উল্লাপাড়ায় এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

এইচ টি ইমাম | ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে করে তাঁর মরদেহ উল্লাপাড়ার সোনাতলা গ্রামে নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রথম জানাজার জন্য তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ মাঠে। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাঁর প্রথম জানাজা হয়।

আজ সকালে এইচ টি ইমামের ছেলে সাংসদ তানভীর ইমাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সিরাজগঞ্জে তাঁর বাবার জানাজা শেষে মরদেহ ঢাকায় জাতীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সেখানে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। বিকেলে বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এইচ টি ইমামের মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ফুসফুস, কিডনি, হৃদ্‌রোগসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব এইচ টি ইমামের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। প্রথমে জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন।

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্রঃ প্রথমআলো

আনিছ হত্যার জের


শাহজাদপুরে আসামীদের ঘর-বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ

শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের উল্টাডাব গ্রামে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ চলাকালে সালাম মেম্বর গ্রুপের সালামের ভাই আনিছুর রহমান আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় গোলাম মোস্তফা হাজী গ্রুপের প্রথমে ১৬ জন। পরে আরও ৫৫ জনকে আসামি করে বাহরাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ

র পর থেকে গোলাম মোস্তফা গ্রুপের লোকজন গ্রেফতার এড়াতে  ঘর-বাড়ী ফেলে গা ঢাকা দেয়। এই সুযোগে বাদী পক্ষের লোকেরা আসামীদের ঘর-বাড়ীতে লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই মামলার আসামী হাজী গোলাম মোস্তাফার স্ত্রী সুফিয়া বেগম।

সরেজমিনে ঘুরে উল্টাডাব বাজারে অবস্থিত হাজীর মার্কেট ও বাসভবনে গিয়ে সুফিয়া বেগমের সাথে কথা বললে তিনি  এ প্রতিবেদককে বলেন, সংঘর্ষের পর আনিছের মৃত্যুর পর পর আমাদের ঘর-বাড়ী তালাবদ্ধ করে আমরা চলে যাই। জরুরী কাগজপত্রের জন্য আজ সোমবার সকালে বাসভবনে প্রবেশ করেই বিভিন্ন কক্ষের তালা ভাঙ্গা দেখতে পাই।

তিনি আরও জানান, বাদীর লোকজন বিভিন্ন কক্ষের সাটার, ও তালা ভেঙ্গে টিভি, ফ্রিজ, স্বর্নালঙ্কার, আলমারি, খাট, সোফা, বাড়ীর দলিলপত্র নিয়ে গেছে। সুফিয়া বেগম ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে বাদী পক্ষের গোলাপ প্রামাণিক ও তার ভাতিজা আব্দুল আলিম সুফিয়া বেগমের উপর চরাও হয়। এক পর্যায়ে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি ও লাঠি দিয়ে মারতে উদ্যত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সুফিয়া বেগম ভয়ে নিরাপদে চলে যায়।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের সালাম মেম্বর সাংবাদিকদের জানান, তার ভাইকে হত্যা করেছে, মামলা হয়েছে। বিচারে দোষীদের শাস্তি হবে। এটাকে কেন্দ্র করে লুটপাটের ঘটনা তিনি সমর্থন করেননা। কেউ লুটপাট করলে তার দায় তিনি নেবেননা।

ইউনিয়ন পরিষদে পৌছায়নি তামিমার তালাকের নোটিশ

ক্রিকেটার নাসির হোসেনের নববিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির পাঠানো তালাকের কোনো নোটিশ কাজি অফিস ও ইউনয়ন পরিষদে নেই। অথচ বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে রাকিব হোসেনকে তালাক দেয়ার দাবি করেন তামিমা সুলতানা তাম্মি।

ক্রিকেটার নাসির হোসেন এবং তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ে নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই চলছে তোলপাড়। প্রথম স্বামী রাকিব হোসেন এরই মধ্যে মামলা করেছেন স্ত্রী তাম্মি ও নাসিরের বিরুদ্ধে। মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে যে, প্রথম স্বামী বর্তমান থাকতে এবং তাকে তালাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন তাম্মি। আর নাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করা।

এসব অভিযোগের জবাব দিতে বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন নাসির ও তাম্মি। সেখানে তাম্মি দাবি করেন যে, রাকিবকে অনেক আগেই তালাক দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তালাকের কপি দেখিয়ে তাম্মি জানান, তালাকের এই কপি রাকিবের গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদেও পাঠানো হয়েছে।
তবে এরকম কোনো নোটিশ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাননি বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মাকসুদুল হক মাকসুদ।
বৃহস্পতিবার তিনি এ সংক্রান্ত রেজিস্টার দেখিয়ে বলেন, সাধারণ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ জাতীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়। রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হলে তা না আসার কোনো কারণ নেই। আমাদের রেজিস্টারে এ ধরনের নোটিশ আসার কোনো প্রমাণ লিপিবদ্ধ নেই। তাছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যেরকম তোলপাড় চলছে তা জানার পর আমরা পুনরায় যাচাই করে দেখেছি কিন্তু কোনো ধরনের নোটিশ আসার রেকর্ড নেই

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ৮:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী প্রশাসনিক ভবন-১ এবং একাডেমিক ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল লতিফ। এরপর সকাল ৯:০০ ঘটিকায় অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-১ প্রাঙ্গনে স্থাপিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রওশন আলম, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ফারহানা ইয়াসমিন, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব বরুণ চন্দ্র রায়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এছাড়াও সকাল ৯:০০ ঘটিকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ-এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক জনাব মোঃ গোলাম সরোয়ার, রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব লয়লা ফেরদৌস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোঃ শিবলী মাহবুব, সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ তানভীর আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিকাল ৪.০০টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কর্তৃক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা (ফেসবুক লাইভে) আয়োজন করা হয়। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ,তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি আজ এ কথা ঐতিহাসিক সত্যি যে রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনেরও প্রধান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তিনি আরো বলেন, যে বাংলাকে ভালোবাসে না, সে মানুষকে ভালোবাসে না, সে তার মাকে ভালবাসতে পারে না। যে বাংলাকে ভালবাসে না সে নিজেকে ভালোবাসা না,কাজেই নিজের ভাষাকে ভালোবাসুন, দেশকে ভালোবাসুন, মাকে ভালোবাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন,এই হোক আজকের দিনের প্রতিজ্ঞা।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারী শুধু আমাদের ভাষা আন্দোলন নয় আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতা আন্দোলন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশ্বের দরবারে পৌঁছেছে এই জায়গাটা আমাদের ধারণ করে বড় পরিসরে এগিয়ে যেতে হবে, এমন একটি আয়োজন করে আমাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২১ এর চেতনা সঞ্চারিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এছাড়াও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত রেজিস্ট্রার জনাব মোঃ সোহরাব আলী।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে রবিবার ১২.০১ মিনিটে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এর আগে তারা ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করে।এসময় তারা বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারী মানে আন্দোলন সংগ্রামের প্রেরণা।

এই চেতনা ধারণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই ২১শের হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌমত্ব লাভ করেছে। তাই বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ডে বাংলা ভাষার প্রাধান্য আছে। আমরা বিশ্বাস এটি আরও বিস্তার লাভ করবে। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে বাংলা ভাষাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণ করে আগামীতে সকল অপশক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে রবীন্দ্র বিশ্বাবিদ্যালয় ছাত্রলীগ দীপ্ত শপত গ্রহণ করে।

শাহজাদপুরে আবুল কালাম আজাদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

শাহজাদপুরে আবুল কালাম আজাদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরনী

শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের চর নবীপুর নুরজাহান মযহার স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ২০ ফেব্রুয়ারী শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবুল কালাম আজাদ স্মৃতি ব্যাডমিন্টন-২০২১ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

চর নবীপুর প্রগতি সংঘ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,জনতা ব্যাংক লিমিটেডের এমডি ও সিইও বীর মক্তিযোদ্ধা আব্দুছ ছালাম আজাদ।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিশিষ্ট শিল্পপতি মো: ইউনুস, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের রাজশাহী বিভাগীয় জেনারেল ম্যানেজার সাখাওয়াত হোসেন, সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ইনচার্জ, এজিএম আবু সেলিম রেজা, ওমান প্রবাসী প্রকৌশলী মিহিরুল ইসলাম মিহির।

আলহাজ্ব ওসমান গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, চর নবীপুর প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মিলন সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ ব্যাডমিন্টান টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশ গ্রহণ করেন, নাটোর ও পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দু‘টি দল। এতে ফরিদপুর দল চ্যাম্পিয়ান হয়। এ খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি পুরষ্কার বিতরণ করেন।

শাহজাদপুরে জুয়ার আসর থেকে ৯ জুয়ারি আটক

শাহজাদপুর উপজেলার পৌর সদরের শক্তিপুর মহল্লায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ৯ জুয়ারিকে আটক করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হল- শাহজাদপুর উপজেলার মৃত রতি প্রামানিকের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫ ), আরজান শেখের ছেলে বাবলু ওরফে গোরা (৪২), কাদের শেখের ছেলে মোঃ শাহান (৫৬), আনছার প্রামানিকের ছেলে মোঃ বাবু (৪৫), নজির উদ্দিনের ছেলে কন্নু (৪৬), মৃত গফুরের ছেলে খালেক (৩৮), ওজেদ শেখের ছেলে আউয়াল (৪০), নজু শেখের ছেলে মিনহাজ (৪০), বদিউজ্জামানের ছেলে শামিম (৩০)।

শাহজাদপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহিদ মাহমুদ খান নেতৃত্বে শাহজাদপুর থানার এসআই মোঃ এসলাম আলী, এএসআই মোঃ সুমন সাঈদ, এএসআই মোঃ নূর নবীসহ পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার পৌর সদরের শক্তিপুর মহল্লার শাহান আলী বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ৯ জুয়ারিকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং জুয়া খেলার সামগ্রী জব্দ করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহিদ মাহমুদ খান জানান, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে শাহজাদপুর পৌর সদরের জুয়ার আসর থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

শাহজাদপুরে করোনা টিকা গ্রহণে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে করোনা ভ্যাক্সিন গ্রহণের জনপ্রিয়তা সাধারণ লোকজনের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে। শুরুতে বেশির ভাগ মানুষের মধ্যে দ্বিধা থাকলেও এখন অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। টিকাকেন্দ্রে সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধাসহ বয়স্ক মানুষের ভিড় বাড়ছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো অঘটন বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার সম্মুখযোদ্ধাদের সঙ্গে বয়সে প্রবীণ ও মুক্তিযোদ্ধাসহ কয়েকটি শ্রেণির নাগরিকরা প্রথম দিকে টিকা পাচ্ছেন। হাসপাতাল ঘুরে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়েই মানুষকে টিকা নিতে দেখা গেছে। পুরুষ-নারীদের জন্য করোনাভাইরাসের টিকা দিতে আলাদা বুথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হাসপাতালের ৩য় তলায় টিকা প্রদান স্থানে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) শাহজাদপুরে ১১তম দিনে মোট ২ হাজার ৬শ ১৩ জন করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন এবং অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ৩ হাজার ৮শ ৩০জন। প্রথমদিকে করোনার টিকা গ্রহণে সাধারণ লোকজনের আগ্রহ কম থাকলেও বর্তমানে টিকা নেওয়ার চাহিদা বাড়ছে। প্রত্যান্ত এলাকার লোকজনও আগ্রহের কমতি নেই। প্রথম ধাপে শাহজাদপুরে মোট ১৭ হাজার ৩শ ৯০ টি ভ্যাক্সিনের ডোজ এসেছে।

প্রেসক্লাব শাহজাদপুরের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য টিকার বিকল্প নেই। আমরা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করি, তাদের টিকা নেওয়া জরুরি। টিকা নিতে হবে সবাইকেই। আমি টিকা নিলাম, আর আপনি নিলেন না, তাতে কিন্তু আমরা নিরাপদ ভাবতে পারি না। আমি ছোটবেলা থেকে অনেক টিকা নিয়েছি। আজকে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কোনো প্রতিক্রিয়া অনুভূত হল না। মাত্র ৩-৮ সেকেন্ড লাগে। ভয় পাওয়ার কোনা কারণই দেখছি না।

শাহজাদপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ লিয়াকত বলেন, আমি গতসোমবার শাহজাদপুর উপজেলা কমপ্লেক্সে গিয়ে করোনা প্রতিরোধ ভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করি। ভ্যাক্সিন গ্রহণে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রীয়া নেই। সবাই কে করোনা ভ্যাক্সিন গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, প্রথম দিকে মানুষের মাঝে ঠিকা নেওয়ার ভয় থাকলেও এখন টিকাদানে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সবাই সুশৃঙ্খলভাবে টিকা নিচ্ছেন। অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ডায়াবেটিস রোগী টিকা নেয়ায় মানুষের মাঝে ভয় ও জড়তা কেটে গেছে। গত দিনের তুলনায় আজ টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। অনেকে হাসপাতালে এসে খোঁজ নিয়ে যাচ্ছেন এবং কীভাবে টিকা নেবেন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে যাচ্ছেন। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা টিকা নেয়ায় মানুষ উৎসাহিত হচ্ছেন। এছাড়াও সব শ্রেণির নাগরিকের জন্য টিকা উন্মুক্ত থাকার বয়সসীমা ৫৫ থেকে নামিয়ে ৪০ করার সরকারি সিদ্ধান্ত টিকা গ্রহিতার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা বর্তমান সরকারের আরেকটি সফলতার গল্প। আমরা মাঠ পর্যায় থেকে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করছি মাত্র।

শাহজাদপুরে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

দেশব্যাপী কোভিড-১৯ করোনা ভ্যাকসিনের কর্যক্রম শুরুর সাথে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরেও করোনা ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচির উদ্ধোধন করা হয়।

রবিবার(৭ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড-১৯ টিকাদান শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আমিনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এলিজা খান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান, মেডিকেল অফিসার নাজনীন মমতাজ প্রমূখ।

এ সময় শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান টিকাদান কার্য়ক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। শাহজাদপুরে প্রথম টিকা গ্রহণ করেন ডা: আজমল হোসেন।

ডা: আমিনুল ইসলাম উপস্থিত অতিথি ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সারা বাংলাদেশের ন্যায় আমরাও করোনা টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছি। অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে ১৯ ক্যাটাকরিতে এ টিকাদান কর্যক্রম চলবে। প্রথম ধাপে শাহজাদপুর উপজেলার জন্য সর্বমোট ১৭৩৯ টি ভায়েল কোভিড-১৯ টিকা এসে পৌছেছে। যা শাহজাদপুরের ১৭৩৯০ জনের শরীরে প্রয়োগ করা হবে।

তিনি আরও জানান, রবিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত ৩টি বুথের মাধ্যমে ৪৪ জনের শরীরে কোভিড-১৯ টিকা প্রয়োগ হয়েছে। কোভিড-১৯ করোনা ভ্যাকসিনে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। যারা এই টিকা নিতে আগ্রহী তাদেরকে www.surokkha.gov.bd এই ওয়েব সাইডে নিবন্ধন করার আহবান জানান।

শিমুল হত্যার সুবিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা


শাহজাদপুরে সাংবাদিক শিমুল হত্যার ৪র্থ বার্ষিকী উপলক্ষে শোক র‌্যালি ও পথসভা

শাহজাদপুরে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার ৪র্থ বার্ষিকী উপলক্ষে শোক র‌্যালি ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘শিমুলের খুনিদের ফাঁসি চাই, দিতে হবে; শিমুল হত্যার বিচার দ্রæত সম্পন্ন করতে হবে’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সমকাল পত্রিকার শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুলের ৪র্থ হত্যা বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০ টায় শাহজাদপুর প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। শাহজাদপুরের কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের অংশগ্রহণে বের হওয়া শোক র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত শোক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিমল কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক শফিকুজ্জামান শফি, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাসেম, প্রেস ক্লাব,শাহজাদপুর’র সভাপতি আতাউর রহমান পিন্টু, সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান তুহিন, সাংবাদিক আল-আমিন প্রমূখ। বক্তব্যে বক্তারা প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির কাছে শিমুল হত্যা মামলাটির বিচারকার্য দ্রæত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জোর দাবী জানান। শোক পথসভা শেষে শোক র‌্যালিটি পুনরায় সেখান থেকে প্রেস ক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়।
এর আগে প্রয়াত সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুলের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে সকালে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, সাংবাদিক শিমুলের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০১৭ সালের ২ ফেব্রæয়ারি বিকেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রæপের সংঘর্ষ চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন ও পরদিন ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী শামছুন্নাহার বাদী হয়ে সাবেক পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুকে প্রধান আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে। এরপর থেকে নানা আইনী জটিলতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আজও সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার বিচারকার্য শুরু হয়নি।
অবিলম্বে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যার সুবিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের আত্মীয় স্বজন, সহকর্মীসহ এলাকার সচেতন মহল।