অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আইসিউতে

হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে নেয়া হয়েছে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তার শারীরিক অবস্থা বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ভালোই ছিল। কিন্তু শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জ্বর শুরু হয়। এ সময় চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। পরে ওই দিনই অ্যাটর্নি জেনারেল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন। করোনা পজেটিভ ও বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি।

একাদশে ভর্তির ফি নির্ধারণ, বেশি নিলে এমপিও বাতিল

একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। ফি নির্ধারণ করে দিয়ে বেসরকারি কলেজের ভর্তি ফিসহ মাসিক বেতন ও যাবতীয় খরচের বিষয়ে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট কলেজে ভর্তির নির্দেশনা দিয়েছে।

গত ৯ আগস্ট থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে শুরু হয়েছে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম। ভর্তি প্রক্রিয়ার সবগুলো ধাপ শেষ হওয়ার পর আগামী ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি হতে এর আগেই নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা কলেজগুলোকে তাদের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। কোটার শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত সনদ দেখে ভর্তি করাতে হবে।

ফি নির্ধারণ
এবারও মফস্বল, পৌর ও মেট্রোপলিটন এলাকার বেসরকারি কলেজগুলোর ভর্তিতে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি।

এমপিওভুক্ত মফস্বল বা পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি অর্থ আদায় করতে পারবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ও এমপিও বহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা নিতে পারবে।

উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান এবার দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেড ক্রিসেস্ট ফি বাবদ ১২ টাকা নিতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে ও বিলম্বে ভর্তি হলে তাকে ১৫০ টাকা পাঠ বিলম্ব ফি এবং ১০০ টাকা বিলম্ব ভর্তি দিতে হবে।

সরকারি কলেজগুলোকে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ফি সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ফি’র বেশি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে সব ফি রশিদের মাধ্যমে নিতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‘বর্তমান কোভিড-১৯ এবং অভিভাবকদের আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয় বিবেচনা করে দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলোকে উল্লিখিত ফিগুলো যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে হবে। ’

ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর বোর্ডের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের অনুমতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে কলেজ, গ্রুপ ও বিষয় পরিবর্তন করতে পারবে।

তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গ্রুপ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। বিজ্ঞান গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অন্য গ্রুপে একবার ভর্তি হওয়ার পর পরবর্তীসময়ে বিজ্ঞান বিভাগে প্রত্যাবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি নীতিমালা না মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করালে সেই কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে।

আর সরকারি কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সব দায়-দায়িত্ব কলেজ কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের জরিমানা

কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া চিকিৎসা চালানোর অপরাধে সিরাজগঞ্জে ফেরদৌস (৪৫) নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ এ রায় দেন।

এর আগে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কাঠেরপুল মহল্লায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত ফেরদৌস সয়াধানগড়া মহল্লার মজিবুর রহমানের ছেলে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বাংলানিউজকে জানান, কোনো ধরনের সনদ ও কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই নিজ ফার্মেসিতে আহত এক ব্যক্তির মাথায় সেলাই ও ব্যান্ডেজ করেছিলেন ফেরদৌস। খবর পেয়ে ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৌমিত্র বসাক উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সেপ্টেম্বরেই খুলছে তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট!

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলতে চলেছে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম ভারতের দর্শনীয় স্থান ‘তাজমহল’। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দর্শণার্থীদের জন্য তাজের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে প্রাথমিকভাবে দিনে মাত্র ৫ হাজার পর্যটককে তাজের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। অন্যদিকে ওই একই দিনে খুলে দেওয়া হবে আগ্রা ফোর্টের প্রবেশদ্বার। সেখানে প্রতিদিন আড়াই হাজার দর্শক ঢোকার অনুমতি পাবেন।

উল্লেখ্য, সম্রাজ্ঞী মুমতাজের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে মুঘল সম্রাট শাহ জাহান ভারতের আগ্রায় এই অনন্য স্থাপত্যটি তৈরি করেন। মুঘল স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নমুনা হিসাবে বিবেচিত হয় তাজমহল। ১৯৮৩ সালে একে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো এবং ভারতে অবস্থিত ‘মুসলিম শিল্পের রত্ন’ বলেও একে আখ্যায়িত করা হয়। শুধু ভারত নয়, বিশ্বের ঐতিহ্যের সর্বজনীনভাবে প্রশংসিত একটি নিদর্শন মার্বেল পাথরের এই তাজমহল। আর তার সৌন্দর্যেই প্রতি বছরই কয়েক লাখ পর্যটক আসেন এই তাজমহলে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট, ফতেপুর সিক্রিসহ প্রতিটি দর্শনীয় স্থানেই প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসময় তাজে প্রতিদিন গড়ে ৮০ হাজার দর্শক প্রবেশের অনুমতি পেতেন, অন্যদিকে আগ্রা ফোর্টে ঢোকার অনুমতি পেতেন দিনে ৩০ হাজার মানুষ।

আগ্রার জেলা প্রশাসক প্রভু এন. সিং জানান, কোভিড-১৯ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারের জারি করা সমস্ত গাইডলাইন মেনেই আগামী ২১ সেপ্টেম্বর তাজমহলের সাথেই আগ্রা ফোর্টের প্রবেশদ্বারও দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তাজমহলে দৈনিক গড়ে ৫ হাজার দর্শক ও আগ্রা ফোর্টে দৈনিক গড়ে আড়াই হাজার মানুষকে প্রবেশ করতে পারবেন।’
তাজে ঢোকার প্রতিটি গেটেই দর্শকদের শারীরিক তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

তাজমহলের রক্ষাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া’র (এএসআই)-এর প্রত্নতত্ত্ববিদ বসন্ত কুমার স্বর্ণকার জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেবলমাত্র ই-টিকিটের মাধ্যমেই তাজমহলে প্রবেশের সুযোগ থাকছে। তাজের ভিতর সমস্ত টিকিট কাউন্টার বন্ধ রাখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তাজমহলের পুরো চত্ত্বরেই দিনে দুইবার করে স্যানিটাইজ করা হবে। এছাড়াও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে, তাজের মার্বেল, দরজা বা রেলিং স্পর্শ না করতে-গোটা তাজ চত্বর জুড়েই ছোট আকারে পোস্টারও টাঙানো হচ্ছে।

করোনার আবহে স্থাপত্য চত্ত্বরে দলবদ্ধভাবে ছবি তোলার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকছে। প্রত্যেক দর্শকদের কাছে নিজস্ব স্যানিটাইজার ও পানির বোতল রাখার পাশাপাশি তাজমহল দর্শনের জন্য তাদের তিন ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগ্রা ট্যুরিস্ট ওয়েলফেয়ার চেম্বার’এর সভাপতি প্রহ্লাদ আগরওয়ালের অভিমত, তাজমহল ও আগ্রা ফোর্ট খোলার আগে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলু ও শহরের ট্রেন সেবা চালু করা দরকার।

আগ্রা ট্যুরিজম গিল্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অরুন দাং জানান, কখনও এত দীর্ঘ সময় তাজমহল বন্ধ ছিল না। এতে আগ্রার পর্যটন শিল্পের যে ক্ষতি হল তা কখনই পূরণ হওয়ার নয়।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

নভেম্বরে স্কুল না খুললে প্রাথমিকে ‘অটো পাস’?

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, অক্টোবর বা নভেম্বরে যদি স্কুল খোলা যায়, তাহলে আলাদা দুটি পরিকল্পনা করা আছে।

বেপরোয়া ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসদের হাতে গত ১০ বছরে রোগী ও তার স্বজনদের লাঞ্ছিত হওয়ার শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার স্ত্রীর মরদেহ ওয়ার্ডে রেখে মারধর করা হয়েছে এক মুক্তিযোদ্ধাকে। এরপর তার ছেলেকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। এটিকে চরম অমানবিক বলছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আর এ নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা ইসাহাক আলী গত বুধবার স্ত্রীকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার অভিযোগ, ওয়ার্ডে কোনো সিনিয়র চিকিৎসক ছিলেন না। ইন্টার্নদের ডেকেও পাননি। কয়েক দফায় ইন্টার্নদের ডাকাডাকি করা হয়। কাউকে পাওয়া যায়নি। ওয়ার্ডে বিনা চিকিৎসায় মারা যান তার স্ত্রী। এরপর মরদেহ হাসপাতালের ওয়ার্ডে রেখে তাকে ও তার ছেলেকে মারধর করে ইন্টার্নরা। গত বুধবারের ঘটনায় আবারও আলোচনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। ইন্টার্ন চিকিৎসদের এমন আচরণকে চরম অমানবিক বলছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। সুশাসন বিশ্লেষক সুব্রত পাল জানান, যেভাবে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বার বার এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাতে আগামীতে অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাবে। এখনই এর লাগাম টেনে ধরতে হবে। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি আহমদ শফি উদ্দিন বলেন, গত ১০ বছর ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের রুদ্রমূর্তি দেখছি, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনার অবসান হওয়া দরকার। রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ বছর ধরে চলছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্য। কথায় কথায় রোগী ও স্বজনদের মারধর, হুমকি আর চলে কর্মবিরতি। প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না গণমাধ্যমকর্মীদের। রীতিমতো হাসপাতালে ত্রাসের রাজত্ব ইন্টার্নদের।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধাকে আটকে মারধরের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে কর্তৃপক্ষ। যদিও সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর মৃত্যু এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তার সন্তানের ওপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে।

গতকাল সকালে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের রাজশাহী জেলা ও মহানগর ইউনিট কমান্ড। মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধারা বলেছেন, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর মৃত্যু এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তার সন্তানের ওপর হামলার ঘটনাটি ঘটিয়েছেন ইন্টার্ন নামের কিছু চিকিৎসক। এ হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আর বিচার না হলে মুক্তিযোদ্ধারা শরীরে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করবেন। আগুন জ¦লবে পুরো রাজশাহীতে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহানগর শাখার সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, চিকিৎসা অবহেলায় মৃত্যু এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তার সন্তানের ওপর হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। বক্তারা বলেন, রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনা তদন্তে যে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে এটি নিরপেক্ষ না। তদন্ত কমিটির সদস্যরা সবাই চিকিৎসক।

এ কারণে তারা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের রক্ষা করবেন, সেটাই স্বাভাবিক। অচিরেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা না হলে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। যেসব ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আর এটি না হলে আমরাই তাদের বিচার করব।

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ভালো চিকিৎসক হওয়ার আগে ভালো মানুষ হতে হবে। কিন্তু চিকিৎসকরা চিকিৎসাসেবা দেন না। শুধু মুক্তিযোদ্ধারাই নন, দেশের সাধারণ মানুষও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। কিছু চিকিৎসককে মনে হয়, এরা মাফিয়া গ্যাংয়ের সদস্য। আর হাসপাতালের পরিচালক মাফিয়া সর্দার। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তার সহযোগী।

তারা বলেন, রামেক হাসপাতালে বর্তমানে দুর্নীতি চরমে পৌঁছেছে। আর এ দুর্নীতি আড়াল করতেই হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেন না পরিচালক। আমরা অবিলম্বে রামেক হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চাই। হাসপাতালের দুর্নীতি সাংবাদিকরা প্রকাশ করেন। জাতি জানতে চায়, চিকিৎসক নামধারী স্বাস্থ্য প্রশাসকরা দেশের অর্থ কীভাবে লুট করছে।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা কমান্ডার শফিকুর রহমান রাজা, কবিকুঞ্জের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, রবিউল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, হাকিম আতাউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মোর্শেদ রঞ্জু, মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন মোল্লা, নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার জন্য সোমবার বেলা ১১টায় রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলেও মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে ঘোষণা করা হয়। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাকে মারধরের বিচার নিশ্চিত করেই তারা ঘরে ফিরবেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

দেশে ৫ ধরনের স্বতন্ত্র করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের (সার্স-কোভ-২) সংক্রমণ, মিউটেশনের হার, জিনগত বৈশিষ্ট্য, নন-সিনোনিমাস মিউটেশন এবং জেনোমিক ফাইলোজেনি পর্যবেক্ষণ করে দেশে পাঁচ ধরনের স্বতন্ত্র করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যা বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) মিলনায়তনে বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ এর জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রতিবেদন অবহিতকরণ সভা বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আফতাব আলী শেখ এ তথ্য জানান।

এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানসহ বিসিএসআইআর জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. আফতাব আলী শেখ জানান, করোনা ভাইরাসের (করোনা ভাইরাস ডিজিজ-১৯ সংক্ষেপে কোভিড-১৯) জিনগত বৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করার জন্য সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের সর্বমোট ২৬৩টি জিনোম সিকোয়েন্সিং ও ডাটা বিশ্লেষণ করা হয়। এ নমুনা চলতি বছরের ৭ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়। নমুনাগুলোর জিনোম সিকোয়েন্সিং করে আন্তর্জাতিক ডাটাবেজ Global Initiative on Sharing All Influenza Data (GISAID) তে প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংগৃহীত নমুনায় শতভাগ ক্ষেত্রে আধিপত্যকারী ভ্যারিয়েন্টের G 414 (স্পাইক রুটিনে ৬১৪তম অবস্থানে অ্যাসপার্টিক গ্লাইসিন হওয়ার কারণ) উপস্থিতি পাওয়া যায়। প্রাপ্ত ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের মধ্যে ২৪৩টি GR ক্লেড, ১৬টি G ক্লেড এবং ১টি O ক্লেডের অন্তর্ভুক্ত।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ জিনোম বিশ্লেষণ করে জানা যায় যে সর্বমোট ৭৩৭টি পয়েন্টে মিউটেশন হয়। যার মধ্যে ৩৫৮টি নন সিনোনিমাস অ্যামিনো এসিড প্রতিস্থাপন ঘটায়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ২৬৩টি সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের মিউটেশনের হার বার্ষিক ২৪ দশমিক ৬৪ নিউক্লিওটাইড। সারাবিশ্বে নমুনা প্রতি মিউটেশন হার ৭ দশমিক ২৩। যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৬০ লক্ষ্য করা যায়‌। অর্থাৎ অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি অনেক দ্রুত গতিতে এর রূপ পরিবর্তন করছে। স্পাইক প্রোটিনের জিনে ১০৩টি নিউক্লিওটাইড নিউটেশনের মধ্যে ৫৩টি নন সিনোনিমাস এমোনিয়া বেশি প্রতিস্থাপন ঘটে, যার মধ্যে পাঁচটি স্বতন্ত্র। যা বিশ্বের আর কোথাও পাওয়া যায়নি। সংগৃহীত নমুনা সময়ের মধ্যে ১০০ ভাগ ক্ষেত্রে চারটি নিউটেশনের পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায়।

বিসিএসআইআররের চেয়ারম্যান বলেন, চলমান বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারিতে সারাবিশ্বের বিজ্ঞানীরা সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের উৎস, গতি প্রকৃতি ও বিস্তার নির্ণয়ের পাশাপাশি এ ভাইরাসের ওষুধ ও ভ্যাকসিনের ওপর গবেষণা করছেন। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশেও সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করার প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। জিনোম সিকোয়েন্সিং ল্যাবরেটরি বাংলাদেশের আটটি বিভাগের সর্বমোট ৩০০টি-ভাইরাস পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং করার প্রকল্প গ্রহণ করেন। গবেষণালব্ধ ফল রিসার্চ পেপার আকারে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে চীন ইউএসএ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের প্রায় ৫০টি কোভিড-১৯ টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে এ প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম

”প্রত্যেক রোগীরই শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে”

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখানে ৩৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ২৪ জন মারা গেছেন। আহত বাকি ১৩ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। প্রত্যেক রোগীরই শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তাদেরকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা প্রত্যেকেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন।

রবিবার দুপুরে ডা. সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, মসজিদে বিস্ফোরণের পর তারা দ্রুত বের হতে পারেননি। এর ফলে তাদের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ার কারণে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। মারা যাওয়া ২৪ জনের প্রত্যেকের শরীরে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হন ৩৭ জন মুসল্লি। তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

গ্যাস লাইনের উপর মসজিদ নির্মাণের অনুমতি ছিল কিনা তদন্ত করা হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্যাস লাইনের উপর মসজিদ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্য সব বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে সেখানে বিস্ফোরক তদন্ত দল গেছে, তদন্ত হচ্ছে। কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে তার তদন্ত হবে। মৃতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। যারা আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মসজিদটি না কি গ্যাসের লাইনের ওপরে নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণত গ্যাস লাইনের ওপরে কোনো স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয় না। গ্যাস লাইনের ওপর মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিলো কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। সামর্থবানরা অনেক সময় মসজিদে এসি দান করে থাকেন। এই এসির ধারণ ক্যাপাসিটি ছিলো কি না তা দেখা হবে। এছাড়া মসজিদ নির্মাণে ভালোভাবে নকশা করা হয়েছিল কি না প্রত্যেক বিষয় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তথ্য সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

কেজি স্কুল বন্ধ হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নির্দেশ

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে আর্থিক কারণে কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে ক্যাচমেন্ট এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সেই সব স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল- হোসেন।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ জানান সিনিয়র সচিব।

করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক কেজি স্কুল বন্ধ রয়েছে, আর্থিক সঙ্কটের কারণে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেজ্ঞদের।

এ নিয়ে গণশিক্ষা সচিব বলেন, অনেকগুলো কিন্ডার গার্টেন আছে, সে সব কিন্ডার গার্টেন আর্থিক কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা এরই মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি সব ডিপিওকে (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস)। যদি কেজি স্কুল বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সেই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্যাচমেন্ট এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করায়। কোনো স্টুডেন্ট বাদ যাবে না।

সচিব বলেন, প্রত্যেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দায়িত্ব দিয়েছি কোভিডের পর যখন স্কুল খুলবে তার আগেই নিজেদের স্কুলের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করবে। সেই পরিকল্পনায় সবকিছু থাকবে, নিরাপত্তা, ঝরে পড়া। সঠিকভাবে সব মেইনটেন করতে পারলে আশা করি, আমাদের যে আশঙ্কা যে ঝরে পড়া, সেটা হয়তো অনেকটাই রোধ করতে পারবো।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম