কুড়িগ্রামে কবর খুড়তেই ভেসে উঠলো আরবি হরফ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মৃত ব্যক্তির জন্য কবর খুড়তে গিয়ে ঘটেছে এক অলৌকিক ঘটনা। কবর খোড়ার সময় কবরের গায়ে ভেসে ওঠেছে আরবি হরফ যা দেখতে ভিড় জমিয়েছেন উৎসুক জনতা।

বৃহস্পতিবার ৭ জানুয়ারি সকালে ফুলবাড়ী উপজেলার পশ্চিম পানিমাছ কুটি গ্রামে একটি কবর খুড়তে গিয়ে এই অলৌকিক ঘটনা ঘটে।মৃত ওই ব্যক্তির নাম ইসরাইল আলী(৪২) তিনি ওই গ্রামের মৃত জব্বার আলীর ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইল আলী বুধবার ঢাকায় ব্র্যাকের মহাখালী শাখায় কর্মরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে গুরুতর অসুস্থ হন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য মগবাজার হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।বৃহস্পতিবার সকালে তার কবর খুড়তে গিয়ে কবর খননকারীরা প্রথমে কবরের গায়ে আরবি হরফ দেখতে পান।

কবর খননকারী সাহেব আলী, আমির আলী ও আব্দুল মালেক বলেন,কবরের মাটি কাটার সময় কবরের গায়ে আরবী হরফ ভেসে উঠে।বহুবার মাটি সরিয়ে নেয়া হলেও লেখা গুলি অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার সাথে সাথেই দূরদূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা কবরটি একনজর দেখার জন্য ভিড় জমান।

কবরে আরবি হরফের বিষয়ে ফুলবাড়ী কাছারি বাজার জামে মসজিদের খতিব আব্দুল মালেক জানান, কবরের পশ্চিম দেয়ালে আরবি হরফে ইয়াসিন লেখাসহ অনেকগুলো আরবি হরফ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হারুনর রশীদ হারুন জানান, এটি একটি অলৌকিক ঘটনা কবরের গায়ে আরবি হরফ দেখার জন্য বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড় ঠেকাতে ফুলবাড়ী থানা পুলিশের সহায়তা নেওয়া হয়েছে এবং বেলা ২ টায় ওই কবরে মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

হযরত মখদুম শাহদৌলা শহিদ ইয়ামেনি (রহ.) ও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত পূণ্যভুমি শাহজাদপুরের প্রথম ও নন্দিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমের সকল পাঠক, সাংবাদিক, ফেসবুক পেজের অনুসারী, পচ্ছন্দকারী, প্রচারক ও সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাই ইংরেজি নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

-প্রধান সম্পাদক: বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
-প্রকাশক ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : শরীফ সরকার
-বার্তা সম্পাদক : শামছুর রহমান শিশির
মনিরামপুর, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ-৬৭৭০, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০১৬১৮২২০০৪৪

editor@shahzadpursangbad.com
shahzadpursangbad@gmail.com

প্রেমিকার রক্তনালী কেটে দিলো প্রেমিকের মা

প্রেমিকের মায়ের সাথে দেখা করতে গিতে মারাত্মক জখম হয়ে ফিরেছে কলেজ পড়ুয়া এক প্রেমিকা। ওই যুবতীর বামহাতের টেন্ডন ও রক্তনালী কাটা অবস্থায় চিলমারী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

জানাগেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার মাচাবান্দা এলাকার আনিছুর রহমানের মেয়ে আশুরা আক্তার প্রিয়া (১৯)’র সাথে জুম্মাপাড়া (কাউয়াপাড়া) এলাকার আমিনুল ইসলামের পুত্র আল মাহমুদ মানিক (২৩) এর প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রিয়া মানিকের মায়ের সাথে দেখা করতে যায়। সেখান থেকে জনৈক রিক্সা চালক সঙ্গাহীন অবস্থায় প্রিয়াকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

আশুরা আক্তার প্রিয়া জানায়, আল মাহমুদ মানিকের সাথে ১বছর ৫মাস ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। বর্তমানে মানিক তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করায় সে মানিকের মায়ের সাথে দেখা করতে যায়। বাড়ীতে পৌঁছার আগেই বাড়ীর পাশ্বের চাতালে মানিকের মা তাকে বাঁধা দেয় এবং গাল-মন্দ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মানিকের মা প্রিয়ার হাত কেটে দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে বলে জানায়।

প্রেমিক আল মাহমুদ মানিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমাতুজ জোহরা জানান, প্রিয়ার বাম হাতের টেন্ডন ও রক্তনালী দুটোই কেটে গেছে। টেন্ডন মেরামতসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

জখম হয়ে ফিরেছে কলেজ পড়ুয়া এক প্রেমিকা। ওই যুবতীর বামহাতের টেন্ডন ও রক্তনালী কাটা অবস্থায় চিলমারী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

জানাগেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার মাচাবান্দা এলাকার আনিছুর রহমানের মেয়ে আশুরা আক্তার প্রিয়া (১৯)’র সাথে জুম্মাপাড়া (কাউয়াপাড়া) এলাকার আমিনুল ইসলামের পুত্র আল মাহমুদ মানিক (২৩) এর প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রিয়া মানিকের মায়ের সাথে দেখা করতে যায়। সেখান থেকে জনৈক রিক্সা চালক সঙ্গাহীন অবস্থায় প্রিয়াকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

আশুরা আক্তার প্রিয়া জানায়, আল মাহমুদ মানিকের সাথে ১বছর ৫মাস ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। বর্তমানে মানিক তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করায় সে মানিকের মায়ের সাথে দেখা করতে যায়। বাড়ীতে পৌঁছার আগেই বাড়ীর পাশ্বের চাতালে মানিকের মা তাকে বাঁধা দেয় এবং গাল-মন্দ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মানিকের মা প্রিয়ার হাত কেটে দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে বলে জানায়।

প্রেমিক আল মাহমুদ মানিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমাতুজ জোহরা জানান, প্রিয়ার বাম হাতের টেন্ডন ও রক্তনালী দুটোই কেটে গেছে। টেন্ডন মেরামতসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি


এসএসসি পরীক্ষা জুনে এইচএসসি জুলাইয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ২০২১ সালের জুন মাসে এসএসসি ও জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে। এ ছাড়াও জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে।

বই উৎসবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে মঙ্গলবার অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি’র ফল নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবে না। করোনার কারণে এবার বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে সেই সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল নিয়ে যদি কোনো শিক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হন তাহলে তিনি নিজ শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করতে পারবেন। তবে আশা করছি রেজাল্ট নিয়ে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না। এইচএসসি’র ফল তৈরি রয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অধ্যাদেশ জারি করা হবে। অধ্যাদেশ জারির সঙ্গে সঙ্গেই ফল প্রকাশ করা হবে। জেএসসি বা জেডিসি’তে কোনো মার্কিং করা হবে না। শুধুমাত্র সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

২০২১ সালে শ্রেণিতে কোনো রোল নম্বর থাকবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নম্বর দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের বৈষম্য দূরীকরণে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে সহযোগিতামূলক আচরণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রোল নম্বরের কারণে।

তাই ২০২১ সাল থেকে শ্রেণিকক্ষে থাকছে না কোনো রোল নম্বর। একজন শিক্ষার্থীর জন্য এই ইউনিক আইডি সারাজীবন থাকবে। এই আইডি সে সারাজীবন ব্যবহার করবে। এরমাধ্যমে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৬ই মার্চ থেকে প্রত্যক্ষ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল এই সময়কালে ক্লাসরুমে পড়ানোর উদ্যোগ নেবো, সেই চেষ্টা করছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও স্বল্প পরিসরে খুলে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম চলমান থাকবে।

বই উৎসবের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১লা জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষার্থী নতুন বই পাবে না। ধারাবাহিকভাবে ১২ দিনে সব ক্লাসে বই বিতরণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের বই নিতে হবে।

গত ১০ বছর থেকে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এটি আমাদের একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। করোনা হানা দিয়েছে বলে এবার সেই উৎসব আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ৩১শে ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি পাঠ্যবই বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।

এরপর থেকে স্কুলে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাগে তিনদিন বই বিতরণ করা হবে। মোট ১২ দিনে সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। আমরা দেখবো তারা সেটি পালন করে কিনা।

ভার্চ্যুয়াল এ সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

[ তথ্যসূত্র : যোগাযোগ বিডি ডটকম ]

প্রতারক সিন্ডিকেটের মুল হোতা রহিম সিকদারকে গ্রেফতার কর’ল বগুড়া সিআইডি

সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে বগুড়া গাবতলী থানা এলাকার বাহাদুরপুর গ্রামের সোলায়মান আকন্দের ছেলে মো: রাসেল মিয়া’র কাছ থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের বিভিন্ন সময় পর্যায়ক্রমে নগদ এবং বিকাশের মাধ্যমে মোট ৭লক্ষ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি পেশাদার প্রতারক সিন্ডিকেট ভূয়া নিয়োগপত্র প্রদান করে।

নিয়োগপত্র পেয়ে রাসেল মিয়া বুকভরা আশা নিয়ে ঢাকা সেনানিবাসে যোগদান করতে গিয়ে জানতে পারে তার নিয়োগপত্র সঠিক না। ইতিমধ্যে প্রতারক সিন্ডিকেটের প্রধান রহিম সিকদারসহ অন্যান্য সদস্যরা সকল যোগাযোগ মাধ্যম বিচ্ছিন্ন করে গা ঢাকা দেয়।কোন উপায়ান্তর না পেয়ে ভুক্তভুগি রাসেল মিয়া’র বড় ভাই মো: আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানার মামলা নম্বর ১৭ তারিখ: ৪/১১/২০১৯ খ্রি: ধারা: ৩৪/৩৮৬/৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোড দায়ের করে। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় মামলাটির তদন্তভার বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার উপর অর্পিত হয়।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই মো: ফজলে এলাহী এবং এসআই সাধক চন্দ্র রায় ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও প্রতারক চক্রের সিন্ডিকেট প্রধানকে গ্রেফতার বা সুস্পস্ঠ তথ্যাদি উদঘাটন করতে পারে না। এমতাবস্থায় গত ২২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি: বাংলাদেশ পুলিশ সিআইডি মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে সিআইডি বগুড়া জেলার পুলিশ পরিদর্শক এটিএম শিফাতুল মাজদারকে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগ করে। সিআইডি বগুড়া জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ কাউছার সিকদার এর প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহারসহ বিজ্ঞান ভিত্তিক তদন্ত করে গত ২৭ ডিসেম্বর ভোররাত্রে মামলার প্রধান আসামী সিন্ডিকেট প্রধান গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানা এলাকার সিতারামপুর গ্রামের মৃত মন্টু সিকদারের ছেলে নাদিম ওরফে রহিম সিকদার (৩৭)-কে ডিএমপি’র হাজারীবাগ থানা এলাকা থেকে মামলার তদন্তকারী অফিসার সিআইডি বগুড়া জেলার পুলিশ পরিদর্শক এটিএম শিফাতুল মাজদার গ্রেফতার করে।

গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে গ্রেফতারকৃত নাদিম ওরফে রহিম সিকদার ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক মামলার সকল তথ্য প্রকাশ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর হেফাজত থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা, দৈনিক অন্য দিগন্ত পত্রিকার নিজের পরিচয়পত্র, সিআইডি লেখাযুক্ত কালো মানিব্যাগসহ মাহফুজ নামের একজনের পাসপোর্টের ফটোকপি আলামত হিসাবে জব্দ করেছে তদন্তকারী অফিসার। মামলার তদন্তকারী অফিসার জানান প্রতারকচক্রের অন্যান্য সদস্য অচিরেই গ্রেফতার হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

কার্জনেক্স’৯১ এর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে কম্বল বিতরণ

কার্জনেক্স’৯১ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯১-১৯৯২ সেশনের কার্জন হল ও এনেক্স ভবনের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন) এর উদ্যোগে গতকাল ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে শীতার্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। রংপুর জেলার শ্যামপুর উপজেলাতে উক্ত মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গত ১৯ ডিসেম্বর’২০ইং তারিখে কার্জনেক্স’৯১ সংগঠনটি জুম বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ঢাকার হাতিরঝিলে ‍জুম বাংলার শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র ও খাবার বিতরণ করেছে।

কার্জনেক্স’৯১ এর সদস্য ও অগ্রণী ব্যাংক রংপুর শাখার ম্যানেজার জনাব আহসান হাবিব বাদশাহ‘র  সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। শ্যামপুর মহাবিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীগন কম্বল বিতরণে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

কার্জনেক্স’৯১ সংগঠনটি প্রতিনিয়ত মানবিক সহায়তা করে যাচ্ছে, মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছে, ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে বলে কার্জনেক্স’৯১ সংগঠনটির সভাপতি রকীব আহমেদ আশা ব্যক্ত করেন ।

তিনি আরো জানান, আগামী ২৬ ডিসেম্বর তারিখে লালমনিরহাট সদরে শীতার্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হবে। কার্জনেক্স’৯১ বন্ধু ডঃ হাফিজুর রহমানএর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপস্থিতিতে বিতরণ কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান। ইতোমধ্যেই প্রায় সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

কার্জনেক্স’৯১ সংগঠনটির মানবিক ফান্ডে আর্থিক সহায়তা করেছে তাদের সকলকে সভাপতি রকীব আহমেদ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ।

ভুয়া ডাক্তারের যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের বিধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ভুয়া ডাক্তারের সাজা যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের বিধান চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. জে আর খাঁন রবিন পিটিশনার হয়ে জনস্বার্থে আজ সোমবার এ রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।

রিটকারী আইনজীবী রবিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ধারা ২৮(৩) ও ২৯(২) সংশোধন করে ভূয়া ডাক্তারের সাজা ৩ বছর ও জরিমানা ১ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ডসহ জরিমানা বৃদ্ধিতে বিবাদীগণের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল জারির আর্জি পেশ করা হয়। একই সাথে কেন দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে বিবাদীগণকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ধারা ২৮(৩) ও ২৯(২) সংশোধন করে ভূয়া ডাক্তারের সাজা ৩ বছর ও জরিমানা ১ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ডসহ জরিমানা বৃদ্ধির জন্য সুপারিশ করা হবে না, সে মর্মেও নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিটে সচিব, আইন ও সংসদীয় বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদীয় মন্ত্রণালয়, সচিব, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সভাপতি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রেজিষ্ট্রার, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

এডভোকেট জে আর খাঁন রবিন বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫(ক) ও ১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সেবা ও জনস্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ থাকলেও অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২ অনুযায়ী মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সেবা একটি মৌলিক অধিকার। মানুষের এই স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডাক্তারদের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক ভুয়া ডাক্তার নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করছে। শুধু তাই নয় দেশের সাধারণ মানুষ এই সকল ভূয়া ডাক্তারদের স্মরণাপন্ন হয়ে প্রতিনিয়ত নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এমনকি শারীরিকভাবে স্থায়ী অক্ষমতাসহ অনেকেই মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছে।

এই আইনজীবী আরও বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের ধারা ২৮(৩) অনুযায়ী যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে নিবন্ধনকৃত একজন মেডিক্যাল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক বলে প্রতারণা করেন অথবা প্রতারণামূলকভাবে তার নাম বা পদবীর সঙ্গে নিবন্ধনকৃত মর্মে কোনো শব্দ, বর্ণ বা অভিব্যক্তি ব্যবহার করেন তার মিথ্যা পরিচয় দ্বারা কোনো ব্যক্তি প্রতারিত না হলেও তার জন্য তিনি ৩ বছর কারাদণ্ড অথবা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। অন্যদিকে উক্ত আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী কেউ অনুমোদিত মেডিক্যাল কলেজ অথবা প্রতিষ্ঠান হতে এম.বি.বি.এস অথবা বি. ডি.এস ডিগ্রি অর্জন না করে তার নামের পূর্বে ডাক্তার উপাধি ব্যবহার করলেও অনুরূপ সাজার বিধান রয়েছে।

এডভোকেট রবিন আরও বলেন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (সি) ধারা অনুযায়ী খাদ্য ও ঔষধ তৈরি বা বিক্রির জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ জরিমানার বিধান রয়েছে।

রবিন বলেন, গত ২৯ অক্টোবর বিবাদিগণের বরাবরে একটি নোটিশ প্রেরণ করে উক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় রিটটি দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র- একুশে টেলিভিশন

শাহজাদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশ রূপান্তর পত্রিকার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার দুপুরে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠান মালার মধ্যে ছিল কেককাটা, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালী।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ্য সহচর প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদী,শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাক আহমেদ।

শাহজাদপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,নাট্যকার কাজী শওকত,শাহজাদপুর উপজেলা বাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম ফকির, দেশ রূপান্তরের সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো.মুমীদুজ্জামান জাহান, এশিয়ান টিভির সাংবাদিক ওমর ফারুক, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান তুহিন প্রমুখ।
সব শেষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আতাউর রহমান পিন্টু, শফিউল হাসান চৌধুরি লাইফ, কোরবান আলী লাভলু, আলামিন হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মারুফ, আবুল হাসনাত টিটো, মামুন রানা, ফরিদ আহমেদ চঞ্চল, মনিরুল গণি শুভ্র চৌধুরি, ফারুক হাসান কাহার, আবু জাফর লিটন, রাসেল সরকার, মির্জা হুমায়ুন, জাহিদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম পলাশ, নূপুর কুমার রায়।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়


জাতীয় পতাকা বিকৃতি, ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৯ শিক্ষক অভিযুক্ত

জাতীয় পতাকা বিকৃত করে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ ছয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় রংপুর মেট্টোপলিটন তাজহাট থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এই অভিযোগে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

অপরদিকে জাতীয় পতাকা বিকৃতি ও অবমাননার অভিযোগে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের দায়েরকৃত এজাহারে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক চত্বরে জাতীয় পতাকার নকশা পরিবর্তন করে সবুজের ভেতর লাল বৃত্তের পরিবর্তে চারকোণা লাল আকৃতির পতাকা বানিয়ে পোজ দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। এতে সংবিধানের ৪(২) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করা হয়েছে। এবং তারা স্বাধীনতা স্মারক চত্তরে উপস্থাপন করে জাতীয় পতাকা মেঝেতে ও পায়ের নিচে স্পর্শ করে ছবি তুলে প্রকাশ করেছে যা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রদোহিতার অপরাধ করেছে। এতে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের হুকুমের আসামি হিসেবে উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহক দায়ী করা হয়। লিখিত অভিযোগে অপর আসামিরা হলেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান, সিন্ডিকেট সদস্য ও গনিত বিভাগের প্রধান হাফিজুর রহমান সেলিম, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পরিমল চন্দ্র বর্মণ, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মাসুদুল হক, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক সোহাগ আলী ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রহমতুল্লাহ।

এদিকে সন্ধায় তাজহাট থানায় জাতীয় পতাকা বিকৃত ও অবমাননার দায়ে আরো একটি লিখিত অভিযোগ দেন বেরোবি ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ।

অভিযোগে পতাকার লাল বৃত্তের বিকৃতি ও পায়ের নিচে লাগানোর অভিযোগ আনা হয়। এতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধানসহ ৯ শিক্ষককে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতারুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিক তদন্ত চলছে৷ তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে বিকেলে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে রংপুর যুবলীগের ব্যানারে সেখানে আরো একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জাতীয় পতাকা বিকৃতির দায়ে অভিযুক্তদের চাকরি থেকে বহিস্কারসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানানো হয়।

কবে মিলবে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ কুড়িগ্রাম জেলায় সরকারি কিংবা বেসরকারি পর্যায়ে কোনও হাসপাতালে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের সুবিধা নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, জেলা হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়া, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থার অভাব এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসকসহ অ্যানেসথেসিস্ট না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও সহসাই আইসিইউ সুবিধা পাচ্ছেন না কুড়িগ্রামের রোগীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেখানে জেলার জেনারেল হাসপাতালেই আইসিইউ সুবিধা নেই সেখানে জেলার অন্যান্য হাসপাতালে এই সুবিধা প্রত্যাশা করা অবাস্তব। গুরুতর অসুস্থ কোনও রোগীর উন্নত চিকিৎসা সেবার জন্য ৫৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে যেতে হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ফলে চলতি শীত মৌসুমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে গেলেও রোগীদের নিবিড় পরিচর্যা সুবিধা নিয়ে সংকট থেকে যাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা নেই। পরবর্তীতে এটির শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যসেবার সংকটে ধুঁকে ধুঁকে চলছে হাসপাতালটি। চিকিৎসকের ৪২টি পদের বিপরীতে বর্তমানে ২১টি পদই শূন্য রয়েছে। রোগীদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা সুবিধা দূরের কথা, এই ইউনিটের জন্য অন্তত চার জন অ্যানেসথেসিস্ট থাকা প্রয়োজন হলেও পুরো হাসপাতালে রয়েছেন মাত্র একজন অ্যানেসথেসিস্ট। এছাড়াও নেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা।

সূত্র আরও জানায়, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০ শয্যার কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালটিকে পরবর্তীতে ২শ’ ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হলেও কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ৭ বছরেরও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। ফলে আধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলাবাসী। তাদের ভরসার এই হাসপাতালটি নানা সমস্যার কারণে নিজেই নিবিড় পরিচর্যার অভাবে ধুকছে।

জেনারেল হাসপাতালের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আইসিইউ সংক্রান্ত সুবিধা আছে কিনা তা জানতে চাওয়া হলেও আইসিইউ সুবিধা বাড়াতে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও সহসাই এই হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. নবীউর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাছে শুধু জানতে চাওয়া হয়েছে আইসিইউ সুবিধা আছে কিনা, থাকলে কত বেডের। আমরা জানিয়েছি যে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধাই নেই।’

জেলায় অন্তত ২০ বেডের আইসিইউ ইউনিট থাকা প্রয়োজন জানিয়ে এই চিকিৎসা কর্মকর্তা বলেন, ‘আইসিইউ সুবিধার জন্য প্রথম জরুরি অ্যানেসথেসিস্ট। কিন্তু আমাদের হাসপাতালে মাত্র একজন অ্যানেসথেসিস্ট রয়েছেন। এ অবস্থায় আইসিইউ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ অ্যানেসথেসিস্টও নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।’

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ‘জেলার কোনও হাসপাতালেই আইসিইউ সুবিধা নেই। জেনারেল হাসপাতালে এখনও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম চালু করা সম্ভব হয়নি। সেটি হলে আমরা রোগীদের অন্তত হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা দিতে পারবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, ‘আইসিইউ সুবিধা চালু করার জন্য আমরা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। কর্তৃপক্ষ চাইলে সে সুবিধা চালু হতে পারে।’

তবে চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংকট থাকায় ঠিক কত দিনে জেলার হাসপাতালে আইসিইউসহ উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জনমনে প্রশ্ন কুড়িগ্রামবাসীর প্রানের দাবী পুরন হবে কবে?