বিছানায় করোনা প্রতিরোধক তোশক ব্যবহার করছেন মেসি

হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, হেড ক্যাপ, গ্লাভস। তাতেও করোনার প্রকোপ প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। সারা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। কীভাবে বাঁচা যায় এই ভাইরাসের প্রকোপ থেকে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মাস্ক ব্যবহারের সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যে সব দেশে করোনা মারাত্মকভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে সেখানে।

স্পেন সেইসব দেশের মধ্যে অন্যতম। তবে এখন সেখানে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমেছে। তবুও সেখানকার মাঠের তারকারা ঝুঁকি নিচ্ছেন না। সাবধানতা অবলম্বন করেই খেলতে নামছেন তারা। লিওনেল মেসির মতো কেউ কেউ আবার বাড়িতেও বাড়তি সতর্ক মেনে চলছেন। মেসি এখন ব্যবহার করছেন করোনা প্রতিরোধক তোশক।

মেসি অবশ্য সেই তোশক কেনেননি। যে সংস্থা এই তোশক তৈরি করেছে তারাই বার্সলোনার তারকাকে এটি উপহার দিয়েছে। এই তোশক চার ঘণ্টার মধ্যে করোনার জীবাণু মারতে সক্ষম বলে দাবি করেছে প্রস্তুতকারক সংস্থা।
‘টেক মুন’ নামের সেই তোশকের উপর এখন মেসি ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুমোচ্ছেন। মেসি, সল নিগেজ ও সার্জিও আগুয়েরো- তিনজনকেই এই তোশক উপহার দিয়েছে প্রস্তুতকারক সংস্থা। এই তোশক ৯৯.৮৪ শতাংশ করোনার জীবাণু ধংস করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। মেসির এই তোশক নিয়েই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা চলছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, এই তোশকের সুতোয় অতি সুক্ষ কণা। সেই কণা ভাইরাস মারতে সক্ষম।

করোনা আক্রান্ত কেউ এই তোশকে ঘুমোলে তার শরীরে থাকা করোনার জীবাণু মেরে ফেলতে পারবে এই তোশক। করোনার থেকেও পাঁচ গুণ ছোট জীবানুনাশক কণা ব্যবহার করে এই তোশক তৈরি করা হয়েছে। এই প্রতিরোধ ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভাইরাক্লিন’।

বিডি-প্রতিদিন

বিতর্কিত রেফারিং ম্লান করে দিল রোনালদোর জোড়া গোল

চ্যাম্পিয়নস লিগ এলেই রোনালদো যে নতুন এক সঞ্জীবনী সুধায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন, সেটার প্রমাণ পাওয়া গেল গত রাতেও। এক গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে টেনে তোলার জন্য করেছিলেন দুই গোল। কিন্তু তাতেও জুভেন্টাসের ভাগ্য খুলল না। দুই লেগ মিলিয়ে ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিওঁর কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় নিল টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট জুভেন্টাস।

রোনালদো জোড়া গোল করলেও এই ম্যাচের নায়ক তিনি হতে পারেননি একজনের কারণে। তিনি ম্যাচের জার্মান রেফারি ফেলিক্স জোয়ায়ের। ম্যাচের পুরোটা আলো নিজের ওপরে নেওয়ার পণ করেছিলেন যেন এই ভদ্রলোক। তাঁর প্রশ্নবিদ্ধ এক পেনাল্টির সিদ্ধান্তেই গোল করে মহামূল্যবান এক অ্যাওয়ে গোল পেয়ে যায় লিওঁ। আর তাতেই কপাল পুড়েছে জুভেন্টাসের। রোনালদোর জোড়া গোলের গৌরবও ম্লান হয়ে গেছে তাতেই।

চ্যাম্পিয়নস লিগ এলেই রোনালদো যে নতুন এক সঞ্জীবনী সুধায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন, সেটার প্রমাণ পাওয়া গেল গত রাতেও। এক গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে টেনে তোলার জন্য করেছিলেন দুই গোল। কিন্তু তাতেও জুভেন্টাসের ভাগ্য খুলল না। দুই লেগ মিলিয়ে ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিওঁর কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় নিল টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট জুভেন্টাস।

রোনালদো জোড়া গোল করলেও এই ম্যাচের নায়ক তিনি হতে পারেননি একজনের কারণে। তিনি ম্যাচের জার্মান রেফারি ফেলিক্স জোয়ায়ের। ম্যাচের পুরোটা আলো নিজের ওপরে নেওয়ার পণ করেছিলেন যেন এই ভদ্রলোক। তাঁর প্রশ্নবিদ্ধ এক পেনাল্টির সিদ্ধান্তেই গোল করে মহামূল্যবান এক অ্যাওয়ে গোল পেয়ে যায় লিওঁ। আর তাতেই কপাল পুড়েছে জুভেন্টাসের। রোনালদোর জোড়া গোলের গৌরবও ম্লান হয়ে গেছে তাতেই।

প্রথম লেগে জুভেন্টাসকে চমকে দিয়ে ম্যাচ জিতেছিল লিওঁ। ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল তারা, জুভেন্টাস পরের মাঠে কোনো গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয় লেগে তাই জুভেন্টাসের ওপরে চাপ ছিল গোল করার, ও একই সঙ্গে খেয়াল রাখার যাতে লিওঁ অ্যাওয়ে গোল না পেতে পারে। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দ্বিতীয় উদ্দেশ্যটা ব্যর্থ হয়ে যায়, গোল খেয়ে বসে জুভেন্টাস। ডি-বক্সের মধ্যে বিপজ্জনকভাবে ঢুকে যাওয়া ফরাসি মিডফিল্ডার হুসাম ওয়ারকে আটকাতে গিয়ে স্লাইড ট্যাকল করেন জুভেন্টাসের উরুগুইয়ান মিডফিল্ডার রদ্রিগো বেনতাঙ্কুর। বেশ ভালোভাবেই ওয়ারের পা থেকে বল কেড়ে নিতে সক্ষম হন তিনি, একই সঙ্গে ট্যাকলের কারণে পড়ে যান ওয়ার। রেফারি ওয়ারের পড়ে যাওয়া দেখলেও, দেখেননি বেনতাঙ্কুরের বল জিতে নেওয়ার দৃশ্যটা। ফলে পেনাল্টি পায় লিওঁ। সেখান থেকে গোল করে দলকে মহামূল্যবান অ্যাওয়ে গোল এনে দেন স্ট্রাইকার মেমফিস ডিপাই। রোনালদোদের সামনে তখন ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুস্তর পারাবার!’

ম্যাচের ৪১ মিনিটেই গোল করার দুয়ার খুলে যায় জুভেন্টাসের সামনে। শুরুতে লিওঁকে বিতর্কিত পেনাল্টি দেওয়ার কারণেই কি না, সেই ভুল কাটার জন্য এবার জুভেন্টাসকে প্রশ্নবিদ্ধ এক পেনাল্টি উপহার দেন রেফারি। লিওঁ-র বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় জুভেন্টাস। বসনিয়ান মিডফিল্ডার মিরালেম পিয়ানিচের নেওয়া ফ্রি-কিক গিয়ে লাগে মানবদেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ডিপাইয়ের হাতে। যদিও সেখানে ডিপাই হাত যথাসম্ভব শরীরের কাছাকাছি রেখেছিলেন, তা-ও রেফারি আরও একবার বিতর্ক উসকে দিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্তে বহাল থাকেন। রেফারি সরাসরি পেনাল্টির ইঙ্গিতের পর ভিএআরও সেই আদেশ বহাল রাখে। পেনাল্টি থেকে স্বদেশি গোলরক্ষক অ্যান্থনি লোপেসকে উল্টো দিকে পাঠিয়ে জুভেন্টাসকে ম্যাচ সমতায় আনেন রোনালদো। দরকার আর মাত্র দুই গোল।

চোটের কারণে মাঠে ছিলেন না সিরি ‘আ’র এই মৌসুমের সেরা তারকা পাওলো দিবালা। দিবালা না থাকার কারণে সৃষ্টিশীলতার অভাবে ভুগেছে জুভেন্টাস। মিডফিল্ডাররাও সেভাবে সাহায্য করতে পারেননি রোনালদোকে। ফলে জুভেন্টাস আশা করছিল ‘রোনালদো-জাদু’র। রোনালদোও ভক্তদের হতাশ করেননি। ম্যাচের ৬০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শটে লিওঁর গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে দেন রোনালদো। শটে এতটাই জোর ছিল যে, গোলরক্ষক লোপেস হাত লাগিয়েও বল আটকাতে পারেননি। হাতে ঠেকে বারে স্পর্শ করার পরেও জালে জড়িয়ে যায় রোনালদোর শট। এই গোলের মাধ্যমে এক মৌসুমে জুভেন্টাসের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের ৯৫ বছর পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেন জুভেন্টাসের সবচেয়ে বড় তারকা।
সমর্থকদের আশা ছিল, আরেকটি গোল করে ঠিক গত মৌসুমের মতো হ্যাটট্রিক করে দলকে তুলবেন কোয়ার্টারে। সে স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেছে।

শেষ দিকে দিবালা নেমেও দলকে উদ্ধার করতে পারেননি। উল্টো শেষ আধা ঘণ্টায় নিজেদের রক্ষণভাগ সুদৃঢ় রাখার পুরস্কার নিয়ে ঘরে ফিরেছে ফরাসি ক্লাবটা। আর জোড়া গোল করেও রোনালদোর কপালে জুটেছে ২০১০ সালের পর সর্বপ্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই বাদ পড়ে যাওয়ার গ্লানি।

কোয়ার্টারে লিওঁর মুখোমুখি হবে আরেক ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদকে হারানো ম্যানচেস্টার সিটি।

তথ্য সুত্রঃ প্রথম আলো

করোনায় আক্রান্ত জাতীয় দলের ফুটবলার

ছবিঃ সংগৃহিত

কিছুতেই কমছে না করোনার প্রকোপ। এবার প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জাতীয় দলের ফুটবলার বিশ্বনাথ ঘোষ। ব্যাপারটি তিনি নিজেই সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

করোনা পরবর্তী যুগে বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু করার কথা ফুটবলারদের। কিন্তু করোনা আক্রান্ত ক্যাম্পে যোগ দেননি তিনি বিশ্বনাথ। এরআগে গত ৩ আগস্ট করোনা পরীক্ষা করিয়ে ছিলেন বিশ্বনাথ। গতকাল রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন এ ডিফেন্ডার। মূলত এর পরই তিনি করোনা আক্রান্তের ব্যাপারটি নিশ্চিত হন। এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ জানিয়েছেন, ‘৩ আগস্ট করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলাম। গতকাল রিপোর্এট সেছে আমি করোনা আক্রান্ত হয়েছি। তাই আজ থেকে শুরু হওয়া ক্যাম্পে যোগ দেইনি।‘

গাজীপুর সারাহ রিসোর্টে আজ থেকে শুরু হওয়ার কথা বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ যৌথ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় পর্বের বাকি চারটি ম্যাচকে সামনে রেখে জাতীয় দলের ক্যাম্প। স্বাস্থ্য বিধি মেনে তিন ভাগে ক্যাম্পে উঠবেন ফুটবলাররা। প্রাথমিকভাবে ৩৬ ফুটবলারকে ডাকা হলেও আপাতত ক্যাম্প শুরু হওয়ার কথা ছিল ৩১ জন নিয়ে। কিন্তু বিশ্বনাথ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সংখ্যাটা নেমে আসল ৩০ জনে।

ক্যাম্পে বুধবার ১১ ও বৃহস্পতিবার ১২ জন ও শুক্রবার ৭ ফুটবলারকে যোগ দিতে বলা হয়েছে। তার আগে সব ফুটবলারকেই যেতে হবে দুই দফা করোনা পরীক্ষায়। সে পরীক্ষায় পাস করলেই কেবল ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবেন ফুটবলাররা।

ইচ্ছাকৃতভাবে কাশি দিলে লাল কার্ড

লাল কার্ড।ছবি-ইন্টারনেট

করোনা ভাইরাস মহামারীতে মাঠের ফুটবল নিয়ম হচ্ছে কঠোর। আগে খেলা চলাকালে কাউকে উদ্দেশ্য করে থুথু মারলে,কিংবা ইচ্ছাকৃত কাশি দিলে দেখতে হবে লাল কার্ড।

আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানিয়েছে ইচ্ছে করে থুতু মারা গালিগালাজ করা বা অশোভন অঙ্গভঙ্গি করার শামিল। কাজেই এখন থেকে ইচ্ছে করে থুতু মারলে দেখতে হবে লাল কার্ড।

ইচ্ছাকৃত ভাবে কেউ বিপক্ষের কোনও ফুটবলার বা ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের (রেফারি, লাইন্সম্যান ও চতুর্থ রেফারি) মুখের সামনে গিয়ে কাশলেই কড়া শাস্তির মুখে পড়বেন। দেখতে হতে পারে লাল কার্ডও। ইংল্যান্ড ফুটবলে সব পর্যায়েই এই নিয়ম চালু হচ্ছে।

ফুটবল মাঠে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই কড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যে ১৯টি বিষয়ের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্টেডিয়ামে দর্শকদের প্রবেশ নিষেধ। এ ছাড়া খেলা শুরুর আগে ও পরে পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলানো যাবে না। উৎসবের সময়ে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ইংল্যান্ড ফুটবলে এ বার জারি হচ্ছে কাশির উপরেও নিষেধাজ্ঞা।বিবিসি এই নিউজ করেছে।

ইংল্যান্ড এফএ স্পষ্টভাবে তাদের শর্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে-‘কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রতিপক্ষের কোনও ফুটবলার অথবা ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের মুখের সামনে গিয়ে কাশি দেন, তা অপরাধ হিসেবে গন্য করা হবে।’

আক্রমণাত্মক মেজাজ, অপমানজনক মন্তব্য বা আচরণ করার মতো অখেলোয়াড় সুলভ মনোভাব হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে অন্যের মুখের সামনে গিয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে কাশি দিলে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে-যদি দেখা যায়, মাঠ থেকে বার করে দেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই, সে ক্ষেত্রে অখেলোয়াড়ি আচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ফুটবলারকে সতর্ক করা হবে। কারণ, খেলার প্রতি তিনি যথেষ্ট সম্মান দেখাননি।’

অক্টোবরে প্রিমিয়ার লিগে দর্শক ফিরবে: বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়েই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় ফুটবল মাঠে গড়ালেও সেখানে কোন দর্শকের উপস্থিতি ছিল না। এদিকে ২০২০-২১ মৌসুম শুরু হলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দর্শক ফেরার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, অক্টোবরে স্টেডিয়ামগুলোতে ইংলিশ সমর্থকদের ফেরানোর লক্ষ্য স্থির করেছেন।

জনসন বলেছেন, ‘আগামী ১ আগস্ট থেকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জনসমাগমের অনুমতির বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করছি। এর মধ্যে স্টেডিয়ামও রয়েছে। তবে অক্টোবরে পুরোপুরি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
চলতি মৌসুমে বেশিরভাগ দলেরই আর মাত্র দুটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ হওয়ার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রিমিয়ার লিগের ২০২০-২১ মৌসুম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই এ সংক্রান্ত সভায় তারিখটি চূড়ান্ত হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ইতালিয়ান ক্রীড়ামন্ত্রী ভিনসেনজো স্পাডাফোরা সেপ্টেম্বরে স্টেডিয়ামগুলোতে দর্শক প্রবেশের অনুমতির ব্যপারে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। যদিও স্প্যানিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সান্তিয়াগো ইলা বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে দর্শকদের উপস্থিতি নিয়ে এখনো শঙ্কায় রয়েছেন।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

বার্সায় সতীর্থদের সমর্থন পাচ্ছে না মেসি: আলভেস

মৌসুমের অধিকাংশ সময় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা খুইয়েছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে করোনা বিরতির পর কাতালান জায়ান্টদের ব্যর্থতার বিপরীতে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।টানা জয়ে ৩৪তম লা লিগা শিরোপাও ঘরে তুলেছে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।
বৃহস্পতিবার রাতে রিয়ালের শিরোপা উৎসবের রাতে ওসাসুনার কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে বার্সেলোনা। দলের মন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে বিরক্ত মেসি নিজের রাগ দমিয়ে রাখতে পারেননি। সরাসরি বলে দিয়েছেন, ‘এভাবে খেলতে থাকলে চ্যাম্পিয়নস লিগেও ব্যর্থ হতে হবে। ’ দলকে ‘দুর্বল’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

প্রশ্ন উঠেছে, ফেবারিট হয়েও কেন এমন অধঃপতন হলো কিকে সেতিয়েনের দলের? উত্তর খুঁজতে বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করছেন অনেকে। বিশেষ করে অতিরিক্ত মেসিনির্ভরতার কথাই বেশি শোনা যাচ্ছে। কিন্তু পুরো মৌসুমে সবচেয়ে সেরা খেলোয়াড় হওয়া সত্ত্বেও দলীয় সাফল্যের দেখা পাননি মেসি। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার দানি আলভেসের মতে, বার্সায় আসলে সতীর্থদের কাছ থেকে যথেষ্ট সমর্থন বা সহায়তাই পাননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

বার্সার সাবেক ডিফেন্ডার, ‘রেডিও কাতালুনিয়া’কে বলেন, ‘সে (মেসি) জাত বিজয়ী। সে হারতে অপছন্দ করে এবং তার রাগ করাটা তাই স্বাভাবিক। সে আমার মতোই সবসময় জিততে চায়। সে বহুদিন থেকে থেকে খেলছে, ফলে সে বুঝতে পারে কখন দল ভালো খেলছে আর কখন খেলছে না। বহুদিন বার্সায় খেলার ফলে সে জানে জিততে হলে কী করতে হবে। আমার যেটা মনে হয় যে, সে আসলে ঠিকঠাক সমর্থন পাচ্ছে না। ’

বার্সার সর্বজয়ী দলের সদস্য আরও বলেন, ‘(আমাদের সময়) মেসিই ছিল মূল তারকা। কিন্তু আমরা তখন তাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করতাম। সে সব সময় শীর্ষে থাকতে চাইত এবং এটা বানিয়ে দেওয়ার জন্য অন্যদের সহায়তা দরকার। এখন বিষয় হচ্ছে দলের জন্য সবটা তাকেই করতে হচ্ছে, কিন্তু সে শুধুই একজন মানুষ। ’

এ অবস্থায় মেসি কি বার্সা ত্যাগ করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আলভেস বলেন, ‘না, আমি এমনটা মনে করি না। কারণ সে হচ্ছে ক্লাবের পোস্টার বয় এবং এটা (মেসি যদি ক্লাব ছাড়ে) ক্লাবের জন্য সবচেয়ে বড় ভুল হবে। তার মতো খেলোয়াড় এখানে অবসর না নেওয়া এবং ক্যাম্প ন্যুয়ের নাম বদলে লিও মেসি না করা হবে বড় ভুল। ’

বিগত দুই মৌসুমেই নেইমারের বার্সায় ফিরে আসা নিয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আলভেস স্বীকার করলেন, স্বদেশী ফরোয়ার্ডকে ফের একবার বার্সায় ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দিয়েছিলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘একমাত্র নেইমারকেই আমি বার্সায় যেতে উৎসাহ দিয়েছিলাম। রিয়াল মাদ্রিদের কাছ থেকে সে বড় অফার পেয়েছিল, কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম যদি সে সুখী হতে চায় তাহলে বার্সাতেই ফেরা উচিত। ’

নেইমারের বার্সায় ফেরা যেমন জরুরি, তেমনি বার্সারও নেইমারের প্রয়োজন বলে মনে করেন আলভেস। তিনি বলেন, ‘আমি যদি নেইমার হতাম তাহলে চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে চলে আসতাম। আমি কখনো ভাবিনি কেউ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ভুল করতে পারে। সবাই জানে নেইমার বার্সা এবং মেসিকে সহায়তা করতে পারে এবং বার্সাও ফের লা লিগা এবং ইউরোপের জায়ান্ট হতে পারে। দলে ১১ জন খেলোয়াড় থাকে, কিন্তু মেসি থাকলে ১৩ জন হয়। নেইমারের ক্ষেত্রেও তাই। ’

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কাতার বিশ্বকাপের নজিরবিহীন সূচি, একদিনে ৪ ম্যাচ!

অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে কাতার বিশ্বকাপ-২০২২ এর চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা হল। বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি ও শুরুর তারিখটি জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)।

আর সেই সূচি দেখেই হতচকিত হয়ে পড়েছেন বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীরা। কেননা একদিনেই বিশ্ব দেখবে চারটি করে ম্যাচ। তাও আবার মাত্র ১১ ঘণ্টার মধ্যে!

ফিফা জানিয়েছে, গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন চারটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এমন সূচিকে নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিচ্ছেন অনেকেই। বিগত আসরগুলোতে এমন সূচিতে খেলা পড়েনি।

সূচি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উন্মোচন হবে ২১ নভেম্বর কাতারের রাজধানী দোহা সিটির আল বাইত স্টেডিয়ামে। স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় প্রথম ম্যাচ শুরু হবে। চতুর্থ ম্যাচটি শুরু হবে রাত ১০টায়। ৩২ দলের এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট শেষ হবে মাত্র ২৮ দিনেই। অর্থাৎ ফাইনাল ম্যাচটি হবে একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে।

জানা গেছে, আল বাইত স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৬০ হাজার। আর ফাইনালের ভেন্যু লুসাইল স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণ ক্ষমতার ৮০ হাজার।

ফিফা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাত্র ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে চার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে কোনও সমস্যা হবে না। দোহার আশেপাশে স্টেডিয়ামগুলো অবস্থিত। দূরত্ব কম হওয়ায় একই দিনে চাইলে মাঠে গিয়ে কয়েকটি ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন ফুটবলপ্রেমীরা।

কাতার বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির প্রধান নির্বাহী নাসের আল খাতের জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ আয়োজনের কাজ দারুণ গতিতে এগিয়ে চলছে এবং রাস্তা ও অবকাঠামোর ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে জানা গেছে, কাতার বিশ্বকাপ এশিয়া অঞ্চল বাছাইয়ের খেলা আগামী অক্টোবরে শুরু হবে। বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলে হবে ড্র। এরপর নির্দিষ্ট ম্যাচের ভেন্যু ও সময় নির্ধারণ করা হবে। তথ্যসূত্র: ফিফাৎ

বিডি প্রতিদিন

নিষেধাজ্ঞা বাতিল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে ম্যান সিটি

আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে ম্যানচেস্টার সিটি। একই সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল তাও কমানো হয়েছে।

সোমবার ক্লাবটির ইউরোপীয় আসরে অংশগ্রহণে উয়েফার আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আদেশ খারিজ করে দিয়েছে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)। সেই সঙ্গে যে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল তাও কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করেছে এই আদালত।

এর আগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ইউরোপের প্রতিযোগিতা থেকে উয়েফা কর্তৃক দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি।
২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পৃষ্ঠপোষকতা আয় করা অর্থের হিসাব থেকে আর্থিক স্বচ্ছতার নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগ তুলে ম্যানচেস্টার সিটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। জার্মান ম্যাগাজিন ডের স্পাইজেলে প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করেছিল উয়েফা। ফাঁস হওয়া ইমেইল বার্তার সূত্র ধরে ২০১৮ সালে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল জার্মান পত্রিকাটি।

তবে উয়েফার ক্লাবগুলোর আর্থিক নিয়ন্ত্রণ কমিটি সিএফসিবি’র অভিযোগগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলেই মনে করে ক্রীড়া আদালত। সিটির আপিলের ভিত্তিতে সিএএসের প্যানেল মনে করেন সেখানে পর্যাপ্ত প্রমান নেই।

উয়েফার তদন্তে ঠিকমতো সাহায্য না করায় ক্লাবটিকে একই সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানাও করেছিল সংস্থাটি। এটিকে কিছুটা গুরুত্ব দিলেও জরিমানার অঙ্ক ৩০ থেকে কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করেছে সিএএস।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সিটিকে নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। এর দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার পথে একধাপ এগিয়ে আছে সিটি। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে তাদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নব্যুতেই ২-১ গোলে হারিয়েছিল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। ফিরতি লেগে আগামী ৭ অগাস্ট ঘরের মাঠে খেলবে ম্যানচেস্টার সিটি।

বিডি-প্রতিদিন

নিষেধাজ্ঞা বাতিল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে ম্যান সিটি

আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে ম্যানচেস্টার সিটি। একই সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল তাও কমানো হয়েছে।

সোমবার ক্লাবটির ইউরোপীয় আসরে অংশগ্রহণে উয়েফার আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আদেশ খারিজ করে দিয়েছে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)। সেই সঙ্গে যে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল তাও কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করেছে এই আদালত।

এর আগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ইউরোপের প্রতিযোগিতা থেকে উয়েফা কর্তৃক দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি।
২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পৃষ্ঠপোষকতা আয় করা অর্থের হিসাব থেকে আর্থিক স্বচ্ছতার নিয়ম ভঙ্গ করার অভিযোগ তুলে ম্যানচেস্টার সিটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। জার্মান ম্যাগাজিন ডের স্পাইজেলে প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করেছিল উয়েফা। ফাঁস হওয়া ইমেইল বার্তার সূত্র ধরে ২০১৮ সালে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল জার্মান পত্রিকাটি।

তবে উয়েফার ক্লাবগুলোর আর্থিক নিয়ন্ত্রণ কমিটি সিএফসিবি’র অভিযোগগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলেই মনে করে ক্রীড়া আদালত। সিটির আপিলের ভিত্তিতে সিএএসের প্যানেল মনে করেন সেখানে পর্যাপ্ত প্রমান নেই।

উয়েফার তদন্তে ঠিকমতো সাহায্য না করায় ক্লাবটিকে একই সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানাও করেছিল সংস্থাটি। এটিকে কিছুটা গুরুত্ব দিলেও জরিমানার অঙ্ক ৩০ থেকে কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করেছে সিএএস।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সিটিকে নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। এর দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাবটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার পথে একধাপ এগিয়ে আছে সিটি। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে তাদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নব্যুতেই ২-১ গোলে হারিয়েছিল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। ফিরতি লেগে আগামী ৭ অগাস্ট ঘরের মাঠে খেলবে ম্যানচেস্টার সিটি।

বিডি-প্রতিদিন

ঘরের মাঠে চেলসিকে উড়িয়ে দিল শেফিল্ড

ঘরের মাঠে চেলসিকে উড়িয়ে দিল শেফিল্ড ইউনাইটেড। প্রতিপক্ষের মাঠে শেষ তিন ম্যাচে দ্বিতীয় হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পথ কঠিন হয়ে গেল ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের দলের। ইউরোপ সেরার মঞ্চে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলো লেস্টার সিটি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নিজেদের মাঠে শনিবার ৩-০ গোলে জিতেছে শেফিল্ড। প্রথমার্ধে দুই গোল করে চালকের আসনে বসে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিকরা করে আরেকটি গোল।

ম্যাচে প্রথমার্ধে চেলসির তিন শটের দুটি পোস্টে থাকলেও মেলেনি গোল। উল্টো ১৮ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে তারা। একটি আক্রমণ চেলসি গোলরক্ষক ঠিক মতো ঠেকাতে ব্যর্থ হলে সুযোগ নেন ডেভিড ম্যাকগোল্ডরিক। অষ্টাদশ মিনিটে গোলমুখে থাকা এই ফরোয়ার্ড ফিরতি শটে অনায়াসে লক্ষ্যভেদ করেন।

৩৩তম মিনিটের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে শেফিল্ড। বাম দিক থেকে এন্ডা স্টিভেন্সের দারুণ ক্রসে হেডে জাল খুঁজে নেন অলিভার ম্যাকব্রুইন।

দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে শেফিল্ডের রক্ষণের পরীক্ষা নেয় সফরকারীরা। কিন্তু জালের দেখা পায়নি তারা। ৫০তম মিনিটে মিনিটে চেলসির মার্কোস আলোনসোর হেড লক্ষ্যে থাকেনি। এরপর ট্যামি আব্রাহাম, অলিভিয়ে জিরুদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে হতাশা বাড়ে দলটির।

৭২তম মিনিটে সেসার আসপিলিকুয়েতার শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পাল্টে বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। একটু পর আব্রাহামের দুটি চেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৭৭তম মিনিটে আরেক গোল হজম করলে চেলসির হার অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। টনি রুডিগারের বাড়ানো বল জালে পৌঁছে দেন ম্যাকগোল্ডরিক।

৩৫ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে এখনো তৃতীয় স্থানে আছে চেলসি। একটি করে ম্যাচ কম খেলা লেস্টার (৫৯) ও ইউনাইটেডের (৫৮) সামনে সুযোগ আছে ল্যাম্পার্ডের দলকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। ৩৫ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে উঠে এসেছে ইউরোপা লিগের বাছাই পর্বের খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখা শেফিল্ড। এক ম্যাচ কম খেলা ওলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স ৫২ পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে সাতে।