শাহজাদপুরে সড়ক মহাসড়ক দখল করে চলছে অবৈধ বালুর ব্যবসা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়ক মহাসড়কের পাশ দখল করে চলছে জমজমাট বালুর ব্যবসা। এতে পথ চলতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যানবহন ও পথচারীদের।

পাবনা বগুড়া মহাসড়কের বাঘাবাড়ীঘাট, গঙ্গাপ্রাসাদ, বাঘাবাড়ী চাটমহর সড়কের বাঘাবাড়ী মোল্লাপাড়া, বাঘাবাড়ী-বেড়া মুজিব বাঁধের পারে বড়াল নদীর তীর, শাহজাদপুর খুকনী সড়কের শ্রীফলতলা, ধুলাউরি, শাহজাদপুর কৈজুরী সড়কের নগরডালা এলাকায় সড়ক দখল করে চলছে বালুর রমরমা ব্যবসা। একশ্রেণীর অসাধু প্রভাবশালী মহল এই ব্যবসা পরিচালনা করছে। এসবরুটে চলাচলকারী যানবহন মালিক ও সাধারণ পথচারীদের অভিযোগ বাঘাবাড়ী মোল্লাপাড়ার খলিল মোল্লা, রুপবাটি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ, ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ, বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম শিকদারের স্বজনরা সহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গায়ের জোরে বাঘাবাড়ী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়ক দখল করে চালাচ্ছে এই ব্যবসা। এতে সড়কের অধিকাংশ জায়গা বালুর ট্রাকেতর দখলে থাকছে। ফলে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানবহন ও জনসাধারণের চলাচলে চরম বিঘ ঘটছে।

এলোমেলোভাবে পার্কিং করে বালু লোড আনলোড করায় হরহামেশাই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এই সড়ক মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাধারণ পথচারী ছাড়াও স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করে।

সরেজমিনে ঘুরে, বালুর ট্রাকের এলোমেলো পাকিং লক্ষ করা গেছে। বাঘাবাড়ী মুজিব বাঁধে চলাচল কারি আব্দুর রহমান জানান, আমি একজন শ্রমিক প্রতিদিনর বাঘাবাড়ীতে এইখান দিয়ে যাতায়াত করি মুজিব বাঁধের দেশবন্ধু সিমেন্ট কারখানার পূর্ব ও পশ্চিমে বালুর স্তুপ গড়ে ব্যবসা করছে। বাঁধের অর্ধেক জায়গা দখল করে সারাদিন এখানে ট্রাক ও ট্রাকটর বালু বোঝাই করতে দাড়ায়। ফলে রাস্তা ছোট হয়ে যায় মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

বাঘাবাড়ী চাটমহর সড়কের জনৈক সি,এন,জি চালক জানান, বাঘাবাড়ী মোল্লাপাড়া পয়েন্টে বালুর স্তুপ করে সড়কটি দখল করে ব্যবসা করায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে যায়। বালু ব্যবকসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করে সাহস পায়না।

এ ব্যাপারে সহকারি কমিশনার ভূমি মাসুদ হাসান জানান, সরকারি জায়গা দখল করে কেউ অবৈধ বালুর ব্যবসা পরিচালনা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে রুপবাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, রফিকুল ইসলাম শিকদার বলেন, সড়ক মহাসড়কে বালু ব্যবসা আমি সমর্থন করিনা। এটা বন্ধ করা উচিৎ। আমার অনেক আত্মীয় স্বজন এই ব্যবসায় জড়িত থাকলেও আমি তাদের পক্ষে নই।