যুবলীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কর্তৃক বিষয়টি খতিয়ে দেখার অভিমত বিজ্ঞ মহলের


সাঁথিয়া যুবলীগ সেক্রেটারি মিজানূর কর্তৃক পত্রিকার সম্পাদককে হুমকি ও অশ্লীল গালিগালাজের অডিও ভাইরাল

পাবনার বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেনকে সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশের সংবাদ পাবনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকায় প্রকাশ না করার ঘটনায় দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বেড়া উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক সরকার আরিফুর রহমান (আরব আলী)-কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও চতুর বাজার ইছামতি বিচিত্রা বিতান বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান (উকিল)।

গত ২২ অক্টোবর সাংবাদিক সরকার আরিফুর রহমানকে অশালীন ভাষায় দেয়া গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান সংক্রান্ত একটি অডিও ফোনালাপ সম্প্রতি নানা যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দা ও প্রতিবাদমূলক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
সমালোচনার মাধ্যমে সমালোচকেরা কড়া ভাষায় নিন্দা জ্ঞাপনপূর্বক জানান, “অশালীন মন্তব্যের জন্য তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, সেখানে সংবাদকর্মীদের কাজে বাধা তো পড়বেই।’
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওটিতে শোনা যায়, মিজানুর রহমান উকিল দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার হকার রাজাকে বলছেন, “তোর এ যুগের দীপ কোথায়, তুই এ যুগের দীপ বিক্রি করবি না।” হকার রাজা এ সময় একটি কর্মের দাবী জানালে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মিজানূর রহমান সাংবাদিক আরিফুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল  ও চরম আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করে গর্জনের সাথে হুমকি দিয়ে বলেন, “মেয়র, মন্ত্রীর সাথে লাগে; আবার আমাদের সাথে লাগে।”
এছাড়া, সাঁথিয়ার যুবলীগ সম্পাদক মিজানূর ক্ষমতার দাপটে মাঝে মধ্যেই হকারের কাছ থেকে দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকা কেড়ে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, পাবনা থেকে প্রকাশিত পাঠকনন্দিত দৈনিক এ যুগের দীপ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সরকার আরিফুর রহমানকে যুবলীগ নেতা মিজানূর রহমান কর্তৃক গালিগালাজ ও হুমকি দেয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা, বিভিন্ন উপজেলার অনেক গণমাধ্যমকর্মী, সুধীমহলসহ বিভিন্ন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিজ্ঞমহলের মতে, “বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাঁথিয়া উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকে এহেন অশোভন আচরণ করে মিজানূর রহমান পুরো যু্বলীগের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভাবমর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে অবিলম্বে বিষয়টি দ্রুত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দর খতিয়ে দেখা উচিত বলেও তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।”

( তথ্য সূত্র : ডেস্ক রিপোর্ট, দৈনিক এ যুগের দীপ)

‘এমন বক্তব্য শোভনীয় নয়’-শাহজাদপুরবাসীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক : গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সমকাল পত্রিকার ব্যাক পেইজে ‘শিমুল হত্যার ২ বছর পূর্তিতে স্মরণসভা; আদালতের নির্দেশিত সময়েই বিচার শেষ করার দাবি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে শাহজাদপুরের একজন সচিবকে জড়িয়ে দৈনিক সমকালের অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক তপন দাশের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে শাহজাদপুরের বিভিন্ন মহলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শাহজাদপুরের রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, সুধীমহলসহ সাধারণ জনগণের দেয়া ভাষ্যমতে, ‘দৈনিক সমকালের অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক তপন দাশের উদ্ধৃতি দিয়ে সমকালে প্রকাশিত সংবাদে শাহজাদপুরের একজন সচিবকে যেভাবে কটাক্ষ করা হয়েছে তা মোটেও শোভনীয় হয়নি। শাহজাদপুরের একজনই পূর্ণ পদমর্যাদা সম্পন্ন সচিব অত্যন্ত সুনামের সাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব পদে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত রয়েছেন যিনি হলেন আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক।’ শাহজাদপুরের অসংখ্য রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, সুধীমহলসহ সাধারণ জনগণ আক্ষেপ প্রকাশ করে আরও বলেছেন, ‘শাহজাদপুর তথা দেশের গর্বিত সন্তান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক একজন ন্যায়বান ও পরোপকারী ব্যাক্তি। যিনি শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ, চৌকি আদালত ও জেলা যুগ্ম-দায়রা জজ আদালত, ১০ সয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল স্থাপন, শাহজাদপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রূপান্তর ও সেখানে ১২টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু, ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ, যমুনার দুর্গম পল্লীর দুগালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে রূপান্তর, কারিগরী শিক্ষাব্যবস্থা চালু, বহুতল ভবন নির্মাণ, পোরজনা ও গালা, রূপবাটিসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সাব-মার্সিবল সড়ক নির্মাণ, শাহজাদপুর উপজেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয় আধুনিকায়ন ও লাইব্রেরি স্থাপন, জগৎ বরেণ্য অলী হযরত মখদুম শাহদৌলা শহিদ ইয়ামেনি (রহঃ) এর মখদুমিয়া জামে মসজিদ ও মাজার সংস্কার, শাহজাদপুর পৌরসদরসহ ১৩ ইউনিয়নের ৫’শতাধিক যুবককে বিনা পয়সায় সরকারি চাকুরী প্রদানপূর্বক যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ শাহজাদপুরের বহুমূখী উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক একজন অরাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে কর্মরত সৎ, আদর্শবান ও সর্বাপরি শাহজাদপুরবাসীর নিকট একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক শিমুল হত্যা ঘটনার সূত্রপাতে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা যে বিজয় মাহমুদকে মেয়র হালিমুল হক মিরুর ভাইয়েরা মধ্যযুগীয় কায়দায় পিটিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছিলো, সেই কলেজ ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহমুদকেও শাহজাদপুর তথা দেশের গর্বিত সন্তান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক কুড়িগ্রাম জজকোর্টের নাজির পদে সরকারি চাকুরি প্রদান করে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মিরু ও তার দোসরদের বাঁচাতে শুরু থেকেই পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উত্থাপনসহ মাননীয় সচিব মহোদয়কে কটাক্ষ করে সমকালের অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক তপন দাশের উদ্ধৃতি দিয়ে দৈনিক সমকালে যে বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে তা শাহজাদপুরবাসীর কাছে অগ্রহণীয় ও চরম দুঃখজনক বলেই মনে হয়েছে !’

শাহজাদপুর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নাসির উদ্দিনের আসামি হয়েও দায়িত্ব পালন; এলাকায় নানা গুঞ্জন

শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম, বিশেষ প্রতিবেদক, ৯ আগষ্ট ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ : ফৌজাদারী মামলার আসামি হয়েও বহাল তবিয়তে শাহজাদপুর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন প্যানেল মেয়র-২ নাসির উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ২টি মামলা রয়েছে বিজ্ঞ আদালতে। এসব বিষয়ে সম্প্রতি দৈনিক কালের কন্ঠ, দৈনিক মানবজমিনসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে, গত ২৮ মে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের ( স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর ১ শাখা) উপ-সচিব মোঃ আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক পত্রে (স্মারক নং- ৪৬.০০.০০০০. ০৬৩. ২৭. ০০২.১৭- ৬৮৫) শাহজাদপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আব্দুর রাজ্জাককে প্যানেল মেয়র-১ হিসেবে দায়িত্ব বুঝে দেয়ার জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে তা আজও বাস্তবায়িত না হওয়ায় এ নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
দৈনিক কালেরকন্ঠ প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে প্রকাশ, যদিও স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯-এর ৩১ (১) ধারায় (ফৌজদারী) মামলায় অভিযোগপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হলে কর্তৃপক্ষ মেয়র/কাউন্সিলরকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারেন। আরো অভিযোগ রয়েছে, এই দুটি মামলার একটি মামলা মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনায় স্থগিত হলেও অপর মামলাটি শাহজাদপুর কোর্টে সচল রয়েছে। শাহজাদপুর কোর্টের মামলার বিপরীতে সরকার পক্ষের কৌশলী মতামত দিয়েছে যেহেতু মামলার অভিযোগ আদালত আমলে নিয়েছে, সেক্ষেত্রে প্যানেল মেয়র-২ এর দায়িত্বে নাসির উদ্দিনের থাকার আর কোনো আইনগত ভিত্তি নাই। তবে স্থগিতাদেশ দেয়া মামলার কপি জমা দিয়ে কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করে প্যানেল-২ দায়িত্বে থাকার অপকৌশল তিনি নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্যানেল মেয়র-১।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ আব্দুর রাজ্জাকের অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সিরাজগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এবং জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নাসির উদ্দিনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মতামতসহ পত্র প্রেরণ করলেও অজ্ঞাত কারণে সেখান থেকেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র হালিমুল হক মিরু’র বাড়িতে হামলা ও আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সমকাল সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল মারা যায়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ায় পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরু ও প্যানেল মেয়র-১ আব্দুর রাজ্জাককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর প্যানেল মেয়র-২ নাসির উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব দেয়া হয় ।
এ অবস্থায় বসতবাড়িতে হামলা ও মারপিটের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র হালিমুল হক মিরু’র স্ত্রী লুৎফুন নেছা পিয়ারী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশি তদন্ত শেষে সকল আসামিকে বাদ দিয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়। এরপর মামলার বাদী চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজী দিয়ে মামলাটির জুডিশিয়াল তদন্তের দাবি করেন। এ অবস্থায় জুডিশিয়াল তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিস্ফোরক ও মারপিট আইনের ২টি ধারায় আদালতে চার্জশিট গঠন করা হয়। বিস্ফোরক আইনের চার্জশিটটি ০১/২০১৮ নম্বর মামলা হিসাবে সিরাজগঞ্জ স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আদালতে (১) বিচারাধীন থাকা অবস্থায় আসামিপক্ষ ১১/০৩/২০১৭ইং তারিখে রিট করায় হাইকোর্ট ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। আর মারপিটের চার্জশিটটি সি,আর ১৮১/১৭ (শাহ:) (দ্বিতীয়) মামলা হিসাবে শাহজাদপুর আমলী আদালতে এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে, সাময়িক বরখাস্তকৃত প্যানেল মেয়র-১ আব্দুর রাজ্জাক জামিনে মুক্ত হয়ে রিট করায় ৩০/১১/২০১৭ইং তারিখে তার কাউন্সিলর পদ ও প্যানেল মেয়র-১ এর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে হাইকোর্ট। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিনের দায়িত্ব খর্ব করার দাবি করেও কোন সুরাহা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন প্যানেল মেয়র-১ আব্দুর রাজ্জাক।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দায়ের হওয়া মামলায় বিচারিক রায়ে শাস্তি হলে দায়িত্বে থাকতে পারবো না। কিন্তু চার্জশিট হওয়ার পর মামলা চলমান অবস্থায় দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই বিধায় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে রয়েছি।’

ফলোআপ:-শাহজাদপুরে পোরজনা ইউপি চেয়ারম্যান ও অধ্যক্ষের দুর্ণীতির সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সাধুবাদ

শামছুর রহমান শিশির, নিজস্ব প্রতিবেদক, শাহজাদপুর : গত সোমবার সিরাজগঞ্জ থেকে প্রকাশিত, বহুল পঠিত, পাঠক প্রিয়, নন্দিত অনলাইন পত্রিকা ‘সিরাজগঞ্জ কন্ঠ ডকটম’, শাহজাদপুর থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা ‘শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম’, সিরাজগঞ্জ থেকে প্রকাশিত আঞ্চলিক পত্রিকা ‘দৈনিক যমুনা প্রবাহ’ ও সিরাজগঞ্জের প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে ‘দৈনিক যুগের কথা’ পত্রিকায় শাহজাদপুর পোরজনা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মুকুল ও জামিরতা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হায়দার আলীর বিরুদ্ধে এলজিএসপি’র ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা সম্পূর্ণই আত্মসাতের সংবাদ গণমাধ্যমগুলোর অনলাইন ও প্রিন্ট সংস্করণে প্রকাশিত হবার খবর শাহজাদপুরে ছড়িয়ে পড়লে শাহজাদপুরে আসা দৈনিক যুগের কথা ও দৈনিক যমুন প্রবাহ পত্রিকার সবকটি কপি মুহুর্তেই ফুরিয়ে যায়। অনেকে সংবাদটি একনজর দেখার ও পড়ার জন্য স্থানীয় পত্রিকা এজেন্ট অফিসে গিয়ে এক কপিও পত্রিকাও না পেয়ে ফিরে যায়। অনেক পাঠক এক কপি পত্রিকা না পেলেও ”াঞ্চল্যকর দুর্ণীতির সংবাদটি পড়ার জন্য বাজারের বিভিন্ন ফটোকপি দোকানে গিয়ে সংবাদটির ফটোকপি সংগ্রহ করে। অনেককে আবার এ সংবাদটির শতশত ফটোকপি বিভিন্ন স্থানে বিতরণ করতেও দেখা যায়। ফলে এ সংবাদটি হয়ে উঠেছিলো ‘টক অব দ্যা টাউন’। অনলাইন পত্রিকা ‘সিরাজগঞ্জ কন্ঠ ডকটম’ এর সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকসহ পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে, শাহজাদপুর থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা ‘শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম’র এর প্রধান সম্পাদক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকসহ পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে, দৈনিক যমুনা প্রবাহ ও দৈনিক যুগের কথা পত্রিকার শাহজাদপুরের অসংখ্য পাঠকসহ অনেকে স্বশরীরে আবার অনেকেই মোবাইল ফোনে স্থানীয় প্রতিনিধি মাধ্যমে দৈনিক যমুনা প্রবাহ ও দৈনিক যুগের কথা পত্রিকার সুযোগ্য সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জ্ঞাপন করেন। বিশেষ করে এ ধরনের সাহসী, অনুসন্ধানী, প্রতিবাদী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। সেইসাথে ভবিষ্যতেও এসব গণমাধ্যম সমাজের নানা দুর্ণীতি, অনিয়ম ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে এবং এলাকার সমস্যা, জনদুর্ভোগসহ জনমানুষের কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশ ও দশের কল্যাণের স্বার্থে অবিচল থাকবে বলেও অসংখ্য পাঠক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, শাহজাদপুর উপজেলার ৬নং পোরজনা ইউনিয়নের লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি)-৩ এর ১ম ও ২য় কিস্তির কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। যার মধ্যে ‘জামিরতা ডিগ্রি কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ’ কাজের নামে ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার প্রকল্প দেখিয়ে সেখানে ১ টাকারও কাজ না করে সম্পূর্ণ টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মুকুল ও জামিরতা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হায়দার আলী। ভাগ-বাটোয়ারার মধ্যে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হায়দার আলী মোটা অংকের টাকা উৎকোচ নিয়ে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে প্রত্যয়নপত্রও প্রদান করেন। যে কারণে, পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মুকুল ও জামিরতা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হায়দার আলীর বিরুদ্ধে দুর্ণীতির ওই সংবাদটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
যে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে চেয়ারম্যান মুকুল ও অধ্যক্ষ ১ টাকারও কাজ না করে ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা পুরোটাই দুইজন আত্মসাৎ করেছেন, সেই প্রদর্শিত ভূয়া প্রকল্পস্থলে ২০১৭ সালে কলেজের ৮ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়নে বাউন্ডারি ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছিলো। জামিরতা ডিগ্রি কলেজের ওই ওয়াল ২০১৭ সালে কলেজের ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্পন্নকৃত ওয়ালটি ফের ২০১৮ সালে অন্য একটি প্রকল্প কেবলমাত্র কাগজে-কলমে দেখিয়ে চেয়ারম্যান মুকুল ও অধ্যক্ষ হায়দার আলী কর্তৃক ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকার প্রিন্ট ও অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত হওয়ায় পোরজনা, জামিরতাসহ পুরো উপজেলাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে।

রাতের মশিপুর…

“রাত আর একটু গভীর হলেই বদলে যাবে মশিপুর গ্রামের দৃশ্যপট। গ্রামের পাঁচ থেকে সাতটি স্পটে বসবে জুয়া ও মাদকের আসর। এসব আসরে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা ও হেরোইনসহ সব ধরনের মাদক দ্রব্য পাওয়া গেলেও এদের মধ্যে ইয়াবাই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সারারাত ধরে চলা এসব আসরে মাঝেমধ্যে দেখা যায় গানের দলের একাধিক মেয়েদেরকে। এমন অসামাজিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় গ্রামের সাধারণ মানুষ জনও কিছুই বলে সাহস পান না কতিপয় মানুষরুপি স্থানীয় পশুদের ভয়ে। কিন্তু এভাবে আর কতকাল? তবে কি মশিপুর গ্রামের সাধারণ মানুষের পুলিশি সহায়তা পাওয়ার কোন অধিকার নেই? এমন ভয়াবহ ও সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা বা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত এমন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কি তবে শাহজাদপুর উপজেলায় নেই?”

এই ব্যাপারে আপনাদের কোন মন্তব্য থাকলে প্রকাশ করুন…