শাহজাদপুরে বস্ত্র ব্যবসায়ীর উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

শাহজাদপুর উপজেলা ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির সদস্য ও দীপা এন্ড দীপ্ত বস্ত্র বিতানের মালিক তপন ঘোষের উপর গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় কর্মচারী পলাশ সাহা (২৫), গোপাল দাস (৩০), চিরঞ্জিত (২৫) ও চন্দন আহত হয়। ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই শাহজাদপুর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান, ওসি (তদন্ত) ফজলে আশিক ও ওসি (অপারেশন) আসলাম হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় দোকানের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে সন্ত্রাসীদের সনাক্ত করা হয়। তৎক্ষনাৎ থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়েরের সঙ্গে সঙ্গে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য থানা পুলিশ ঝটিকা অভিযানে নামে। ঘটনার প্রতিবাদে  সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে ব্যবসায়ীরা দ্বারিয়াপুর বাজার (আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে) দোকান বন্ধ রেখে এক বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনের খবর পেয়ে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে আসামীদের দ্রæত গ্রেফতার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন কর্মসূচি স্থগিত করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মুনছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রনি খান শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আব্দুল মোমিন, ইয়ামিন হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফি প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে। এদিকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, শাহজাদপুর উপজেলা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিন আকন্দ।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান জানান, ঘটনার সংবাদ জানা মাত্রই আমি সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে আসি এবং তারপর থেকেই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অচিরেই আসামী গ্রেফতার হবে এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

শাহজাদপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসি‘র মত বিনিময়

আবুল কাশেম, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) : শাহজাদপুরে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেছেন থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান।  ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে থানার অভ্যর্থনা কক্ষে এ মত বিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মাদক ও জুয়ার সাথে আমার কোন আপোস নাই। আমার প্রথম কাজই হবে শাহজাদপুরকে মাদক মুক্ত করা। মাদক ও জুয়ার সংবাদসহ সমাজে যেকোন অপরাধ সংঘটিত হওয়া মাত্রই অথবা সংঘটিত হওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া মাত্রই তাকে জানানোর জন্য তিনি সাংবাদিকদের আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, পুলিশ বিভিন্ন প্রকার অপরাধীদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলেও আইনের ফাঁক-ফোঁকর দিয়ে তারা বেড়িয়ে এসে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এজন্য সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা পুলিশের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু, এতে তো থেমে থাকা যাবে না। পুলিশি আইন প্রয়োগ করে সমাজকে অপরাধ মুক্ত রাখতে হবে। আমি আন্তরিকভাবে সে চেষ্টা করে যাবো। মত বিনিয়ম সভায় বক্তব্য রাখেন- শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিমল কুমার কুন্ডু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সৈয়দ হুমায়ুন পারভেজ সাব্বির, আসলাম আলী, সাগর বসাক, হাসানুজ্জামান তুহিন, এম.এ জাফর লিটন, আলামিন হোসেন, রাজিব রাসেল প্রমুখ। এ সময় প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শাহজাদপুরে ভুয়া এনজিও কর্মী আটক

বেড়া থানা পুলিশের সহায়তার শাহজাদপুর থানা পুলিশ পিডিএফ নামক ভুয়া এনজিও’র কর্মী নাজমুল রহমান নাইম (২৫) নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে।  মঙ্গলবার সকালে তার বিরুদ্ধে শাহজাদপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত নাজমুল রহমান নাইম পাবনা জেলার আমিনপুর থানার টাংবাড়ি এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে। এদিন দুপুরে তাকে সিরাজগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, প্রতারক নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বাঘাবাড়ী মোল্লাপাড়া মহল্লায় নিজেকে পিডিএফ নামক এনজিওর কর্মী পরিচয় দিয়ে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সদস্য ও আমানত সংগ্রহ করে আসছিলো। একপর্যায়ে গত সোমবার সকালে একই মহল্লার ১০ জন মহিলাকে সদস্য বানিয়ে তাদের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৫’শ টাকা আমানত সংগ্রহ করে পাশর্^বর্তী উপজেলা বেড়ায় চলে যায়। তার কর্মকান্ডে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পিছু নিয়ে বেড়া কানাইবাড়ী মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করে গনধোলাই দিয়ে বেড়া থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে বেড়া থানার এসআই রতন কুমার সরকার ওই প্রতারকে আটক করে শাহজাদপুর থানা পুলিশে হস্তান্তর করে। ধৃত ভুয়া এনজিও কর্মী নাজমুলের কাছ থেকে এসময় পুলিশ ভুয়া এনজিও পিডিএফের ১৩টি সঞ্চয় ও পাস বহি ও নগদ ১৯ হাজার ৫’শ টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাঘাবাড়ী মোল্লাপাড়া মহল্লার মোন্নাফ বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে শাহজাদপুর থানায় প্রতারণার অভিযোগ এনে একটি মামলা করে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর জনসংযোগ দপ্তরের পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন


ইউজিসি’র সাথে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

উচ্চ শিক্ষায় সুশাসন ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাথে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ’র রেজিস্ট্রার মোঃ সোহরাব আলী এবং বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক মোঃ গোলাম সরোয়ার। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি অডিটরিয়ামে চলতি অর্থবছরের চুক্তি সম্পাদন এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের এপিএ’র মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য গত দুইদিন ১ম ও ২য় পর্র্যায়ে ইউজিসি’র সঙ্গে ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারি কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এপিএ প্রবর্তন করা হয়। কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান এর সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ। অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এবং অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। কমিশনের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রারবৃন্দ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে প্রধান অতিথির ভাষণে অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও মানসম্পন্ন প্রশাসন উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উচ্চশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে সুশাসন অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের কষ্টের টাকা কোনক্রমেই অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আইন শৃঙ্খলা মেনে দক্ষ ভূমিকা রাখতে হবে। আইনের ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে ১৯ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, এপিএ’র ফোকাল পয়েন্ট এবং ইউজিসি’র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এর জনসংযোগ দপ্তরের পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ শাহ্ আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছর থেকে ইউজিসি প্রতিবছর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে আসছে।

গ্রাম্য সালিশের ৮ লাখ টাকা এখনও ফেরত পায়নি ভুক্তভোগী আল আমিন


শাহজাদপুরে তথাকথিত হালিম বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ নিরীহ মানুষ

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের দুর্গম এক পল্লীর নাম সন্তোষা। শাহজাদপুর পৌর এলাকা থেকে গ্রামটির অবস্থানগত দুরত্ব খুব বেশি না হলেও নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে আজও আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া লাগেনি এ গ্রামটিতে। এ সুযোগে হত্যার চেষ্টা, হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, বড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, অপহরণসহ একাধিক মামলার আসামি তথাকথিত হালিম বাহিনী’র প্রধান সন্তোষা গ্রামের হযরত আলী মন্ডলের ছেলে রাকিবুল ইসলাম ওরফে হালিম দিনে দিনে সন্তোষা গ্রামকে অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে চলেছে। হালিম বাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নে এ গ্রামের অনেকেই অতিষ্ঠ হয়ে পড়লেও প্রাণভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। তারা হালিম বাহিনীর হাত থেকে মুক্তি চায়।
সরেজমিন পরিদর্শনে উপজেলার সন্তোষা গ্রামের ভীত সন্ত্রস্ত্র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অসংখ্য অসহায় মানুষের অভিযোগ, ‘রূপবাটি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তথাকথিত হালিম বাহিনীর রাকিবুল ইসলাম হালিম গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সন্তোষা গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট ছিলেন। নির্বাচনের পরে আসন্ন রূপবাটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ও পরে ইউনিয়ন যুবলীগের স্বঘোষিত সভাপতি প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালালে এলাকায় চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তথাকথিত হালিম বাহিনীর প্রধান হালিম ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এতে থেকে না থেকে ভিলেজ পলিটিক্সের নামে সন্তোষাসহ পাশর্^বর্তী গ্রামের খেটে খাওয়া অসহায়দের ফাঁসিয়ে জোর করে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। দুর্গম এ পল্লীতে হালিমের নেতৃত্বে সন্তোষা খেয়াঘাট সংলগ্ন স্থানে ও নৌকায় প্রকাশ্যে চলছে মিনি ক্যাসিনো ও জুয়া, উচ্চ সুদের রমরমা ব্যবসা, মাদকের প্রসার, নারী নির্যাতন, বৈদ্যুতিক মিটার ও খেয়াঘাটের ইজারা এনে দেয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায়সহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। হালিমের প্রতারণা থেকেও বাদ পড়েনি এলাকার বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার কার্ড প্রত্যাশী অসহায় দুস্থ মানুষ। গ্রামের নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে মোটা অর্থ আদায়সহ পাশর্^বর্তী গ্রামের সাথে বিবাদ দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাঁধিয়ে দিয়ে পুরো সন্তোষা গ্রামবাসীকে তীব্র ঝূঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে তথাকথিত এ বাহিনী প্রধান হালিম। এদের অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন, প্রতারণা ও অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ টু-শব্দ করতে সাহস পায়না। করলেই তার ওপর নেমে আসে এদের নানা জুলুম, অত্যাচার আর নির্যাতন। সম্প্রতি একই ইউনিয়নের চর আন্দারমানিক গ্রামের আল আমিন নামের এক সরকারি চাকরিজীবীকে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ফাঁসিয়ে জোর করে ৮ লাখ টাকা আদায় করলে প্রথমবারের মতো হালিম ও তার সহযোগীদের কু-কর্মের বিরুদ্ধে আইজিপি অফিসে লিখিত অভিযোগে মুখ খোলেন আল আমিন নামের ওই চাকরিজীবী। এ খবর জানতে পেরে হালিম বাহিনী বাদী আল আমিনের বড় ভাই মোহাম্মদ আলীকে রাতের আঁধারে বেড়ী বাঁধে ডেকে নিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে অভিযোগ তুলে নিতে বলেন। অন্যথায় আব্দুর রাজ্জাক ও পেশকার মোল্লার মতো তাকেও এলাকাছাড়া করার ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
আইজিপি অফিসে দাখিলকৃত অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার পদে কর্মরত বাদী মোঃ আল আমিনের ওপর মিথ্যা দোষ চাপিয়ে বে-আইনী ভাবে ৩ দফায় ৮ লাখ টাকা আদায় করে তথাকথিত হালিম বাহিনীর প্রধান রাকিবুল ইসলাম ওরফে হালিম ও তার দলবল। তথাকথিত হালিম বাহিনী কর্তৃক বে-আইনীভাবে আদায় করা ওই ৮ লাখ টাকা ফেরত, ন্যায় বিচার ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ভুক্তভোগী আল আমিন অভিযোগটি করলে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) ফাহমিদা হক শেলী’র তত্বাবধানে এসব অভিযোগের বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনও ওই ৮ লাখ টাকা ফেরত পায়নি ভুক্তভোগী আল আমিন।
এ বিষয়ে রাকিবুল ইসলাম ওরফে হালিমের মুঠোফোনে জানান, ‘তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মিথ্যা। তিনি কাউকে ভয়ভীতি দেখানটি বা কারও ওপর অত্যাচার নির্যাতন করেন নি।’
অপরদিকে, এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) ফাহমিদা হক শেলী বলেন,‘এ বিষয়ে পুলিশী তদন্ত চলছে।

শাহজাদপুরে এমপি স্বপনের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এমপি আলহাজ¦ হাসিবুর রহমান স্বপনের রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।  শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু পরিষদ উপজেলা শাখার আয়োজনে পরিষদ কার্যালয়ে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি উপাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বাবলার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মোঃ জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান । বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বিনয় পাল, সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম সাকলাইন প্রমূখ। এ সময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান তালুকদার, সাবেক জিএস আরিফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আশিকুল হক দিনার, ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ রাসেল, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমের জনসংযোগ কর্মকর্তা নাছির উদ্দিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী


শাহজাদপুরে জেমির অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ নিরীহ মানুষজন

শাহজাদপুর উপজেলার তালগাছী এলাকার মোকছেদ প্রামাণিকের মেয়ে নবীয়া ওরফে জেমি (৩৮)’র অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকার নিরীহ মানুষজন। কথায় কথায় গালিগালাজ, মারপিট, হুমকি, ধামকি, মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে এলাকার অনেকেরই কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করাই জেমির কাজ। এমপি, মন্ত্রীসহ উপরমহলের অনেকেরই নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে দীর্ঘদিন ধরে নানা অপকর্ম করে আসছে এই জেমি। তার নির্যাতনের তালিকায় বাদ পড়েনি নিজের বোন, আত্মীয় স্বজন, মুক্তিযোদ্ধা, উকিল, জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নিরীহ জনমানুষ। প্রাণভয়ে তার অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদের টু-শব্দ করলেই তার ওপর নেমে আসে জেমির অত্যাচারের খড়গ। সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় একজন জাতীয় সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে নানা কটুক্তি ও অশোভন মন্তব্য করায় তেজগাঁও থানায় দায়েরকৃত সাইবার ক্রাইম মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকার নির্যাতিত অনেকেই জেমির নানা নির্যাতন, কুকর্মের তথ্য ফাঁস করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে।
শনিবার সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানকালে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, ইউপি সদস্য দুলাল হোসেন, জেমির চাচা মণিরুজ্জামান, সেলিম, আমেনা, আব্দুল মতিন, আব্দুর রশিদ, আব্দুল মান্নান রতন সহ এলাকার নির্যাতিত অনেকেই অভিযোগে জানান, নানা এমপি মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে নিরীহ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিপুল অর্থ আদায় করাই মূলত জেমির প্রধান কাজ। চাঁদাবাজীর এ কাজে জেমি কখনও নিজে বাদী হয়ে আবার কখনও তার কাজের মেয়েদের বাদী করে মামলা ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরীহ মানুষজনকে ফাঁসিয়ে মোটা টাকা আদায় করে হয়েছে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক।
বছরের পর বছর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারন মানুষদের ফাঁসিয়ে একের পর এক নানা অপরাধ চালিয়ে গেলেও বরাবরই জেমি প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছে। এতে জনমনে প্রশ্নও জেগেছে, জেমির খুঁটির জোর কোথায়? সেইসাথে নির্যাতিত এলাকাবাসী জেমির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবী জানিয়েছে।

ড. মযহারুল ইসলামের ৯২তম জন্মদিন আজ

জহুরুল ইসলাম : দেশবরেণ্য লেখক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ফোকলোরবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও আরও বহুগুণে গুণান্নিত প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলামের ৯২ তম জন্মদিন পালন হলো শ্রদ্ধা ও ভালবাসায়। দেশবরেণ্য এই মহান ব্যক্তির জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে স্মরণ সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহবুবে ওয়াহিদ শেখ কাজলের উদ্যোগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌর সদরের মণিরামপুর বাজারে নিরালা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক ফারুক সরকার, যুবলীগ নেতা আব্দুল আওয়াল, সাবেক ছাত্রনেতা নেসারুল হক, আহাদ খান রাসেল, মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য দেশবরেণ্য এই মহান লেখক ১৯২৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার চরনবীপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

উপজেলার তালগাছী আবু ইসহাক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৪৫ সালে এসএসসি পাশ করেন। সিরাজগঞ্জ কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচ এস সি পাশ করেন। এরপর রাজশাহী সরকারি কলেজে বাংলা বিষয়ে অনার্স নিয়ে বিএ ক্লাশে ভর্তি হন। ১৯৪৯ সালে অনার্স পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৫০ সালে অনুষ্ঠিত বাংলা এম এ প্রিভিয়াস পরীক্ষায় এবং ১৯৫১ সালে অনুষ্ঠিত এম এ ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন। একই সঙ্গে তিনি গোল্ড মেডেলিষ্ট এবং কালীনারায়ণ স্কলারের গৌরব অর্জন করেন।

১৯৫২ সালের প্রথম দিকে তিনি ঢাকা কলেজে বাংলা বিভাগে লেকচারার পদে যোগদান করেন। ১৯৫৩ সালে মেধার ভিত্তিতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগদানের সুযোগ লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের গোড়ার দিকে মযহারুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে সিনিয়র লেকচারার পদে যোগদান করেন। ১৯৫৮ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর তত্ত্বাবধানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালে মযহারুল ইসলাম তাঁর দ্বিতীয় পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন আমেকিার ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ডিগ্রি অর্জনের পর এক বছর তিনি আমেরিকার শিকাগো ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে অধ্যাপনা করেন।

১৯৬৪ সালে দেশে ফিরে এসে বাংলা বিভাগের প্রফেসর এবং বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে প্রফেসর ইসলাম কলা অনুষদের ডীন নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে তিনি আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর পদে আমন্ত্রিত হন। হার্ভার্ডের মেয়াদ শেষ হবার পর তিনি ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি এ্যাট বার্কলীতে কিছুদিন ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত প্রফেসর মযহারুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালযের বাংলা বিভাগের অধ্যাপনা এবং সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশপাশি দেশে বিদেশে অসংখ্য সেমিনা সিম্পোজিয়ামে অংশ গ্রহণ করেন।

ডঃ মযহারুল ইসলাম তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে স্বাধীন বাংলাদেশে বাংলা একাডেমীর প্রথম মহাপরিচালক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এছারাও পৃথিবীর বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক সচেতন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন।

দেশবরেণ্য এই মহান কবি, শিক্ষাবিদ, পন্ডিত, গবেষক আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ফোকলোরবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম ২০০৩ সালের ১৫ নভেম্বর সকালে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

শাহজাদপুরে বন্যার্তদের পাশে মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান

আজ শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা পৌরজনা ইউনিয়ন এর পুঠিয়া গ্রামের ১’শ ৪০ টি বন্যার্ত পরিবারের মাঝে চাউল ও নগদ অর্থ, মাস্ক, চিনি, উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বন্যাত্যদের মাঝে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান, স্পেশাল পিপি (নারী ও শিশু), শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এ্যাডঃ শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু। এ কাজে অন্যান্যের মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহব্বায়ক মোঃ রাজীব শেখ, পোরজনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক অনিল ঘোষ, হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এ বিষয়ে মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ শেখ আব্দুল হামিদ লাবলু ও যুবলীগের সাবেক আহবায়ক রাজীব শেখ বলেন,‌‌ বিপদে আপদে, সুখে-দুঃখে এলাকাবাসীর সাথে পাশে এভাবেই যেন দাঁড়াতে পারি, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারি, আল্লাহপাকের কাছে সে প্রার্থনাই করি।

শাহজাদপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৯’শ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এসব বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহার সভাপতিত্বে সার ও বীজ বিতরণের সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম প্রমূখ। উদ্বোধনী দিনে উপজেলার পোতাজিয়া ও গাড়াদহ ইউনিয়নের ১’শ ২০ জন কৃষকের মাঝে এসব সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।