শাহজাদপুরে বালি হতে ফসলী জমি রক্ষার দাবী কৃষকদের

শাহজাদপুর প্রতিনিধি : শাহজাদপুর উপজেলার পাড়কোলা মৌজায় নির্মাণাধীন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের নিজস্ব জমির চারদিকে গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করেই পাইপ লাইনের মাধ্যমে বালু দিয়ে জমি ভরাট বন্ধে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের ফসলী জমি রক্ষায় লিখিত অভিযোগ পেশ করেছে।
স্থানীয় কৃষকদের পক্ষ থেকে আব্দুল হালিম, রাজিব, মনিরুল, নুর হোসেন ও রুহুল স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ বগুড়া জোনের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর প্রেরণ করেছেন ভবিষ্যত ক্ষতির আশংকায় বিচলিত কৃষকেরা।
দাখিলকৃত ওই অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শাহজাদপুরের পাড়কোলা মৌজায় নির্মাণাধীন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের পুরো এরিয়ায় গাইড ওয়াল নির্মাণকাজ সম্পন্ন না করেই পাইপলাইনের মাধ্যেমে বালু ভরাট করায় পানিসহ বালু পার্শ্ববর্তী ফসলী জমিতে ঢুকে পড়ছে। ফসলী জমির পলিমাটির ওপর বালির স্তর পড়তে থাকলে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাসসহ ভবিষ্যতে ফসলের আবাদে মারাত্বক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকদের এসব জমিতে ফসল আবাদ করে সারা বছর পরিবার পরিজন নিয়ে জীবীকা নির্বাহ করতে হয়। বালিসমেত ঘোলা পানি অন্য কোন উপায়ে সরিয়ে দিলে তাদের ফসলী জমি রক্ষা পাবে ও তাদের দুঃশ্চিন্তা লাঘব হবে।
উক্ত অভিযোগের অনুলিপি শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান , উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী প্রকৌশলীকে প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগকারী কৃষকেরা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, নির্মাণাধীন ওই টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জমি অধিগ্রহণের সময় তারা জমির বাজারদরের অনেক কম মূল্য পেয়েছেন। তার পরেও মরার ওপর খাড়ার ঘা এর মতো আশপাশে যেটুকু ফসলী জমি অবশিষ্ট রয়েছে সেখানে বালির স্তর জমা হলে ভবিষ্যতে ফসল উৎপাদন মারাত্বকভাবে বিঘ্ন ঘটবে এবং পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের খেয়ে না খেয়ে মানবেতর দিন কাটাতে হবে। অবিলম্বে স্থানীয় কৃষকরা তাদের ফসলী জমি রক্ষায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে যথেচ্ছভাবে বালি ভরাট বন্ধের দাবি জানিয়েছে।