ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্যকে হত্যার হুমকি, গ্রেফতার ১

নোয়াখালীতে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়রদের বোমা মেরে হত্যার হুমকির অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে একই দিন দুপুরে এ ঘটনায় ডিবির (এসআই) মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত জসিম উদ্দিন খন্দকার (৫০) বেগমগঞ্জের দূর্গাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ির মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত জসিম তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়রদের হত্যার হুমকি ও গণভবন উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে বিষয়টি নোয়াখালী পুলিশ সুপার ও জেলা ডিবি পুলিশের নজরে আসলে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।’

সূত্রঃ এবিএন

কৃষকের বাড়ি গিয়ে ন্যায্যমূল্যে ধান কিনছেন মাশরাফি

নড়াইলে কৃষকদের ধানের ন্যায্য মূল্য দিতে সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা চালু করেছিলেন সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা কর্মসূচি।

আর এবছর করোনা মহামারির কারণে কৃষককে ধান বিক্রি করতে কোথাও আসা লাগবে না, কৃষকের বাড়িতে ট্রাক নিয়ে গিয়ে ধান ক্রয় করবে জেলার খাদ্য বিভাগ, এবছর নড়াইলে এমনই অভিনব কার্যক্রম শুরু করেছেন সাংসদ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। করোনা সংক্রমনের ভয়ে ধান বিক্রয় করতে যখন কিছুটা ভয়ে আছেন কৃষকরা, ঠিক সেই মুহূর্তে এমন কার্যক্রম কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদ্ধতি বলে প্রশংসিত হয়েছে। কৃষকের ধান বিক্রি সহজিকরণে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও কিছু কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অফিসকে অনুরোধ করেছেন কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ধান ক্রয় করতে। এক্ষেত্রে যাবতীয় পরিবহন খরচ সাংসদ মাশরাফী নিজেই বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ফলে জেলার খাদ্য বিভাগ নির্বিঘ্নে কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছে। আর বাজারের দামের সাথে সরকারি দামের তারতম্য না থাকায় কৃষকরা উৎসাহ নিয়ে কষ্ট করে ফলানো ধান আনন্দের সাথে বিক্রি করছে।

চলমান করোনা মহামারিতে বাড়িতে বাড়িতে গাড়ি পাঠিয়ে ধান কেনার পদ্ধতি চালু করায় কৃষক কোহিনুর রহমান এমপি মাশরাফীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোদে পুড়ে,বৃষ্টিতে ভিজে আমরা যে সোনার ধান ফলাই, সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ধান কেনায় আমরা আজ লাভবান হচ্ছি। আমাদের কষ্ট আজ সার্থক হয়েছে। করোনার কারণে ধান বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে কৃষকদের যে শঙ্কা ছিল, তাও দূর হয়েছে বলে জানান এই কৃষক।

এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মনিরুল ইসলাম জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা আমাদের ২টি ট্রাক দিয়েছেন যা নিয়ে গতকাল আমরা নড়াইল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যাই। যেখান থেকে কৃষক কোহিনুর রহমান, বিন্দু রহমান ও আরতি দাসের নিকট থেকে ১ টন করে ধান ক্রয় করি এবং ওইখানেই তাদের হাতে ২৬,০০০ টাকার চেক প্রদান করি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ০১৯১২৬৯৬৯৩১ এই নম্বরে বা সরাসরি খাদ্য অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করছি। তাহলে আমরা তার বাড়ি গিয়ে ধান কিনে আনবো।

নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নিজামউদ্দিন খান নীলু জানান, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সারাদেশে কৃষকদের পাশে দাড়াচ্ছেন। আর করোনার মধ্যেও নড়াইলে ধান কেনার এমন অভিনব কার্যক্রম চালু করায় মাশরাফীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ধান কেনার এই পদ্ধতি অনুসরণে দেশের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান জেলা আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, ধানের বর্তমান বাজার মূল্য ৯০০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা আর সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০৪০ টাকা। ফলে বাড়িতে গিয়ে ১০৪০ টাকা দিয়ে ধান কেনায় কৃষকরা অনেক আনন্দিত। কৃষকদের ধান বিক্রি সহজিকরণে ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, সংসদ সদস্য জনাব মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাকে ধন্যবাদ জানান।

ট্রিপল মার্ডার, তিন লাশ কাঁধে ঝাড়ু মিছিলের ভয়াল ঘটনা নড়াইলে

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার গন্ডব গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হবার ঘটনায় গ্রামবাসী ও নিহতের স্বজনরা লাশ কাঁধে নিয়ে শহরে ঝাঁড়ু মিছিলসহ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ২টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ অফিসের সামনে ও লক্ষীপাশা বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে ওই তিনজন হত্যার জন্য সিআইডির (ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট) ফরেনসিক শাখার ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম ও তার ভাতিজা ইয়াবা কারবারি সুলতান মাহমুদ বিপ্লবসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে।

গ্রামবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে মিরাজ মোল্যা ও সুলতান মাহমুদ বিপ্লবের নেতৃত্বাধীন দুটি গ্রুপের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে উভয় গ্রুপ বুধবার দুপুর ৩টার দিকে ঢাল, সড়কি, রামদাসহ নানা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গন্ডব গ্রামের গো-হালটে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে ওই গ্রামের মনতাজ মোল্যার ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিল মোল্যা (৫২), মৃত মাজেদ মোল্যার ছেলে মোক্তার মোল্যা (৫৮) ও সাইফার মোল্যার ছেলে রফিক মোল্যা (৫০) নিহত হন।

নড়াইল সদর হাসপাতালে নিহতদের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে লাশ লোহাগড়া শহরে আনা হয়। পরে উপজেলা পরিষদের সামনে ও ভেতরে গ্রামবাসীসহ নিহতের স্বজনরা ঝাঁড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সিকদার আব্দুল হান্নান রুনু, কাশিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, ইয়াবা কারবারি ও জেলা পরিষদের সদস্য সুলতান মাহমুদ বিপ্লব ও তার চাচা ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। ৯টি ঢাল উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত। গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। গ্রামবাসীসহ নিহতের স্বজনরা মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ইউএনওর কাছে দাবিদাওয়া পেশ করেছে বলেও তিনি জানান।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে সিআইডির ফরেনসিক শাখার ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম এর নম্বরে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ

ডাঃ ফেরদৌস ঢাকা আসছেন

আজ শনিবার ৬ জুন ২০২০ তারিখে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে আসছেন নিউ ইয়র্কের করোনা যুদ্ধের সেই হিরো কুমিল্লার কৃতি সন্তান ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার।

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নিউইয়র্কের এই ডাক্তার বাংলাদেশের করোনা রোগীদের সাহায্য করতে বাংলাদেশে আসছেন। তিনি নিয়মিত অন লাইনে করোনা আক্রান্ত বাঙ্গালীদের নানা পরামর্শ দিয়ে উজ্জীবিত ও ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশে ইনি ইদানিং খুব জনপ্রিয়।

সুত্রঃ নিউইয়র্ক মেইল

হাসপাতাল থেকে পালিয়ে বাড়িতে করোনা রোগী

কুমিল্লার লাকসামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসলেশনে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত এক রোগী গোপনে পালিয়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি বাড়িতে যাওয়ায় অন্যান্যরা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং আতঙ্ক দেখা দেয়।

খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই হোম আইসোলেশনে রেখে বাড়িটি লকডাউন (অবরুদ্ধ) করে দেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, লাকসামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাব সহকারীর করোনা ধরা পড়লে তাকে ওই হাসপাতালের আইসলোশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। ওই ল্যাব সহকারীর বাড়ি পাশবর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা (দক্ষিণ) ইউনিয়নের চাটিতলা গ্রামে।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গত বুধবার (২৭ মে) কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গোপনে বাড়ি চলে যান। ঘটনা জানতে পেরে গ্রামবাসী বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে প্রশাসন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়িটি লকডাউনের নির্দেশ দেন।

উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক গতকাল ওই ইউপি চেয়ারম্যান তাঁর পরিষদের সদস্য জামাল হোসেন এবং চাটিতলা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী জসিম উদ্দিনকে নিয়ে গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় বাড়িটি লকডাউন করে দেন।

স্বাস্থ্যকর্মী জসিম উদ্দিন জানান, বিষয়টি জানার পর রোগীর বাড়ি গিয়ে তাকে তার পরিবার এবং বাড়ির অন্যান্য লোকদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে হোম আইসোলেশনে রাখার পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

তিনি আরও জানান, ওই বাড়িতে আরও ২০টি পরিবারের রয়েছে। তারাও সংক্রমিত হতে পারে। তাই তাদেরও নমুনা সংগ্রহসহ করা প্রয়োজন।
আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল ওহাব জানান, খবর পেয়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তবে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স থেকে কোনো চিকিৎসা কর্মকর্তা সেখানে যায়নি। তাদের যে কোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদ পাশে থাকবে।

এই ব্যাপারে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লামইয়া সাইফুল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তিনি করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ
সংবাদটি ভালো লাগলে অথবা গুরুত্ত্বপূর্ণ মনে হলে লাইক দিন।

অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেলেন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি

corona-virus

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কুমিল্লার এক মুদি ব্যবসায়ীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে তাঁর মৃত্যু হয়েছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত নয়টায় ঢাকায় নেওয়ার পথে চান্দিনা এলাকায় তিনি মারা যান। দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহম্মদ কবীর এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম জামাল হাজারী (৪৫)। তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার চাঁপা নগর এলাকার বাসিন্দা।

এ নিয়ে দেবীদ্বার উপজেলার চারজন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

জামাল হাজারীর বোনের ছেলে মো. বাছির আহমেদ বলেন, ‘মামার (জামাল হাজারী) ৫ মে থেকে জ্বর, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নমুনা সংগ্রহকারীরা তাঁর নমুনা সংগ্রহ করেন।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর শারিরীক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরপর বিকেলে তাঁকে কুমিল্লা শহরে নেওয়ার জন্য রওনা হই। কুমিল্লায় যাওয়ার পথেই খবর পাই মামার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে রাত নয়টার দিকে তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার দিকে রওনা হই। চান্দিনার কাছে পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি মারা যান।’

এর আগে গত ১০ এপ্রিল দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের নবীয়াবাদ গ্রামের জীবন কৃষ্ণ সাহা, ২১ এপ্রিল বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও বাগুর গ্রামের বাসিন্দা শাহজালাল এবং ৩০ এপ্রিল দেবীদ্বার নিউ মার্কেটের শংকর হোমিও হলের মালিক সুকুমার চন্দ্র দে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

দেবীদ্বার উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন চারজন।

জেলা সিভিল সার্জন মো. নিয়াতুজ্জামান বলেন, ‘কুমিল্লা জেলায় গতকাল রাত পর্যন্ত ১২২ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দেবীদ্বারের ৩১ জন। জেলায় মারা গেছেন পাঁচজন। এর মধ্যে দেবীদ্বারেরই চারজন। আরেকজন চান্দিনার।’


আরো খবরঃ

করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন করতে তৈরি পাবনা জেলা যুবলীগ
বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত ৫২৩ চিকিৎসক
দেশে একদিনে রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত ৭৮৬ জন, মৃত্যু ১