ওইসব হৎদরিদ্র আমজনতার মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ জরুরী হয়ে পড়েছে


শাহজাদপুরে শীতবস্ত্রের অভাবে দুঃস্থদের দুর্ভোগ বাড়ছে!

শামছুর রহমান শিশির : গত ক’দিন হলো সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগ দুর্গতি পোহাতে হচ্ছে উপজেলা যমুনা নদী তীরবর্তী ৪টি ইউনিয়নের সহায়-সম্বলহীন দুঃস্থদের। শীতবস্ত্রের অভাবে যমুনা নদী তীরবর্তী দুর্গম অঞ্চলের অসহায় দুঃস্থ আমজনতার পাশাপাশি যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলের হাজার হাজার আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা শীতবস্ত্রের অভাবে অতিকষ্টে দিন কাটাচ্ছে। অর্থাভাবে শীতবস্ত্র ক্রয় করতে না পেরে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।এক সময়ের প্রবলা, প্রমত্তা, প্রগলভা, সমুদ্রের যোগ্য সহচারী, রাক্ষুসী, উত্তাল যমুনার কড়াল গ্রাসে বারবার ঘরবাড়ি, জমিজমা, সহায়-সম্বল সব কিছু হারিয়ে পথের ভিখারীতে পরিণত হওয়া শত শত ওইসব চির অবহেলিত, চির পতিত, চির অপাংক্তেয় দুঃস্থ্য আমজনতা, যাদের বুক ফাঁটে তো মুখ ফোটে না, যাদের বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাদের তাদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ জরুরী হয়ে পড়েছে।
যমুনা তীরবর্তী শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের এছাক মিয়া, রহিমা বেওয়া, কুলছুনসহ যমুনা নদী তীরবর্তী ও যমুনার চরাঞ্চলের বেশ কয়েকজন অসহায় এলাকাবাসী জানান, ‘শীতে আর কী করমু বাই। পোলাপান লিয়্যা তিন ব্যালা প্যাট ভইর‌্যা খাইব্যারই পারিন্যা, কম্বল কিনমু ক্যাবা কইর‌্যা। যদি চিয়্যারম্যান, মেম্বার, বড়লোকেরা আমাগরে শীত থ্যেইক্যা বাচাইতে কম্বল দিলোনি, তালি বালোই অইলোনি। আল্লাহর কাছ দোয়া কইরল্যামনি। আপনেরা কিছু করেন বাই, আমাগরে ল্যাইগ্যা কিছু করেন।’
এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে শাহজাদপুরে শীত জেঁকে বসতে শুরু করায় ওইসব হৎদরিদ্র আমজনতার মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ জরুরী হয়ে পড়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

মন্তব্য