অ্যামাজনের প্রায় ২০ হাজার কর্মী করোনা আক্রান্ত

মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮০০ জন অ্যামাজন কর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে অ্যামাজনের পক্ষ থেকে।

আমেরিকার প্রায় ৬৫০ শহরে ছড়িয়ে রয়েছে অ্যামাজনের ব্যবসা। বিভিন্ন পরিষেবা মিলিয়ে প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজার জন কাজ করেন ওই প্রতিষ্ঠানে।

সম্প্রতি ওই প্রতিষ্ঠানের কিছু লজিস্টিক সেন্টারের কর্মীরা কোভিড নিয়ে নিরাপত্তা ব্যাপারে সংস্থার পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন। ওই কর্মীদের অভিযোগ, সহকর্মীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর ঠিক মতো জানানো হচ্ছে না তাদের। এরপরই বিবৃতি দিয়ে আক্রান্তের বিষয়টি জানানো হল অ্যামাজনের পক্ষ থেকে।
বিবৃতিতে অ্যামাজনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘করোনার মহামারির শুরু থেকেই আমরা কর্মীদের সচেতন করে চলেছি। নতুন সংক্রমণের খবর পেলেই বিল্ডিংয়ের সকলকে সে ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে।

তবে নিজেদের কর্মীদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার হার কম বলেই মনে করছে অ্যামাজন। তাদের মতো, আমেরিকার সাধারণ জনগণের মধ্যে যে সংক্রমণ হারে রয়েছে, তা থাকলে ৩৩ হাজারের বেশি কর্মী আক্রান্ত হতেন বলে জানিয়েছে তারা।

ওয়ালটনের ইউরোপ জয়

দেশের রপ্তানি খাতে একের পর এক চমক সৃষ্টি করে চলেছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলোতে বাড়ছে ওয়ালটন পণ্যের রপ্তানি।

এরই ধারাবাহিকতায় ইউরোপের পঞ্চম জনবহুল দেশ পোলান্ডে টেলিভিশন রপ্তানি শুরু করলো ওয়ালটন। দেশটির জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘অপটিকাম’-এর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই পোলান্ডে টিভির প্রথম শিপমেন্ট পাঠিয়েছে ওয়ালটন। এর ফলে ইউরোপে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।

জানা গেছে, ওয়ালটনের ইউরোপ জয়ের লক্ষ্যে শুরু থেকেই ছিলো ব্যাপক পরিকল্পনা। দেশের বাজারে শীর্ষস্থান অর্জনের পর ওয়ালটনের পরিকল্পনা ছিলো বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করা। পোল্যান্ডে টেলিভিশন রপ্তানির মধ্য দিয়ে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশে তৈরি ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম আরো গতি পেল।

সম্প্রতি পোলান্ডের ব্র্যান্ড ‘অপটিকাম’-এর সঙ্গে এ বিষয়ে ওয়ালটনের একটি চুক্তি হয়। রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, ওয়ালটন টেলিভিশন বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোস্তফা নাহিদ হোসেন এবং ওয়ালটনের ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বিজনেস হেড তাওসীফ আল মাহমুদ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পোলান্ড থেকে যোগ দেন ‘অপটিকাম’-এর সিইও রিচার্ড গ্র্যাবসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ওয়ালটনের ইউরোপিয়ান বিজনেস হেড তাওসীফ আল মাহমুদ বলেন, মধ্য ইউরোপের কেন্দ্রে অবস্থিত পোল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। ৩৮ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ পোল্যান্ড ‘নতুন’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে একক বৃহত্তম বাজার। এই রপ্তানির সুবাদে শুধু পোল্যান্ডই নয়, ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ওয়ালটনের পণ্য ব্যাপকভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করা সহজ হবে।

সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ পোল্যান্ডের বাজারে ওয়ালটনের তৈরি টেলিভিশন পাওয়া যাবে। এছাড়াও ‘অপটিকাম’ পোল্যান্ডে ওয়ালটন পণ্য অনলাইনে বিক্রয় কার্যক্রমেও পার্টনার হিসাবে ভবিষ্যতে কাজ করার আশা প্রকাশ করেছে।

ওয়ালটন টেলিভিশন বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোস্তফা নাহিদ হোসেন বলেন, পারস্পারিক ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসাবে ‘অপটিকাম’ এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন। এছাড়াও পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী বছরের মধ্যে ইউরোপের বাজারে ১ লাখ ইউনিট টেলিভিশন রপ্তানির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়ালটন টেলিভিশনের গবেষণা ও উন্নয়ণ (জ্উ), বিভাগ গ্রাহকের আস্থা অর্জনে পণ্যের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সিই (ঈঊ) কম্পøায়েন্স নিশ্চিত করার জন্য সর্বাধুনিক ইউরোপীয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে তারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও ইউরোপীয় নীতিমালা অনুযায়ী ওয়ালটন পণ্যে আরওএইচএস (জঙঐঝ), আরইএসিএস (জঊঅঈঐ) এবং ইকো ফ্রেন্ডলি ডিজাইন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগারের মাধ্যমে মান যাচাইয়ের পাশাপাশি ওয়ালটনের নিজস্ব ল্যাবে পণ্যের কোয়ালিটি এবং রিলায়েবিলিটি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ওয়ালটনের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম বলেন, বর্তমানে আমরা ইউরোপের বাজারে ওয়ালটনের উপস্থিতি এবং গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে কাজ করছি।

এক সময় ওয়ালটনের স্মার্ট টিভি, রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারের মতো পণ্য ছাড়াও আইটি, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স ও এলইডি লাইটিং পণ্যও পশ্চিম এবং পূর্ব ইউরোপ জুড়ে পাওয়া যাবে। এই দেশগুলোতে ওয়ালটন পণ্য পৌঁছাতে পোল্যান্ডকে সেতু হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এভাবেই ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ব্র্যান্ডের কাতারে উঠে আসার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে ওয়ালটন।

এর আগে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর জন্য স্মার্ট টিভি তৈরিতে গুগলের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করেছে ওয়ালটন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একমাত্র উৎপাদনকারী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ডলবি’র লাইসেন্স পেয়েছে ওয়ালটন। এর ফলে ওয়ালটন টেলিভিশন বিশ্ববাজারে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে।

তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ছাড়িয়েছে ৩ বিলিয়ন ডলার

আগস্টে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ছাড়িয়েছে ৩ বিলিয়ন ডলার। হয়েছে ৩২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ ডলার যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৪ শতাংশ বেশি।

গেল অর্থবছরের আগস্ট মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ২২৩ কোটি ৯লাখ ৯০ হাজার ডলার। বিজিএমইএ সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই আশংকাজনক ভাবে কমতে থাকে তৈরি পোশাকের রপ্তানি।

মার্চে তা ২৭ শতাংশ কমার পর এপ্রিলেও কমে ৮৫ শতাংশ। আর মে মাসে প্রায় ৬৩ শতাংশ। তবে জুন থেকেই রপ্তানিতে কিছুটা ঘুরে দাড়ানোর ইঙ্গিত মেলে।

করোনা ও বন্যায় অস্তিত্ব সংকটে তাঁতশিল্প; ১ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রদান জরুরী


শাহজাদপুরে তাঁতীদের ৫’শ কোটি টাকার ক্ষতি !

করোনা ভাইরাস ও সাম্প্রতিক বন্যায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে দেশের তাঁতশিল্পের কেন্দ্রবিন্দু শাহজাদপুরের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে তাঁতীরা হারিয়েছে তাদের পুঁজি। আর বন্যায় তাঁত কারখানার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পোকামাকড় কেটেছে কাপড়, তেনাসহ সরঞ্জমাদি। এসব কারণে শাহজাদপুরের তাঁতশিল্পে প্রায় ৫’শ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। গত ৫ মাস ধরে বন্ধ থাকা তাঁত পুঁজি ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে চালু করতে না পারায় ১ লাখেরও বেশী তাঁতী ও শ্রমিকের লোকসান দিনদিন বেড়েই চলেছে।

জানা গেছে, তাঁতসমৃদ্ধ শাহজাদপুরে ১ লাখেরও বেশি পাওয়ারলুম ও ৫০ হাজারের বেশি হ্যান্ডলুম (চিত্তরঞ্জন) রয়েছে। করোনা ও বন্যার কু-প্রভাবে গত ৫ মাসে এলাকার প্রায় ৮০/৯০ হাজার তাঁতই বন্ধ রয়েছে। এতে ১ লাখেরও বেশি তাঁতী ও শ্রমিক বেকায় হয়ে মানবেতরভাবে দিন কাটাচ্ছে। এ মন্দাবস্থার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শাহজাদপুরের অন্য সকল ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের ওপর। শাহজাদপুরের তাঁতপল্লীতে তৈরি উন্নতমানের বাহারি ডিজাইনে শাড়ি, লুঙ্গি, ধুতি, থ্র্রি-পিছ এবং গামছা দেশে তাঁতবস্ত্রের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে আসছে। ভারতসহ বহির্ঃবিশে^র বেশ কয়েকটি দেশেও বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার তাঁতবস্ত্র রফতানি হয়ে আসছে। উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শাহজাদপুর কাপড়ের হাটে তাঁতবস্ত্রের আমদানিকারক, দেশি ক্রেতা, ব্যাপারী ও পাইকারের আগমন শুণ্যপ্রায় হওয়ায় করোনার ক্রান্তিকালের পূর্বে উৎপাদিত তাঁতবস্ত্রের মজুদ অবিক্রিত অবস্থায় রয়েছে। নিরূপায় হয়ে অনেক তাঁতী মজুদকৃত তাঁতবস্ত্র সোহাগপুর, এনায়েতপুর, আতাইকুলা, পোড়াদহ, করটিয়া, বাবুর হাট ও গাউসিয়া হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে গিয়েও ক্রেতার অভাবে তা বিক্রি করতে পারছে না। ফলে তারা পুঁজিশূণ্য হয়ে প্রতিনিয়ত হাঁ-হুতাশ করছে। নতুন করে কাঁচামাল ক্রয়, বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁত ও তাঁতকারখানা মেরামত, তাঁতী ও শ্রমিক পরিবারে জীবিকা নির্বাহ, ঋণের কিস্তি ও সুদের ঘানি টানতে গিয়ে দিনে দিনে অথৈ ঋণের মরণ জালে তাঁতীরা আটকা পড়ছে। ফলে দেশের সর্ববৃহৎ কুঁটির শিল্প ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পে অস্তিত্ব সংকটাবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

সরেজমিন পরিদর্শকালে শাহজাদপুর পৌর এলাকার তাঁতপল্লী রূপপুর নতুন পাড়া ও উরির চর মহল্লার মৃত বছির উদ্দিনের ছেলে প্রান্তিক তাঁতী বৃদ্ধ রহমত আলী (৭০) কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন, ‘২টি তাঁত বন্ধ থাকায় ৪ সদস্যের পরিবারের জীবন থমকে দাঁড়িয়েছে। ছেলের উচ্চশিক্ষাও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ৫ মাসে তার ১ লাখ টাকা লোকসান হওয়ায় পুঁজিশুণ্য ও ঋণগ্রস্থাবস্থায় অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।’ একইভাবে গত ৫ মাসে এ মহল্লার মৃত আমান মুন্সীর ছেলে শফিকুল ইসলামের ১৬টি তাঁত বন্ধ থাকায় ১০ লাখ টাকা, রূহুল আমিনের ১২টি তাঁত বন্ধ থাকায় ৫ লাখ টাকা, নুরু মিয়ার ছেলে শাহান আলীর ১৪টি তাঁত বন্ধ থাকায় আড়াই লাখ টাকা, আলম কাজীর ১০টি হ্যান্ডলুম ও ৮টি পাওয়ারলুম বন্ধ থাকায় ৬ লাখ টাকা, আব্দুর রহিমের ২টি পাওয়ারলুম বন্ধ থাকায় ১ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। হাতে টাকা না থাকায় এসব তাঁতী তাদের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা ও তাঁত মেরামত ও কাঁচামাল কিনে তাঁত চালু করতে পারছেন না। এ করুণাবস্থা শুধু এসব তাঁতীদের নয়, শাহজাদপুরের সকল তাঁতীই অর্থ সংকটে পড়েছে। ফলে তাদেরও লোকসানের হার উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে।

এসব বিষয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে শাহজাদপুর হ্যান্ডলুম ও পাওয়ারলুম এসোসিয়েশনের আহবায়ক তাঁতী নেতা হাজী নজরুল ইসলাম চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা প্রকাশ করে জানান, ‘ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প ও তাঁতীদের এমন করুণ দশা জীবদ্দশায় কখনও দেখিনি। এ দুরবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই শিল্পটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে ও সর্বশান্ত হয়ে যাবে এলাকার লাখ লাখ তাঁতী।’

এদিকে, বাংলাদেশ স্পেশালাইজ টেক্সটাইল এন্ড পাওয়ারলুম ইড্রাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশসের উত্তরাঞ্চলের পরিচালক ও সিরাজগঞ্জ জেলা তাঁত মালিক সমিতির সভাপতি কেন্দ্রীয় তাঁতী নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হায়দার আলী আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, এক সময়ে দেশিয় তাঁতে তৈরি মসলিন জগৎ জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলো। মসলিন তৈরির পথকে চিরতরে রূদ্ধ করতে বৃট্রিশ বোনিয়ারা তাঁতীদের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে দিয়ে নীল চাষে বাধ্য করলেও ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প তখনও টিকে ছিলো। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রভাব ও এবারের বন্যায় এলাকার তাঁতীদের ক্ষতি সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। গত ৫ মাসে শাহজাদপুরের তাঁতীদের কমপক্ষে ৫’শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিলুপ্তির হাত থেকে তাঁতশিল্পকে রক্ষায় প্রান্তিক তাঁতীদের মাঝে সরকারিভাবে কমপক্ষে ১ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋণ প্রদান অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে।’

স্যামসাং ব্রান্ডের সব ধরনের মোবাইল ফোনসহ নানা এক্সেসরিজ পাওয়া যাবে


শাহজাদপুরে স্যামসাং মোবাইল শো-রূমের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র মনিরামপুর বাজারের সিরাজ প্লাজা’য় ইন্টারন্যশনাল কোরিয়ান ব্রান্ড স্যামসাং কোম্পানির মোবাইল ফোনের শো-রূমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে৷ গতকাল সোমবার দুপুরে ‘স্যামসাং স্মার্ট জোন’ নামের এ শো-রূমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন সিরাজ প্লাজার মালিক বিশিষ্ট শিল্পপতি হাজী সিরাজুল ইসলাম। উদ্বোধনী এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী হায়দার আলী, স্যামসাং কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার ফিরোজ অাহমেদ, সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আল মামুন রানা, শাহজাদপুর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিন আকন্দ প্রমূখ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্যামসাং স্মার্ট জোন শো-রূমের প্রোপাইটর মোঃ সেলিম রেজা।

জানা গেছে, এখন থেকে উক্ত শো-রূমে স্যামসাং ব্রান্ডের সব ধরনের মোবাইল ফোন ও ব্যাটারি, চার্জার, হেডফোন ও পাওয়ার ব্যাংকসহ নানা এক্সেস রিজ পাওয়া যাবে।

স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে ব্যাংকিং খাত

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমছে এমন কোনো লক্ষণ না থাকলেও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে দেশের ব্যাংকিং খাত।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বুধবার (১৯ আগস্ট) থেকে সাধারণ সময়ের মতো ব্যাংকের শাখা খোলা রাখা ও কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে।

মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে কর্মীদের বাঁচাতে চলতি বছরের ২৬ শে মার্চ যে রোস্টার ব্যবস্থায় দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল তা তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে ব্যাংকগুলোকে সাধারণ সময়ের মতো ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে কয়েকটি ব্যাংকের শাখা ঘুরে দেখা গেছে, শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংকার ও গ্রাহকরা লেনদেন করছেন।
সোনালী ব্যাংক স্থানীয় শাখায় গিয়ে দেখা গেছে, গ্রাহকরা নির্ধারিত শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক ব্যবহার করে লেনদেনের জন্য অপেক্ষা করছেন।

সেখানে রাশেদুল কবির খান নামের এক গ্রাহক বলেন, করোনা ভাইরাস কবে যাবে তার কোনো ঠিক নাই। জীবন ধারণ তো থেমে থাকবে না, স্বাভাবিক হতেই হবে।
সোনালী ব্যাংকের লোকাল শাখার ডেপুটি মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। যেসব কার্যক্রম না চালালেই নয়, সেগুলো সব সময় চালু ছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক করোনা ভাইরাস সংক্রমিত কর্মীরা একটি মেডিক্যাল সনদ জমা দিয়ে বাড়িতে থাকতে পারবেন। একই সুবিধা পাবেন গর্ভবতী নারী কর্মীরাও।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবশ্য ব্যাংকের শাখাগুলোতে কাজ করার সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুসরণ নিশ্চিত করতে বলেছে।

এছাড়াও ব্যাংকগুলোতে নিয়মিত সভা করতে এবং ব্যাংকারদের বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রূপালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার এহতেশামুজ্জামান বলেন, সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার আগেই রূপালী ব্যাংক সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করে আসছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

লাখ লাখ গবাদীপশু নিয়ে খামারিরা বিপাকে


করোনা ও বন্যায় শাহজাদপুরের গো-শিল্প সংকটে !

করোনার ক্রান্তিকাল ও বন্যায় গবাদীপশুর রাজধানী খ্যাত শাহজাদপুরের হাজার গো-খামারিরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছে। এলাকায় প্রতিদিন উৎপন্ন লাখ লাখ লিটার দুধ ও পালিত গবাদী পশুকে নিয়ে তারা উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় পড়েছেন। করোনার প্রকোপে তরল দুধের চাহিদা কমে যাওয়ায় মিল্কভিটাসহ শাহজাদপুরের ১৪টি বেসরকারি ডেইরি প্রজেক্টে দুধ সংগ্রহ কমিয়ে দেয়া হয়েছে। গত কোরবানির ঈদে গো-খামারি, চাষি ও মওসুমি ব্যবসায়ীদের লালিত গবাদীপশুর চাহিদা, বেচাবিক্রি কম হওয়ায় এবং ন্যায্য দাম না পাওয়ায় এলাকার গো-খামারি, চাষি ও ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছেন। অন্যদিকে, বন্যায় কাঁচা ঘাসের তীব্র সংকটে দানাদার গো-খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে শাহজাদপুরের অনেক গো-খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। ফলে শাহজাদপুরের লাখ লাখ গবাদীপশু নিয়ে খামারিরা মহাবিপাকে পড়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বাঘাবাড়ী মিল্কশেড এরিয়ায় দৈনিক প্রায় ৪ লাখ লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। এর সিংগভাগই বাঘাবাড়ির মিল্কভিটা কারখানায় ও অবশিষ্টাংশ বিভিন্ন বেসরকারি ডেইরি প্রজেক্টের কুলিং সেন্টারে এবং ঘোষেরা সংগ্রহ করে থাকে। শাহজাদপুরের ভরপুর গো-সম্পদের ওপর নির্ভর করে শাহজাদপুরসহ আশপাশে মিল্কভিটা ছাড়াও প্রাণ, আকিজ, আফতাব, ব্র্যাক ফুড (আড়ং), অ্যামোফ্রেস মিল্ক, আড়ং দুধ (ব্র্যাক), ফার্মফ্রেস, রংপুর ডেইরি, ইছামতি ডেইরি, সেফ মিল্ক কোয়ালিটি, বিক্রমপুরসহ ১৪টি বেসরকারি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এ অঞ্চলে আঞ্চলিক ও শাখা দুগ্ধ সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। সম্ভাবনাময় এ শিল্পকে ঘিরে শাহজাদপুর ছাড়াও পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবারের জীবীকার পথ হিসেবে গরু পালন ও দুধের ব্যবসা হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। গো-শিল্পটি লাভজনক হওয়ায় অঞ্চলে গড়ে ওঠা গো-খামারের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এ অঞ্চল থেকে সংগৃহিত দুধ নানা প্রক্রিয়ায় দুগ্ধজাত খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে সারাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু করোনার ক্রান্তিকালে তরল দুধের চাহিদা কমে যাওয়ায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দুধ সংগ্রহের পরিমান কমিয়ে দিয়েছেন। মিষ্টি ও চায়ের দোকানিরাও বর্তমানে আগের মতো দুধ কিনছেন না। ফলে উৎপন্ন দুধ নিয়ে খামারিরা বিপাকে পড়েছেন। বন্যার মধ্যে অনেক খামারি নৌকাযোগে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে কম দামে দুধ বিক্রি করছে। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠাগুলো দুধ সংগ্রহ কমিয়ে দেয়ায় এ অঞ্চলের দুগ্ধশিল্পে নেমে আসে বিপর্যয়। খামারি জানান, ঈদুল ফিতরের পর দুধের দাম কমতে থাকলেও গো-খাদ্যের দাম উল্টো বেড়ে চলেছে। বন্যায় সেই বর্ধিত দামে ফের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ১ হাজার ২৫০ টাকা দামের ৩৭ কেজি ওজনের ভুসির বস্তার দাম ঈদুল ফিতরের পরে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৪২০ টাকা। ৩০০ টাকা মণের খড়ের দাম হয়েছে ৫০০ টাকা। খৈল, চিটাগুড়সহ সব ধরনের গো-খাদ্যের দামই লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিরা চোখেমুখে অন্ধকার দেখতে শুরু করেছেন। খামারিরা এ দুঃখ দুর্দশার কথা বলতেও পারছেন না আবার সইতেও পারছেন না।

ওকলা টেস্টে দ্রুততম নেটওয়ার্কের স্বীকৃতি পেল বাংলালিংক

ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘ওকলা’ পরিচালিত নিরীক্ষায় চলতি বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের দ্রুততম নেটওয়ার্ক ‘স্পিডটেস্ট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে বাংলালিংক।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলালিংক জানায়, ওকলা ‘স্পিডটেস্ট অ্যাপ’ ব্যবহারকারীদের থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবারের স্পিডটেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে বাংলালিংকের স্পিড স্কোর ১৫.০৯। স্পিডটেস্ট অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ফলাফল সংগ্রহ করে ওকলা।

অপারেটরটি জানায়, সম্প্রতি বাংলালিংক বাঘের ডোরাযুক্ত লোগোটি নতুনভাবে প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশিদের সাহস ও জয়ের অদম্য স্পৃহার এই প্রতীক গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিতে বাংলালিংকের দৃঢ় প্রতিজ্ঞাকেও প্রতিফলিত করে।

বাংলালিংক চিফ কমার্শিয়াল অফিসার উপাঙ্গ দত্ত বলেন, “গ্রাহকদের উন্নতমানের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিশেষ এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে আমরা বাংলালিংকের লোগোকে নতুনভাবে প্রকাশ করেছি। এটি ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রিক টেলিকম অপারেটর হিসেবে আমাদের অগ্রগতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অপার সাহস ও জয়ের স্পৃহাকে উপস্থাপন করে।”

বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অফিসার পিয়েরে বউট্রস ওবেইদ বলেন, “গ্রাহকদের সেরা ডিজিটাল সেবা দিতে আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের স্বীকৃতি এই পুরস্কার। দেশের বেসরকারি অপারেটরদের মধ্যে গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ পরিমাণ স্পেকট্রাম নিয়ে সাম্প্রতি আমরা আধুনিক অবকাঠামো এবং শক্তিশালী ফোরজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই অসাধারণ অর্জন সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ এবং গ্রাহক সেবায় নিবেদিত আমাদের সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে।”

‘ওকলা’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ডোগ সাটলস বলেন, “বাংলাদেশের দ্রততম মোবাইল নেটওয়ার্ক হিসেবে বাংলালিংককে স্বীকৃতি দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই স্বীকৃতি বাংলালিংকের অনবদ্য পারফরম্যান্সের ফলাফল। ২০২০ সালের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ‘স্পিডটেস্ট’ গ্রাহকদের পাওয়া ফলাফল গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় রাঙামাটিতে বসল পিসিআর ল্যাব

নতুন করোনাভাইরাস প্রতিরোধ প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

প্রতিষ্ঠানটির ৬৯ লাখ টাকার অনুদানে ভর করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এই ল্যাবটি স্থাপন করা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

রাঙামাটি সদর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার ল্যাবটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা, জেলা প্রশাসক (ডিসি) একেএম মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

জেলার করোনা ফোকাল পার্সন ডা. মোস্তফা কামাল জানান, ল্যাবটি পরিচালনা করার জন্য একজন ভাইরোলজিস্ট এবং তিনজন মেডিক্যাল ল্যাব সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ল্যাবের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে আউটসোর্সিং প্রকল্পের মাধ্যমে স্বল্প মেয়াদী কিছু লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

ল্যাব উদ্বোধন হলেও এর কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি ছিল জেলাবাসীর। কারণ এ অঞ্চলটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে আনা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

দুর্গম ৩১ দ্বীপে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উচ্চগতির ইন্টারনেট

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যেসব স্থানে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ খুবই জটিল বা ফাইবার অপটিক কেবল নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, সেসব দ্বীপে যাচ্ছে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট।