জাতীয়

সুষ্ঠু হোক আসন্ন পাঁচ উপনির্বাচন

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দেশের জাতীয় সংসদের পাঁচটি শূন্য আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী এসব আসনের সংসদ সদস্যদের মৃত্যুতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে পাঁচ শূন্য আসনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপনির্বাচন।

নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে তিনটি আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। বাকি দুটি আসনে উপনির্বাচনের তারিখ কিছুদিনের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা যায়। সরকারি দল আওয়ামী লীগ ছাড়াও সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং মাঠের বিরোধী দল বিএনপি ইতোমধ্যে এসব উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

আশা করা যায়, নিবন্ধিত অন্য দলগুলোও এসব উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিভিন্ন অনিয়মের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলেও আসন্ন পাঁচটি উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে- এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

যে পাঁচটি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেগুলো হল- পাবনা-৪, ঢাকা-৫, নওগাঁ-৬, সিরাজগঞ্জ-১ ও ঢাকা-১৮। নির্বাচন কমিশন আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

আগামী ১৭ অক্টোবর ঢাকা-৫ ও নওগাঁ-৬ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বন্যার কারণে সিরাজগঞ্জ-১ এবং করোনা মহামারীর কারণে ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন সংবিধানের সাধারণ নির্দেশনা অনুযায়ী অনুষ্ঠেয় সর্বশেষ তারিখের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ওই শূন্যপদ পূরণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ওই ধারায় এও বলা হয়েছে- যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) মতে কোনো দৈবদুর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে ওই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহলে মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ওই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম মারা যান ১৩ জুন। নির্বাচন কমিশন মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর দিন থেকে আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে। সাধারণ নিয়মে ওই আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

বন্যাকে ‘দৈবদুর্বিপাক’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন ওই আসনে ১০ সেপ্টেম্বর-পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেবে। আর ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন মারা যান ৯ জুলাই।

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুর তারিখ থেকে নির্বাচন কমিশন ঢাকা-১৮ আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে। সাধারণ নিয়মে ওই আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা আগামী ৬ অক্টোবরের মধ্যে। করোনা মহামারীকে ‘দৈবদুর্বিপাক’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন ওই আসনে ৬ অক্টোবর-পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারির মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেবে।

প্রশ্ন উঠতে পারে, সংবিধানের সাধারণ নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যাকবলিত পাবনা-৪ আসন এবং করোনা মহামারী আক্রান্ত ঢাকা-৫ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হলে সংবিধানের একই নির্দেশনা মেনে সিরাজগঞ্জ-১ এবং ঢাকা-১৮ আসনে উপনির্বাচন হবে না কেন? অনেকে মনে করেন, দৈবদুর্বিপাকের অজুহাতে এ দুটি আসনে উপনির্বাচন পেছানোর অন্য কোনো কারণ আছে এবং তা হতে পারে ওই দুটি আসনে সরকারি দলের মনোনয়ন নিয়ে সমস্যা রয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি আসন্ন পাঁচ উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। ২৭ আগস্ট দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর দলটির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি আরও বলেছেন, ‘সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বাচনে উৎসাহবোধ করে এমন নির্বাচন চায় জাতীয় পার্টি’ (যুগান্তর, ২৮ আগস্ট)। সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। ২৯ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন যেহেতু সবকিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে; তাই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এর আগে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী দিয়েও করোনা মহামারীর কারণ দেখিয়ে নির্বাচন করেনি বিএনপি।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেছেন, তার দল এমন নির্বাচন চায়- যে নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা উৎসাহবোধ করবেন। তার এ বক্তব্যে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষের মনের কথার প্রতিধ্বনি হয়েছে।

কিন্তু অভিযোগ আছে, ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচন- এ দুটি নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে এবং একাদশ সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হয়নি। নবম সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকার প্রবর্তিত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে।

মূলত তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের দাবি মেটাতে বিএনপি সরকার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করে। নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এবং সমমনা ৮টি দল ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে।

অংশগ্রহণহীন এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসে। এতে দেশের গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচন বহুদলীয় অংশগ্রহণমূলক হলেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এ নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়টি খোদ সিইসির বক্তব্যেও প্রকাশ পায়।

একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দুই মাস পর ৮ মার্চ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিইসি কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে বাক্সভর্তি বন্ধ করতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির জন্য কারা দায়ী, কাদের কী করা প্রয়োজন, সেই শিক্ষা দেয়ার ক্ষমতা, যোগ্যতা কমিশনের নেই। কী কারণে, কাদের কারণে এগুলো হচ্ছে; কারা দায়ী, তা বলারও কোনো সুযোগ নেই। সিইসির এমন বক্তব্যের মধ্যে শুধু একাদশ সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের সত্যতাই প্রকাশ পায়নি, এ অপরাধ দমনে নির্বাচন কমিশনের অসহায়ত্বও ফুটে উঠেছে।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখল, বিএনপি ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া ইত্যাদি অনিয়মের অভিযোগে বিএনপি ও তার শরিক দলগুলো নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও বর্জন করে।

তারা ছাড়াও নির্বাচন বর্জন করেন জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সমর্থিত ডিএসসিসির মেয়র পদপ্রার্থী সাইফুদ্দিন মিলনসহ কয়েকটি দলের মেয়র পদপ্রার্থীরা। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শাসক দল আওয়ামী লীগ মনোনীত শতাধিক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

বিরোধী দল মনোনীত এবং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেয়া এবং জমা দেয়ার পর তা প্রত্যাহারে বাধ্য করাকে শাসক দল মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়ার জন্য মূলত দায়ী করা হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের ধাঁচে অনুষ্ঠিত হয় জেলা পরিষদ নির্বাচন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এ নির্বাচন বর্জন করে। জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয় এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ রকম আরও উদাহরণ রয়েছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তা হল ডিএনসিসির মেয়রের শূন্য পদে এবং ডিএনসিসির ১৮টি ও ডিএসসিসির ১৮টি নবগঠিত ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর এবং ১২টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে নানাবিধ অনিয়মের প্রতিবাদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এবং বিএনপির ছায়ায় গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন বর্জন করে। এ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল মাত্র ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট বর্জিত ২০১৯ সালের ১০ মার্চ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি। ভোটের হার ৪০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। অথচ ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬৮ দশমিক ৩২ এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ ভোটার ভোট দেন।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ভোট পড়ে ২৫-২৯ শতাংশ। মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারি দল মনোনীত ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মাত্র ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ডিএসসিসির সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস মাত্র ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোট পেয়ে মেয়র পদে নির্বাচিত হন।

২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচনে মাত্র ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট পড়ে। মার্চে অনুষ্ঠিত ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে ভোট পড়ে মাত্র ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক না হওয়া এরকম অনেক নির্বাচনের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে।

উপরের বর্ণনায় যা বলতে চাওয়া হয়েছে তা হল- নির্বাচনে মাঠের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তার সহযোগী দলগুলোর নির্বাচন বর্জন, নির্বাচনে অনিয়ম, স্বাধীনভাবে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে ভোটারদের অধিকার হরণ, সহিংসতা ইত্যাদি কারণে মানুষ নির্বাচনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।

ভোট প্রদানে ভোটকেন্দ্রে আসার আগ্রহ তাদের নেই। আসন্ন পাঁচটি উপনির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা যেন ভোটে অংশ নিতে উৎসাহবোধ করে- জাতীয় পার্টির মহাসচিবের এমন প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে, তা সময়ই বলে দেবে। একমাত্র সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচনই পারে ভোটারদের নির্বাচনমুখী করতে।

এরকম পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দরকার সরকারের সদিচ্ছা এবং নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন পরিচালনাকারী মাঠ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা। অতীতের গ্লানি মুছে ফেলে আসন্ন পাঁচ উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে, এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

একই বিভাগের সংবাদ

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button
x
Close
Close
%d bloggers like this: