বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ শাহজাদপুর উপজেলা শাখার সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

তৃনমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ শাহজাদপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে আজ রবিবার (১২ জুন) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ শাহজাদপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুবে ওয়াহিদ শেখ কাজল।

কার্যক্রমটি উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল। মাহবুবে ওয়াহিদ শেখ কাজল প্রথম সদস্য ফরম গ্রহনের মধ্য দিয়ে কার্যক্রমটি শুরু হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ শাহজাদপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমীন হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নুরুল ইসলাম সজল, সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম, সদস্য মিজানুর রহমান মজনু, শাহজাদপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহান শাহ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান সুমন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গিয়ে রাজাকার পরিবারের কাউকে সদস্য করা যাবে না। এছাড়া হাইব্রিড, মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদক বিক্রেতা এমন কাউকে সদস্য করা যাবে না। সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমটি পরিচালনা করতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের অত্যন্ত সজাগ থাকার পরামর্শ দেন।

এসময় দলীয় নেতা কর্মী আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

করোনায় মৃত্যু, শনাক্ত, হার সবই বেড়েছে

দেশে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা, শনাক্তের হার ও মৃত্যু সবই বেড়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৫৭৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৩৭ জন। টানা ৪১ দিন পর এদিন শনাক্ত রোগী আড়াই হাজার ছাড়ায়। ওই সময় করোনায় মৃত্যু হয় ৩৬ জনের।

নতুন শনাক্তদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ২০ হাজার ৩৯৫। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৮৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৩০ জন।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৪৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে, ১২ জনের। এরপর ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে ৮ জন করে, খুলনা বিভাগে ৬ জন, রংপুরে ৪ জন ও সিলেটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৮১৫ জন। এরপর খুলনা বিভাগে ৫৭৮, ঢাকা বিভাগে ৫১৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩৭, রংপুর বিভাগে ১৩০, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৯, সিলেট বিভাগে ৯২ এবং বরিশাল বিভাগে ৪৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ঢাকা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়, ঢাকা মহানগরসহ মিলিয়ে এখানে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২৮৮ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় ৫ এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এ বিধিনিষেধে মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত মাসের মাঝামাঝিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ‘লকডাউন’ ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে । ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ও যাতায়াতে বিপুল লোকসমাগম দেখে জনস্বাস্থ্যবিদেরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করেছিল, ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ১৫টি জেলায় রোগী দ্রুত বাড়ছে। কিছুদিন ধরে সারা দেশেও করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে।

৪১ দিন পর দেশে শনাক্ত আড়াই হাজার, মৃত্যু ৩৬

দেশে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় করোনায় মৃত্যু কমলেও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৫৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

টানা ৪১ দিন পর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত আড়াই হাজার ছাড়িয়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল এক দিনে আড়াই হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। গতকাল ২ হাজার ৩২২ রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। মৃত্যু হয়েছিল ৪৪ জনের।

এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ১৭ হাজার ৮১৯। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৫৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় ৫ এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এ বিধিনিষেধে মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত মাসের মাঝামাঝিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ‘লকডাউন’ ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে । ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ও যাতায়াতে বিপুল লোকসমাগম দেখে জনস্বাস্থ্যবিদেরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করেছিল, ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ১৫টি জেলায় রোগী দ্রুত বাড়ছে। কিছুদিন ধরে সারা দেশেও করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে।

৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসব সেবা দেওয়া হয় লেখাটি সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ


নরিনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি যেন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার আখড়া

অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, নিরাপত্তা ও চিকিৎসা-এ পাঁচটি মৌলিক চাহিদা সরকারের কাছে সেবা হিসেবে পাওয়া মানুষের রাষ্ট্রীয় অধিকার। এর মধ্যে অন্যতম একটি সেবা হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। মানুষের জন্মগত এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং সেবা প্রদানের জন্য স্বাধীনতার পক্ষের বর্তমান সরকার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছেন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে। কিন্তু, কিছু অর্থলোভী ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে জনসাধারণ সরকারের এ ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিনামূল্যে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে সেবা পাওয়ার পরিবর্তে পদে পদে চরম ভোগান্তিসহ দূর্ব্যাবহার ও কাংখিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের একমাত্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা। ছোট একটি সাইবোর্ডে ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসব সেবা দেওয়া হয় লেখা থাকলেও তা ঐ সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ আছে।

এমন হাজারো অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। হেন কোন অনিয়ম নেই যা এখানে হয়না। ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ইউনিয়ের সাধারণ জনগন। হাসপাতাল শুরু থেকেই ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের সেবা সাইনবোর্ডেই সিমাবদ্ধ আছে। ৭দিন ২৪ ঘন্টা প্রসূতী রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ হাসপাতালটির দোতালা ভবনে আবাসিক কোয়াটারের ব্যবস্থা করলেও আজ পর্যন্ত কেউ থাকনি ঐ কোয়াটারে। কিন্তু প্রতি বছর কোয়াটারটি রং ও মেরামত করার জন্য সরকারের ক্ষতি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোয়াটার গুলো স্টোর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার জন্য সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকার পরও তোয়াক্কা করছেন না এ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা। সঠিক সময়ে খোলা হচ্ছে না স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়ায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এর ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি থাকতেও কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পাইভেট ক্লিনিক এর মার্কেটিং অফিসারদের নিয়মিত আনাগোনা আছে হাসপাতালটিতে। এতে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে ইউনিয়নের সেবা নিতে আসা দরিদ্র রোগীরা। এখানে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে তাদের কথা মত দৌরাচ্ছে পাইভেট ক্লিনিক গুলোতে এতে যেমন আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমন কাঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা মোছাঃ খাদিজা খাতুন বলেন, এই চড়ার মধ্যে আমি কি ভাবে থাকবো। আমি ভুতের ভয় খাই। আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে তাই আমি এখানে থাকি না। আপনি আপনার বাচ্চার চিন্তা করছেন অথচ সরকার আপনাকে যে অসংখ্য মায়ের অনাগত বাচ্চারা স্বাভাবিক সুস্থ্য ভাবে যেন পৃথীবিতে আসতে পারে সে ব্যপারে সহযোগীতা করার জন্যই সরকার আপনাকে মাসিক বেতনসহ নানাবিধ সুবিধা দিয়ে এখানে থাকার ব্যবস্থা করেছেন আর এই জায়গাকে আপনি কেন চড়া বলছেন আশেপাশে তো অনেক বাড়ী ঘর আছে প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দেননি।

কিন্তু খাদিজা খাতুনের বিষয়ে এলাকাবাসীর মুখে শোনা যায় ভিন্ন কথা সেখানে থেকে সেবা দেওয়া তো দূরের কথা তিনি তাহার মনমর্জি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে আসেন এবং তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি ত্যাগ করেনও তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী। এ যেন তাহার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান।

অপরদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির সভাপতি ও নরিনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুল হক (মন্ত্রী)‘র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমাকে কোন বিষয়ে কিছু জানানো হয় না, এমনকি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির বরাব্দকৃত ঔষধ খোলার সময় আমাকে অবগত করার নিয়ম থাকলেও তা আমাকে আজ অব্দি কোন দিন জানানো হয়নি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির ফার্মাসিস্ট রুহুল আমিন এর কাছে এ ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, এমন কোন নিয়ম নাই। তাই আমি কাওকে অবগত করি না।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ছাইফুল ইসলাম এর কাছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির এমন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেটির বরাব্দকৃত ঔষধ খোলার সময় অবশ্যই জনপ্রতিনিধিকে অবগত করতে হবে এবং ৭দিন ২৪ ঘন্টাই যেন প্রসব সেবা ইউনিয়ন বাসী পায় তার জন্য অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শাহজাদপুরে দুইজনের মৃত্যু


সিরাজগঞ্জ জেলায় পৃথক বজ্রপাতে ৫জন নিহত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর,উল্লাপাড়া ও বেলকুচি উপজেলায় রবিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পৃথক বজ্রপাতে ৫ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন,শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চর আঙ্গারু গ্রামের আমানত মোল্লার ছেলে মো: আব্দুল্লাহ ওরফে জুয়েল রানা (২৬), নরিনা ইউনিয়নের বাতিয়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন ভোলার ছেলে আলহাজ আলী বাবুর্চি (৬০), উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের আগদিঘল গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে ফরিদুল ইসলাম (১৬), সলঙ্গা ইউনিয়নের আঙ্গারু গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৫) ও বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চর সমেষপুর গ্রামের লাইলি বেগম(৪৫)।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল কালাম জানান, এ দিন বিকেলে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটার সময় জুয়েল রানা বজ্রপাতে নিহত হয়।

এ বিষয়ে নরিনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ও এলাকাবাসি আলতাফ হোসেন জানান, আলহাজ তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়ির পাশের মাঠে ধান শুকানোর কাজ করছিলেন। এ সময় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তারা দৌড়ে বাড়ির কাছে আসলে হঠাৎ বজ্রপাতে আলহাজ বাবুর্চি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল প্রামানিক জানান, আগদিঘল গ্রামের মাঠে ধান কাটার সময় নবম শ্রেণির ছাত্র ফরিদুল ইসলাম বজ্রপাতে নিহত হয়।

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন,উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের ধরইল বিলে হাঁস পালনের সময় রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক রাখাল বজ্রপাতে নিহত হয়। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের আঙ্গারু গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চর সমেষপুর গ্রামের লাইলি বেগম মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। এ সব ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শাহজাদপুরে প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ চত্ত্বরে দিনব্যাপী প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (০৫ জুন) শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর কার্যালয়ে আয়োজিত প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আজাদ রহমান। এসময় সম্মানীত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আখতারুজ্জামান ভূঁইয়া।

এসময় অতিথিরা পায়ড়া উড়িয়ে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ এর শুভ উদ্বোধন করেন।

শাহজাদপুরের সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ হোসেন সভাপতিত্বে উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্পসারন কর্মকর্তা ডাঃ সোনালী খাতুন এর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ লিয়াকত, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এলিজা খান, শাহজাদপুর পৌর আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু, উপজেলা আঃলীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম ব্যাপারী, বাংলাদেশ মিল্ক ভিটার পরিচালক ও প্রাণী সম্পদ ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সামাদ ফকির, উপজেলা ভেটেনারী সার্জন ডাঃ মীর কাওসার হোসেন প্রমূখ।

স্বাগত বক্তব্যে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, আজকের এই প্রদর্শনী লাইভষ্টক এন্ড ডেইরি ডেভলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সারা বাংলাদেশে একযোগে আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গবাদি পশুর রাজধানী খ্যাত শাহজাদপুরেও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হলো, খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, সাধারণ মানুষকে নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। তেমনিভাবে মানুষকে বিভিন্ন ধরনের পশু পাখির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। সেই সাথে গবাদি পশুর উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। গবাদী পশু কৃষকদের প্রধান সম্পদ, তারা এই পশু গুলোকে সন্তানের মতো লালন পালন করেন। শাহজাদপুরকে গবাদি পশুর রাজধানী বলা হয়। সারা দেশের ন্যায় শাহজাদপুরেও প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী চলছে এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরেও উদ্বোধন করা হলো। আমি সরকারের এই উদ্দোগকে সাধুবাদ জানাই।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে আয়োজনে এবং প্রাণীসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খামারী তাদের গবাদি পশু নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন। এই প্রদর্শনীতে ৪০টি ষ্টল ছিল। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ট খামারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কাজিপুরে মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুন) বেলা বারোটায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী মরহুম মোহাম্মদ নাসিম পুত্র ও সিরাজগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়।

এসময় তিনি বলেন, “কাজিপুরের প্রিয় মানুষ ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। তিনি চলে যাওয়াতে এই জায়গাটা আর কোন দিন পূর্ণ হবে না। কাজিপুরের সৌভাগ্য যে মনসুর আলী ও মোহাম্মদ নাসিমের মত নেতা পেয়েছিল। উন্নয়ন হবে সবই হবে কিন্তু মোহাম্মদ নাসিমকে পাবো না।”

তিনি আরো বলেন, আমি যখনই কাজিপুরে আসি তখনই কোন না কোন মুরুব্বীর সাথে দেখা হলে আমার বাবার কথা বলে তারা অঝরে চোখের জল ফেলেন।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম আরিফুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান দ্বীন মোহাম্মদ বাবলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাপলা খাতুন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শওকত হোসেন, পৌর মেয়র আব্দুল হান্নান তালুকদার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.মোমেনা পারভীন পারুল, চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান নান্নু, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম প্রমূখ।

এসময় উপজেলা আ.লীগ ও তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্যাট নিবন্ধন নিল গুগল–আমাজন, ফেসবুক–নেটফ্লিক্সও নেবে

বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট গুগল ও আমাজন এখন বাংলাদেশের নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান। এই দুটি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নিয়েছে, যা ভ্যাট নিবন্ধন হিসেবে পরিচিত। ২৩ মে গুগল এবং ২৭ মে আমাজন এই ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে। এখন থেকে এ দুটি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করবে।

অবশ্য এত দিনও প্রতিষ্ঠান দুটি ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করত। বাংলাদেশ থেকে যে ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের টাকা পরিশোধ হতো, সেই ব্যাংকই ভ্যাট কেটে রেখে সরকারি কোষাগারে জমা দিত।

শুধু গুগল, আমাজন নয়; শিগগিরই ফেসবুক ও নেটফ্লেক্স ভ্যাট নিবন্ধন নিতে যাচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড নামে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। ব্যবসার ধরন হিসেবে বলা হয়েছে সেবা। আর সিঙ্গাপুরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে আমাজন নিবন্ধিত হয়েছে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন নামে। এই প্রতিষ্ঠান সেবাধর্মী ব্যবসা করবে বলে জানিয়েছে। আমাজন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ঠিকানা ব্যবহার করেছে।

অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হলেও এ দেশে তাদের পক্ষে ভ্যাট পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটি গুগল ও আমাজনের পক্ষে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল তৈরিসহ ভ্যাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ রক্ষায় সহায়তা করবে।


ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ দেশে ব্যবসা করছে গুগল ও আমাজন। এখন তাঁরা পুরোপুরি ভ্যাট আইনের আওতায় এল। অন্য ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানের মতো ওই প্রতিষ্ঠান দুটি রিটার্ন দাখিল করবে। আবার ভ্যাটের আইনি সুরক্ষাও পাবেন।

জানা গেছে, ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার আবেদনপত্রে গুগল ও আমাজনের ব্যাংক হিসাব, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের তথ্য জানিয়েছে।

প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশের ম্যানেজিং পার্টনার মামুন রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এনবিআর বিশেষ করে পূর্বের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান চেয়ারম্যান, মেম্বার ভ্যাট ও তার সহকর্মীদের ধন্যবাদ। তারা প্রায় ১৮ মাস প্রচুর কাজ করেছেন এসব বৈশ্বিক কোম্পানির নিয়ম মেনে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ আইসিটিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকেও এ ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য। সঠিকভাবে ভ্যাট প্রদানের জন্য ছোটখাটো কিছু সমস্যা এখনো রয়ে গেছে। আমরা আশাবাদী আস্তে আস্তে এনবিআর এগুলো দূর করার ক্ষেত্রেও সমধিক তৎপর হবেন।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকও ভ্যাট নিবন্ধন নিতে যাচ্ছে। নেটফ্লিক্সের ভ্যাট নিবন্ধনের আলোচনা প্রক্রিয়াও অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আবেদন করা হলে আগামী এক মাসের মধ্যে এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হতে পারে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস বাংলাদেশ। এ ছাড়া ভারতের ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই-কে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনতে আলোচনা চলছে।

গুগল, আমাজন, ফেসবুকসহ অনাবাসী প্রতিষ্ঠানগুলো (যাদের এ দেশে স্থায়ী কার্যালয় নেই) এ দেশে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নিজেদের নানা ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। এসব সেবা নিয়ে গ্রাহকেরা ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনো উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে থাকেন। তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে রাখেন। ভ্যাট কেটে না রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানোর অনুমতি দেয় না। বাংলাদেশে সেবা গ্রহণ করা হলেও অনেক সময় বিদেশ থেকেও এসব অনাবাসী প্রতিষ্ঠানের অর্থ পরিশোধ করা হয়, যা ভ্যাট কর্তৃপক্ষের পক্ষে চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না।

সূত্রঃ প্রথম আলো

ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাহজাদপুর শাখার ৬ বছরে পদার্পনে বর্ণাঢ্য আয়োজন

৬ বছরে পদার্পন উপলক্ষে শনিবার (২৯ মে) দুপুরে ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাহজাদপুর শাখা কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয়। পরে পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর বাজারে শোভাযাত্রা বের হয়।

সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মনিরুল গণি চৌধুরী শুভ্র এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং শাহজাদপুর শাখার স্বত্বাধিকারী রাব্বি ট্রেডার্সের ফজলে রাব্বি সেতু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং-এর এরিয়া ম্যানেজার মাসুদ রানা ও সিনিয়র সেলস ম্যানেজার মোঃ মিজানুর রহমান ।

বক্তারা এজেন্ট ব্যাংকিং এর আধুনিক ব্যাংকিং সেবার নানা দিকগুলো তুলে ধরে এ শাখার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

আলোচনা শেষে অতিথিবৃন্দ কেক কাটেন। পরে সেখানে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মোঃ আলমাস হোসেন।

উক্ত আলোচনা সভা, কেক কাটা অনুষ্ঠান ও শোভাযাত্রায় ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, গ্রাহকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

রান্না করা খাবারও যাতে পাঠানো যায় সেজন্য ডাকবিভাগকে যা করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

রান্না করা খাবারও যাতে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠানো যায় সেজন্য ডাকবিভাগকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ডাক অধিদফতরের নবনির্মিত সদর দফতর ‘ডাক ভবন’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই পরামর্শ দেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা কুলিং সিস্টেম রাখতে হবে। গাড়ির সঙ্গে সঙ্গে ডাকঘরগুলোতে চেম্বারও করতে হবে, যাতে পণ্য ভালো রাখা যায়। রান্না করা খাবারও যেন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পাঠানো যায়। এজন্য কুলিং ও ফ্রিজিং সিস্টেম করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন বেশিরভাগ অনলাইন ব্যবসা চলছে ও ক্রয়-বিক্রয় চলছে। ডাক বিভাগকে পিছিয়ে থাকলে চলবে না। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ডাক বিভাগকে আরও বেশি সেবামুখী হতে হবে। খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ফলমূল যেন ডাকের মাধ্যমে পাঠানো যায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ডাকের সেবাটাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অনলাইনে বাজার করাসহ যাবতীয় সেবা পাওয়া যায়। ডাক বিভাগ থেকেও যেন এসব আধুনিক সেবা দেওয়া যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা করতে হবে যাতে, ফলমূল সবজি ও খাবার ওই গাড়িতে ভালো থাকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তো ছোট ছোট পোর্টেবল বক্স পাওয়া যায়। যেহেতেু অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় জনপ্রিয় হয়েছে, এতে ডাক বিভাগ পিছিয়ে থাকলে হবে না, ডাক বিভাগের এ ব্যাপারে আরও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যবসা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, লেটারবক্স অনেকে ভুলে গেছে। এখন সবাই এসএমএস ও মেইল দেয়। কিন্তু দৃষ্টিনন্দন এই লেটারবক্স সদৃশ ভবন দেখলে চিঠি পাঠানোর কথা মনে পড়বে। ভবনে চিঠিপত্র ঝুলছে, চিঠি যাচ্ছে আসছে, এমন কিছু চিত্র যোগ করারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আগে ডিজিটাল সেন্টার থেকে যেসব সুবিধা পেত, ডাকঘরগুলোতেও একই সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ডাকঘর সেবার মানুষের দোরগোড়ায় আরও পৌঁছে দিতে ১১৮টি মেইল গাড়ি সংযুক্ত করেছি। গাড়ি চালানোর জন্য নারীদেরও তৈরি করছি।