নতুন ফোরজি পকেট রাউটার আনল গ্রামীণফোন

করোনাভাইরাস মহামারীকালে বাসায় বসে বা অফিসের বাইরে থেকে যাদের কাজ করতে হচ্ছে, তাদের সুবিধার জন্য গ্রামীণফোন বাজারে এনেছে চীনা কোম্পানি জেডটিইর তৈরি ফোরজি পকেট রাউটার।

গ্রামীণফোন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এমএফ৯২৭ইউ মডেলের এই পোর্টেবল রাউটারে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট ডেটা ডাউনলিঙ্ক, ৫০ মেগাবিট আপলিঙ্ক করা যাবে। একসঙ্গে দশজন ব্যবহারকারী ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে উচ্চগতির মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
২০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার/ঘণ্টা ক্ষমতার ব্যাটারি থাকায় এ রাউটারে টানা ৮ ঘণ্টা কাজ করা যাবে বিদ্যুৎ সংযোগে যুক্ত না থেকেও। এ রাউটারে থাকছে দুই বছরের ওয়ারেন্টি, দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) মোহাম্মদ সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, একই সাথে ডিজিটাল মাধ্যমে আমাদের অনেক বেশি সক্রিয় করেছে।

“এ ডিভাইসের মাধ্যমে একেবারে প্রত্যন্ত জায়গা থেকেও একাধিক গ্রাহক একইসাথে আমাদের বিস্তৃত ফোরজি এলটিই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের দিকে যাত্রায় এ ডিভাইস আমাদের সহায়তা করবে।”’

৭৮x৭৮x১৪.৫ মিলিমিটার মাপের এই ফোরজি রাউটার সহজেই বহনযোগ্য এবং যে কোনো জায়গায় ব্যবহারযোগ্য বলে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অনলাইন ক্লাসের প্রশিক্ষণ দিবে নেটিজেন আইটি লিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল ১৪ জুলাই সকাল ১১.০০টায় সিরাজগঞ্জ জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আইসিটি শিক্ষকদের নিয়ে অনলাইন প্লাটফর্মে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটির কারিগরি সহযোগিতা করেন নেটিজেন আইটি লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ। মতবিনিময় সভায় সভাপতি হিসেবে যুক্ত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফি উল্লাহ এবং অনুষ্ঠানটির আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিলেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এলিজা সুলতানা।

উক্ত সভায় নেটিজেন আইটি লিমিটেড এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস, অনলাইন এক্সাম ও অনলাইনে ফিস পেমেন্ট সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্ত এই করোনাকালীন দিনে চুক্তিবদ্ধ ছাড়াই বিনামূল্যে স্কুল কলেজের শিক্ষকদের অনলাইন ক্লাস নেওয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস, অনলাইন এক্সাম ও অনলাইনে ফিস পেমেন্ট এর বিষয়ে স্ক্রিন শেয়ারিং এর মাধ্যমে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন করা হয়।

অনলাইন মতবিনিময় সভায় জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল্লাহ ও সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এলিজা সুলতানা মতবিনিময় সভায় নেটিজেন আইটি লিমিটেড এর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নেটিজেন আইটি লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ।

তথ্যপ্রযুক্তি ফাইভ-জি প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করার প্রস্তুতি সম্পন্ন

ঢাকা: ২০২১ সালে ফাইভ-জি প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ সোস্যাইট ফর হিউম্যান রিসোর্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল জব ফেস্টিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০২১ সালে ফাইভ-জি প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। মার্চে করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার সময় চ্যালেঞ্জ ছিল আমরা সারা দেশে মানুষকে নেটওয়ার্ক দিতে পারবো কিনা। আমরা পৃথিবীর সমানতালে ডিজিটাল যাত্রা চালিয়ে যেতে পেরেছি। বিশ্বের শ্রেষ্ঠটি আমরা দিতে পারিনি সত্য, কিন্তু জীবন যাত্রা চালিয়ে নিতে পেরেছি।

দেশের মোবাইল অপারেটরসমূহকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ৪জি সংযোগ সম্পন্ন করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পাঠ গ্রহণ করছেন।

করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শতগুণ বেড়ে যাবে বলে সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের আগের সময়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। প্রতিটি দুর্যোগে সুযোগও সৃষ্টি হয়। আমাদের সামনে প্রযুক্তির অসীম সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে। বাংলাদেশ এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯১-৯৬ সালে তো কাজ করেছেনই, এখন গত ২০০৯ সাল থেকে কাজ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা মোবাইল উৎপাদন করছি, কম্পিউটার উৎপাদন করছি এবং বিশ্বের ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করছি। নাইজেরিয়া ও নেপালসহ বিশ্বের অনেক দেশ মেড ইন বাংলাদেশ কম্পিউটার আমদানি করছে। যুক্তরাষ্ট্রে মোবাইল রপ্তানি হচ্ছে।

গত একযুগের বাংলাদেশ এক অভাবনীয় বাংলাদেশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের তিন হাজার ৮০০ ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৭৭৭টি দুর্গম অঞ্চলের সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে। দুর্গম চরাঞ্চল ও দ্বীপে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, কায়িক শ্রমের সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সংযোগ ঘটিয়ে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করাটা ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য অপরিহার্য। সেটি না পারলে দেশে এবং দেশের বাইরে কায়িক শ্রমে নিযুক্ত মানুষগুলোর অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকা খুবই কঠিন হবে।

দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির ঘাটতি পূরণে তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার পাশাপাশি উপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির জন্য উচ্চ শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

দেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বেগবান করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ট্রেডবডিসমূহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ট্রেডবডিসমূহের প্রত্যেকেই ডিজিটাল প্রযুক্তির অগ্রণী সৈনিক।

অনুষ্ঠানে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, বিসিএস সভাপতি শহিদুল মনির, বাক্কো সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ, সেক্রেটারি তৌফিক আহমেদ ও ড্যাফোডিল পরিবারের স্কিল জব বিষয়ক প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বক্তব্য দেন।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা উত্তরে ‘স্মার্ট ল্যাম্প পোল’ চালু করলো ইডটকো

ঢাকা: দেশের প্রথম ‘স্ট্রিট ফার্নিচার’ স্থাপন করলো সমন্বিত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সেবা কোম্পানি ‘ইডটকো বাংলাদেশ’।

স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্প্রতি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় দেশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক এই ‘স্মার্ট সিটি ফিচার’ চালু করা হলো।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সোমবার (১৩ জুলাই) ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রিকি স্টেইন এ সময় যুক্ত ছিলেন।

এছাড়াও মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহতাব উদ্দিন আহমদ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ফাইবার অ্যাট হোম, সেবা (আইএসপি) ও অন্যান্য টেলিকম অপারেটরদের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

টেলিযোগাযোগ খাত সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে দেশের নাগরিকদের নির্বিঘ্ন নেটওয়ার্ক সংযোগ ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বহুমুখী ‘স্মার্ট ল্যাম্প পোল’ স্থাপনের এটিই প্রথম সম্মিলিত প্রয়াস।

সমন্বিত এই সল্যুশনটি বিনামূল্যে ওয়াইফাই পরিষেবা, নিরাপত্তা নজরদারি (ঐচ্ছিক), আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্মার্ট বিন, রিয়েল টাইম এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং দেওয়া ছাড়াও কমিউনিটি মেসেজ দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘ডিজিটাল সাইনেজ’ হিসাবে কাজ করবে, যা মূলত আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকাকে ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রথমবারের মতো এ ধরনের স্মার্ট সিটি সল্যুশন গড়ে তোলার মাধ্যমে সামাজিক এবং বেসামরিক সেবার ক্ষেত্রে নগরবাসীকে একটি নতুন এবং উন্নত প্ল্যাটফর্ম দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

মেয়র বলেন, পরীক্ষামূলক এই উদ্যোগটি সফল হলে ২০২১ সালের মধ্যে ঢাকা উত্তরজুড়ে আরও প্রায় ২০০-২৫০টি জায়গায় আমরা এ ধরনের স্মার্ট সল্যুশন স্থাপন করবো। চমৎকার নেটওয়ার্ক সংযোগ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সুবিধার সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করায় এই উদ্যোগটির লক্ষ্য। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ক্ষেত্রে আমাদের এই উদ্যোগটি একটি আদর্শ উদাহরণ বলে আমি বিশ্বাস করি। এর ফলে টাওয়ার কোম্পানিটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের খালি বা অব্যবহৃত জায়গাতে টাওয়ার স্থাপন করে সেটি মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে এবং এর বিনিময়ে তারা নগরবাসীর জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই, আলো, এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট, সচেতনতামূলক বার্তা, স্মার্ট বিন-ইত্যাদি নানান সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রিকি স্টেইন বলেন, সিটি কর্পোরেশনের সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তাবায়ন প্রক্রিয়ায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরে আমরা গর্বিত। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে ইডটকো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর লক্ষ্য পূরণে আগামীতেও আমরা দেশবাসীর পাশে থাকতে চাই। সবার জন্য নির্বিঘ্ন, স্থিতিশীল এবং দ্রুততর সংযোগ নিশ্চিতকরণের দিকে মনোনিবেশের পাশাপাশি স্মার্ট সিটি সল্যুশনের মতো পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৫-জির জন্য পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত করে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশে এখন নিজস্ব মালিকানায় ১০ হাজারেরও বেশি টেলিকম টাওয়ার পরিচালনা করছে ইডটকো বাংলাদেশ। টেকসই ও শেয়ারযোগ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিক বিনিয়োগের পাশাপাশি উদ্ভাবন প্রচেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে কোম্পানিটি।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

 

টিকটক-সহ চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটছে আমেরিকা?

ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে টিকটক-সহ ৫৯ টি চিনা অ্যাপ। এবার সেই পথে হেঁটে টিকটক ব্যান করার কথা ভাবছে তাদের মিত্র দেশ আমেরিকা। জল্পনাকে উসকে দিয়ে মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেও গত সোমবার জানিয়েছেন, আমেরিকাও টিকটক-সহ চিনা অ্যাপ ব্যান করার কথা ভাবছে।

পম্পেও এ-ও জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভাবে বিষয়টি দেখছে।

তথ্য নিরাপত্তার স্বার্থে গত ৩০ জুন টিকটক-সহ ৫৯ টি অ্যাপকে নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। একদিনের মধ্যে প্লে স্টোর থেকে সরে যায় অ্যাপগুলি। ভারতের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছিল আমেরিকা।

তাহলে কি আমেরিকাও এবার এই পথে? সে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তারই মধ্যে টিকটক সংস্থা হংকংয়ে নিজেদের বাজার বন্ধ করেছে। চিনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন এনে হংকংয়ের স্বায়ত্ত শাসনের কোমর ভেঙে দিয়েছে জিনপিং প্রশাসন। নতুন আইন এনে সেন্সর করার পাশাপাশি গ্রাহক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ চিনা সরকারের বিরুদ্ধে। তাই হংকংয়ে ঝাঁপ টেনেছে টিকটক।

অন্যদিকে ব্রিটেনে হাওয়েই কোম্পানিকে দেওয়া ৪জি পরিষেবার চুক্তি ভাঙার পথে এগিয়েছেন বরিস জনসন। সব মিলিয়ে চাপ বাড়ছে জিনপিংয়ের উপর। সারা বিশ্বে কোণঠাসা হচ্ছে বেজিং।

 

সামাজিক মাধ্যম ও ওটিটি প্লাটফর্ম করের আওতায় আসছে

বিদেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওটিটি প্লাটফর্মে কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন প্রচারসহ সামগ্রিক বিষয়টি যুগোপযোগী ও করের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।আজ রোববার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো. নূর-উর-রহমান, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক প্রমুখ অংশ নেন।

এছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাহানারা পারভীন এবং মিজান-উল-আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মাসুদ সাদিক, বিটিআরসি’র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সিনিয়র সিস্টেমস এনালিস্ট মসিউজ্জামান খান সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্লাটফর্ম বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও-ভিডিওসহ নানা কন্টেন্ট প্রচার বর্তমান যুগের একটি ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা। সমগ্র পৃথিবীতে এ ধরনের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বিনোদন থেকে শুরু করে নানা কন্টেন্ট সেখানে স্ট্রিমিং করা হচ্ছে, আমাদের দেশেও হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখতে পেয়েছি, এ নিয়ে নানা বিতর্ক হয়েছে, সেন্সরবিহীন কন্টেন্ট প্রদর্শিত হয়েছে এবং এক্ষেত্রে সরকার ঠিকভাবে ট্যাক্স পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ওটিটি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের কাছে চলে যাচ্ছে। ফলে এসব মাধ্যম ব্যবহার করে সমাজ বিনির্মাণের যেমন সুযোগ আছে, সমাজকে অস্থিতিশীল করারও সুযোগ থাকে। আমরা সময়ে সময়ে দেখতে পাচ্ছি এ সব মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব রটানো, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। একইসাথে যুবা ও কিশোরদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও তৈরি হয়েছে। এটি একটি বাস্তবতা। এই মাধ্যমগুলো আমাদেরকে ব্যবহার করতে হবে ঠিকভাবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওটিটি প্লাটফর্ম একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র এবং এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসার সুযোগ রয়েছে, যা অবশ্যই করযোগ্য। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য প্লাটফর্ম যেমন নেটফ্লিক্স, ইউটিউব প্রভৃতির কাছে দেশের অনেক অর্থ চলে যাচ্ছে, কিন্তু সেখান থেকে সরকার যেভাবে ট্যাক্স পাওয়ার কথা তা পাচ্ছে না।

সভায় ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ওটিটি প্লাটফর্ম পরিচালকদের দায়িত্ববোধ প্রত্যাশা করি। আমাদের দেশের আইন ও সংস্কৃতিকে সম্মান দিয়েই তাদেরকে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওটিটি প্লাটফর্মে কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন প্রচারসহ সামগ্রিক বিষয়টিকে যুগোপযোগী নিয়ম-নীতি ও করের আওতায় আনার লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার)-কে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়, যার অপর চার সদস্য হিসেবে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বিটিআরসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন করে প্রতিনিধি ও একজন আইন বিশেষজ্ঞ।

বিভিন্ন স্টার্টআপ ও তরুণ উদ্ভাবকদের


সিরাজগঞ্জ জেলা ডিজিটাল মেলা’২০২০ এ ১ম হয়েছে শাহজাদপুরের ৭ম শ্রেণির ছাত্রের তৈরী সার্চ ইঞ্জিন

জেলা প্রশাসন, সিরাজগঞ্জ কর্তৃক আয়োজিত ডিজিটাল মেলা’২০২০ এ বিভিন্ন স্টার্টআপ ও তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্যোগ ক্যাটাগরিতে শাহজাদপুরের ৭ম শ্রেণির ছাত্র আবির আবেদীন খানের তৈরী সার্চ ইঞ্জিন প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

আবির আবেদীন খান শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। আবির জানায়, বাবার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে তার কম্পিউটারে হাতে খড়ি। অনেক দিন হলো সে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করছে। এক সময় তার গুগল এর মতো একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরীর আগ্রহ হয়। সে জানায়, “ধীরে ধীরে এবিষয়ে জ্ঞান অর্জন করি এবং এক পর্যায়ে সফল হই।” এবছরের জানুয়ারী মাসেই সে সার্চ ইঞ্জিনটি অনলাইনে আপলোড করে। http://searchbd2020.blogspot.com এই লিংকে গিয়ে সার্চ ইঞ্জিনটি ব্যবহার করা যাবে।

গত ২৭ থেকে ২৯শে জুন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে প্রথমবারের মতো অনলাইন প্লাটফর্মে ডিজিটাল মেলা’২০২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৭টি প্যাভিলিয়নে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের ফলাফল ২ জুলাই,২০২০ সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন স্টার্টআপ ও তরুণ উদ্ভাবকদের উদ্যোগ ক্যাটাগরিতে বিজ্ঞ বিচারকগণের বিচারে আবির আবেদীন খান এর তৈরী সার্চ ইঞ্জিনটি প্রথম স্থান অধিকার করে। আবির জানায়, ”আমার প্রজেক্টটি ১ম স্থান অধিকার করায় আমি অনেক খুশী। ভবিষ্যতে এটি নিয়ে আমি আরও কাজ করতে চাই।”

ইন্টেল নয়, নিজেদের তৈরি প্রসেসরেই ম্যাক আনবে অ্যাপল

এবার ম্যাক ল্যাপটপ ও ডেক্সটপ কম্পিউটারে নিজস্ব প্রসেসর ব্যবহার করবে মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এ জন্য ইন্টেল প্রসেসরের পরিবর্তে অ্যাপলের এআরএম ভিত্তিক সিলিকন চিপ ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।সম্প্রতি অ্যাপলের বার্ষিক ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপার কনফারেন্স (ডাব্লুডাব্লুডিসি) অনলাইন ইভেন্টে অ্যাপল নতুন আইওএস অপারেটিং সিস্টেম ১৪, আইপ্যাড ওএস, ওয়াচ ওএস-এর নতুন সংস্করণসহ বিভিন্ন ফিচার এবং আপডেটগুলো সম্পর্কে জানান দেয়।

এ বিষয়ে অ্যাপল প্রধান টিম কুক জানান, আগামী বছরের মধ্যেই অ্যাপল নিজস্ব চিপসহ ম্যাক ল্যাপটপ ও ডেক্সটপ বাজারে ছাড়বে। আর আগামী দুই বছরের মধ্যে সব নতুন ম্যাকগুলোতে ব্যবহৃত হবে।

তাদের তৈরি প্রসেসর জিপিইউয়ের সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স, দ্রুত গতির ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এবং ব্যাটারির শক্তিও কম খরচ হবে। এছাড়া হাই কোয়ালিটির অ্যাপ ও ভিডিও গেইমস তৈরিতে খুবই স্মুথলি রান করবে ম্যাক।

এ দিকে, আইওএস ১৪ আপডেটে যে নতুন ফিচার, উইজেট, হোম স্ক্রিনে যেসব পরিবর্তন এসেছে তার সবগুলোই ম্যাকওএসে আরও বিশাল আকারে পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে।

করোনা গবেষণায় আসছে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার

বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারকে করোনা গবেষণায় ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। জাপানের হাই পারফরম্যান্স যুক্ত সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’কে কাজে লাগিয়ে করোনার জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণ করা হবে।বিশ্বের দ্রুততম ‘ফুগাকু’ সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে জাপানি টেক জায়ান্ট ফুজিৎসু ও রিকেন। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই দুই টেকনোলজি ফার্মের তৈরি সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর মধ্যে রয়েছে দেড় লক্ষ হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসিং ইউনিট। বলা হচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামিট’ সিস্টেমের চেয়েও দ্রুতগতির ও উন্নত এই কম্পিউটার।

অন্যদিকে, বিশ্বের সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমের মধ্যে দু’নম্বরে রয়েছে সামিট সিস্টেম। এই ‘সামিট’ সিস্টেমটি তৈরি করেছে মার্কিন ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি।

রিকেন টেকের ডিরেক্টর সাতোশি মাৎসউকা বলেন, ‘মার্কিন সুপার কম্পিউটার সামিট সিস্টেমের থেকেও ২.৮ গুণ বেশি স্পিডে কাজ করতে পারে ‘ফুগাকু’। বিশ্বের আধুনিক সুপার কম্পিউটার যেমন এইচপিসিজি, এইচপিএল-এআই ও গ্রাফ ৫০০-র থেকেও এগিয়ে রয়েছে ফুগাকু। সিঙ্গল সিস্টেম সুপার কম্পিউটার ইতিহাসে এটিই প্রথম।’

জানা যায়, ৬ বছর ধরে এ সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ফুজিৎসু টেক গ্রুপ। তাদের আশা আগামী বছরেই এই সুপার কম্পিউটার কাজ শুরু করে দেবে। তবে করোনা গবেষণার কাজে এই প্রথম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হবে।

ভাইরাসের জিনের গঠনের বদল বা জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজে সাহায্য করবে এই কম্পিউটার। এমনকি, জনবহুল জায়গায় ভাইরাসের ড্রপলেট কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তার ডেটাও অ্যানালিসিস করবে বিশ্বের দ্রুততম এই কম্পিউটারটি।

ইন্টারনেটে আয় করবেন যেভাবে

সারা বিশ্ব জুড়ে চলছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রভাব। আর মরণব্যাধী এই ভাইরাসের কারণে প্রথাগত অফিস ও কাজের ধারণায় এসেছে অনেক পরিবর্তন। অনেকেই মনে করছেন এতে করে ইন্টারনেট জগতে কাজের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে। ফলে সামনের দিনগুলোতে দাপ্তরিক কাজের বেশ বড় একটি অংশ চলে আসবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। তাই চলুন জেনে নেই ইন্টারনেট জগতের আয় সম্পর্কে। জেনে নেই কিভাবে, আপনার কোন কোন দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন সেসব বিষয়ে।

ওয়েব ডিজাইন

এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিপ্রেমী নন। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।

কনটেন্ট রাইটিং

যাঁরা লেখালেখিতে ভালো তাদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

অনলাইন টিউটর

অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়।

ওয়েবসাইট তৈরি

নিজের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য অনলাইনেই অনেক উপাদান পাওয়া যায়। এর মধ্যে ডোমেইন নির্বাচন, টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট তৈরির নকশা প্রভৃতি। ওয়েবসাইটের কনটেন্ট সেবা দেওয়া শেষ হলে গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন যখন সাইটে দেখানো শুরু হবে এবং তাতে ক্লিক পড়বে। তখন আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। ওয়েবসাইট চালু হলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন লিংক যুক্ত করা যাবে। সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেন। তখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে।

গ্রাফিকস ডিজাইন

অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন বেশ ভালো একটা উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়। একটি ভালো নকশা থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। এ ধরনের ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়।

ভার্চ্যুয়াল সহকারী

এখন ভার্চ্যুয়াল সহকারীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। ঘণ্টাপ্রতি আয়ও বেশি। বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এখন। ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেই চালানো যায়। বিভিন্ন দক্ষতার ভিত্তিতে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফোন কল, ই-মেইল যোগাযোগ, ইন্টারনাল রিসার্চ, ডেটা এন্ট্রি, এডিটিং, রাইটিং, ব্লগ, গ্রাফিকস, টেক সাপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার মতো কাজ থাকে।

এসব ছাড়াও ইউটিউবিংসহ ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে নিতে পারেন ইন্টারনেটের বিশাল জগৎ থেকে। সেইসাথে যারা ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন করছেন তাদের কাছ থেকে সহায়তা নিতে পারেন। কিংবা কোন কিছু বুঝতে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।