বার্সাতেই থাকছেন মেসি

অবশেষে নাটকের অবসান হলো। চুক্তির মারপ্যাঁচে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে আটকে রাখলো বার্সেলোনা।

যদিও ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছের কথা আগেই জানিয়েছিলেন। কিন্তু ছাড়তে পারলেন কোথায়?
২০২০-২১ মৌসুমে বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার বহুল প্রতীক্ষিত খবরটি গোল ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের মুখেই জানালেন লিওনেল মেসি। তবে এ থেকে যাওয়াটা যে শুধুমাত্র চুক্তির কোটা পূরণের জন্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে মেসি যা ভেবেছিলেন হয়েছে উল্টো। তার মতে, আমি ভেবেছিলাম এবং নিশ্চিত ছিলাম যে, ইচ্ছে করলেই ক্লাব ছাড়তে পারি। সভাপতি সবসময় বলত, মৌসুম শেষে আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারব যে আমি থাকব না চলে যাব।

ইচ্ছে থাকার পরও প্রিয় ক্লাব ছেড়ে যাওয়া হলো না। আর ক্লাবের সঙ্গে আইনি লড়াইও করতে অনিচ্ছুক ছিলেন মেসি। থাকার সিদ্ধান্তটি মূলত নেওয়া হয়েছে এ দৃষ্টিকোণ থেকেই।

মেসি বলেন, প্রিয় ক্লাবের বিপক্ষে কখনোই আমি আইনি লড়াইয়ে যাব না। এ কারণেই মূলত আমি বার্সেলোনায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এর আগে গত সপ্তাহে ৩৩ বছর বয়সী মেসি বার্সার সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। এরপর থেকে নতুন ঠিকানা নিয়ে চলছিল নানা কল্পনা-জল্পনা। তবে কাতালানরা তাকে ছাড়তে নারাজ ছিল। অন্য ক্লাব তার সঙ্গে চুক্তি করলে রিলিজ ক্লজ হিসেবে বার্সাকে দিতে হতো ৭০০ মিলিয়ন ইউরো।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য বিকেএসপিতে সাকিব

করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ সাকিব আল হাসান। তাই বিএসপিতে যেতে কোনো বাধা নেই দেশ সের অলরাউন্ডারের।

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) করোনা নেগেটিভের ফলাফল হাতে পান তিনি। এদিন দুপুরেই বিকেএসপিতে চলে যান সাকিব। সেখানে বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩৩ বছর বয়সী তারকা।

শুক্রবার রাতে বিকেএসপি’র একটি সূত্র বাংলানিউজকে সাকিবের বিকেএসপিতে পৌঁছানোর খবরটি নিশ্চিত করেছে। বিকেল ৫টার দিকে যাওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকেই তিনি বিকেএসপি চলে যান। শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করবেন সাকিব।

সূত্রটি বলছে, ‘সাকিব আজ দুপুর আড়াইটার দিকে বিকেএসপি চলে এসেছে। বিকাল ৫টার দিকে আসার কথা থাকলেও আগেভাগেই চলে এসেছে। এখানে সালাউদ্দিন স্যারের (সাকিবের গুরু) অধীনে আইসোলেশনে রয়েছেন। কাল থেকে ধীরে ধীরে অনুশীলন শুরু করবে। ’

সাকিবের ফিটনেস নিয়ে তাকে সহায়তা করবেন বিকেএসপির অ্যাথলেটিকস ও সাতাঁরের কোচরা।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

নেদারল্যান্ডসের প্রত্যাশিত জয়, ইতালিকে রুখে দিল বসনিয়া

উয়েফা ন্যাশন্স লিগের দ্বিতীয় আসরে জয়ে শুরু করেছে নেদারল্যান্ডস। পোল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্রথম আসরের রানার্সআপরা।

তবে অন্য ম্যাচে জায়ান্ট ইতালিকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা।
শুক্রবার আমস্টারডামের ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনায় ‘এ’ লিগের ১ নম্বর গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয় নেদারল্যান্ডস ও পোল্যান্ড।

ম্যাচের ৬১তম মিনিটে এগিয়ে যায় ডাচরা। সতীর্থের ডান দিক থেকে গোলমুখে বাড়ানো বল ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে জালে ঠেলে দেন উইঙ্গার স্তেভেন।

এদিকে ফ্লোরেন্সের স্তাদিও আর্তেমিও ফ্রাঞ্চিতে একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর ড্রয়ে মাঠ ছাড়ে ইতালি।

৫৭তম মিনিটে লিড নেয় বসনিয়া। কর্নারে তনি সুনিচের হেডে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন রোমার ফরোয়ার্ড এডেন জেকো।সমতায় ফিরতে অবশ্য ইতালির ১০ মিনিট লাগে। ইনসিনিয়ের কাটব্যাক থেকে স্তেফানো সেন্সি গোল করেন।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

সাকিব থেকে গণমাধ্যমকে দূরে থাকার অনুরোধ আকরাম খানের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) নিষেধাজ্ঞার কারণে সাকিবের কাছ থেকে গণমাধ্যমকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান আকরাম খান। আজ বুধবার তিনি গণমাধ্যমের কাছে এই অনুরোধ জানান।

প্রায় ৬ মাস পর বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তখন তাকে দুটি গাড়ি নিতে আসে। অনেকটা গোপনীয়তা রক্ষা করেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বনানীর বাসায় গেছেন তিনি।

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় গত বছরের ২৯ অক্টোবর সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন সাকিব আল হাসান। নিষেধাজ্ঞা কাটবে আরও মাস দুয়েক পর। ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে সাকিব ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সাভারের বিকেএসপিতে ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

বিডি প্রতিদিন

নেইমার করোনায় আক্রান্ত

অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। তারপরই ছুটি কাটাতে উড়ে গিয়েছিলেন ইবিজায়। দলেরই সহ-খেলোয়াড়দের সঙ্গে পার্টি করেছিলেন। আর সেটাই এবার হয়তো কাল হলো ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের।

বুধবার একটি ফরাসি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত নেইমার। এমনকি আরও দু–তিনজন পিএসজি খেলোয়াড়ের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ইতোমধ্যে ক্লাবের পক্ষ থেকে তিনজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করে নেওয়া হলেও তাদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট পিএসজির পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়, দলের দুই খেলোয়াড় করোনা আক্রান্ত। জানা যায়, তারা হলেন অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া এবং লিও প্যারাডেস।
এদিকে, কয়েকদিন আগেই নেইমারের সঙ্গে ইবিজায় গিয়েছিলেন দু’‌জনেই। সঙ্গে ছিলেন কেলর নাভাস, অ্যান্ডার হেরেরা, মাউরো ইকার্ডির মতো তারকারও। তাদেরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর এসবের মধ্যেই বুধবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘‌লেকুইপ’ জানায়, করোনায় আক্রান্ত নেইমার। আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে কেলর নাভাসেরও।

বিডি প্রতিদিন

খেলা হচ্ছে না আইপিএল, ভারতে ফিরছেন রায়না

ব্যক্তিগত কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০২০ মৌসুমে খেলা হচ্ছে না সুরেশ রায়নার। তাই এবারের আসরের ভেন্যু সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ফিরছেন এই চেন্নাই সুপার কিংস তারকা।

এক টুইটের মাধ্যমে এমন খবর নিশ্চিত করেছে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ।

চেন্নাইয়ের প্রধান নির্বাহী কেএস বিশ্বনাথ জানান, ব্যক্তিগত কারণে সুরেশ রায়না দেশে ফিরেছে। এর ফলে পুরো মৌসুমেই তাকে পাওয়া যাবে না। তবে এই সময়ে রায়না ও তার পরিবারের প্রতি চেন্নাই সুপার কিংসের পূর্ণ সমর্থন রইল।
সম্প্রতি ৩৩ বছর বয়সী রায়না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। পরে গত ২১ আগস্ট আইপিএলে অংশ নিতে চেন্নাইয়ের সঙ্গে দুবাই যান। আর গত এক সপ্তাহে পুরো দল আইসোলেশনে ছিল। যেখানে দলের খেলোয়াড় স্টাফসহ ১৩ জনের করোনা পজিটিভ হয়।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

এর আগে যে কয়বার ‘বিদায়’ বলতে চেয়েছিলেন মেসি

সবাইকে চমকে দিয়ে এই গ্রীষ্মে বার্সেলোনা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি। এরপর থেকে তার বিদায় ও নতুন ঠিকানা ঘিরে রীতিমত হইচই শুরু হয়ে গেছে।

তবে এবারই যে প্রথম বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড, তা কিন্তু নয়।
এর আগে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে বাজে মৌসুম ও ট্যাক্স সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে বার্সা ছাড়ার খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন মেসি। পরে অবশ্য ক্যাম্প ন্যুয়ে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আবার ২০১৬ সালেই আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন তিনি। সেই সিদ্ধান্তও পরে বদলে যায়।

তিনবার সিদ্ধান্ত বদলে যেহেতু যাননি, তাই বর্তমান হোসে মারিয়া বার্তোমেউর নেতৃত্বে থাকা বার্সার বর্তমান বোর্ড এই আশাতেই আছে যে এবারও হয়তো যাবেন না ছয়বারের ব্যালন ডি’অরজয়ী। যদিও গত মঙ্গলবার বুরোফ্যাক্সের (প্রত্যায়ন পত্র) মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এদিকে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, নতুন মৌসুম শুরুর আগে করোনা পরীক্ষা করাতে ক্যাম্প ন্যুয়ে হাজির হবেন মেসি। এরপর সেখানে অনুশীলনেও করবেন। ফলে বার্সার বোর্ড কিছু সময় পাচ্ছে মেসির সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর।

আপাতত দেখে নেওয়া যাক, যে কয়বার বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েও মত বদল করেন মেসি।

২০১৪: টাটা মার্টিনোর মেয়াদ

২০১৩/১৪ মৌসুমে অসুস্থ টিটো ভিলানোভার বদলে বার্সার কোচের দায়িত্বে নেন টাটা মার্টিনো। সেই মৌসুমটা মেসির জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। টানা ইনজুরি, দলের বাজে ফর্ম, কোপা দেল রের ফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোবিহীন রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হার, চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নেওয়া এবং ক্যাম্প ন্যুয়ে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের লা লিগার শিরোপা উৎসব সবমিলিয়ে বরদাশতের বাইরে চলে গিয়েছিল।

সেবার মৌসুম শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ আগে প্রয়াত ভিলানোভাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মেসি এবং সেখানেই ক্লাব ছাড়ার ব্যাপারে সাবেক গুরুর কাছে পরামর্শ চান তিনি। তবে ভিলানোভা তাকে থেকে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বিষয়টি পরে প্রকাশ্যে আনেন ভিলানোভার সাবেক সহকারী জর্দি রোরা।

২০১৬: ট্যাক্স সমস্যা

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর, ট্যাক্স সংক্রান্ত ঝামেলায় জড়িয়ে বিচারের মুখোমুখি হন মেসি। বিষয়টা স্পেনে রীতিমত ঝড় তুলেছিল। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে মেসি নিজেই জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর বার্সা নয়, বরং স্পেন ছাড়ারই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। তার সঙ্গে সেসময় অন্যায় করা হয়েছিল বলে বিশ্বাস তার। বেশ কয়েকটি ক্লাব থেকে প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি।

তবে সেবার সুয়ারেস ও নেইমারের সঙ্গে দুর্দান্ত এক ত্রয়ী গড়ে উঠেছিল। এই ত্রয়ীর সাফল্যে ভর করে সেবার ডাবল জিতে যায় বার্সা। ফলে কর ফাঁকির মামলায় লিওনেল মেসি ও তার বাবা হোর্হে হোরাসিও মেসির ২১ মাসের জেলের সাজা হওয়া সত্ত্বেও বার্সা ছাড়েননি তিনি। তবে এধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে (যদি হিংস্র না হয়) স্পেনের আইন অনুযায়ী সাজার মেয়াদ দুই বছরের কম হলে সাধারণত জেলে যেতে হয় না।

২০১৬: আর্জেন্টিনাকে বিদায়

২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে পেনাল্টি শুট আউটে চিলির কাছে হারার পর মন ভেঙে যায় মেসির। পরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘(ম্যাচ শেষে) ড্রেসিং রুমে গিয়ে আমার মনে হয়েছিল জাতীয় দলের হয়ে আর নয়। এটা শুধু আমার জন্য নয়, দলের জন্যই এবং আমি এখন এমনটাই অনুভব করছি। আমি আর্জেন্টিনার হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু এমনটা হয়নি, আমি এটা অর্জন করতে পারিনি। ’

তবে সেপ্টেম্বরেই ফের জাতীয় দলে ফিরে আসেন মেসি। নতুন কোচ এদোয়ার্দো বাউসা এবং দলের তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। এরপর ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও স্বেচ্ছা অবসরে চলে যান মেসি। কিন্তু পরে ঠিকই ফিরে আসেন। এসব কারণেই বার্সা সমর্থকরা এখনও আশায় আছেন, প্রিয় ক্লাব ছেড়ে যাবেন না তিনি।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মেসিকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে ম্যানসিটি!

বার্সেলোনা ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে ফুটবলবিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মেসি। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সেরা খেলোয়াড়কে পাওয়ার লড়াইয়ে এরইমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছে বেশ কয়েকটি জায়ান্ট ক্লাব।

এর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। সিটিজেনরা নাকি মেসিকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রস্তাবও দিয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র রিপোর্ট অনুযায়ী, মেসির জন্য ৫ বছর মেয়াদী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইংলিশ জায়ান্টদের মালিকপক্ষ নাকি মেসিকে ৩ বছর ইতিহাদে রাখতে চান। বাকি ২ বছর তাদের মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব নিউইয়র্ক সিটি এফসিতে খেলাতে চান।

মেসি প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্টদের ঘরে যাবেন, এমন গুঞ্জন তার বার্সা ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শোনা যাচ্ছে। এরইমধ্যে নাকি সিটির বর্তমান বস ও সাবেক বার্সা কোচ পেপ গার্দিওলার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনাও শুরু করে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। দুজনের পুরনো সম্পর্ক এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসির প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার সম্ভাবনার পালে নতুন লেগেছে গতকাল বুধবার তিনি ইনস্টাগ্রামে ম্যানসিটিকে ফলো করা শুরু করে দেওয়ার পর থেকে। অন্যদিকে ‘এএস স্পোর্টস’র রিপোর্ট অনুযায়ী, সিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরো নিজের ইনস্টাগ্রাম আইডি ‘kunaguero10’ থেকে পাল্টে শুধু ‘kunaguero’ রেখেছেন। দেখার বিষয় হচ্ছে, মেসি ও আগুয়েরো দুজনেই পুরনো বন্ধু ও জাতীয় দলের সতীর্থ এবং দুজনের জার্সি নম্বরও একই (১০)।

মঙ্গলবার এক ব্যুরোফ্যাক্সের (প্রত্যায়িত পত্র) মাধ্যমে বার্সা ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন মেসি। কোনো ঝামেলায় না জড়িয়ে বিনা ট্রান্সফার ফি’তেই ক্লাব ছাড়ার অনুমতি চেয়েছেন মেসি। বর্তমান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতি মৌসুম শেষে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ক্লাব ছাড়ার সুযোগ আছে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সামনে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, এই ক্লজ কেবলমাত্র মৌসুম শেষের ২০ দিন আগে প্রযোজ্য হওয়ার কথা। অর্থাৎ গত ১০ জুন শেষ হয়ে গেছে এই সুযোগ।

কিন্তু করোনা মহামারির কারণে মৌসুম শেষ হতে আগস্ট মাসের প্রায় শেষ পর্যন্ত লেগে যায়। নতুন মৌসুমও শুরু হয়নি। ফলে মেসি এই যুক্তি দেখিয়েই ফ্রি এজেন্ট হিসেবে যেতে চাইছেন। এজন্য সময়মতো বুরোফ্যাক্স পাঠিয়েছেন যেন প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায়। কিন্তু বার্সা চাইছে আগের ক্লজ অনুসরণ করতে। অর্থাৎ মেসিকে যেতে হলে রিলিজ ক্লজের ৭০০ মিলিয়ন পরিশোধ করতে হবে। তাদের যুক্তি, ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকা চুক্তি এরইমধ্যে কার্যকর হয়ে গেছে। এই নিয়েই এখন আইনি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

মেসি যেতে চান ম্যানসিটিতে, পিএসজিকে জানিয়ে দিলেন বাবা

আসছে গ্রীষ্মে ম্যানচেস্টার সিটিতেই যেতে চান লিওনেল মেসি, প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) জানিয়ে দিলেন তার বাবা। এমনটি জানিয়ে ব্রিটিশ মিডিয়া ডেইলি মেইল।

এর আগে সবাইকে হতবাক করে গত মঙ্গলবার বার্সেলোনা ছাড়ার কথা জানান মেসি। যেখানে কাতালান জায়ান্টদের হয়ে ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ৬০০’র বেশি গোল করেছেন তিনি।

খবরে জানা যায়, এই মৌসুমেই ফ্রি এজেন্ট হিসেবে বার্সা ছাড়তে চান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এদিকে ফরাসি সংবাদমাধ্যম এল’কুইপে জানায়, মেসিকে দলে ভেড়াতে তার বাবা জর্জের দারস্থ হয়েছে পিএসজি। তবে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন মেসি ম্যানসিটিতেই যেতে চান। পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ডিরেক্টর লিওনার্দোকে জর্জ ফোনে জানিয়েছেন, মেসি ইতোমধ্যে তার পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন।

এই ঘটনার পর অবশ্য মেসির প্রতি আগ্রহ থাকা বেশ কয়েকটি ক্লাব ধাক্কা খেয়েছে। এদের মধ্যে ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলান ও জুভেন্টাসও রয়েছে।

এর আগে লিভারপুল ও বায়ার্ন নিজেদের এই প্রতিযোগিতা থেকে তুলে নিয়েছে। তারা জানিয়েছে মেসিকে কেনার মতো তাদের সামর্থ্য নেই।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্বপ্নভঙ্গ নেইমারদের, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ঘরে তুললো বায়ার্ন মিউনিখ

ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের সমৃদ্ধ ইতিহাসে আরও একটি পতাকা গাড়ল হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।

পিএসজিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ঘরে তুলে নিল বায়ার্ন মিউনিখ।

রবিবার রাতে জার্মান জায়ান্টরা ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়েছে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি)।
প্রথমার্ধে গোল মিসের মহড়ায় নামা দুই দল দ্বিতীয়ার্ধে গোছানো ফুটবল খেলার চেষ্টা করলেও প্রথম ১০ মিনিটে সেই একই অবস্থা দেখা গেছে। মাঝমাঠে কেউই একটানা দুই থেকে তিনটি পাসের বেশি খেলতে পারেনি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে বায়ার্ন। তাদের ‘ফাইনাল ফোর’ অর্থাৎ আক্রমণ ভাগের শেষ চারজন পিএসজির বক্সের নিচে পজিশন অদল-বদল করে প্রচুর ক্রস পাস খেলতে থাকেন। ফল আসে ৫৯তম মিনিটে। সময় যত বেড়েছে পিএসজি দিশেহারা হয়েছে তত বেশি। শেষ দিকে নেইমারকে সঙ্গে নিয়ে এমবাপে বার কয়েক সুযোগ সৃষ্টি করেছিলেন ঠিকই, তবে তা ছিল ঘোর অন্ধকারে পথ খুঁজে ফেরার নামান্তর!

ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে কিংসলে কোম্যানের দেওয়া গোল আর শোধ করতে পারেনি প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পিএসজি। এই ব্যবধান ধরে রেখে শিরোপা জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।

বায়ার্নের এটি ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। এর আগে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০১৩ সালে, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে। সেই সঙ্গে বাভারিয়ান চ্যাম্পিয়ন লিগ জয়ের দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেলেছে গত আসরের শিরোপাজয়ী লিভারপুলকে। ছয়টি শিরোপার মালিক লিভারপুল-বায়ার্নের ওপরে আছে কেবল এসি মিলান (৭) এবং রিয়াল মাদ্রিদ (১৩)।

বাভারিয়ানরা ২০১৯/২০ মৌসুমে স্বপ্ন পূরণ করেছে ট্রেবল জয়ের।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন