শাহজাদপুর কিরণবালা কিরণবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা

শামছুর রহমান শিশির : আজ রোববার দুপুরে শাহজাদপুরের ঐতিহ্যবাহী ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিনের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ্র ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় নিয়ামুল ওয়াকিল খান আওরঙ্গের সভাপতিত্বে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান। তিনি বলেন, ‘মমতাজ শিরিন একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সুনামের সাথে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এএম আব্দুল আজীজ, প্রফেসর নাছিম উদ্দিন মালিথা, ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাক আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদা সিদ্দীকা, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিন, প্রধান শিক্ষক এসএম সাইফুল ইসলাম, শাহজাদপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম শাহু, ডাঃ শেফালী খান, প্রধান শিক্ষক মইনুল ইসলাম সরকার, প্রধান শিক্ষক আবু হেনা, প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন (অবঃ), রংধনু স্কুলের অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম শাহীন, ফকরুল মেমোরিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ জাকারিয়া ইসলাম ঠান্ডু, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য টিপু সুলতান , কোরবান আলী, আব্দুস সাত্তার খান, ওই স্কুলের শিক্ষক ফরিদা পারভীন, শিরিন নাহার, আফরোজা পারভিন, হাবিবুর নাহার, আলমগীর হোসেন, মাকছুমা পারভীন, আমিনুল ইসলাম, শাপলা ইয়াসমিন, শহিদ হোসেন, রুনা নাসরিন, পাপিয়া খাতুন, ফেরদৌস পারভীন, সবুজ বিপ্লবের উদ্যোক্তা কামরুল হাসান হিরোক প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল হোসেন।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানান, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিন ১৯৮৫ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষাকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ৩টি স্কুলে সুনামের সাথে দায়িত্বপালন করেন। বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিন বলেন, ‘তিনি যখন যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেছেন সেই প্রতিষ্ঠানকে আপন সন্তানের ন্যায় ভালোবেসে পরিচালনা করেছেন। সকল শিক্ষক এভাবেই তাদের স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানের মতো ভালোবেসে পরিচালনা ও পাঠদান করবেন- সবার প্রতি তার এটাই প্রত্যাশা। পরিশেষে বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মমতাজ শিরিন অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে ওই বিদ্যালয় চত্বরে একটি বকুল ফুলের চারাগাছ রোপণ করেন।

এখানে মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.