সাবেক আইন সচিব জহিরুল হক লাইফ সাপোর্টে

সাবেক আইন সচিব জহিরুল হক দুলাল

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত (পিআরএল) সচিব আবু সালেহ শেখ মুহম্মদ জহিরুল হককে (দুলাল) লাইফ সাপোর্টে (ভেন্টিলেশন) নেওয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় সোমবার তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।

আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের শরীরে গত সপ্তাহে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। তিনি বাসায় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে বাসায় অক্সিজেন দেওয়া হয়। এরপর রোববার রাতে তার নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

জহিরুল হককে সোমবার বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন। তার এক মেয়ে ও জামাইয়ের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তার স্ত্রীর শরীরেও করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জহিরুল হক আইন ও বিচার বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। চাকরির মেয়াদ শেষ হলে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট তাকে দুই বছরের জন্য সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে অবসরোত্তর ছুটি বাতিল করে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাকে। তার চাকরির মেয়াদ গত বছর ৭ আগস্ট শেষ হয়।

আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক ১৯৫৮ সালের ৮ আগস্ট সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার দুগালি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৃত ফজলুল হক ও মা শামসুন নাহার। ১৯৭৫ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও একই বোর্ড থেকে ১৯৭৭ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে তিনি এলএলবি (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। হে আল্লাহ আপনি পুলিশ পরিবারের সন্তান বৃহত্তর পাবনার গর্ব গুরুতর অসুস্থ জহিরুল হক দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক আমরা সবাই এ কামনা করি।

সাবেক আইন সচিব জহিরুল হক দুলাল হৃদরোগে আক্রান্ত বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে ভর্তি

সাবেক আইন সচিব জহিরুল হক দুলাল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সন্তান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইন সচিব শেখ জহিরুল হক দুলাল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে আছেন।

তার ভাই এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ জানায়, গত রাতেও তার সাথে কথা হয়েছে। তখন তিনি ঠান্ডা ও সামান্য কাশি অনুভব করছিলেন। এর পরে হঠাৎ করে বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।

তার আরেক ছোট ভাই ষ্টারলিং জানান, ডাক্তারা করোনার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছিল, কিছুক্ষণ আগে রিপোর্ট হাতে পেয়েছে, আল্লাহর রহমতে করোনা রিপোর্ট এ নেগেটিভ এসেছে। সকলের কাছে তার ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

আমরা শাহজাদপুর সংবাদডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে তার সুস্থতা কামনা করছি।

তিনি আইন সচিব হিসেবে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেন আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক। এরপর ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে অবসরে গেলে সরকার তাকে আরও দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। ২০১৯ সালের আগষ্ট চুক্তি ভিত্তিক মেয়াদ শেষে অবসরে যান তিনি।

শাহজাদপুরে চেক জালিয়াতি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৩ (তিন) লাখ টাকার চেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ সূত্রে জানযায়, উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের কায়েমপুর গ্রামের মৃত কাশেম আলীর পুত্র মো: আব্দুস সালাম চাকরি দেয়ার জন্য একই উপজেলার মশিপুর গ্রামের আকতারুজ্জামান মাষ্টারের ছেলে রবিউল করিম টুটুলের নিকট থেকে ৩ লক্ষ টাকা গ্রহন করে। টাকার নিরাপত্তা জামানত হিসেবে সম-পরিমান অর্থের জনতা ব্যাংক বাঘাবাড়ী শাখার একটি চেক প্রদান করা হয় (যাহার চেক নম্বর-৮৮২৫৫১৩)।

এই লেন দেনের সময় গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন বলে জানাগেছে। চাকরি না দিতে পারার কারনে পরবর্তীতে টাকা উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখায় চেকটি জমাদিলে তা প্রত্যাখাত হয়। পরে রবিউল করিম বাদী হয়ে কোর্টে মামলা করে যাহার নং- S.C ১০৫৩।

মামলা হওয়ার পর থেকে বিবাদী আব্দুস সালাম কোর্টে অনুপস্থিত থাকে। এর পর সে নিজ ঘরবাড়ী বিক্রি করে পলাতক রয়েছে। মামলার বাদী মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে এই টাকার যোগার করেছিল। এখন ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। টাকা উদ্ধারের জন্য সে থানা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেছে।

সম্পাদকীয়


সিন্ধান্ত নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবশিষ্টটুকু নেই। জানি অনেকেই আমার এ বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করবেন না শুধুমাত্র তাদের অবস্থানগত কারনে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুঝতে এবং খুঁজতে হলে দেশের আপামর জনগণের নাগরীক অধিকার, শোষণ, বঞ্চনার কারনগুলো উপলোব্ধিতে আনতে হবে। এরপর রাষ্ট্রের আইন কাঠামো,রাজনীতি, সংবিধান শাসনতন্ত্রের সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার সাম্য, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায় বিচারের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

সুবিধাভোগের রাজনীতি, পারস্পরিক কুৎসা রটানো, এবং হানাহানি মাধ্যমে যুদ্ধারত অবস্থার সৃষ্টি করে ক্ষমতার রদবদলে কোন সমস্যারই সমাধান হবেনা। অতীতেও হয়নি বর্তমানেও হবেনা। কারন আমাদের নিজেদের শত্রু আমি আপনি সে হিসেবে আমাদের সামনে প্রভাব প্রতিপত্তি অর্থে বিত্তে শক্তিশালী হয়ে দন্ডায়মান রয়েছি।

সুতরাং দেশের স্বার্থে, নিজেদের স্বার্থে, প্রজন্ম রক্ষার স্বার্থে, জাতির অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে এ প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যমত পোষণ করাটাই জরুরী। আবহাওয়া ও জলবায়ুতে বিদ্যমান করোনার মত হাজারো ক্ষতিকর ভাইরাসের অবস্থান, প্রকৃতি পরিবেশ এবং বিশ্বরাজনীতি, আমাদের সে শিক্ষাই দিচ্ছে। তাই শুভ সিন্ধান্ত নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। আমাদের অনেকেরই বিদায় নেবার পালা শুরু হয়ে গেছে।

পৃথিবী থেকে আমাদের বিদায় নিতে হবে। আমরা কি আমাদের এই ক্ষয়িষ্ণু ধ্বংসের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মাঝে আমাদের প্রজন্মকে রেখে যাবো?

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ- ৮ জুন, ২০২০ খৃষ্টাব্দ

আমি ভালো নেই


বার বার ফিরবোনা এ বঙ্গভূমিতে, এ রক্তের ঋণ বেইমানদের রক্ত দিয়েই হবে শুধিতে

ফাইল ছবি

যখন খুব অসুস্থতা বোধ করি তখন চেষ্টা করি কাজের মাঝে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে। ভুলে যেতে চাই শরীরের ভিতরে থাকা,নানা রোগ ও মানসিক যত অবসাদ,বেদনা ও যন্ত্রণাকে। নিকটজন,বন্ধু বান্ধব ও সহযোদ্ধারা জানে, আমি ৬৯ বছর বয়সেও খুবই তরিত কর্মা মানুষ। আসলে কিন্তু তা সঠিক নয়।এসবকিছু কর্মকান্ডের মাঝেই নিজেকে লুকিয়ে রাখার প্রেচেষ্টা মাত্র। যে কোন সময় বাঁজতে পারে আমার বিদায় ঘন্টা। আমার হাতে এখনও অনেক কাজ।

আমি মনে করি হয়তোবা মুক্তিযুদ্ধ ছিল আমার জীবনের জন্য একটা অভিষাপ। সেই অভিষাপ থেকে নিজেকে দায়মুক্ত করার অভিপ্রায় থেকেই গণমানুষের জন্য নানাভাবে কথা বলার চেষ্টা করি। কেউ বিরক্ত হন, কেউ বিবেক তাড়িত হন। ঘুরে ফিরে সকল কথার মাঝে থাকে জনগণের কাছে দায়মুক্তি চাওয়া। তাদের পরিস্কার করে বোঝাতে চাই,আমরা মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করে অপরাধ করিনি। প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা পরবর্তী স্বাধীনতার প্রত্যাশিত সুফল না পাওয়া,নাগরীক অধিকার বঞ্চিত বোধগত কারনেই দেশের বঞ্চিত নাগরীদের যত ক্ষোভ মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর।

মুক্তিযুদ্ধটা কি শুধু পতাকা দলানোর জন্য যুদ্ধ ছিল? নাকি এর মাঝে জনগণের চাওয়া পাওয়ার শর্ত ছিল? প্রকৃত অর্থে স্বাধীন দেশের ৪৯ বছর পরেও আমরা মুক্তিযোদ্ধারা এ সম্পর্কীত কোন স্পষ্ট ধারনা নাগরীক সাধারনের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। বৃটিশ পাকিস্তান পর্বের মত সেবার নামে শাসনে, শোষণ বঞ্চনা, আইনের সেই কালা কানুনগুলো আজও এ স্বাধীন রাষ্ট্রে বিদ্যমান। এটি পরাধীনতার শৃঙ্খল নাগরীক অধিকার হরনের শাসনতন্ত্রের লম্বা আইনী রশি। এ রশি সংস্কার করার মাঝেই রয়েছে মুক্তির সন্ধান।

আমরা আমাদের সকল কার্যক্রমের মাঝে এ ব্যর্থতার দায়ভার যে মুক্তিযোদ্ধাদের নয় সেটি আমরা বোঝাতে চাই। মুক্তিযোদ্ধারা জনতার মুখপাত্র। দেশের অতন্দ্র প্রহরী। নাগরিক সাধারনের জীবন মান রক্ষার প্রকৃত সরূপ। মুক্তিযুদ্ধ জন্ম জন্মান্তর চলছে। এটি যে জাতি বুঝে,স্বচেতন ভাবে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র শাসকদের রক্তচক্ষুর সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী হতে পারে, সঠিক রাজনৈতিক দর্শণে জীবন দিতেও কুন্ঠিত হয়না, কেবলমাত্র সে জাতি প্রকৃত মুক্তির পথে ধাবিত হতে পারে। জয় বাংলা।
আমি ভালো নেই। সবার দোয়া প্রত্যাশী।

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ- ৩০ মে, ২০২০ খৃষ্টাব্দ।

সম্পাদকীয়


জীবন রক্ষায় প্রকৃতির মেরামতের সহায়ক কর্ম শুরু করি

ফাইল ছবি

আধুনিক পুঁজিবাদী বিশ্বের রীতি নীতি হলো ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে। তাঁর জন্য ব্যবহার করতে হবে বাণিজ্যিক উপকরণ ভ্যাক্সিন অথবা নানা ঔষধ। করোনার মত অদৃশ্যমান ছোয়াচে স্পর্শকাতর ভাইরাসের সাথে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রদেয় লক ডাউনের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা কতটুকু প্রাসঙ্গিক বিষয়টি আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে অবশ্যই ভেবে দেখার সময় হয়ে গেছে। এ অনাকাঙ্খিত খেলায় আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি নষ্ট করে দেয়ার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি কিনা ভেবে দেখতে হবে দেশের মানুষকে।

পৃথিবীতে বৈশ্বিক মহামারী দূর্যোগ অনাদিকাল থেকে ছিল, এখনও আছে। দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে নানা ভাইরাসের থেকে মুক্তি পাবার জন্য ভ্যাক্সিন ও ঔষধ আবিস্কার হলেও আমরা মানব জাতি কিন্তু ভাইরাস মুক্ত হতে পারিনি, পারছিনা। প্রতি বছরই নিত্য নতুন ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। মারাও যাচ্ছে। সময়ের ব্যবধানে এটি চিরাচরিত রীতি ও প্রথাসিদ্ধ বিষয় হয়ে হয়ে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে।

আমরা মনে করি- জ্ঞানী গুনি ও বিজ্ঞানীদের ভাবনার বিষয় হওয়া উচিৎ ছিল কেন এবং কি কারনে দিন দিন পৃথিবী জুড়ে এমনতর খারাপ ভাইরাসের উৎপত্তি হচ্ছে?

আমরা বিশ্বাস করি-পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিল্পের যতটা বিকাশ ঘটছে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য ততটাই বিনষ্ট হচ্ছে। এ কারনে সময়ের প্রেক্ষাপটে জন্ম হচ্ছে মানব জীবন হানিকর নানা ভাইরাস। শিল্প বৈর্জ্য,মানব সৃষ্ট বৈর্জ্য,চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত বৈর্জ্য, রাসায়নিক বৈর্জ্য,যান্ত্রীক গাড়ী,প্লেন,জাহাজ,স্টীমার পরিত্যাক্ত গ্যাস,তেল, সর্বোপরি কৃষিতে ব্যবহৃত নানা রাসায়নিক সার ও কীট নাশক ব্যবহার আমাদের প্রকৃতি পরিবেশকে নষ্ট করে, মানুষের বাসবাসের এবং জীবন ধারনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ করে করে তুলেছে।

আমরা আরো বিশ্বাস করি-এর ফলে অঞ্চল ও দেশ ভেদে প্রতিটি দেশের মাটি ও প্রকৃতি এ পরিবেশের নিজস্ব স্বত্বা ও গুনাগুন বিনষ্ট করে পরনির্ভরশীলতার মাঝে সেই দেশের জনগোষ্ঠিকে কোন রকমে বাঁচিয়ে রাখা ও টিকিয়ে রাখার অপকৌশলের অপর নাম বৈশ্বিক বাণিজ্যিক উন্নয়ন। আমাদের দেশও এর বাইরে নয়। সে কারনে দেশের মূল সম্পদ মানুষ,জীব উদ্ভীদ জগত,প্রাণিজগত ( জীব অনুজীব) মাটি,পানি ও কৃষি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণটাই বাণিজ্য নির্ভর করা হয়েছে। রাষ্ট্রের মাঝে মানুষের যে ৫ টি মৌলিক অধিকার-অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান এগুলোর সবই এখন বাণিজ্য নির্ভর।

অর্থাৎ আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষা স্বাস্থ্য সবকিছুই নির্ধারিত হয় পুঁজির বাণিজ্যিক ধারায় লাভ ও লোকশানের ওপর ভিত্তি করে। সেবা পাওয়াটাও নির্ভর করে আর্থিক যোগ্যতার মানদন্ডের ওপর। আধুনিক বিশ্বে কৃষক ও শ্রমজীবি মানুষ এখন পণ্যের মত। অনেকটা শিল্প বাণিজ্যের মালিকের অধীনের দাস। দাসের আবার আবার নাগরীক অধিকার,স্বাস্থ্য,শিক্ষা সেবা নিশ্চিত করতে হবে এ আবার কেমন উদভট কথা? যতো কম মূল্যে দাসের মেধা ও শ্রমকে ক্রয় করা যাবে তত বেশী বাণিজ্যে লাভবান হওয়া যাবে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও রাজনীতির নিয়ন্ত্রক শক্তি এখন শিল্প বাণিজ্যের মালিকগণ। সোজা ও সরল ভাষায় বলা যায়, আমাদের রাজনীতি,অর্থনীতি,শিক্ষা,স্বাস্থ্য,সংস্কৃতি চিরাচরিত নিজস্ব জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ধারার ওপর নির্ভরশীল নয়। বৈশ্বিক মহামারী,কিম্বা ভাইরাস মোকাবেলার ক্ষেত্রেও আমরা বিশ্বসংস্থার প্রেসক্রিপশনের ওপর নির্ভরশীল। কারন জনগণের সেবার নামে সেই সকল আন্তর্জাতিক বিশ্ব সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নিয়ে এসে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ ও আমলাদের শাসক ও রাজা সেঁজে ভোগবিলাসী জীবন যাপন করতে হয়। আবার সেখান থেকে কিছু সরিয়ে পাঁচার করে ভিনদেশের ব্যাংকে জমা রেখে নিজেদের পরিবারের নিরাপত্তা বিধান করতে হয়। আমরা এখন নানা সঙ্কটের মাঝে বেঁচে থাকার জন্য প্রাণান্তকর সংগ্রাম করছি।

জাতির টিকে থাকার উপায় হিসেবে আমরা মনে করি- প্রকৃতি ও পরিবেশের মাঝে সৃষ্ট নানা ক্ষত মেরামত করে,দেশের কৃষি ব্যবস্থাপণাকে রাসাযনিক সার কীটনাশক মুক্ত পূনরগঠণ করে,তৃণমূল পর্যায়ে কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে,লক্ষ লক্ষ বেকারের কর্ম সংস্থানের নিশ্চয়তা বিধান করে,কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করনের মাঝে দিয়ে, দেশব্যাপী সাম্যের অর্থনীতির প্রবাহ ব্যবস্থা চালু করে,আমরা জাতি গঠন ও রক্ষার লক্ষ্যে ঘুড়ে দাঁড়াতে পারি। বাংলাদেশের গণমানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার মূল ঘোষণা পত্রে- সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই মুক্তিযুদ্ধে স্বশস্ত্র লড়াই ও আত্মবিলদানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। রাজনীতির কর্ণধাররা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহকরা সে শর্তগুলো ভুলে গেলেও আমরা মুক্তিযোদ্ধারা কিন্তু ভুলে যাইনি।

প্রকৃতি পরিবেশকে রক্ষা করেই নিজস্ব জ্ঞান,বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা দিয়ে আমাদের মত করে আমাদেরকে রক্ষা পেতে হবে। কারো প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। অন্যের দেয়া প্রেসক্রিপশন কিম্বা পরামর্শে আমরা জাতি হিসেবে টিকে থাকতেও পারবোনা বলে আমরা মনে করি। পরিশেষে মূল প্রাসঙ্গিক বিষয়ে এটাই বলা যায় যে, প্রকৃতির মাঝে বিরাজমান হাজার হাজার জীব অনুজীব ভাইরাসের সাথে একে অপরের পরিপূরক হয়েই মানব জাতি হিসেবে আমরা পৃথিবীতে টিকে আছি। এ ধারা অব্যাহত রাখার বিকল্প নেই। সব ভাইরাসকে ধ্বংস করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুুদ্ধ করে পৃথিবীতে টিকে থাকা যাবেনা। সব ভাইরাস জীব অনুজীব মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক নয় কিছু কিছু ভাইরাস মানব দেহ রক্ষায় সহায়কও বটে।

প্রকৃতির ও পরিবেশের ওপর মানুষের বৈরী আঁচরণের মাঝ দিয়েই খারাপ ও ক্ষতিকর ভাইরাসের জন্ম হয়। আসুন আমরা প্রকৃতি পরিবেশের মেরামতের সহায়ক কর্মের সূচনা করি। প্রকৃতি পরিবেশ রক্ষায় আত্ম নিয়োগ করি। প্রকৃতি পরিবেশের মাঝে দৃশ্যমান অদৃশ্যমান জীব অনুজীব ভাইরাসের সাথে সহনশীল বসবাসই কেবলমাত্র মানব জাতিকে রক্ষা করতে পারে। এ ধারার ব্যত্যয় ঘটলে কালে কালে যুগে যুগে নানা সঙ্কটে মানব জাতিকে হয়তো এ পৃথিবীর বিলুপ্ত প্রাণির তালিকাতেই নাম লেখাতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ- ২৪ মে, ২০২০ খৃষ্টাব্দ।

সম্পাদকীয়


কবিগুরুর ১৬০ তম জন্মদিনে শাহজাদপুর সংবাদ ডটকমের শুভেচ্ছা

আজ বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মদিন। শুভ জন্মদিনে অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক এবং বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক – কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আমরা স্মরণ করি বাঙালি জাতির অগ্রদূত হিসেবে। বাঙলাভাষা জাতিসত্তা সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে রবীন্দ্র দর্শণের মাঝে। বর্তমান প্রেক্ষাপটের আলোকে কবিগুরুর গান দিয়েই তাঁকে স্মরণ করছে শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম।

এক

বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি
শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছে দাঁড়াইয়ে
ঊর্ধ্বমুখে নরনারী ॥
না থাকে অন্ধকার, না থাকে মোহপাপ,
না থাকে শোকপরিতাপ।
হৃদয় বিমল হোক, প্রাণ সবল হোক,
বিঘ্ন দাও অপসারি ॥
কেন এ হিংসা দ্বেষ, কেন এ ছদ্মবেশ,
কেন এ মান-অভিমান।
বিতর’ বিতর’ প্রেম পাষাণহৃদয়ে,
জয় জয় হোক তোমারি ॥

দুই

সেইসাথে শাহজাদপুরে রবীন্দ্রনাথ এ গর্বে,এ পর্বে জাহজাদপুর সংবাদ ডটকম জানান দিচ্ছে ইতিহাসের কিছু স্মৃতি কথা। নীলকরদের কুঠিবাড়ী থেকে রবীন্দ্রনাথের কাছারি বাড়ি তথা বর্তমানের রবীন্দ্র মিউজিয়াম শাহজাদপুর-

রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি, শাহজাদপুর। ছবিঃ আবুল বাশারবিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রাণের কবি। আমাদের প্রাণের স্বজন। বাঙালির জীবন-যাপন,সংস্কৃতি সবকিছু জুড়ে আছে রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্র নাথ জমিদারী তদারকির কাজে ১৮৯০ থেকে ১৮৯৭ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে অনেক বার শাহজাদপুরে এসেছেন, অবস্থান করেছেন তাঁর কাছারি বাড়িতে। শাহজাদপুর কাছারি বাড়ির তাঁর শোবার ঘড়ের দক্ষিনের বারান্দা এবং তাঁর প্রিয় বকুল তলার বেদীতে বসে প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে থেকে রচনা করেছেন অসংখ্য মূল্যবান কবিতা, গান ও ছোট গল্প। লিখেছেন তার প্রিয়জনদের কাছে অসংখ্য চিঠি।

সে কারনেই শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি ঐতিহাসিক মর্যাদা নিয়ে এখনও বাঙলা, বাঙগালি, বাঙলা ভাষা ও জাতীয় চেতনার ঐক্যতান বহন করে চলেছে। তাইতো প্রানের একান্ত অনুভূতি থেকেই আমরা সকলে মিলে গেয়ে উঠি “আমার সোনার বাঙলা আমি তোমায় ভালবাসি”। রবীন্দ্র নাথের এ হৃদয়স্পর্শী গানটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত।

তবে এ কাছারি বাড়ি প্রতিষ্ঠা পাবার অনেক পূর্বে এর আরও একটি ইতিহাস রয়েছে। এখনকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যমন্ডিত রবীন্দ্র কাছারি বাড়িটি পূর্বে ছিল নীল কুঠি। শতশত বছরের শাসক ও শোষক গোষ্ঠি ইংরেজদের পতন ঘটেছে বহু আগেই। তবে তাদের শোষণের নানা স্মৃতিচিহ্ন অস্তিত্ব আজো বহন করে চলেছে এ দেশের বিভিন্ন এলাকা। এসব এলাকার মধ্যে শাহজাদপুর নীলকুঠি (রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি) অন্যতম।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে শাহজাদপুর এলাকা নীল চাষের জন্য তৎকালিন সময়ে উপযুক্ত এলাকা হিসেবে ইংরেজদের কাছে বিবেচিত ছিল। ফলে এখানে প্রত্যক্ষভাবে আগমন ঘটে ইংরেজদের। বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠে নিলকুঠি। সে সময়ে এলাকার নদী তীরবর্তী কৃষিমাঠ জুড়ে নীল চাষ করা হতো। আজো সেসব স্থান নীল চাষের সাক্ষ্যবহন করছে। এই নীল চাষের জন্য শ্রমিক হিসাবে বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র দিনমজুরদের জোর করে কাজে লাগানো হতো।

এলাকার কৃষদের নানা ভয়ভীতি ও নির্যতনের মাধ্যেমে নীল চাষে বাধ্য করা হতো। পরবর্তীতে ব্যাপক কষ্টদায়ক ও নির্যাতন মূলক নীলচাষ করতে কৃষকেরা একপর্যায়ে অনাগ্রহ প্রদর্শন শুরু করে। শুরু হয় নীল চাষের বিরুদ্ধে নির্যাতিত কৃষকদের বিদ্রোহ। এরপর থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কৃষক বিদ্রোহ শুরু হয়। নীলচাষ বন্ধে নীলকুঠিতে কৃষকেরা অক্রমন করে। একসময়ে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ কৃষকদের চাপ ও ঘেড়াও আন্দোলনের মুখে ছোট লাট গ্রান্ট নীল চাষ বন্ধের ঘোষণা দেন। পরে বৃটিশ সরকার নীলচাষ বন্ধে নীল কমিশন গঠন করে। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে নীলচাষ বন্ধ হয়ে যায়।

পরে এতদাঞ্চল নাটোরের রানী ভবানীর কাছে হস্তান্তর হয়। পরে ১৮৪০ সালে তিন তৌজির অন্তর্গত এডিহি শাহজাদপুরের এ অংশ নিলামে উঠলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর মাত্র তের টাকা দশ আনায় এই জমিদারী কিনে নেন। সেই থেকে এটি ছিল রবীন্দ্র নাথের পারিবারিক জমিদারীর অংশ। পরে পূর্ববাংলার জমিদারীর অংশ কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়ী, শাহজাদপুরের কুঠিবাড়ী ও নওগার পতিসর কাছারিবাড়ী এলাকার জমিদারী তদারকি করার দায়িত্ব পরে রবীন্দ্রনাথের উপর। জমিদারী দেখাশোনার কাজে রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহ কুঠিবাড়ী থেকে নদী পথে তার প্রিয় পদ্মা ও চিত্রা বোটে চেপে শাহজাদপুরে আসতেন।

রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি অডিটেরিয়াম, শাহজাদপুর। ছবিঃ আবুল বাশার

নদীপথে যাতায়াত ও বিভিন্ন স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত হতেন রবীন্দ্রনাথ। এভাবেই কবিগুরু তার শহুরে বৃত্তাবদ্ধ জীবন থেকে মুক্ত হয়ে বাংলার প্রকৃতি,জনমানুষ,সমাজ-সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে রচনা করতে সক্ষম হয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিশেষ ভান্ডার। রবীন্দ্র জমিদারির শাসনামলে রবীন্দ্র কাছারিবাড়ীর আশেপাশে বাগদি সম্প্রদায়ের জনগোষ্টিকে বসানো হয়েছিল। তারা জমিদারবাড়ীর নানা কাজকর্ম করতো পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের পালকির বাহক হিসেবে কাজ করতো। ঐতিহাসিক সাক্ষ্য হিসেবে বাগদি সম্প্রদায়ের একটি জনবসতি এখনো রয়েছে।


আরো খবরঃ

সম্পাদকীয়


প্রকৃতিই হচ্ছে জ্ঞানের ভান্ডার

ফাইল ছবি

[et_pb_section admin_label=”section”]
[et_pb_row admin_label=”row”]
[et_pb_column type=”4_4″][et_pb_text admin_label=”Text”]রাষ্ট্র নেতৃত্বের কাছে আহ্বান- শুধুমাত্র প্রকৃতি পরিবেশ নষ্টকারী পরনির্ভরশীল যান্ত্রিক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড কৃষি শিল্পের উপর বিনিয়োগ ও বিপনন ব্যবস্থা দ্রুত গড়ে তুলুন। উদ্ভীদ ও জীব জীবনের প্রাণ রক্ষায় রাসায়নিক সার ও বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে জাতিকে রক্ষা করুন। শুধু অধিক উৎপাদন করার সামর্থ অর্জন ও পেটপুরে তিন বেলা খেতে পারাটাই কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তা নয়। বিষ ও ভেজালমুক্ত খাবারের নিশ্চয়তা বিধানের অপর নাম-খাদ্য নিরাপত্তা।

নির্মল প্রকৃতি পরিবেশ ও পরিবেশের স্বাচ্ছন্দ্যতা বজায় রেখে আমাদের মুল অর্থনীতির চালিকা শক্তি কৃষি শিল্পের চাকা সচল রাখুন। কেবলমাত্র প্রকৃতি পরিবেশের আপন বৈশিষ্ট ঠিক রেখে,কৃষির উৎপাদনশীলতা রক্ষা করা গেলেই পৃথিবীতে কোভিড-১৯, নভেল করোনার মত সৃষ্ট অদৃশ্য পরজীবি ও ক্ষতিকর হাজারো ভাইরাসের সাথে মানুষের বসবাস সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।

সকল জ্ঞানের ভান্ডার প্রকৃতি। সেই জ্ঞানের ভান্ডারকে নষ্ট করে, ধ্বংস করে, জ্ঞানী সাজার অর্থই অনিবার্য মৃত্যুকে আহ্বান করা। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে বেঁচে থাকার জন্য একটু গভীরে চিন্তা করি। লাভ ও লোভের সংস্কৃতি পরিত্যাগ করি। জয়বাংলা।

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ- ০৫ মে, ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ।[/et_pb_text][/et_pb_column]
[/et_pb_row]
[/et_pb_section]

সম্পাদকীয়


জাতিকে ত্রাণ থেকে পরিত্রাণ দেবার ব্যবস্থা করুন

ফাইল ছবি

করোনা মহামারিতে সাবেকি ভিক্ষা সহায়তা ত্রাণ থেকে জাতিকে পরিত্রাণ কিভাবে দেয়া যায় সেরকম একটি স্থায়ী ব্যবস্থাপনা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে। কারন সব সময়ে সব সরকারের আমলেই ত্রাণ সহায়তা এবং দরিদ্র মানুষের সহায়তার নামে কাবিখা, টাবিখা, ১০ টাকা কেজি চাল সহ অন্যান্য দারিদ্র সহায়তা বান্ধব প্রকল্প পদ্ধতি অকাযর্কর বলেই প্রমাণিত হয়েছে। সেখানে চুরি শব্দ ছারা কোন কিছুই নেই। প্রকৃতপক্ষে দরিদ্রের কোন কল্যাণই হচ্ছেনা।

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ- ০৫ মে, ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ।

♦। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাজেট নিয়ে আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য।।♦

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের উপলোব্ধি বোধ থেকে যা দেখছি, আমাদের দেশের বাজেট হলো উন্নয়ন ও সেবার নামে বিভিন্ন খাতে বাৎসরিক অর্থ বরাদ্দগুলো নানা পকেটে স্থানান্তর। পরে পকেট কেটে মুষ্টিমেও ব্যক্তির পকেটে ঢোকানো। এতে জনগণ কতটুকু সেবা পেল কিম্বা দেশে কোন ধরনের কতটুক উন্নয়ন ঘটলো,সে উন্নয়নগুলো ভবিষ্যতের জন্য কতটুকু স্থিতিশীল কিম্বা জনগনের জন্য আদৌ মঙ্গলজনক কিনা? এগুলো ভাববার কোন অবকাশ নেই। ধারাবাহিক ভাবে ক্ষমতায় আসীন ব্যক্তিদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের উন্নয়নের সাথে জনগনের স্বপ্নের আদৌও কি কোন মিল ছিল? এখনও আছে কি? প্রশ্ন আছে উত্তর নেই।

মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার
প্রধান সম্পাদক, শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম
তারিখ-১৬ জুন,২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ,
রবিবার, ২ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।