শাহজাদপুরে শীতার্ত মানুষের আর্তি ‘ওগরে শীতের কষ্ট আর সইব্যার পারি ন্যা বাই’ : ত্রাণ বিতরণ জরুরী

শাহজাদপুর প্রতিনিধি : গত ক’দিন হলো শাহজাদপুরে শীত জেঁকে বসেছে। হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগ দুর্গতি পোহাতে হচ্ছে উপজেলা যমুনা নদী তীরবর্তী ৪টি ইউনিয়নে। নদী তীরবর্তী অসহায় দুস্থ মানুষের পাশাপাশি শীতবস্ত্রের অভাবে যমুনার চরাঞ্চলের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা শীতবস্ত্রের অভাবে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। অর্থাভাবে তারা শীতবস্ত্র ক্রয় করতে পারছেন না। অনেকে আবার খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এখনো পর্যন্ত উপজেলার কোথায় ওইসব চির অবহেলিত, চির পতিত, চির অপাংক্তেয়, যাদের বুক ফাঁটে তো মুখ ফোটে না, যাদের বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাদে-তাদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণের খবর পাওয়া যায়নি। সরেজমিন পরিদর্শনকালে কৈজুরীর জগতলা গ্রামের এছাক মিয়া, রহিমা বেওয়া, কুলছুনসহ যমুনা নদী তীরবর্তী ও যমুনার চরাঞ্চলের বেশ কয়েকজন দুস্থ, সহায় সম্বলহীন উদ্বাস্তুরা জানিয়েছেন, ‘শীতে আর কী করমু বাই। পোলাপান লিয়্যা তিন ব্যালা প্যাট ভইর‌্যা খাইব্যারই পারিন্যা, কম্বল কিনমু ক্যাবা কইর‌্যা। যদি চিয়্যারম্যান, মেম্বার,বড়লোকেরা আমাগরে শীত থ্যেইক্যা বাচাইতে কম্বল দিলোনি, তালি বালোই অইলোনি। পোলাপানগনে তিনব্যালা খাইব্যার দিব্যার পারি ন্যা , ওগরে শীতের কষ্ট আর সইব্যার পারি ন্যা বাই। আপনেরা কিছু করেন বাই, আমাগরে ল্যাইগ্যা কিছু করেন।’ বিজ্ঞ মহলের মতে,‘গত ক’দিনের তীব্র শীতে যমুনা নদী তীরবর্তী ও যমুনার চরাঞ্চলের অসহায় জনমানুষ জুবুথুবু ও কাহিল হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে অবিলম্বে শীতবস্ত্র বিরতণ অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে।’

এখানে মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.