শাহজাদপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রী পরিবহন

শাহজাদপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রী পরিবহন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার দুটি নৌরুটে চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে সামাজিক দূরত্ব না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এ নৌরুট দুটি হলো কৈজুরি ইউনিয়নের মোনাকষা থেকে সোনাতুনি ইউনিয়নের বানতিয়ার ও জামিরতা থেকে বানতিয়ার ঘাট। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে এ দুটি নৌরুটে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহনের ফলে ওই সব এলাকার মানুষ চরম করোনা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করায় দুমাস ধরে এ দুটি নৌরুটে চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌকার চালকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

তারা ইচ্ছামাফিক ও খেয়ালখুশি মতো অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করছে। গত ঈদের পর দিন অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে এনায়েতপুর থেকে চৌহালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ১২ জনের মৃত্যু হওয়ার পরও তাদের হুঁশ হয়নি।

গত সোমবার দেখা যায়, ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বানতিয়ার ঘাট থেকে ৫টি যাত্রী বোঝাই ইঞ্জিনচালিত শ্যালো নৌকা ও ট্রলার মোনাকষা ও জামিরতা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এ সব নৌকায় শতাধিক করে যাত্রী পরিবহন করা হয়। এসব যাত্রী একজনের গায়ের সঙ্গে আরেক জনের গা লাগিয়ে চাপাচাপি করে বসে যাতায়াত করছে। এ বিষয়ে চালকদের যেমন কোনো মাথাব্যথা নেই, তেমনি যাত্রীরাও চলছেন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নৌকাচালক জানান, কম যাত্রী নিয়ে নৌকা ছাড়লে ভাড়ায় পোষায় না। তাই বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করছি। ওই নৌকার একাধিক যাত্রী বলেন, নৌকা চালককে যাত্রী কম নিতে বলা হলে তারা নানা ধরনের অপমানজনক কথা শোনায়, লাঞ্ছিত করে। অনেক সময় নৌকা থেকে নামিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, এ দুটি রুটে চলাচলকারী নৌকার চালকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে বলা হয়েছে। তারপরেও আমাদের অজান্তে কেউ অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্যসূত্রঃ দেশ রুপান্তর