী মাঠে গরু আনতে যাই। এসময় ফাকা বাড়ি পেয়ে আমার মেয়েকে লম্পট মাসুম ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি এখন মানুষের কাছে মুখ দেখাতে পারছি না। আমি লম্পট মাসুমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

সূত্রঃ নয়াদিগন্ত

কলাপাড়ায় দালালের খপ্পরে মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলের নিখোঁজ সংবাদে পাগলপ্রায় ‘মা’ ॥

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাকামইয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পুত্র শামীম হাওলাদার (২২) মালয়েশিয়া গিয়ে নিখোঁজ হলে একমাত্র বুকের ধনকে হারিয়ে মা এখন পাগলপ্রায় । দালালের খপ্পরে পরে ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে তার কোন খোঁজ পাচ্ছেনা মা সামসুন্নাহার বেগম। ছেলেকে ফিরে পাবার জন্য বিভিন্ন মহলে তদ্বির, ছুটোছুটি এবং কলাপাড়া থানায় একটি সাধারন ডায়রী করছেন ।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মা সামসুন্নাহারের পুত্র শামীম হাওলাদার গত দেড় বছর পূর্বে একটি কোম্পানীর মাধ্যমে কাজ করার জন্য মালয়েশিয়া যায়। ওই কোম্পানীতে কিছুদিন কাজ করার পর নতুন ভিসা করানোর জন্য বাংলাদেশী এক দালাল নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার নীলিক্ষা গ্রামের শাহআলম ও তার স্ত্রী বৃষ্টি বেগমের সাথে ৫ লক্ষ টাকার চুক্তি করেন শামীম। চুক্তিমত ৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা শামীম মালয়েশিয়া বসে নগদ প্রদান করেন। বাকী ৬০ হাজার টাকা মা সামসুন্নাহার দালালের স্ত্রী বৃষ্টি বেগমের ডাচবাংলা ব্যাংকের ১৪১১৪১০৬২ হিসাব নম্বরে আমতলী শাখার মাধ্যমে প্রদান করেন। এরপর গত ১৫ দিন ধরে ছেলে শামীমের কোন খোঁজ পাচ্ছে না মা সামসুন্নাহার বেগম। ছেলের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি সেই থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। দালালের স্ত্রী বৃষ্টি বেগমের কাছে ছেলের সংবাদ জানতে চাইলে উল্টাপাল্টা কথা বলেন। সর্বশেষ দালালের স্ত্রী বৃষ্টির ব্যবহৃত ০১৭৯৪-৬৭৩৪১৬ মোবাইল নাম্বারটিও বন্ধ পাওয়া যায়। দিশেহারা হয়ে মা সামসুন্নাহার কলাপাড়া থানায় জিডি (সাধারন ডায়েরী) করেন, যার নাম্বার ৭৯৯, ২২,০৬,২০২০।

মা সামসুন্নাহার বলেন, আমার বাবারে আমার বুকে ফেরত দেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোড় অনুরোধ জানাচ্ছি এবং দালাল চক্রকে ধরে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়ার দাবী জানান তিনি।

কলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবিষয়ে থানায় একটি সাধারন ডায়রী করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

বরিশাল মেডিকেলের করোনা ইউনিটে আগুন

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনাভাইরাস ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। যদিও আতঙ্কে ইউনিটে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চিকিত্সাধীন রোগীরা ভবনের সামনের মাঠে অবস্থান নেয়।ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বৈদুতিক গোলযোগের কারণে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে করোনাভাইরাস ইউনিটে আগুন লাগে। মুহুর্তেই চিকিৎসাধীন রোগীরা চিৎকার এবং হুড়োহুড়ি শুরু করে দেয়। তারা ইউনিট থেকে বের হয়ে ভবনের সামনের মাঠে অবস্থান নেয়।

পরে বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিলে আগুন নিভে যায়। ধারণা করা হচ্ছে চিকিৎসাধীন রোগীরা একাধিক বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার করায় ফিউজ পুড়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হয়েও অদম্য ইচ্ছা ফাহিম এখন ফ্রিল্যান্সিং দুনিয়ায়

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। এর পর থেকে দুরারোগ্য এক ব্যাধিতে হাত-পায়ের পেশিগুলো শুকিয়ে যেতে থাকে। আর এখন তো অন্যের সাহায্য ছাড়া নড়াচড়াই করতে পারেন না। মাগুরার সেই ফাহিমুল করিম এখন টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার, পরিবারের ভরসার নাম।

ছোটবেলায় আর দশটা ছেলের মতো স্বাভাবিকই ছিলেন। স্কুলে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, পুকুরজুড়ে সাঁতরানো আরো কত কী। পড়ালেখার পাশাপাশি দুষ্টুমিতেও সবাইকে ছাড়িয়ে যেতেন। এ জন্য মা-বাবার কাছে নালিশও কম আসেনি। কিন্তু মায়ের বকুনি, বাবার পিটুনি কোনো কিছুই ফাহিমকে আটকে রাখতে পারত না। স্কুল থেকে ফিরে টেবিলে বইগুলো রেখেই দে ছুট। ফাহিমকে আর পায় কে। এভাবেই চলছিল।

তখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন ফাহিম। কয়েক দিন পর বার্ষিক পরীক্ষা। তার আগেই হঠাৎ অচেনা এক অসুখ হানা দেয় তাঁর শরীরে। এ-হাসপাতাল থেকে ও-হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে ফাহিমের বাবা একসময় জানতে পারেন জটিল এক অসুখে আক্রান্ত তাঁর ছেলে। ফিকে হয়ে আসে ফাহিমের স্বপ্ন। দিনভর পাড়া মাতিয়ে রাখা ছেলেটাকে পা টেনে টেনে হাঁটতে হয়। শরীরও দুর্বল হতে থাকে। একসময় সঙ্গী হয় বিছানা। ধীরে ধীরে শুকিয়ে যেতে থাকে ফাহিমের হাত-পায়ের পেশি। এ অবস্থায়ও পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু ২০১২ সালে বলতে গেলে অকেজো হয়ে পড়ে পুরো শরীর। হাতের আঙুলগুলো শুধু সচল। মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ইতি ঘটে ওই অষ্টমেই।

মাগুরা শহরের একটি নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে ফাহিম। বাবা রেজাউল করিম একটি বেসরকারি কম্পানির বিপণন বিভাগে কাজ করেন। মা হাজেরা খাতুন গৃহিণী। একমাত্র বোন স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে। রেজাউল করিম জানান, ফাহিমের সমস্যা প্রথম ধরা পড়ে ২০০৬ সালে। বাংলাদেশে বেশ কয়েক দফা চিকিৎসার পর ২০০৮ সালে নিয়ে যান কলকাতায়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, তাঁর ছেলে ডুচেনেমাসকিউলার ডিস্ট্রফিতে আক্রান্ত। ধীরে ধীরে পেশি দুর্বল হয়ে যাবে। বংশগত রোগটির কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমস্যা জটিল হতে পারে। চিকিৎসকরা ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দেন। পাশাপাশি ফলোআপের জন্য কয়েক মাস পর আবারও যেতে বলেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আর চিকিৎসা করাতে পারেননি রেজাউল করিম। ২০১২ সাল থেকে একেবারে বিছানায় ফাহিম।

তবে তিনি থেমে থাকেননি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে জগত্খ্যাত হওয়া বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের কথা জানা ছিল তাঁর। হকিংয়ের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে মনের শক্তিকে কাজে লাগাতে থাকেন ফাহিম। কম্পিউটার শেখা শুরু করেন। কম্পিউটার চালানো পুরোপুরি আয়ত্তে এলে একসময় নিজেকে সঁপে দেন ফ্রিল্যান্সিং দুনিয়ায়। অদম্য ইচ্ছা ও অধ্যবসায়ের কাছে হার মানে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। ফাহিম এখন ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপওয়ার্কের অন্যতম টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার। তাঁর প্রতি ঘণ্টার রেট আট ডলার।

মাগুরা শহরের মোল্যাপাড়ায় ফাহিমদের বাড়ি। একদিন সেখানে গিয়ে দেখা গেল, বিছানায় বসে আছেন। সামনে ল্যাপটপ। শীর্ণ হাতের আঙুল মাউসে রেখে কাজ করছেন। কথায় কথায় ফাহিম জানালেন, জেএসসি পরীক্ষার দুই-তিন দিন আগে থেকে হাঁটাচলা বন্ধ হয়ে যায়। অসুস্থ শরীর নিয়েই পরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরীক্ষার ফলও ভালো হয়েছিল। কিন্তু শরীর আর সায় দিচ্ছিল না। ফলে ক্লাস নাইনে আর ভর্তি হননি। বাসায় থাকতে থাকতে সময়গুলো বিরক্তিকর ঠেকছিল। একসময় হতাশা এসে ভর করে। শুরুর দিকে হতাশা কাটাতে বাসার পাশের দুটি ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতেন। এভাবে চলে বছরখানেক। প্রাইভেট পড়ানোর টাকা দিয়ে প্রথমে একটি স্মার্টফোন কেনেন। তারপর ফেসবুকের মাধ্যমে একদিন জানতে পারেন ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করার নানা উপায়। প্রথমে মোবাইল দিয়েই কাজ শেখার চেষ্টা করেন। কিন্তু ওভাবে বেশি দূর এগোনো যাচ্ছিল না। দরকার ল্যাপটপের। মায়ের কাঁথা সেলাইয়ের জমানো টাকা ও ব্যাংক লোন নিয়ে ল্যাপটপ কেনেন ফাহিম।

২০১৬ সালের শেষ দিকে শুরু হয় ফাহিমের গ্রাফিকস ডিজাইনার হয়ে ওঠার লড়াই। গুগল থেকে এবং ইউটিউবে ভিডিও দেখে দেখে কাজ শিখতে থাকেন ফাহিম। শুরুর দিকে মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলার অভিজ্ঞদের সহায়তা নেন অনলাইনে-অফলাইনে। ২০১৭ সালে প্রথমে আউটসোর্সিংয়ের ওয়েবসাইট অনলাইন ফাইবারে যোগ দেন। প্রথম দিনেই কাজ পান। পাঁচ ডলারের কাজ। কিন্তু ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে বোনাস দেন ১০ ডলার। তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। এখন ফাইবারে লেবেল টু সেলার আর আপওয়ার্কে টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন ফাহিম। গত তিন বছরে পাঁচ শতাধিক প্রকল্পে কাজ করেছেন। এ পর্যন্ত তাঁর সব মিলিয়ে আয় ১০ হাজার ডলারের বেশি। করোনার কারণে বর্তমানে অবশ্য কাজ কমে গেছে। তবু দক্ষতার কারণে একবারে বেকার হয়ে পড়েননি। মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার কাজ করছেন। পাশাপাশি বাসায় ও অনলাইনে কাজ শেখাচ্ছেন অনেককে।

হাতের আঙুলগুলো যার ঠিকমতো কাজ করে না, কিভাবে তিনি এত দূর এলেন? ফাহিমকে দেখলে যে কারো মনে জাগবে এমন প্রশ্ন। এ বিষয়ে ফাহিম বলেন, ‘স্টিফেন হকিং আমার মতো ডিজেবল ছিলেন। আমার মতো মানুষদের জন্য তাঁর একটা কথা ছিল যে ফিজিক্যালি ডিজেবল হও; কিন্তু মানসিকভাবে ডিজেবল হয়ো না। কারণ শারীরিক অক্ষমতা ভালো কিছু করা থেকে আটকে রাখতে পারে না। এ কথাটি সব সময় মনে রেখেছি।’

মাগুরাসহ দেশের অনেকেই তাঁর কাছে পরামর্শ চায়। ফাহিম জানান, ফ্রিল্যান্সার হতে হলে অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন। অধৈর্যের কারণে অনেক তরুণ কাজ শুরু করেন ঠিকই; কিন্তু টিকে থাকতে পারেন না। ধৈর্য ধরে টিকে থাকলে এটি আত্মনির্ভরতা ও উন্নত কর্মসংস্থানের অনন্য এক উপায়।

তবে দীর্ঘদিন হয়তো এই কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন না। তাই পরিকল্পনা আছে টাকা জমিয়ে কোনো ব্যবসা শুরু করার, যেখানে আরো বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়। বর্তমানে পরিবারের খরচের বড় একটি অংশের জোগান আসে তাঁর আয় থেকে। আগে ভাড়া বাসায় থাকতে হতো ফাহিমের পরিবারকে। এখন ফাহিমের জমানো টাকায় শহরের মোল্যাপাড়ায় কেনা চার শতক জমিতে বাড়ি করে সেখানে উঠেছেন তাঁরা। তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক গত বছর মাগুরায় সরকারি এক অনুষ্ঠানে এসে ফাহিমের বিষয়টি জেনে তাঁকে একটি ল্যাপটপ দিয়েছেন। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ দিয়েছে এক লাখ টাকার অনুুদান।

মায়ের সাহায্য ছাড়া নড়তে পারেন না ফাহিম। মা হাজেরা খাতুন জানান, রাত জেগে ফাহিম কাজ করে। সেই সঙ্গে তিনি জেগে থাকেন ফাহিমকে সহযোগিতা করার জন্য। নিজের শরীরের কোনো অংশই এতটুকু সরানোর ক্ষমতা নেই। খাওয়াদাওয়া, গোসল থেকে শুরু করে সব কাজেই ফাহিমকে সহযোগিতা করেন তিনি।

ছেলের চিকিৎসা বিষয়ে রেজাউল করিম জানান, ২০০৮ সালে ভারতে ডাক্তার দেখানোর পর বড় পর্যায়ে আর কোনো চিকিৎসা হয়নি ফাহিমের। এত দিন অর্থাভাবে বিষয়টি চিন্তা করতে পারিনি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের বেঙ্গালুরে নেওয়ার ইচ্ছা আছে।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ

নাতীর লাঠির আঘাতে নানীর মৃত্যু, মেয়ে আটক

এক নাতীকে আম দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশালের গৌরনদীতে অপর এক নাতীর লাঠির আঘাতে নানী জরিনা বেগমের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই উপজেলার বড়দুলালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার বড়দুলালী গ্রামের সাহেব আলী বেপারীর বিধবা স্ত্রী জরিনা বেগমের ৬ কন্যা সন্তান রয়েছে। বিধবা জরিনা তার ছোট মেয়ে লাইজু বেগমকে বিয়ে দিয়ে বাড়িতে ঘরজামাই রাখেন। জরিনার ছোট মেয়ে লাইজু বেগম বাবার বাড়ির গাছের আম পেড়ে সোমবার সকালে খালাতো ভাইয়ের মেয়ে ইয়ামিন খানমকে (১৩) দেয়। বিষয়টি লাইজুর সহোদর বোন ফাতেমা বেগম জানতে পেরে গত সোমবার রাত রাত ৮টার দিকে বাবার বাড়ি গিয়ে তাকে (ফাতেমা) ভাগের আম না দেয়ার কারণ জানতে চায় বোন লাইজুর কাছে। এ নিয়ে ফাতেমা ও তার ছেলে বাচ্চু বেপারীর সাথে লাইজুর বাকবিতন্ডা এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে নাতী বাচ্চুর লাঠির আঘাতে নানী জরিনা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার জানান, হত্যাকান্ডের শিকার জরিনার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে লাইজুকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন ওসি গোলাম ছরোয়ার।

সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

বরিশালে করোনা ওয়ার্ডে ২৪ ঘণ্টায় ৪ রোগীর মৃত্যু

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জ্বর, কাশি ও শ্বাস কষ্ট নিয়ে করোনা ওয়ার্ডে চারজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার বিকেল ৪ টায় করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ও সাড়ে ৩ টায় ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ৬৫ বছর বয়সী অপর এক বৃদ্ধ মারা যান।

এছাড়া বেলা সাড়ে ১১ টায় বরিশাল নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডের কাজিপাড়া এলাকার ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ এবং উজিপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের ৫০ বছর বয়সী একজন মারা যান। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এসএম মনিরুজ্জামান জানান, এ নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩৩ জন মারা যান। এর মধ্যে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন ২১৯ রোগী। এর মধ্যে ৬৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন, স্বামী গ্রেপ্তার

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে পাষণ্ড স্বামী। স্থানীয়রা আহত স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। এ ব্যাপারে থানায় যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বেলুহার গ্রামের মৌজে আলী সন্যামতের ছেলে রুহুল আমিন প্রায় ১৪ বছর পূর্বে মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত সালাম হাওলাদারের মেয়ে ইসরাত জাহান পলিকে সামাজিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের পরে তাদের সংসারে দুটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই পলিকে তার স্বামী প্রায়ই যৌতুকের জন্য মারধর করত।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যৌতুকের জন্য পুনরায় তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে আহত পলিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাত জাহান পলির চাচা নুরুল ইসলাম হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার আসামি রুহুল আমিনকে বৃহস্পতিবার রাতেই এসআই নাসির উদ্দিন নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত রুহুল আমিনকে শুক্রবার সকালে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও রুহুল স্ত্রী পলির অজান্তে একই উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকার শাহ আলম সরদারের মেয়ে শারমিন আক্তারকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, রুহুল আমিন সন্যামতের বিরুদ্ধে থানায় একটি যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।

বরিশালে ঈদ বাজারে ক্রেতার ঢল

ডেস্ক নিউজঃ বরিশালের ঈদ বাজারে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে। রবিবারও ক্রেতার ঢল নেমেছিল নগরীর চকবাজার এলাকায়। শারীরিক দূরত্বসহ কোন ধরনের স্বাস্থ্য বিধি মানা হয়নি বরিশালের এই প্রধান ঈদ বাজারে। কেনাকাটায় ঈদের আমেজ তুঙ্গে। ফুটপাতেও চলে বেচাকেনা। মার্কেট-দোকানে ক্রেতা-বিক্রেতার করোনা ভীতি উধাও হয়ে গেছে।

এদিকে ঈদ বাজারে স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে নগরীতে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। এ সময় শিশুসহ পরিবারের একাধিক সদস্য নিয়ে কেনাকাটা করতে আসায় ৪টি পরিবার এবং স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষিত হওয়ায় ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৬ হাজার ২শ’ টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমূল হুদা ও মো. শাহাদাৎ হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।

ফেসবুকে পোস্ট নিয়ে ভোলার মনপুরায় পুলিশ-মুসল্লি সংঘর্ষ, আহত ১০

ডেস্ক নিউজঃ ভোলার মনপুরায় শ্রীরাম নামে এক যুবক মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শাকে জড়িয়ে কটূক্তিমূলক ফেসবুকে পোস্ট শেয়ারকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মুসল্লিদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার জুম্মার পর মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ জামে মসজিদের মুসল্লি, কাউয়ারটেক কিল্লার পাড় জামে মসজিদের মুসল্লি ও চৌমুহনী জামে মসজিদের মুসল্লিরা রামনেওয়াজ চৌমুহনী বাজারে মিছিলসহ একত্র হয়ে প্রতিবাদ করে।

এ সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল মানুষ শ্রীরাম দাসের চৌমুহনী বাজারে দোকান ঘরে হামলা শুরু করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে উত্তেজিত মানুষের সঙ্গে পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

এদিকে ফেইসবুকে মহানবী ও বিবি আয়েশাকে নিয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার দেওয়া যুবক শ্রীরামকে গ্রেপ্তার করেছে মনপুরা থানা পুলিশ। শ্রীরাম মনপুরা উপজেলা রামনেওয়াজ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার দুলাল চন্দ্র দাসের ছেলে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

পুলিশের ছোড়া গুলিতে মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা জহির, সাইফুল, করিম, আল আমিন, রাহাত ও ছোট করিম আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার তিন ঘণ্টা পর আবারও মাগরিবের নামাজের পর হাজিরহাট ইউনিয়নে ফকিরহাটে কয়েকটি দোকানে উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর করে বলে জানা যায়।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার দুলাল দাসের ছেলে শ্রীরাম চন্দ্র দাস তার ফেসবুকে মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শাকে নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্যের একটি পোস্ট শেয়ার করে। তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

শুক্রবার সকালে উপজেলার ইমামদেরকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রীরামের শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পরে শ্রীরামকে আটকে দেরি হলে শুক্রবার জুমার পর রামনেওয়াজ বাজার জামে মসজিদের মুসল্লি, কাউয়ারটেক কিল্লারপাড়া জামে মসজিদের মুসল্লি ও চৌমুহনী বাজার জামে মসজিদের মুসল্লিরা এই ঘটনার প্রতিবাদে মিছিলসহকারে মনপুরার রামনেওয়াজ বাজারে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে আটকসহ উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কিছুসংখ্যক উত্তেজিত জনতা শ্রীরামের চৌমুহনী বাজারে ভাড়া দেওয়া দোকান ঘরে হামলা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

পরে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। পুলিশের গুলিতে ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া য়ায়। আহতদেরকে মনপুরা হাসপাতালসহ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহানবী (সা.) ও বিবি আয়শাকে জড়িয়ে কটূক্তিমূলক পোস্ট শেয়ার দেয়া শ্রীরাম নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখন অবস্থা স্বাভাবিক আছে।

মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, ফেসবুকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনপুরায় কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেয়। শ্রীরাম নামে এ যুবককে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখছে। এলাকাবাসী, ইমামদের ও প্রশাসকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলছে।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।