সিরাজগঞ্জে তিনটিতে আ.লীগ একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী

শনিবার ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের চারটি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও একটিতে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার সকাল থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্য়ন্ত চলে, ভোট গণনা শেষে রাতে স্ব স্ব এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

সিরাজগঞ্জ সদরে সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, উল্লাপাড়ায় এস. এম নজরুল ইসলাম ও রায়গঞ্জে আব্দুল্লাহ আল পাঠান দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তারা সবাই নৌকার দলীয় প্রার্থী। শুধুমাত্র বেলকুচিতে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজা নির্বাচিত হয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস নোটিশে মেয়র পদে বেসরকারীভাবে নির্বাচনের সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মোট ৫৭টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল থেকে জানা যায়, আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকে সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা ৬৮,৩৪৮টি ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে দ্বিতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকে সাইদুর রহমান বাচ্চু পেয়েছেন ১০,৬৮৯ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবাইল প্রতীকে টি আর এম নূর-ই-আলম হেলাল পেয়েছেন  ১,৪৮৮ ভোট।

উল্লাপাড়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, উল্লাপাড়া পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস. এম নজরুল ইসলাম ২৪ হাজার ৫০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজাদ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১৩৩ ভোট।

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, রায়গঞ্জ পৌরসভায় বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল পাঠান বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৯২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৭৫ ভোট।

বেলকুচির নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফুল হক জানান, বেলকুচি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজ্জাদুল হক রেজা নারিকেল গাছ প্রতীকে ১৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আশানুর বিশ্বাস নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৭৮৪ ভোট। এছাড়া ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী হাজী আলতাফ হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ ভোট।

উল্লেখ্য, কাজিপুর পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় আব্দুল হান্নান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

বিলিভ ইট অর নট


মাঠে না থেকেও নির্বাচিত!

প্রার্থী হয়ে নির্বাচনী মাঠে এক দিন বা এক মুহুর্তও নির্বাচনী গণসংযোগ বা প্রচার প্রচারণা না করেও বিপুল ভোটে বিজয়ী হবার ঘটনা একেবারেই বিরল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, নির্বাচনী মাঠে পুরোপুরি অনুপস্থিত থেকেও সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ড থেকে বিপুল ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (পিযুশ)! এর আগে গত ২০০৪ সালে তিনি মাছ প্রতীক নিয়ে একই ওয়ার্ড থেকে প্রথমবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার মাঠে না থেকেও নির্বাচিত হবার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, সোমবার অনুষ্ঠিত শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ড থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নেন। তারা হলেন, খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ( প্রতীক উটপাখি ), মোঃ ইসমাঈল হোসেন ( প্রতীক ডালিম ), বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ বেলাল হোসেন ( প্রতীক পানির বোতল ), বেলাল হোসেন ( প্রতীক ব্লাকবোর্ড ), মোঃ মণিরুল ইসলাম ( প্রতীক পাঞ্জাবি ), মোঃ মাসুদ রানা ( প্রতীক গাজর ), মোঃ শামিম হোসেন ( প্রতীক টেবিল ল্যাম্প ) ও মোঃ হযরত আলী ( প্রতীক ব্রিজ )। এদের মধ্যে খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (পিযুশ) এলাকার দু’গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে ১ ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় প্রতিপক্ষের দায়েরকৃত হত্যা মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে উট পাখি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪’শ ৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিন্দন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ বেলাল হোসেন পানির বোতল প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ২’শ ৮৮ ভোট পেয়েছেন । প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে এ ওয়ার্ডের ৪টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৬ হাজার ৪’শ ৯৩ ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩’শ ৮১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

এদিন মঙ্গলবার দুপুরে এ ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন ভোটার জানান, ‘বর্তমান কাউন্সিলর বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে তার সমর্থিত গোষ্ঠীর লোকজন গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, লুটপাট, রাহাজানীর রামরাজত্ব গড়ে তুলে নিরীহ মানুষদের ওপর অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে আসছিলো। তারা এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থী খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের কোন পোস্টার টাঙাতে দেয়নি। এমনকি, খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থকদের নির্বাচনী কোন প্রচার প্রচারণাও চালাতে দেয়নি। খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকেও ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে তারা নৈরাজ্য সৃষ্টিতে তৎপর ছিলো। আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বেলাল হোসেনকে জরিমানাও করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।এসব ঘটনায় এলাকাবাসীর মনে জমাট তীব্র ক্ষোভ আর চরম অসন্তোষ ক্রমেই জনরোষে পরিণত হয়। বেলাল হোসেন ও তার সর্মথকদের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ প্রাণভয়ে কেউ করতে না পারলেও ভোটের মাধ্যমে তা প্রতিহত করেছে।’

এদিকে, সোমবার ওই ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রগুলো সরেজমিন পরিদর্শনকালে কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে বর্তমান কাউন্সিলর বেলাল হোসেনের পানির বোতল প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের ব্যাপক সমাগম পরিলক্ষিত হলেও খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (পিযুশ) এর উট পাখি প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের সেখানে দেখা যায়নি।

অন্যদিকে, নির্বাচনে অনুপস্থিত থেকেও বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (পিযুশ) সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ বিষয়ে জানান, ‘এলাকাবাসী তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করে জুলুমবাজ, অত্যাচারী আর নির্যাতনকারীদের পরাজিত করেছে। সত্যের বিজয় হয়েছে। এ বিজয় এলাকার নিরীহদের, সাধারণ জনগণের।’

সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


‘সবার ভালোবাসা’র মর্যাদা যেন রক্ষা করতে পারি’ —নবনির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাপোলো

সোমবার (২৮ ডিসেম্বরে) শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে সকল বিজয়ী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরদের টপকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯’শ ৪৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারীভাবে বিজয়ী ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, মোঃ তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো ( প্রতীক পাঞ্জাবি ) বলেছেন, ‘শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা স্থানীয় এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন চাচার আদর্শ বুকে ধারণ করে ভালোবাসা দিয়ে ২নং ওয়ার্ডবাসীর ভালোবাসা জোর করে আদায় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, ২নং ওয়ার্ডবাসী সেই সুযোগ না দিয়ে উল্টো আগেভাগেই আমাকে যে ভালোবাসায় সিক্ত করলেন, তা জীবনে কখনও ভূলতে পারবো না! বিপুল ভোটে জয়ী করে তারা আমার ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করলেন, তা যেনো সঠিকভাবে পালন ও বাস্তবায়ন করতে পারি, মানুষের সেবা করে তাদের ভালোবাসা অর্জন করতে পারি, ২নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মডেল ও উন্নত ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করতে পারি- সেটাই প্রধান লক্ষ্য। এ বিজয় আমার একার নয়, পুরো ওয়ার্ডবাসীর। এজন্য আমি শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা স্থানীয় এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন চাচাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর ) দুপুরে এ প্রতিবেদককে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেছেন ২ নং ওয়ার্ডের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো।

জানা গেছে, শাহজাদপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রূপপুর, চুনিয়াখালী পাড়া, পাঠান পাড়া, চড়ুয়াপাড়া ও ভেরুয়াদহ মহল্লা নিয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৮’শ ২ জন। প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ২ হাজার ৩৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তন্মধ্যে তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো পেয়েছেন ১৯’শ ৭৭ ভোট। তার ৩ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ মামুন মিয়া (প্রতীক উটপাখি) , মোঃ আব্দুল্লা ( প্রতীক ডালিম ) ও মোঃ নুরুল ইসলাম ( প্রতীক পানির বোতল) তাকে সমর্থন দেয়ার পরও যথাক্রমে ভোট পেয়েছেন ২৮, ২০ ও ৮ টি। অপরদিকে, অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সকল জয়ী কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলরগণের মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ আব্দুর রউফ বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ ইলিয়াস হোসেন ইংরেজকে ১ হাজার ৮’শ ৪৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করলেও তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো তা টপকে এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯’শ ৪৯ ভোটের ব্যাবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

এ বিষয়ে ২নং ওয়ার্ডের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক, বাংলাদেশ স্পেশালাইজ টেক্সটাইল এন্ড পাওয়ারলুম ইন্ড্রাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের উত্তরাঞ্চলের পরিচালক, সিরাজগঞ্জ জেলা তাঁত মালিক সমিতির সভাপতি ও শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ হায়দার আলী, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব আলী আজম বাবর, উপজেলা ব্যবসায়ী সমিতির নেতা আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সামাদ জানান,‘ওয়ার্ডবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার উন্নয়নের ও ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করার এবং নানা সামাজিক সমস্যা, কুসংস্কার, অপসংস্কৃতি দূরীকরণে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো যে আশ্বাস দিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে তিনি তা বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি । অতীতে, অনেকেই নানা আশ্বাস দিলেও নির্বাচিত হবার পরে অনেক কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। তাই নবনির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাপোলো ওয়ার্ডবাসীকে দেয়া আশ্বাস ও তার প্রতি আমাদের এ বিশ্বাসের যথাযথ মূল্যায়ণ করবেন বলেও আমরা আশাবাদী। ভবিষ্যতে তার কর্তৃক গৃহিত সকল জনকল্যাণমূলক কাজে ২নং ওয়ার্ডবাসীর সার্বিক সহযোগীতা থাকবে ইনশাআল্লাহ। সেইসাথে, এ শুভক্ষণে তার ভবিষ্যত জীবনের মঙ্গলও কামনা করছি।’

শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে আ;লীগের তরু লোদী বিজয়ী

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচন চলাকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার সমর্থকদের মধ্যে উত্তাপ উত্তেজনা থাকলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কারণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদী (নৌকা) ২৯ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি মনোনীত মাহমুদুল হাসান সজল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬৭ ভোট।

মেয়র পদে অপর দুই প্রার্থী জাতীয় পার্টির মোক্তার হোসেন (লাঙ্গল) ২৩৮ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী খন্দকার ইমরান (হাত পাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭ ভোট।

সোমবার রাত সারে ৮টায় উপজেলা পরিষদের শহীদ স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন সিরাজগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার আবুল হোসেন।

এছাড়া পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের সাধারণ আসনে বিজয়ী কাউন্সিলররা হলেন ১ নং ওয়ার্ডে আছাব আলী (পাঞ্জাবী), ২ নং ওয়ার্ডে তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো (পাঞ্জাবী), ৩ নং ওয়ার্ডে জহরলাল হোসেন (উট পাখি), ৪ নং ওয়ার্ডে নাজমুল হোসেন (পাঞ্জাবী), ৫ নং ওয়ার্ডে মোস্তাফিজুর রহমান পিযূষ (উট পাখি), ৬ নং ওয়ার্ডে আবু শামীম সূর্য (উট পাখি), ৭ নং ওয়ার্ডে আল মাহমুদ প্রামানিক (উট পাখি), ৮ নং ওয়ার্ডে আব্দুর রউফ (পাঞ্জাবী), ৯ নং ওয়ার্ডে আফসার আলী শিকদার (উট পাখি)।

অন্যদিকে, ৩ টি সংরক্ষিত আসনে বিজয়ী মহিলা কাউন্সিলররা হলেন ১ নং ওয়ার্ডে শাহানাজ পারভীন (সিএনজি), ২ নং ওয়ার্ডে সিলভী পারভীন মিঠু (জবা ফুল), ৩ নং ওয়ার্ডে সাবিনা ইয়াসমিন ছবি (চশমা)। রিটার্নিং অফিসার আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের ২৫ টি কেন্দ্রেই ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল।

শাহজাদপুর পৌর নির্বাচন ভোট গ্রহন  বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন বয়কট

আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টার সময় শেষ হয়।

প্রথম ধাপে দেশে ২৫টি পৌরসভা নির্বাচনের মধ্যে  শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদের জন্য ৪ জন, ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ৩৮ জন, সংরক্ষিত ৩টি নারী কাউন্সিলর পদে ১৬ জন। মোট ৫৮ জন পুরুষ ও নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
সরেজমিনে শাহজাদপুর পৌর শহরের দরগাহপাড়া মাদ্রাসা কেন্দ্র, পুকুরপার লক্ষীমতি স্কুল কেন্দ্র , পুকুরপাড় মুক্তিযোদ্ধা হাইস্কুল কেন্দ্র, পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্র, গার্লস হাইস্কুল কেন্দ্র, নলুয়া স্কুল কেন্দ্র ও পারকোলা স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ভোট কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি চোখে পরে।

এদিকে বেলা ৩টায় সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হয়ে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান স্বজল নির্বচন প্রত্যাখ্যান করে বয়কটের ঘোষণা দেন। এসময় তিনি অভিযোগ করেন আওমীলীগের প্রার্থী ও তার সমর্থক আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা প্রতিটি কেন্দ্র দখলে নিয়ে ধানের শীষের প্রতিকের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয় ভোটারদের ফিঙ্গার দেওয়ার পর নিজেরাই নৌকায় ভোট দিচ্ছে। তিনি আরো্ অভিযোগ করেন, কেন্দ্র দখলের সময় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়।
শীতকে উপেক্ষা করে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতিও চোখে পরার মতো ছিল।
পুরুষ ভোটারদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশ দেখা গেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ, র্যা ব, ডিবি, বিজিবি , আনসার মোতায়েন রয়েছে।
সার্বক্ষণিক বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের আইনশৃংখলা তদারকি করেছেন। জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা পৌর এলাকার বিভি্ন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএম এর মাধ্যমে বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। প্রথম শ্রেণির শাহজাদপুর পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৬। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৫ হাজার ৩৭১ এবং মহিলা ভোটার ২৫ হাজার ৭১৫ জন। ২৫টি কেন্দ্রের ১৪৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ

আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনের ভোটগ্রহন শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশে ২৫টি পৌরসভা নির্বাচনের মধ্যে শাহজাদপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই নির্বাচনে মেয়র পদের জন্য ৪ জন, ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ৩৮ জন, সংরক্ষিত ৩টি নারী কাউন্সিলর পদে ১৬ জন। মোট ৫৮ জন পুরুষ ও নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতিকের মনির আক্তার খান তরু লোদী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকে মাহমুদুল হাসান স্বজল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতিকে খন্দকার ইমরান, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতিকে মোক্তার হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সরেজমিনে শাহজাদপুর পৌর শহরের দরগাহপাড়া মাদ্রাসা কেন্দ্র, পুকুরপার লক্ষীমতি স্কুল কেন্দ্র , পুকুরপাড় মুক্তিযোদ্ধা হাইস্কুল কেন্দ্র, পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্র, গার্লস হাইস্কুল কেন্দ্র, নলুয়া স্কুল কেন্দ্র ও পারকোলা স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ভোট কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি চোখে পরে।
এসময় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দুপুর ১টা পর্যন্ত এসব কেন্দ্রে প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
শীতকে উপেক্ষা করে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতিও চোখে পরার মতো ছিল। পুরুষ ভোটারদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশ দেখা গেছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ, র্যা ব, ডিবি, বিজিবি , আনসার মোতায়েন রয়েছে। সার্বক্ষণিক বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের আইনশৃংখলা তদারকি করেছেন।
জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা পৌর এলাকার বিভি্ন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএম এর মাধ্যমে বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। প্রথম শ্রেণির শাহজাদপুর পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৬। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৫ হাজার ৩৭১ এবং মহিলা ভোটার ২৫ হাজার ৭১৫ জন। ২৫টি কেন্দ্রের ১৪৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

স্বপন-চয়ন-লাবলু-নজরুল-মিরু ও তাদের অনুসারীগণ নৌকার পক্ষে একাট্টা


শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার!

শামছুর রহমান শিশির, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) : শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মনির আক্তার খান তরু লোদী। শাহজাদপুর পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নৌকার পক্ষে পৌরবাসীর স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও বিপুল জনসমর্থনই নৌকার বিজয়ের আগাম বার্তার জানান দিচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) একান্ত এক সাক্ষাতকারে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদী ( প্রতীক নৌকা ) আরও বলেন, ‘নৌকা প্রতীকের পক্ষে পৌরবাসী রাজপথে নেমে এসেছেন। আকুন্ঠ সমর্থণ জানাচ্ছেন। নৌকা প্রতীকের নির্বাচনকে ঘিরে শাহজাদপুর পৌর এলাকার সর্বত্র ভোটার ও আমজনতার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। পৌর এলাকার উন্নয়নের যে রূপরেখার আমি আশ্বাস দিয়েছি তা পৌরবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক উজ্জীবিত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে শাহজাদপুরের সংখ্যাগরিষ্ঠ আমজনতা ও ভোটারগণ রয়েছেন নৌকার পক্ষে। বিপুল ভোটে আরেকবার নৌকা প্রতীকের বিজয় এনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শাহজাদপুরের গণমানুষের নেতা, সাবেক শিল্প-উপমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনকে পৌরবাসী বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে নৌকার আরেকটি বিজয় উপহার দেবেন বলে আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে আমাকে যে ভালোবাসা দিয়ে চলেছেন তার জন্য পৌরবাসীর কাছে আমি চিরঋণী। সেইসাথে, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিজয় নিশ্চিতে যেভাবে দিনরাত নৌকার পক্ষে কাজ করে চলেছেন তার জন্য তাদের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পরিশেষে, আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও শাহজাদপুর শহরকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী ও ডিজিটাল শহরে রূপান্তর করতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে পৌরবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।’
বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) পৌর এলাকার বেশ কয়েকজন ভোটারের সাথে আলাপকালে তারা এ প্রতিবেদককে জানান, ‘মনির আক্তার খান তরু লোদীর নৌকা প্রতীকের বিজয়ের জন্য আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতাসহ সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ পৌরবাসীর কাছে ভোট চাচ্ছেন। তাছাড়া, স্থানীয় এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের নির্দেশনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নৌকার বিজয়ের একই অভিন্ন লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করায় নৌকার জয়ের পাল্লা অনেক ভারী হয়েছে। তাছাড়া, নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদীর প্রতিদ্বন্দ্বী অপর ৩ মেয়র প্রার্থী বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদুল হাসান সজল, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন,বাংলাদেশ’র হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইমরান খন্দকার নির্বাচনী মাঠে সরব ভূমিকা রাখতে ব্যার্থ হওয়ায় নৌকা প্রতীকের পক্ষে এ গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপন অনুসারীগণ, সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম ও তার অনুসারীগণ, মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা এ্যাড. শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু ও তার অনুসারীগণ, সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার অনুসারীগণ এবং মেয়র হালিমুল হক মিরু ও তার অনুসারীগণ ঐকবদ্ধার সাথে নৌকার পক্ষে একাট্টা হয়ে কাজ করে নির্বাচনী মাঠ দখলে রাখায় নৌকার পক্ষে এ গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে।’

শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে নৌকায় ভোট চাইলেন প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা

আসন্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদীর পক্ষে নৌকায় ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা। রবিবার সকালে স্থানীয় সাংসদ হাসিবুর রহমান স্বপনের রুপপুরের বাসায় শাহজাদপুর পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্দ্যগে মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়নের কথা তুলে ধরে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহবান জানান। পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস লাভলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বাবলা, সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদী, মুস্তাক আহমেদ, আমিরুল ইসলাম শাহু, আনু লোদী, মৌসুমী খান বাবলা, সিলভী পারভীন মিঠু, আনোয়ারা বেগম, সাথী তালুকদার প্রমুখ।

জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ


শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রচারনায় পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: আসন্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে শাহজাদপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছে। সোমবার বিকেলে মনিরামপুর ও দ্বারিয়াপুর বাজার সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে নৌকার পক্ষে ভোট চান। এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পন করা হয় ও দলীয় কার্যালয়ে নৌকা বিজয়ের লক্ষে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মীসভায় নেতারা বলেন, শাহজাদপুর পৌরসভার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী মনির আক্তার খান তরু লোদীকে ২৮ তারিখ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করুন। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ারও আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ মো: শাহান শাহ, সাধারন সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান সুমন, সহ-সভাপতি হাসান মাহমুদ রাজীব, শাহিন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন, ফারুক হাসান কাহার, বরাত আলী সুমন, মো: সজল, আশিক, হুমায়ুন প্রমুখ।

ওয়ার্ডবাসীর সেবক হিসেবে আত্মনিয়োগ: সকলের দোয়া,ভালোবাসা ও সহযোগী কামনা


শাহজাদপুরের ২নং ওয়ার্ডকে মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করতে চান কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো

আগামী ২৮ ডিসেম্বরে শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা স্থানীয় এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমান স্বপনের ভাতিজা, উচ্চশিক্ষিত, সৎ, যোগ্য প্রার্থী মোঃ তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলো কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে শাহজাদপুর পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপ দেয়ার পাশাপাশি ২নং ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন ও ওয়ার্ডবাসী কল্যাণে আত্মনিয়োগ করে কাঙ্খিত পৌরসেবা নিশ্চিতের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার ( ১০ ডিসেম্বর ) দুপুরে একান্ত এক সাক্ষাতকারে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি শাহজাদপুর পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করে ভোট ও দোয়া চাইছেন। শাহজাদপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রূপপুর, চুনিয়াখালী পাড়া, পাঠান পাড়া, চড়–য়াপাড়া ও ভেরুয়াদহ নিয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড গঠিত। আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ২ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে শাহজাদপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২টি ও শাহজাদপুর ইব্রাহিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১টিসহ মোট ৩টি ভোট কেন্দ্রে ৫ হাজার ৮’শ ১ জন ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা রয়েছে।

জানা গেছে, শাহজাদপুর পৌর এলাকার পাঠানপাড়া মহল্লার হাজী মরহুম হাফিজুর রহমান লালের বড় ছেলে ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সাইন্সে কৃতীত্বের সাথে উচ্চ শিক্ষা শেষ করেন। পরে দীর্ঘ ২৬ বছর তিনি বাইং হাউজসহ ঢাকার বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে সততা ও দক্ষতার সাথে চাকরী করেন। চাচা স্থানীয় এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাসিবুর রহমানর স্বপনের সুদীর্ঘ কর্মজীবনে দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করার বিষয়ে অণুপ্রাণিত হয়ে এবং বিশেষতঃ ‘অপরের হিতসাধনই মানব জীবনের প্রধান ধর্ম’- এ কথাটি মর্মে মর্মে উপলব্দি করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনসেবায় আত্মনিয়োগের প্রথম ধাপ হিসেবে তিনি ২ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী তৌহিদুর রহমান এ্যাপোলা এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ তিনি নির্বাচিত হলে ২নং ওয়ার্ডবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক ও শ্বায়ত্বশাষিত প্রতিষ্ঠানের ভৌত ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, এলাকার গরীব- দুঃখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে সেবক হিসেবে কাজ করে যাবেন। সেইসাথে, এলাকা থেকে সন্ত্রাস, মাদক, বাল্যবিয়েসহ নানা সামাজিক সমস্যা, কুসংস্কার, অপসংস্কৃতি দূর করে ২ নং ওয়ার্ডকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপ দেবেন। এ জন্য তিনি ওয়ার্ডবাসীসহ সকলের দোয়া-ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগীতা কামনা করেছেন।