বাংলাদেশি হ্যাকারদের ভয়ে ফ্রান্সে সতর্কতা জারি

মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ফ্রান্সের বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বাংলাদেশি হ্যাকার কমিউনিটি ‘সাইবার ৭১’ সহ বিভিন্ন দেশের হ্যাকাররা। ক্রমাগত হ্যাকারদের আক্রমণে বিপর্যস্ত ফ্রান্সের বিভিন্ন ওয়েবসাইট। ফলে বাধ্য হয়ে দেশটিতে জরুরি সাইবার সিকিউরিটি অ্যালার্ট জারি করেছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টুইট করে এই জরুরি সতর্কতা জারি করে ফ্রান্সের সরকারি সাইবার ডিপার্টমেন্ট।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) মধ্যরাতের পর থেকে ফ্রান্সে সাইবার হামলার চালানো হয় বলে সাইবার ৭১ কমিউনিটির কয়েকজন সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

হামলার শিকার হওয়ার ওইসব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে দেখা গেছে সেগুলোতে প্রকৃত কনটেন্ট দেখা যাচ্ছে না। বরং হ্যাকারদের একটি বার্তা দেখাচ্ছে। তা হলো- মহানবী (সা.)কে নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তির প্রতিবাদে এই অপারেশন চালিয়েছে মুসলমান হ্যাকাররা। ফ্রান্সের সাইবার স্পেসে খুব বিপজ্জনক হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা চাওয়া হবে না, এই রকম হামলা চলতেই থাকবে।

ওয়েবসাইটগুলো হ্যাকের দাবি করা হয়েছে, ‘সাইবার ৭১’ এর ফেসবুক পেজেও।

সেখানে বলা হয়েছে, যে দেশে আমাদের রাসূল (সা.)কে নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়েছে সেই দেশের ওয়েবসাইটেই বাজছে এখন রাসূলের সম্মানে সংগীত। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সম্মিলিত সাইবার আক্রমণে ফ্রান্সের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কোম্পানির ওয়েবসাইটে সাইবার আক্রমণ পরিচালনা করেছে ‘সাইবার ৭১’ ফ্রান্স এই ন্যক্কারজনক কাজের জন্য ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত সম্মিলিত এই আক্রমণ চলতেই থাকবে। সবার আক্রমণই আমরা আপনাদের জন্য আপডেট করতে থাকব।

সাইবার ৭১ হ্যাকিং কমিউনিটির একজন সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত ৪০ থেকে ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ওয়েবসাইটে আক্রমণ চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, সব আমরা প্রকাশ করিনি এখনও। সর্বশেষ মোট ৮টি ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছি আমাদের অফিশিয়াল পেজে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)কে অবমাননা করার প্রতিবাদে এই সাইবার আক্রমণ করা হয়েছে। আমরা আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট টার্গেটে রেখেছি সেগুলোতেও হামলা করা হবে।

ডিস-ইন্টারনেট তিন ঘণ্টা বন্ধের সিদ্ধান্তে আতংক!

মাটির নিচ দিয়ে তার সম্প্রসারণের সুযোগ না দিয়েই ঝুলন্ত তার কাটায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ডিস ক্যাবল ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন। এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আতংক দেখা দিয়েছে সব মহলে।

তথ্যপ্রযুক্তি, ইকমার্সের মতো বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীসহ দুশ্চিন্তায় খোদ সরকারের দায়িত্বশীলরাও।

সম্প্রতি রাজধানী থেকে ডিস ক্যাবল ও ইন্টারনেট অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের ঝুলন্ত তার কাটা শুরু করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। মাটির নিচ দিয়ে তার সম্প্রসারণের সুযোগ করে না দিয়েই এমন তার কাটায় ক্ষুব্ধ ডিস ক্যাবল অপারেটরদের সংগঠন কোয়াব এবং ইন্টারনেট সংযোগ সেবা দেওয়া ব্যবসায়ীদের সংগঠন আইএসপিএবি। এভাবে তার কাটার প্রতিবাদে রোববার (১৮ অক্টোবর) শুরু করে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার প্রতিবাদী কর্মসূচির ঘোষণা দেয় সংগঠন দু’টি।

গেলো সোমবার (১২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন দু’টির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে আইএসপিএবি’র সভাপতি এম এ হাকিম বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না করেই এভাবে তার কাটায় ইতোমধ্যে আইএসপিএবি এবং কোয়াবের আনুমানিক ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় ৩৩টি টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক, এক লাখের বেশি চাকরিজীবী এবং এক হাজার আইএসপিএবি ও কোয়াব সদস্য চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।

সংগঠনগুলোর এমন হুংকারেও অনড় অবস্থানে আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। আইএসপিএবি, কোয়াব ও এনটিটিএন অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে মাটির নিচ দিয়ে তার সম্প্রসারণ না হওয়া পর্যন্ত তার না কাটার একপ্রকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। তবে তার অপসারণ এখনও অব্যাহত রেখেছে ডিএসসিসি।

এদিকে তার টানাটানির এমন বিশৃংখলার খেসারত চিন্তা করে আতংকিত হচ্ছেন ইন্টারনেট ও ক্যাবল সেবা গ্রহীতারাও। বাড়িতে থেকে ইন্টারনেটনির্ভর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা করছেন তারা।
রাজধানীর মিরপুর এলাকার গৃহিণী সামসুন নাহার বলেন, সমন্বয়হীনতার এই বেড়াজালে বলির পাঠা হচ্ছি আমরা। মেয়ের ক্লাস, পরীক্ষা সব হচ্ছে ইন্টারনেটে। এরজন্য ব্রডব্যান্ড সংযোগই ভরসা। মোবাইল ইন্টারনেট সহজলভ্য না আবার নেটওয়ার্কের গতিও স্থির থাকে না। আবার নাকি ডিস বন্ধ থাকবে। আমরা গ্রাহকেরা অর্থ খরচ করেও সেবা পাবো না। উল্টো ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

ভোক্তা ছাড়াও ব্যবসায়ী খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আতংক দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন বেসিসের পরিচালক দিদারুল আলম সানি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আমরা এগোচ্ছি, এমন সিদ্ধান্ত সেই পথে একটা বড় বাধা। তবে তাদের এমন ধর্মঘট ডাকার সিদ্ধান্তও যৌক্তিক। তার সম্প্রসারণের বিকল্প না করেই যদি তার কাটা হয় তাহলে তারাই বা কী করবে?

‘একটা সুপারশপের পজ (পয়েন্ট অব সেল) মেশিনও ইন্টারনেটে চলে। একদম তৃণমূল পর্যায়েও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ রাখছি যেন বিষয়টির একটা সুরাহা হয়। ’

ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে মনে বলে করছেন বিপিও প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাক্য’র সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে আমাদের প্রচুর ক্ষতি হবে। আমরা সার্ভিস দিতে না পারলে বিদেশি গ্রাহকেরা আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন। এটা তো আর সাবমেরিন ক্যাবলের সমস্যা না যে পুরো পৃথিবীজুড়ে হচ্ছে। বিদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে এই বার্তাই যাবে যে, এই দেশে সরকার আর ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েনে এমনটা হচ্ছে।

তবে শনিবারের (১৭ অক্টোবর) মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। আলোচনায় সমাধান না এলে প্রধানমন্ত্রী বরাবর সংগঠনের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বেসরকারিখাতের পাশাপাশি সরকারিখাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশংকা খোদ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর। বাংলানিউজকে মোস্তাফা জব্বার বলেন, কিছুক্ষণ আগেও আইএসপিএবির সঙ্গে আমি এমন সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য কথা বলছিলাম। কিন্তু তারা জানালো দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গতকালও তাদের তার কেটেছে। এমন অবস্থায় তাদের পিঠ তো দেয়ালে ঠেকে গেছে। উত্তর আলোচনা করে একটা অবস্থায় এসেছে। কিন্তু দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তাদের কথাও শোনে না। তাহলে এই ব্যবসায়ীরা আর কী করবে? আমরা সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা নিয়েও চিন্তিত আছি। ই-নথির মাধ্যমে ফাইল চালাচালি হয়। তাহলে সেখানেও তো সমস্যা হবে। ডিস সংযোগ বন্ধ থাকলে এতগুলো গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, আমি শেষ পর্যন্ত সবার সঙ্গে কথা বলে যাবো। কোয়াব, আইএসপিএবিকে বলবো সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে আর কী কর্মসূচি নেওয়া যায়। বাকিটা দেখা যাক।

দেশে প্রথমবারের মতো ২ প্রিমিয়াম ল্যাপটপ আনলো হুয়াওয়

বৈশ্বিক বাজারে দারুণ সাফল্যের পর বাংলাদেশের বাজারে প্রথমবারের মতো প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির দুইটি ল্যাপটপ আনার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

শনিবার (৮ আগস্ট) এক অনলাইন ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ ও মেটবুক ডি ১৫ বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে আসার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ দিন থেকে মেটবুক ১৩ ও মেটবুক ডি ১৫ এর প্রি-বুকিং শুরু হয়ে চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত।

হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ এর প্রি-বুকিংয়ে উপহার হিসেবে থাকবে হুয়াওয়ে ফ্রিলেস ও ব্যাকপ্যাক এবং হুয়াওয়ে মেটবুক ডি ১৫ এর প্রি-বুকিংয়ে উপহার হিসেবে মিলবে হুয়াওয়ে ফ্রিলেস ও মিনি স্পিকার।

বাংলাদেশের বাজারে হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ এর দাম পড়বে ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। হুয়াওয়ে মেটবুক ডি ১৫ কিনতে পাওয়া যাবে ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকায়। রায়ান্স কম্পিউটারস, স্টারটেক ছাড়াও হুয়াওয়ের নির্দিষ্ট কিছু শো-রুম থেকে ল্যাপটপ দু’টি কিনতে পাওয়া যাবে এবং প্রি-বুকও করা যাবে।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপের (বাংলাদেশ) জিটিএম ডিরেক্টর ঝেং বেনইয়াং বলেন, আমাদের অল-সিনারিও স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রে নোটবুক প্রাইমারি স্ক্রিন হিসেবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্মার্ট ডিভাইস ও ল্যাপটপের আন্তঃসংযোগের ফলে গ্রাহকরাও সত্যিকার অর্থেই অনবদ্য ইউজার অভিজ্ঞতা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশে নিয়ে আসা হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ ও মেটবুক ডি ১৫ ল্যাপটপ দু’টি ডিজাইন, ডিসপ্লে এবং পারফরমেন্সে গ্রাহকদের সুন্দর অভিজ্ঞতা দেবে।

হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ এবং হুয়াওয়ে মেটবুক ডি ১৫ মডেলের প্রিমিয়াম ল্যাপটপ দু’টি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে চলবে।

হুয়াওয়ে মেটবুক ১৩ ল্যাপটপটিতে মাল্টিটাচ স্ক্রিনসহ ১৩ ইঞ্চির ফুলভিউ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ২কে রেজ্যুলেশনের ভিউ পাওয়া যাবে। ১৬ জিবি র‌্যামের এ ল্যাপটপটিতে ১০ম জেনারেশনের কোর আই ফাইভ সিপিইউ ব্যবহার করা হয়েছে। রয়েছে ৫১২ জিবির স্টোরেজ।

মেটবুক ১৩ ল্যাপটপটি ১৪.৯ মিলিমিটার পাতলা এবং ১.৩ কেজি ভারী। ব্যবহার করা হয়েছে কুইক চার্জিং প্রযুক্তি। মেটাল চেসিসের এ ল্যাপটপটির স্ক্রিন টু বডি অনুপাত রাখা হয়েছে ৮৮ শতাংশ। রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।

অপরদিকে ৮ জিবি ডিডিআর ফোর র‌্যামের মেটবুক ডি ১৫ ল্যাপটপটিতে ১ টেরাবাইট ও ২৫৬ জিবির স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে এএমডি রাইজেন ৫ ৩৫০০ ইউ মডেলের প্রসেসর।

হুয়াওয়ে মেটবুক ডি ১৫ ল্যাপটপটি ১৬.৯ মিলিমিটার পাতলা এবং ১.৫৩ কেজি ভারী। এতে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়ার বাটন ও কুইক চার্জিং প্রযুক্তি। ১৫.৬ ইঞ্চির ফুলভিউ ডিসপ্লের ল্যাপটপটিতে রয়েছে ১৯২০ ও ১০৮০ রেজ্যুলেশন। এর স্ক্রিন টু বডি অনুপাত রাখা হয়েছে ৮৭ শতাংশ।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

টানা ৩৪ দিন চার্জ সুবিধার ‘হট ৯ প্লে’ মোবাইল এখন বাজারে

একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে ৩৪ দিনের বেশি থাকবে ‘হট ৯ প্লে’ স্মার্টফোনটিতে। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারির এ মোবাইলটি বাজারে এনেছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (৫ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘হট ৯ প্লে’ মডেলের ফোনটিতে থাকছে ৬.৮২ ইঞ্চির সিনেমেটিক ডিসপ্লে, যা দেবে দুর্দান্ত ভিউইং অভিজ্ঞতা। স্মার্টফোনটিতে অ্যান্ড্রয়েড ১০ এর সঙ্গে এক্সওএস৬ ব্যবহার করা হয়েছে।

চমৎকার ফটোগ্রাফির জন্য স্মার্টফোনটির সামনে ফ্ল্যাশলাইটসহ ৮ মেগা পিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা এবং পেছনে ট্রিপল এলইডি ফ্ল্যাশলাইটসহ ১৩ মেগা পিক্সেলের এআই লেন্স যুক্ত করা হয়েছে।

শক্তিশালী ব্যাটারিটি একবার সম্পূর্ণ চার্জ করে নিলে ৩৪ দিনেরও বেশি স্ট্যান্ডবাই থাকবে। সিনেমেটিক ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি অধিকক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় গ্রাহকদের দেবে মুভি, গেমিং ও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত ভিউইং অভিজ্ঞতা।

বুধবার (৫ আগস্ট) অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে নতুন এ স্মার্টফোনটিতে উন্মোচন করা হয়েছে। ৪ জিবি/৬৪ জিবি ডেডিকেটেড মাইক্রো এসডি কার্ডের সংস্করণটির মূল্য ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৯৯০ টাকায়। এছাড়া ২ জিবি/৩২ জিবির সংস্করণটির মূল্য ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৯৯০ টাকা। আগ্রহী গ্রাহকরা দারাজে ৮ আগস্ট ১৪ আগস্টের মধ্যে প্রি-বুকিং করতে পারবেন।

ইনফিনিক্স বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং মনজুরুল কবির এ বিষয়ে বলেন, ফোনটি বাজারে আনতে পেরে আমরা আনন্দিত। কারণ এটি বাংলাদেশের গ্রাহকদের এই দামের মধ্যে বাজারে থাকা অন্য ফোনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা দেবে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

টাকা লাগতে পারে টুইটার ব্যবহারে

টাকা লাগতে পারে টুইটার ব্যবহারে

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির মাঝে সাবসক্রিপশন মডেল চালুর কথা ভাবছে টুইটার। এতে ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ খরচ করে সামাজিক যোগাযোগের এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যাক ডরসি সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের প্রতিষ্ঠানের প্রান্তিক আয় জানানোর সময় সাবসক্রিপশন মডেল চালুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অর্থের বিনিময়ে টুইটার ব্যবহার করার একটি মডেলের এখনো প্রাথমিক অবস্থায় আছেন তারা।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জ্যাক ডরসি বলেন, ‘টেকসই আয় বাড়ানোর লক্ষ্য স্থির করেছি। আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে আয় বাড়াতে হবে। তবে বেশি গুরুত্ব পাবে আমাদের বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিপূরক কোনো আয়ের পথ পেলে। আমরা সাবসক্রিপশনকে পরিপূরক মডেল হিসেবে দেখছি।’ ডরসি আরও বলেন, মানুষকে অর্থ দিয়ে টুইটার ব্যবহার করতে বললে একে তেমনই একটা জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।

তবে কবে নাগাদ এই সাবসক্রিপশন মডেল চালু হতে পারে, সে ব্যাপারে টুইটারের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। তবে ডরসি বলেছেন, এ বছরেই কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন তিনি। এই পরীক্ষা চালাতে ইতোমধ্যেই ছোট একটি দল তৈরি করা হয়েছে এবং এই দলের জন্য নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

টুইটার সম্প্রতি চলতি বছরে তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ, এপ্রিল থেকে জুন মাসের আয়ের হিসাব ঘোষণা দিয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি আয় করেছে ৬৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। একই সময় টুইটারের বিজ্ঞাপন আয় কমেছে ২৩ শতাংশ।

এ ব্যাপারে টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি তৈরির কাজ শেষ করেছে। এতে আরও দ্রুত টুইটারের উন্নয়নের কাজ করা যাবে। এছাড়া অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা যুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বেশ কিছুদিন ধরে নানা কর্মকাণ্ডে আলোচিত টুইটার। গত সপ্তাহজুড়ে প্রযুক্তি জগতে আলোচিত ঘটনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রথী-মহারথীদের টুইটটার অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা। প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার মার্কিন ডলার হারিয়েছেন এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুসারীরা। হ্যাকড ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন ডেমোক্র্যাটদের প্রেসিডেন্ট মনোনয়নপ্রত্যাশী জো বাইডেন।

ধনকুবেরদের মধ্যে আরও রয়েছেন ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক, আমাজনের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট, নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র ও ধনকুবের মাইক ব্লুমবার্গ। আরও রয়েছেন টিভি তারকা কিম কার্ডাশিয়ান, তার স্বামী ও র‍্যাপ সংগীতশিল্পী কেনি ওয়েস্ট। একযোগে এই অ্যাকাউন্টগুলো হ্যাক করা হয়েছে।

তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টটি অক্ষত রয়েছে। আরও তালিকায় রয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও বিশ্বব্যাপী রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান উবারের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট। এই হ্যাকের ঘটনাটি তদন্ত করছে টুইটারের অভ্যন্তরীণ টিম।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ করেছে অন্যতম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার। এ ব্যাপারে জ্যাক ডরসি বলেন, ‘যদিও ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তবে এটি রাজনীতিতেও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি নিয়ে আসে। এই ধরনের বার্তা অর্জিত হবে।’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়োপোলিসে পুলিশের হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার পর বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘লুটপাট চালালে গুলি শুরু হবে’। টুইটটি সহিংসতায় উসকানিমূলক উল্লেখ করে টুইটার কর্তৃপক্ষ সেটি সতর্কবার্তা দিয়ে ঢেকে দিয়েছিল।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে ‘সেন্টার অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে ‘সেন্টার অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’

তরুণদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক। তিনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘সেন্টার অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা করে প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শুধু বাংলাদেশের সমস্যাই সমাধান করবে না, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ মিলনায়তনে সোমবার অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জুনাইদ আহেমদ পলক এসব কথা বলেন। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেনসহ আরো অনেকে।

ম্যাসেঞ্জারে যোগ হলো নতুন প্রাইভেসি ফিচার

ম্যাসেঞ্জারে যোগ হলো নতুন প্রাইভেসি ফিচার

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে দুটি নতুন প্রাইভেসি ফিচার চালু করা হয়েছে। নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ম্যাসেঞ্জার এখন অনেকটাই সুরক্ষিত- এমনটাই দাবি করেছে মার্ক জুকারবার্গের মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন ফিচারের একটির মাধ্যমে কে কে ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ করতে পারবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া যাবে। আর অপর ফিচারের মাধ্যমে মুঠোফোনের ম্যাসেঞ্জার অ্যাপে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশেষ অ্যাপলক ফিচার জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ম্যাসেঞ্জার যোগ করা অ্যাপলক ফিচারটি, মুঠোফোনের সিকিউরিটি লকের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করার ইন্টারফেস তৈরি করেছে ফেসবুক।

ব্যবহারকারীর ফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেসলক বা অন্যান্য সিকিউরিটি ব্যবহার করে প্রাইভেসি ফিচারটি ব্যবহারকারীর জন্য বাড়তি সুরক্ষা এনে দেবে। ফলে গ্রাহক ব্যতীত অন্য কেউ মুঠোফোনটি ব্যবহার করে ম্যাসেঞ্জার প্রবেশ করতে পারবে না।

ফিচারটি বর্তমানে আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও এটি চালু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া ফেসবুকেও যোগ করা হচ্ছে আরও নতুন কয়েকটি প্রাইভেসি ফিচার। যার মাধ্যমে ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশনেও অ্যাপলক ফিচার, ব্লকিংয়ের আধুনিক ফিচারসহ আরও কয়েকটি ফিচার থাকবে।

ফিচারটি ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী নিজে থেকে নির্ধারণ করে দিতে পারবেন কার কল বা বার্তা আসবে এবং আসলেও কোথায় আসবে কিংবা আসবেই না।

এছাড়াও ম্যাসেঞ্জারে আরও একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ চলছে। ফিচারটির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী Message Requests ফোল্ডারে আসা অপরিচিত জনের বার্তাগুলোর ছবি ব্লার বা ঘোল অবস্থায় দেখতে পাবেন। ফলে বিব্রতকর পরিস্থিত কিংবা স্ক্যাম এড়াতে সুবিধাজনক হবে ব্যবহারকারীর জন্য।

বিশ্বের সব থেকে বড় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কাছে ২০০ কোটিরও বেশি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে। গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষা না দিতে পারার কারণে একাধিকবার সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। বিশেষত ‘ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা স্ক্যান্ডাল’র পরে সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকের।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার ঘটনায় প্রায় ৮ দশমিক ৭ কোটি ব্যবহাকারীর তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করে ফেসবুক। এছাড়া গত বছর লক্ষাধিক ইন্সটাগ্রাম পাসওয়ার্ড প্লেইন টেক্সট হিসেবে সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা কিনা শুধু অ্যাকাউন্টের গ্রাহকের কাছে থাকার কথা। এমনকি ফেসবুক অনুমতি ছাড়াই ১৫ লাখের বেশি গ্রাহকের ই-মেইলের তথ্য সংগ্রহ করে আসছিল কয়েক বছর ধরে।

পূর্ণাঙ্গ ইকো-সিস্টেম নিয়ে শক্ত অবস্থানের পথে ইভ্যালি

ঢাকা: ই-কমার্স ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ইকো-সিস্টেম নিয়ে দেশের বাজারে শক্ত অবস্থান অর্জনের পথে রয়েছে ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি। প্রায় ৩৫ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহক, ১০ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিক্রেতা এবং নামিদামি ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে স্বনির্ভর মার্কেটপ্লেস হিসেবে গড়ে উঠছে দেশিয় প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, বাংলাদেশের বাজারে ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ইভ্যালি। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা কিংবা আমাজনের মতো বাংলাদেশের বাজারে প্রতিষ্ঠিত এবং শক্ত অবস্থান অর্জন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সেই লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ই-কমার্স ভিত্তিক ইকো-সিস্টেম তৈরির পথে ইভ্যালি কাজ করছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
ইভ্যালি এক্সপ্রেস

করোনাকালের শুরুতেই বিভিন্ন ধরনের গ্রোসারি পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানটি চালু করে ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ। গ্রোসারি পণ্যের পাশাপাশি পরে এতে যুক্ত হয় মাছ, মাংস এবং জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মতো পণ্যও। রাজধানী ঢাকার বাইরে ৩০টিরও বেশি জেলায় এবং কিছু কিছু জেলার ইউনিয়ন পর্যায়েও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করে ইভ্যালি।

ইভ্যালি ফুড এক্সপ্রেস

পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সেবা চালুর অংশ হিসেবে ইভ্যালি নিয়ে আসে বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার সেবা। ইভ্যালি ফুড এক্সপ্রেস বা ই-ফুডের মাধ্যমে রাজধানীর বিখ্যাত সব রেস্টুরেন্টের খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ই-ফুডের যাত্রা শুরুর প্রথম মাসেই সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় ৫০ হাজার ডেলিভারি সফলভাবে গ্রাহকদের অবস্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ই-বাজার

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা যেন ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে পণ্য কেনাবেচা করতে পারেন তার জন্য ই-বাজার নামক আরেকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান চালু করেছে ইভ্যালি। আসছে ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু বিক্রেতারাও এখান তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন। কেনা-বেচার এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে বিনামূল্যে। গ্রাহক এবং বিক্রেতার উভয়ের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই পেমেন্ট পদ্ধতিও রাখা হয়েছে ই-বাজারে। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার বার করে ডাউনলোড হচ্ছে অ্যাপটি।

ই-খাতা

ইকমার্স বা যেসব ব্যসায়ীদের ব্যবসায় এখন পর্যন্ত প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি তাদের জন্য ‘ই-খাতা’ নামক ইনভেনটরি এবং অ্যাকাউন্টিং সলিউশন রয়েছে ইভ্যালির। এর মাধ্যমে ই-কমার্সের সঙ্গে আরও বেশি যুক্ত হতে পারবেন ট্র্যাডিশনাল ব্যবসায়ীরা। অটোমেশনের মাধ্যমে নিজেদের পণ্য এবং লেনদেনের হিসাব রাখা যাবে ই-খাতায়। এতে কমবে ব্যবসা পরিচালন ব্যয়।

ইভ্যালি সম্পর্কে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আমরা প্রযুক্তি নির্ভর, স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ই-কমার্স ইকো-সিস্টেম গড়ে তুলতে চাইছি। এটি হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে সব ধরনের পণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। আমাদের সঙ্গে এই মুহূর্তে বসুন্ধরা গ্রুপের টগি সার্ভিসেস, ওয়ালটন, স্যামসাং, এমআই, টিভিএস, বাজাজ, হোণ্ডা, পারটেক্স, ব্রাদার্স ফার্নিশার্স, বেঙ্গল গ্রুপের মতো স্বনামধন্য এবং জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ড যুক্ত আছে। খাবার আইটেমের কথা বললে গ্লোরিয়া জিনস বাংলাদেশ, বিএফসি, সিক্রেট রেসিপি, শেফস টেবিল, কোকা কোলার মতো প্রতিষ্ঠানের খাবার ও বেভারেজ পণ্য সরবরাহ করছি। ফুড ডেলিভারি সেবা এবং ডেলিভারি বিভাগ ই-লজিস্টিক্সে স্থায়ী এবং ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে অন্তত তিন হাজার ‘ইভ্যালি হিরো’ তথা রাইডারের কর্মসংস্থান হয়েছে। বিভিন্ন খাতের ওপর আলাদা আলাদা ওয়েব এবং স্মার্টফোনের জন্য অ্যাপ ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। ই-বাজার চালু হওয়ার মাত্র ১৬ দিনে ৬০ হাজার গ্রাহক এতে যুক্ত হয়েছেন। গেল জুন মাসের গুগল ট্রাফিক এবং ট্রেন্ডসের হিসাব মতে, বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে আমরাই এখন শীর্ষে। এই মাসে মোট ৪৯ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫৬ বার গুগলে ‘ইভ্যালি’ সরাসরি সার্চ করা হয়েছে। বিভিন্ন রেফারেল লিঙ্ক থেকে ইভ্যালি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৫২৮ বার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ট্রাফিক এসেছে ১২ লাখ এক হাজার ৪১৬টি।

ব্যবসায়িক গ্রোথ এবং বিনিয়োগ নিয়ে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আমরা এই মুহূর্তে মাসে প্রায় ১০ লাখ অর্ডার নিয়ে কাজ করছি। ই-কমার্সে বিদেশি বিনিয়োগ আসতেই পারে। যেমন আমাদের ই-খাতায় ভারতের ‘খাতাবুক’ এর মতো গ্রোথ হতে পারে। জিও’তে যেমন ফেসবুক, গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আছে। আমরাও ইভ্যালিতে এমন বিদেশি বিনিয়োগ আশা করছি। ইতোমধ্যে আমরা দেশি-বিদেশি শীর্ষ এয়ারলাইন্স টিকিটিং পার্টনার এবং হোটেল চেইনগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। তবে প্রতিষ্ঠান দেশিয় না হলে টেলিকম খাতের মতো ই-কমার্স খাতও বিদেশিদের দখলে চলে যেতে পারে। আমরা দেশের জনগণ এবং সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক সাহায্য পাচ্ছি। এখনই সময় দেশিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্ত অবস্থান অর্জনে আরও বেশি সমর্থন ও সাহায্য করার ।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নতুন ফোরজি পকেট রাউটার আনল গ্রামীণফোন

করোনাভাইরাস মহামারীকালে বাসায় বসে বা অফিসের বাইরে থেকে যাদের কাজ করতে হচ্ছে, তাদের সুবিধার জন্য গ্রামীণফোন বাজারে এনেছে চীনা কোম্পানি জেডটিইর তৈরি ফোরজি পকেট রাউটার।

গ্রামীণফোন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এমএফ৯২৭ইউ মডেলের এই পোর্টেবল রাউটারে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট ডেটা ডাউনলিঙ্ক, ৫০ মেগাবিট আপলিঙ্ক করা যাবে। একসঙ্গে দশজন ব্যবহারকারী ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে উচ্চগতির মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
২০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার/ঘণ্টা ক্ষমতার ব্যাটারি থাকায় এ রাউটারে টানা ৮ ঘণ্টা কাজ করা যাবে বিদ্যুৎ সংযোগে যুক্ত না থেকেও। এ রাউটারে থাকছে দুই বছরের ওয়ারেন্টি, দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) মোহাম্মদ সাজ্জাদ হাসিব বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, একই সাথে ডিজিটাল মাধ্যমে আমাদের অনেক বেশি সক্রিয় করেছে।

“এ ডিভাইসের মাধ্যমে একেবারে প্রত্যন্ত জায়গা থেকেও একাধিক গ্রাহক একইসাথে আমাদের বিস্তৃত ফোরজি এলটিই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের দিকে যাত্রায় এ ডিভাইস আমাদের সহায়তা করবে।”’

৭৮x৭৮x১৪.৫ মিলিমিটার মাপের এই ফোরজি রাউটার সহজেই বহনযোগ্য এবং যে কোনো জায়গায় ব্যবহারযোগ্য বলে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অনলাইন ক্লাসের প্রশিক্ষণ দিবে নেটিজেন আইটি লিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল ১৪ জুলাই সকাল ১১.০০টায় সিরাজগঞ্জ জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আইসিটি শিক্ষকদের নিয়ে অনলাইন প্লাটফর্মে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটির কারিগরি সহযোগিতা করেন নেটিজেন আইটি লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ। মতবিনিময় সভায় সভাপতি হিসেবে যুক্ত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফি উল্লাহ এবং অনুষ্ঠানটির আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিলেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এলিজা সুলতানা।

উক্ত সভায় নেটিজেন আইটি লিমিটেড এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস, অনলাইন এক্সাম ও অনলাইনে ফিস পেমেন্ট সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্ত এই করোনাকালীন দিনে চুক্তিবদ্ধ ছাড়াই বিনামূল্যে স্কুল কলেজের শিক্ষকদের অনলাইন ক্লাস নেওয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস, অনলাইন এক্সাম ও অনলাইনে ফিস পেমেন্ট এর বিষয়ে স্ক্রিন শেয়ারিং এর মাধ্যমে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন করা হয়।

অনলাইন মতবিনিময় সভায় জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল্লাহ ও সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার এলিজা সুলতানা মতবিনিময় সভায় নেটিজেন আইটি লিমিটেড এর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নেটিজেন আইটি লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ।