একাদশে ভর্তির ফি নির্ধারণ, বেশি নিলে এমপিও বাতিল

একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। ফি নির্ধারণ করে দিয়ে বেসরকারি কলেজের ভর্তি ফিসহ মাসিক বেতন ও যাবতীয় খরচের বিষয়ে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট কলেজে ভর্তির নির্দেশনা দিয়েছে।

গত ৯ আগস্ট থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে শুরু হয়েছে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম। ভর্তি প্রক্রিয়ার সবগুলো ধাপ শেষ হওয়ার পর আগামী ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি হতে এর আগেই নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা কলেজগুলোকে তাদের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। কোটার শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত সনদ দেখে ভর্তি করাতে হবে।

ফি নির্ধারণ
এবারও মফস্বল, পৌর ও মেট্রোপলিটন এলাকার বেসরকারি কলেজগুলোর ভর্তিতে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

এমপিওভুক্ত মফস্বল বা পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি অর্থ আদায় করতে পারবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ও এমপিও বহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা নিতে পারবে।

উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান এবার দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেড ক্রিসেস্ট ফি বাবদ ১২ টাকা নিতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে ও বিলম্বে ভর্তি হলে তাকে ১৫০ টাকা পাঠ বিলম্ব ফি এবং ১০০ টাকা বিলম্ব ভর্তি দিতে হবে।

সরকারি কলেজগুলোকে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ফি সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ফি’র বেশি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে সব ফি রশিদের মাধ্যমে নিতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‘বর্তমান কোভিড-১৯ এবং অভিভাবকদের আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয় বিবেচনা করে দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলোকে উল্লিখিত ফিগুলো যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে হবে। ’

ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর বোর্ডের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের অনুমতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে কলেজ, গ্রুপ ও বিষয় পরিবর্তন করতে পারবে।

তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গ্রুপ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। বিজ্ঞান গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অন্য গ্রুপে একবার ভর্তি হওয়ার পর পরবর্তীসময়ে বিজ্ঞান বিভাগে প্রত্যাবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি নীতিমালা না মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করালে সেই কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে।

আর সরকারি কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সব দায়-দায়িত্ব কলেজ কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নভেম্বরে স্কুল না খুললে প্রাথমিকে ‘অটো পাস’?

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, অক্টোবর বা নভেম্বরে যদি স্কুল খোলা যায়, তাহলে আলাদা দুটি পরিকল্পনা করা আছে।

কেজি স্কুল বন্ধ হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নির্দেশ

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে আর্থিক কারণে কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে ক্যাচমেন্ট এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সেই সব স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল- হোসেন।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ জানান সিনিয়র সচিব।

করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক কেজি স্কুল বন্ধ রয়েছে, আর্থিক সঙ্কটের কারণে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেজ্ঞদের।

এ নিয়ে গণশিক্ষা সচিব বলেন, অনেকগুলো কিন্ডার গার্টেন আছে, সে সব কিন্ডার গার্টেন আর্থিক কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা এরই মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি সব ডিপিওকে (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস)। যদি কেজি স্কুল বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্যাচমেন্ট এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করায়। কোনো স্টুডেন্ট বাদ যাবে না।

সচিব বলেন, প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্ব দিয়েছি কোভিডের পর যখন স্কুল খুলবে তার আগেই নিজেদের স্কুলের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করবে। সেই পরিকল্পনায় সবকিছু থাকবে, নিরাপত্তা, ঝরে পড়া। সঠিকভাবে সব মেইনটেন করতে পারলে আশা করি, আমাদের যে আশঙ্কা যে ঝরে পড়া, সেটা হয়তো অনেকটাই রোধ করতে পারবো।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

স্কুল খোলা না গেলে পরীক্ষা হবে না

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা না গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত আপাতত বন্ধ ঘোষণা রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভি, বেতার ও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার কার্যক্রম যথা শিগগিরই শুরু হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমাদের সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগের মতামত নিয়ে করোনা পরিস্থিতি শেষ না হলে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যেতে চাই না।

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত, বাচ্চাদের নিরাপত্তা যতক্ষণ না পর্যন্ত সুরক্ষিত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত স্কুলগুলো খুলবো না। ’

সিনিয়র সচিব আকরাম বলেন, আমরা দু’টি পরিকল্পনা মাথায় রেখেছি। অক্টোবরে একটা, আর যদি নভেম্বরে খোলা যায় তার জন্য একটা পরিকল্পনা করা আছে।

‘যদি খোলা যায় তবে মূল্যায়নের বিষয়ে একটা ব্যবস্থা নিতে পারবো। আর না হলে তো আপনারা বোঝেন…। ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সচিব বলেন, স্কুল খোলা না গেলে তো (বার্ষিক) পরীক্ষা হবে না। প্রধানমন্ত্রী তো বলেছেন স্কুল যদি খোলা না যায় তাহলে তো পরীক্ষা হবে না। আমরাও তাই বলছি। স্কুল খোলা না গেলে অবশ্যই পরীক্ষা হবে না।

মূল্যায়ন কীভাবে হবে- প্রশ্নে সচিব বলেন, সেটা আপনারা বোঝেন। স্কুল না খোলা গেলে আমরা কী মূল্যায়ন করবো।

আকরাম বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। তখন বই পেতে মার্চ মাস হয়ে যেত। মার্চে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে স্কুল, কলেজ, আদালত সব বন্ধ করে দিলেন। মার্চ থেকে তো বই নেই। আমরা ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে স্কুলে গেছি, সেভেনে আমাকে উঠিয়ে দিয়েছে, সমস্যা নেই। স্কুল খোলা না গেলে কোনো মূল্যায়ন হবে না।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি

স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে কোন রকমের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহবান জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইল (মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন বোর্ড) খুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাল্পনিক তারিখ ঘোষণা করে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। উল্লেখিত বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করা হলো।

‘এই বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো— স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এখনও। পরীক্ষা নেবার উপযুক্ত পরিস্থিতি হলে তখন পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং তারিখ গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজমান হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ’

ভুয়া কোন পেজের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য বিশ্বাস না করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহবান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এছাড়াও, ‘মিনিস্ট্রি অব এডুকেশন বোর্ড’ নামে একটি ভুয়া পেজে লেখা আছে, ‘এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। রুটিন প্রকাশিত হবে ১ অক্টোবর: শিক্ষা মন্ত্রণালয়’; যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসুত বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজ রয়েছে। এছাড়া অন্য কোন পেজের তথ্য বিশ্বাস করে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। প্রয়োজনে ভ্যারিফাইড পেজ দেখে নিন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভ্যারিফাইড পেজ: https://www.facebook.com/moebdgov

এই পরিস্থিতিতে কোন গুজবে কান না দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে আহ্বান জানানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সময় আসেনি, পরীক্ষার সিদ্ধান্ত দ্রুতই

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) এবং অন্যান্য পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় জোরালো চিন্তা-ভাবনা করলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো সময় আসেনি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ এ তথ্য জানান।

এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গণভবন থেকে ভিওি কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অংশ নেন।
স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা এবং আসন্ন জেএসসি-জেডিসি এবং প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এইচএসসি ও অন্যান্য পরীক্ষা সেটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় তারা আলোচনা করছে। তারা দেখবে দেখে কুইকলি একটা সিদ্ধান্ত নেবে। রোববারও প্রেসে কথা বলেছেন।

‘তবে স্কুল, কলেজ এখনও খোলার মতো সময় আসছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না। কিন্তু পরীক্ষার বিষয়ে ওনারা খুব স্ট্রংলি চিন্তা-ভাবনা করতেছেন, কীভাবে কী করা যায়। ’

গত এপ্রিলে এইচএসসি এবং আগামী নভেম্বরে অষ্টম ও পঞ্চমের সমাপনী পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনার কারণে এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অষ্টম ও পঞ্চমের আসন্ন সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে বিকল্প কিছু ভাবছে সরকার।

স্কুলে স্কুলে প্রাথমিক সমাপনী নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি সার-সংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে, সেই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, না, এটা আমার নলেজের বাইরে।

কয়েক দিন আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও বলেছিলেন, এখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি আসেনি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন রোববার বলেন, এখনও সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি হয়নি।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পাঠদানের ধারাবাহিকতা রাখতে সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদানের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

এ বছরের প্রাথমিক সমাপনী না নেওয়ার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ের

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেবল চলতি বছরের পঞ্চম শ্রেণি শেষে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা না নেওয়ার প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সই নেওয়ার পর আজ প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যদি এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়, তাহলে এই পরীক্ষার ভিত্তিতে যে বৃত্তি দেওয়া হয়, তা এবার দেওয়া হবে না।

তবে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা না হলেও সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে এ বছর নিজ নিজ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়নও নির্ভর করছে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর।

বিদ্যালয় খুললে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা কীভাবে চলবে, সে বিষয়েও একগুচ্ছ পরিকল্পনা তৈরি করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেও অষ্টম শ্রেণি শেষে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার বিষয়ে এখনো নিজেদের অবস্থান জানাতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, জেএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো

আজ থেকে সংশোধিত রুটিনে মাধ্যমিকের ক্লাস

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের আজ রবিবার থেকে সংশোধিত রুটিনে টেলিভিশন ক্লাস হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার দুই স্তরের পৃথক সংসদ টেলিভিশন ক্লাসের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। নতুন রুটিন অনুযায়ী আগামী ৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সম্প্রচার করা হবে শিক্ষকদের রেকর্ড করা ক্লাস।

নতুন রুটিন অনুযায়ী, তিনটি ধাপে প্রতিদিন মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ১২টি ক্লাস হবে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সম্প্রচারিত হবে শিক্ষকদের ভিডিও ধারণ করা এসব ক্লাস।

রুটিনে বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার আওতাধীন প্রতিষ্ঠান এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাধান ও শ্রেণি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত করবেন। বিশেষ প্রয়োজনে ক্লাস রুটিন পরিবর্তন হতে পারে। এরপর আগামী সপ্তাহে নতুন ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হবে মাউশির ওয়েবসাইটে।

প্রতিটি ক্লাস ২০ মিনিট করে প্রচার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে প্রতিদিনের শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া হবে হোমওয়ার্ক। পরদিন তা টেলিভিশনের পর্দায় সঠিক উত্তরগুলো দেখানো হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীদের এসব বাসার কাজের খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।

এছাড়া টেলিভিশনে প্রচার হওয়া সব ক্লাস কিশোর বাতায়নে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়ে তা দেখতে পারবে। সেখানে নানা ধরনের কুইজের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে শিখতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আসলো শাবিপ্রবি

সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) অর্ন্তভুক্তি হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। গত রবিবার সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সিটি কর্পোরেশনের এলাকা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, শাবিপ্রবি সিটি কর্পোরেশনের আওতায় না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে বসবাসরত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সিসিকের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। ফলে সিসিকের আয়তন সম্প্রসারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা সিটির আওতায় আনার দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা আমাদের অনেক দিনের দাবি ছিল। শাবিপ্রবি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আসায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার অনেক আনন্দিত।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল-পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন ১০ আগস্ট শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমফিল, পিএইচডি, অন-ক্যাম্পাস মাস্টার অব এডভান্সড স্টাডিজ (এমএএস) ও এডভান্সড এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে।

ভর্তির আবেদন অনলাইনে আগামীকাল সোমবার (১০ আগস্ট) থেকে শুরু হয়ে চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত তথ্য ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/admissions) থেকে জানা যাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো: ফয়জুল করিম রবিবার এসব তথ্য জানান।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন