সৌন্দর্য কি নারীর অ্যাডভান্টেজ!

অ্যা গুড ফেইস ইজ দ্য বেষ্ট লেটার অব রিকমেন্ডেশন, ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের কালজয়ী উক্তি এটি। আগে দর্শনধারী, ফের গুণ বিচারি। অর্থাৎ আগে সৌন্দর্য পরে গুণ। হয়তো এই কারণেই অনেক পুরুষ অভিযোগ করেন, কর্মক্ষেত্রে সুন্দরী নারীরা এগিয়ে থাকে শারীরিক সৌন্দর্যের কারণে। অবশ্য এমন অভিযোগ অনেক সময় নারীদের কাছ থেকেও পাওয়া যায়, তার অপর নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে। কিন্তু এমন অভিযোগ কি সত্যি সত্য? সত্যিই কি কর্মক্ষেত্রে নারীর কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতা গুণের চেয়ে শারীরিক সৌন্দর্য বেশি গুরুত্ব পায়। শারীরিক সৌন্দর্যই সব! তাহলে কি শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মদক্ষতা, সততা এসবের কোন মূল্য নেই। চলুন জেনে নেই এমন কিছু সুন্দরী নারী সম্পর্কে, যারা একইসাথে সুন্দরী, সফল এবং ধনী। তবে সৌন্দর্য তাদের অ্যাডভান্টেজ কিনা তা আপনারাই বিবেচনা করবেন।

সালওয়া আইদ্রিসি

মরক্কোর সবচেয়ে ক্ষমতাশীল ব্যাবসায়ী হলেন সালওয়া আইদ্রিসি আখন্দ। তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। আকসাল গ্রুপ নামে তার একটি ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার সম্পদের পরিমান প্রায় ৫১৪ মিলিয়ন ডলার।

শেখ হানাদি

হানাদি কাতারের বিখ্যাত থানি পরিবারের কন্যা। তিনি দেশটির সবচেয়ে ধনী রিয়েল অ্যাস্টেট ব্যবসায়ী। হানাদি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে বেশকিছু ডিগ্রি নিয়ে এসেছেন। ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি তার কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। প্রথমে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি নাসের বিন খালেদ আল-থানি এন্ড সোন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন।

রাশা সাঈদ

সিরিয়ান বংশদ্ভুত বিলিয়নিয়ার ওয়াফিক সাঈদের কন্যা রাশা সাঈদ। তিনি মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারীদের মধ্যে অন্যতম। রাশা সাঈদের পরিবার ১.৫ বিলিয়ন সম্পদের মালিক। সে নিজেও উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল ডিজাইন কোম্পানি টাকেন এর সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আমাল ক্লুনি

আমাল ক্লুনি বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা জর্জ ক্লুনির স্ত্রী। লেবানিজ মা বাবা মুসলিম হলেও তিনি বিবাহ করেন জর্জকে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে আইন ব্যবসা করেন তিনি। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের ওয়েলসে ব্যারিস্টার হিসাবে যোগদান করেন। ব্যারিস্টারি পেশায় নিয়োজিত থেকে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন এই সুন্দরী নারী। তিনি ক্লুনি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

ফাতিমা আল জাবের

ফাতিমা আল জাবের আল জাবের গ্রুপের অপারেটিং অফিসার হিসাবে নিয়োজিত আছেন। তিনি আমিরাতের ইতিহাসে প্রথম নারী যে আবুধাবি চেম্বারস অব কমার্সের বোর্ড অব ডিরেক্টরস এর সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনে বিশ্বের ৯৪ তম ক্ষমতাধর নারী হিসাবে স্থান পান তিনি।

এখানে মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.