বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ ও সমবেদনা জ্ঞাপন


শিউলি ফুলের মতই ঝড়ে গেল সাংবাদিক কন্যা কামরুন্নাহার

মুমীদুজ্জামান জাহান : ভোর না হতেই শিউলি ফুলের মত অকালে ঝড়ে গেল সাংবাদিক ফারুক হাসান কাহারের শিশুকন্যা কামরুন্নাহার(৪ মাস)। দেখতে পেলনা ভোরের আলোয় পাখির কিচিরমিচির গুঞ্জন। পারলনা সকালের সোনারোদ গায়ে মেখে হলুদ সরিষা ক্ষেতের মৌমাছির সাথে করতে খালা,সলাৎ জলে কাগজের নাঁও ভাসিতে। মাছ আর পাখির সাথে কথা কইতে। বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে কৈশরের দূরন্তপনা। বিধাতার নির্মম নিষ্ঠুরতায় প্রষ্ফুটিত হওয়ার আগেই তাকে ঝড়ে যেতে হল। কিন্তু কেনো এই পরিহাস। এটাকি মর্তলোকের আজন্ম পাঁপ না কালের অভিশাপ। এ নরক যন্ত্রণা সইবার শক্তি কি আছে তার জন্ম ধাত্রীর। যদি সবই হয় কল্যাণকর তবে এক এই মৃত্যুবান। এর কাল ছোবল তো সবাইকেই সইতে হয়। কিন্তু যে ফুল প্রষ্ফুটিতই হলনা তার কি বিচার হবে। কাল হাসরে সে যখন জিজ্ঞাসিবে কেনই বা আমার সৃষ্টি,কেনই বা আবার ধংস। কি জবাব দিবে তার। পৃথিবীর সব দায়ে কি তারই ছিল। তবে কেন তাকে চাপিয়ে দেওয়া হল। হয় তো এর কোন সদূত্তোর কারো জানা নেই। তার পরেও হে করুনাময় শোককে শক্তিতে পরিণত করে সামনে চলার তৌফিক দাও কামরুন্নাহরের জন্মদাতা ডেইলি বাংলাদেশ পত্রিকার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রতিনিধি ফারুক হাসান কাহার ও গৃহবধূ হাসিনা খাতুনের। ৪ মাস বয়সী শিশুকন্যা কামরুন্নাহারকে দান কর সর্বত্তম জান্নাতের সুশীতল ছায়া। সবাইকে শোক সাগরে ভাসিয়ে সে চলে গেছে না ফেরার দেশে (ইন্না লিল্লাহে……রাজিউন)। কামরুন্নাহার জন্মগত হৃদরোগ জনিত অসুস্থ্যতায় সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের নানা সূতা ও টিন ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিমের বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়াবিল মাদ্রাসা মাঠে মরহুমার জানাজার নামাজ শেষে বাড়াবিল কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। তার এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ সময় মরহুমার স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুভাকাঙ্খিরা বাড়াবিলের বাড়িতে ছুটে গিয়ে মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সবাইকে সমবেদনা জানান।