শাহজাদপুরে ব্যবসায়ী আশরাফ আলীর মাথা ফাটালেন পৌর ট্রাফিক

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের মনিরামপুর বাজারের কনিকা ডিজিটাল কালারল্যাবের ল্যাব অপারেটর আশরাফ আলীর(৩৫) মাথা ফাটালেন পৌর ট্রাফিক মিজানুর রহমান মিজান(৪০)।

এ বিষয়ে আহত আশরাফ আলী জানান,তিনি ল্যাবে বসে কাজ করছিলেন। এ সময় একটি ট্রাক ওই ট্রাফিরের নির্দেশে ডাইভাট রোডে প্রবেশের সময় দোকানের সামনের বেশ কিছু অংশের ক্ষতি সাধন করে। এর প্রতিবাদ করায় শাহজাদপুর পৌরসভার নিয়োগকৃত ট্রাফিক মিজানুর রহমান মিজান ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হাতের পাইপ দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, মনিরাপুর ও দ্বারিয়াপুর বাজারে কোন প্রকার ভারী যাবহণ (ট্রাক-বাস) প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও এ সব ট্রাফিক উৎকোচের বিনিময়ে ম্যানেজ হয়ে প্রবেশ করতে দেয়। পরে যানজট সৃষ্টি হলে তার ল্যাবের সামনের সড়ক দিয়ে আটকা পড়া ভারী যানবহণ ডাইভাট করে দেয়। এতে প্রায়ই সেখানে দূর্ঘটনা ঘটে। এ দিনও দূর্ঘটনা ঘটলে এর প্রতিবাদ করায় ওই ট্রাফিক তাকে মারপিট করে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে মণিরামপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মাসুদ খান জানান,দিনের বেলায় পৌরসভার বাজারের ব্যস্ততম রাস্তা গুলো দিয়ে কোন প্রকার ভারী যানবাহণ শহরে প্রবেশ করা নিষেধ। এ বিষয়ে পৌরসভা থেকে মাইকও করা হয়েছে। তারপরেও ট্রাফিকদের দূর্ণীতির কারণে তা মানা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মারপিটের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ খবর জানার পরে আমি দ্রুত হাসপাতালে ছুটে গিয়ে আহত আশরাফ আলীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। এ ছাড়া তাৎক্ষণিক ভাবে ওই ট্রাফিককে সাময়ীক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পরিবহন মালিকদের অসহযোগিতার কারণে পৌর এলাকায় ভারী যানবাহণ চলাচল বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। অচিরেই এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহজাদপুরে বাস শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাদ্য অথবা বাস চালুর দাবীতে বুধবার দুপুরে ১ ঘন্টা ব্যাপী সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক বাসস্ট্যান্ডে বাস শ্রমিকরা বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

এ বিষয়ে বিক্ষোভকারী শ্রমিক নেতা মোক্তার হোসেন, রাজিব হোসেন, খোকন মিয়া, রায়হান আলী, আরিফ হোসেন, আব্দুল মতিন, আক্কেল আলী, সানোয়ার হোসেন,আবু জাফর ও নাজমুল হোসেন বলেন, করোনার কারণে প্রায় দেড় মাস ধরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সকল বাস-কোচ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে এ উপজেলার প্রায় ৪ হাজার বাস শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের ঘরে খাবার নাই। হাতে কোন টাকা টাকা-পয়সা নাই। তারা কি ভাবে চলছে মালিক ও শ্রমিকনেতারা তার খোজ নেয় না। ফলে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। বারবার শ্রমিক নেতাদের বলেও কোন লাভ হচ্ছে না।

অবরোধকারীরা আরো বলেন, শ্রমিক নেতারা সারা বছর শ্রমিক কল্যাণ ফান্ডের নামে চাঁদা উত্তোলন করেন। অথচ এই মহামারির সময় শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আমাদের কোন সাহায্য সহযোগিতা করছে না। সরকারি ভাবে যে বরাদ্দ আসে তা নেতাদের চামচাদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যায়। ফলে আমরা কোন সাহায্য পাই না। তাই বাধ্য হয়ে হয় খাদ্য,নয়তো বাস চালুর দাবী জানিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়েছি। এদিকে এ অবরোধ চলাকালে সড়কের দু‘পাশে শত শত ট্রাক,কাভার্ড ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহন আটকা পরে।

খবর পেয়ে দুপুরে শাহজাদপুরে অবস্থিত সিরাজগঞ্জ জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এসে শ্রমিকদের দাবি মেনে নিয়ে নগদ টাকা অথবা খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত এ অবরোধ তুলে নেয়। এর মধ্যে ব্যবস্থা না হলে তারা আবারও সড়ক অবরোধ কওে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে শ্রমিক নের্তৃবৃন্দও সাথে খথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে যান চলাচলের ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে শাহজাদপুরে অবস্থিত সিরাজগঞ্জ জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ দেড় মাস ধরে গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছেন। পেটের দায়ে তারা রাস্তায় নেমেছেন। প্রায় ৪ হাজার শ্রমিকের জন্য শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাত্র ৫০০ ব্যাগ খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে। এ ছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে ৩০০ শ্রমিককে নগদ সহায়তা করা হয়েছে। ৮০০ শ্রমিককে সহায়তা দেওয়া হলেও এখনও ৩ হাজার ২০০ শ্রমিককে কোন সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তারা এ আন্দোলন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের সাথে বসে আলোচনার মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব তাদের চাল অথবা নগদ অর্থ সহায়তা করা হবে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো.ফজলে আশিক বলেন, খাদ্য অথবা বাস চালুর দাবীতে কিছু সংখ্যক উশৃঙ্খল শ্রমিক সড়ক অবরোধ করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই তারা শ্রমিক নের্তৃবৃন্দর আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ রহমানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আজাদ রহমান তার নিজস্ব অর্থায়নে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের দুঃস্থ্য ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্যক্রম শুরু করেছেন।

গত ৫দিন ধরে তিনি উপজেলার পৌর এলাকা সহ ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবারের বাড়ি বাড়ি এ সব খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। তাকে এ কাজে সহযোগীতা করেছেন প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা।

এ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী,পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাহু,শাহজাদপুর সরকারি করেজের সহকারি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান মিলন, হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাজেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, গাড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সেলিম আহমেদ,প্রভাষক জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান বলেন, এই মহামারী করোনায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ও উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে উপজেলা ব্যাপী ত্রাণ কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। এরপরেও এলাকার কর্মহীন যে সকল মানুষ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে ত্রাণ নিতে লজ্জা পায়। অভাব থাকলেও মানসম্মানের ভয়ে কারো কাছে হাত পাতে না, এমন অভাবি ও দুঃস্থ্যদের বাড়ি বাড়ি রাতের আধারে গিয়ে অতিগোপনে এ সব খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,পুরো রোজা জুড়ে তার এ বিতরণ অব্যহত থাকবে।

কামারখন্দে তরুণদের ধানকাঁটা মজুরির টাকায় করোনায় কর্মহীন দরিদ্রদের দেওয়া হবে ঈদ সামগ্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান লকডাউনে কর্মহীন হয়েপড়া হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দিতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বাড়াকান্দি গ্রামের ৩০ জন উচ্চশিক্ষার্থী তরুণ যুবক ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন। তারা এলাকার বিভিন্ন কৃষকের জমিতে ধানকাটার কামলা দিয়ে যে অর্থ পাচ্ছেন। সেটি জমিয়ে এবারের ঈদে লকডাউনে কর্মহীন হয়েপড়া হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দিবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সবার সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতেই তারা এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে কথা হয় বাড়াকান্দি গ্রামের একাউন্টিং এ অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র একরামুল হক ও ইঞ্জিনিয়ারিং ২য় বর্ষের ছাত্র রাসেল খান বলেন,আমরা সবাই ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যায়ন করি। করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমরা বাড়ি এসে বসে আছি। তাই বেকার বসে সময় নষ্ট না করে করোনায় অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে দাড়াতে এ উদ্যোগ নিয়েছি। নিজেদের হাত খরচের টাকায় প্রথমে ৩৫টি পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছি। এখন ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে কর্মহীন ১২০টি পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর জন্য অনেক টাকার দরকার। যা আমাদের পক্ষে জোগার করা মুশকিল। এদিকে কৃষকের জমির পাকা ধান কাটতে চলছে চরম শ্রমিক সংকট। আমরা কৃষকের এ সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নিয়েছি। ধানকাঁটা শ্রমিকরা প্রতি ডিসিমেল জমিতে ৫০টাকা নগদ ও ২ বেলা খোরাকি নিয়ে থাকেন। আমরা রোজা থাকি। তাই খোরাকি নিচ্ছিনা। শুধু ৫০টাকা করে মজুরি নিচ্ছি। এতে কৃষকেরও কিছুটা আর্থিক স্বাশ্রয় হচ্ছে। তারা বলেন, এ কাজ করে গত ১৫ দিনে আমাদের প্রায় ১০ হাজার টাকা জমেছে। আরো ২৫ হাজার টাকা লাগবে। এ জন্য আমরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আশাকরি ২৫ রোজার মধ্যে আমাদেও এ টার্গেট পূরণ হবে। আমরা কৃষকের জমির পাঁকা ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দিচ্ছি। বিনিময়ে পাওয়া মজুরির টাকা দিয়ে ঈদ সামগ্রী কিনে ১২০টি কর্মহীন হতদরিদ্র অসহায় পরিবারের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেব। আমাদের এ উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন কৃষকদের ধানকাটার শ্রমিক সংকট দূর হচ্ছে। অপর দিকে অসহায় কর্মহীন পরিবারের মুখে হাঁসি ফুটে উঠছে। তারা আরো বলেন,ইতোমধ্যেই আমরা ২০০ ডিসিমেল জমির পাকা ধান কেটে কৃষকের বাড়িতে পৌছে দিয়েছি। তারা আরো জানান,‘বাড়াকান্দি উত্তরা তরুণ সংঘ’ নামে তাদের একটি সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রয়েছে। এ সংগঠনের পক্ষ থেকে তারা গ্রামের বাল্যবিবাহ,ইভটিজিং বন্ধ ও ঝড়েপড়া শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা সহ নানা ধরণের সামাজিক কাজ করে এলাকায় প্রসংশিত হয়েছেন।
এ ধানকাটা কাজে অংশ নেওয়া যুবকরা হল, একরামুল হক,জাকারিয়া হোসেন মামুন, ইমরান হাসান রবিন,রাসেল খান, মেহেদী হাসান বাপি, সোহাগ খান,ইয়াসিন খান, রাসেল রানা, ইয়াকুব, ইউনুস খান, সৌরভ খান,তালাত মাহমুদ অন্তর,মোহাইমিনুল ইসলাম হৃদয়,সিয়াম আহমেদ,রিয়াজুল ইসলাম,মাকসুদুল ইসলাম, জুলকার নাইম, সাগর খান, মাসুম খান, সায়েম সরকার,শরিফুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন রিপন, সোহানুর রহমান সবুজ, সিহাব উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম, হৃদয় হোসেন আকাশ,শাহরিয়ার মাহমুদ সবুজ,আনিসুর রহমান,মিঠু,রয়হান,রাকিব,রিয়াজুল, হাসান,নাসির,বাবু,শাহরিয়া প্রমুখ।

সিরাজগঞ্জে খাদ্যসামগ্রীর দাবিতে বাস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

খাদ্য সহায়তা ও বাস চলাচলের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জে খাদ্য সহায়তা ও বাস চলাচলের অনুমতির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বাস শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের এম এ মতিন বাস টার্মিনালের সামনে এ বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, প্রায় দেড় মাস যাবত বাস চলাচল বন্ধ থাকায় তারা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছে। ঘরে খাওয়ার মতো কিছুই নেই।

বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শ্রমিকরা বারবার নেতাদের কাছে গেলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা না পেয়ে খাদ্য সহায়তা ও বাস চলাচলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করছেন তারা ।

দুপুরে সিরাজগঞ্জ বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা এসে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেয়।

এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ যানবাহন আটকা পরে। পুলিশ এসে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শ্রমিকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

শাহজাদপুরে ৮ মাসের শিশু পুত্রকে গলাকেটে হত্যা, ঘাতক মা গ্রেপ্তার

৮ মাসের ‍পূত্র বেলাল হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের জোতপাড়া গ্রামে দাম্পত্য কলহের জের ধরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ৮ মাসের শিশু বেলাল হোসেন মাহিমকে গলাকেটে হত্যা করেছে তার মা মোছা: মুক্তা পারভীন(২৫)। নিহত মাহিম ওই গ্রামের রডমিস্ত্রী আব্দুল্লাহ আল মানুনের একমাত্র ছেলে।

খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে নিহতর লাশ উদ্ধার করে। এ ছাড়া পুলিশ এ ঘটনায় নিহত ফাহিমের মা মোছা: মুক্তা খাতুন(২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া নিহতর নানা মোহাম্মদ আলী ও নানি দুলু খাতুনকেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেয়।

এ বিষয়ে নিহতর দাদী পরীছন পারভীন ও চাচা আসাদুজ্জামান বলেন,এদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিহতর বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন ধান কাটতে বাড়ি থেকে রওনা হয়। তারা তাকে এগিয়ে দিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফিরে এসে দেখেন ঘরের মেঝেতে নিহতর গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। এ সময় তার মুখ লাল টেপ দিয়ে আটকানো ও মা মুক্তা পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে নিহতর অপর এক চাচা আমিরুল ইসলাম বলেন, ৩ বছর আগে ছোট মহারাজপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মুক্তা পারভীনকে মালয়েশিয়া থেকে ফিরে বিয়ে করে। দাম্পত্য কলহের কারণে মুক্তা এ স্বামীর সাথে সংসার করতে রাজি না হওয়ায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। কিছুদিন পর মুক্তার অন্তঃস্বত্বার বিষয়টি টের পায়। তখন উভয় পক্ষের সম্মতিতে তারা বিবাহ বিচ্ছেদ বাতিল করে সংসার শুরু করে। ৮ মাস আগে ফাহিমের জন্ম হয়। মুক্তা মাঝে মধ্যেই বাবার বাড়ি গিয়ে আর শশুর বাড়ি আসতে চায় না। অনেক দেন দরবার করে আনতে হয়।

মামুন পেশায় রডমিস্ত্রী। বাগেরহাট এলাকায় নির্মাণাধিন একটি পাওয়ার প্লান্টে রডমিস্ত্রীর কাজ করে। করোনার কারণে কাজ বন্ধ থাকায় ২৩ দিন আগে সে বাড়িতে আসে। বাড়িতে বেকার বসে না থেকে সে মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ এলাকায় ধান কাটতে রওনা দেয়। এ সময় তার মা,বাবা ও বোন তাকে এগিয়ে দিতে গেলে বাড়ি জনশুন্য হয়ে পড়ার সুযোগে আমকাটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে নিজের একমাত্র সন্তানকে হত্যার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বাবার বাড়ি গিয়ে আতœগোপন করে। বিষয়টি পুলিশ বুধতে পেরে ছোট মহারাজপুর গ্রাম থেকে মুক্তার বাবা মোহাম্মদ আলী ও মা দুলু খাতুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বুধবার ভোর রাতে মুক্তার এক চাচা তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। তিনি আরো বলেন,পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এ হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি আমকাটা ছুরি উদ্ধার করেছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন,এ ঘটনায় নিহত ফাহিমের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে নিহতর মা মুক্তা পারভীনকে একমাত্র আসামী করে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরো বলেন, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাবাসে নিহতর মা মুক্তা পারভীন এ হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। বুধবার সকালে নিহতর লাশ ময়না তদন্তর জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এ দিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে ঘাতক মাকে সিরাজগঞ্জ জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যেও সৃষ্টি হয়েছে।

ধর্মঘটে বন্ধ শাহজাদপুরের তেল ডিপো, ১৬ জেলায় তেল সরবরাহ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ তেল বিক্রির কমিশন বৃদ্ধিসহ ১৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে অচল হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী তেল ডিপো।
গতকাল রোববার সকাল থেকে তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয় তেল ব্যবসায়ীরা। ডিপো থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো ট্যাংকলরি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার গ্রাহক।
বাঘাবাড়ী তেল ডিপো থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় তেল সরবরাহ এবং বিপণন করা হয়। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে তা বন্ধ রয়েছে। এ কারণে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনগুলোকে।
বাংলাদেশ ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন বৃদ্ধি, ট্যাংকলরি শ্রমিকদের পাঁচ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বিমা প্রথা প্রণয়ন, ট্যাংকলরি চলাচলে পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছি। সরকার বার বার প্রতিশ্রুতি দিয়েও আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। এ কারণে পেট্রল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্যপরিষদ অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছে।’
মোজাম্মেল হক আরো জানান, আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকায় বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ দফা দাবিগুলো মেনে নিলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হবে।

রেললাইন স্থাপনের দাবিতে শাহজাদপুরে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শাহজাদপুর উপজেলা চত্বরে রোববার শাহজাদপুর চৌকি আদালতের আইনজীবীরা মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন। তাদের দাবি, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে শাহজাদপুর হয়ে পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালার চর পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করে এ এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। শাহজাদপুর চৌকি আদালতের আইনজীবী সমিতি এ কর্মসূচির আয়োজন করে। আধা ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন চলাকালে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন শাহজাদপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক স্পেশাল পিপি শেখ আবদুল হামিদ লাবলু, আনোয়ার হোসেন, আবুল কাশেম, মতিয়ার রহমান, কবীর আজমল বিপুল, শাহজাদপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, শাহজাদপুর একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর শাহজাদপুর উপজেলায় অবস্থিত। এছাড়া শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ও স্থাপিত হয়েছে। বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর থেকে গোটা উত্তরবঙ্গে খাদ্যশষ্য, সার, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন মালামাল সরবরাহ করা হয়। নৌ-বন্দর থেকে এসব মালামাল সরবরাহে রেললাইন স্থাপন জরুরি। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য রেললাইন অতি গুরুত্বপূর্ণ।

উপাচার্য ড. প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষ


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থানান্তর ও ঢাকায় জমি কেনার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেছেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। এ ছাড়া একশ কোটি টাকা ব্যায়ে ঢাকায় জায়গা কেনার বিষয়টিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্ত ছড়াতে এ ধরণের প্রপাগান্ড ছড়াচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রবীন্দ্র বিশ^বিদ্যালয় শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি শাহজাদপুরেই থাকবে। রোববার সকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির অভিষেক ও নবনির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন-১ এর হলরুমে এ অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি আরো বলেন,রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন অনিয়ম দূর্ণীতি হয়নি। আদালতে যে মামলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অভিষেক অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের প্রভাষক লায়লা ফেরদৌস হিমেল, প্রভাষক জাবেদ ইকবাল, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের প্রভাষক ফারহান ইয়াসমিন, প্রভাষক মোঃ আজিম উদ্দিন প্রমুখ। উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. ফখরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফারহান ইয়াসমিন, কোষাধক্ষ্য লায়লা ফেরদৌস হিমেল ও কার্যহির্বাহী সদস্য মোঃ রিফাত-উর-রহমান, আরিফুল ইসলাম, বরুণ চন্দ্ররায় ও শারমিন সুলতানাকে অভিষেক অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২জন নবীব শিক্ষককে এ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.ফখরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.প্রফেসর বিশ্বজিৎ ঘোষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ও এ মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবীতে শাহজাদপুরে অচিরেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেও পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হবে।

মাদক সেবনের দায়ে


শাহজাদপুরে কলেজের এক সহকারী অধ্যাপক গ্রেফতার

ফাইল ফটো

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের চরাচিথুলিয়া গ্রাম থেকে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে বেতকান্দি সাহিত্যিক বরকত উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আনিছুর রহমান (৫৫ ) ও তার সহযোগী মোঃ আশরাফ আলী ফকির (৩৫) কে পুলিশ গাজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেফতার করেছে। এরপর রোববার সকালে তাদের ৩৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক সেবী আনিছুর রহমান শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের বেতকান্দি সাহিত্যিক বরকতউল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাসের সহকারী অধ্যাপক। তিনি বাঘাবাড়ি মোল্লা পাড়া গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। তার সহযোগী আশরাফ আলী ফকির চরাচিথুলিয়া গ্রামের মন্ডলপাড়া গ্রামের মৃত জলিল ফকিরের ছেলে । চরাচিথুলিয়া গ্রামের একাধিক ব্যক্তি জানায়, সহকারী অধ্যাপক আনিছুর রহমান প্রায় প্রতিরাতেই চরাচিথুলিয়া গ্রামের যুবকদের সাথে নিয়ে মদ ও গাঁজা সেবন করে থাকে। তার প্ররচনায় এ গ্রামের অধিকাংশ যুবক এখন গাঁজা ও মদেও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। এ থেকে রক্ষ পেতে গ্রামবাসি গোপনে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। এতে এ গ্রামে সস্তি ফিরে আসে।