শাহজাদপুরে ফের হতদরিদ্র ষোড়ষী বাক প্রতিবন্ধী’র সর্বস্ব হরণের অভিযোগ

শামছুর রহমান শিশির : প্রচলিত ‌‌‌’দু:খে যাদের জীবন গড়া, তাদের আবার দু:খ কিসের ‘ বা ‌’ওদের মতো চির অবহেলিত, চির পতিত, চির অপাংক্তেয়- যাদের বুক ফাঁটলেও মুখ ফোটেনা- যাদের বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে’ তেমনই ঘটনার পুনরাবৃতি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা নদী তীরবর্তী জামিরতা উত্তরপাড়া মহল্লায় !
উপজেলার নরিনা ইউপিতে হাসিনা নামের এক বাক প্রতিবন্ধীর সর্বস্ব খোয়ানোর ঘটনার পর ফের হৎদরিদ্র পরিবারের নির্বাক এক ষোড়ষী প্রতিবন্ধীর সর্বস্ব হরণের অভিযোগ পাওয়া গেলো। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধীর মা রোকেয়া সমাজপতিদের দ্বারস্থ হয়েও কোন প্রতিকার পাননি। এ ঘটনা এটাই জানান দিচ্ছে প্রভাবশালী আর বিত্তশালীদের ক্ষমতার দাপটকে। ঘটনার প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হয়েছে।বাক প্রতিবন্ধীর পিতা আজাহার আলী, যার ৪ মেয়ে ও স্ত্রীর দু’বেলা দুমুঠো আহার যোগাতে হিমশিমের মধ্য দিয়ে কাটে ও গৃহিনী মা রোকেয়াসহ এলাকাবাসী জানান, ‘ পার্শ্ববর্তী মৃত শহিদ মিয়া ও আলেয়া বেগমের ছেলে প্রবাসী অবিবাহিত লম্পট আলমের (৩৫) ওই বাক প্রতিবন্ধীর ওপর কুনজর পড়ে। মেয়েটি কথা বলতে পারে না- এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আলম ওই প্রতিবন্ধীকে গর্ভনিরোধ বড়ি কিনে দেয় এবং খাওয়াও শিখিয়ে দিয়ে তার সর্বস্ব হরণ করে।’ নির্বাক ষোড়ষী কথা বলতে না পারলেও আকার ঈঙ্গিতে তার মনোর ভাব প্রকাশ করতে পারে। এ ব্যাপারে আলমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে বাড়ি পাওয়া যায়নি। তবে তার মা আলেয়া বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে সংবাদকর্মীদের জানায়। বিষয়টি শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: খাজা গোলাম কিবরিয়াকে অবহিত করা হলে তিনি অসহায় বাক প্রতিবন্ধীর পরিবারকে সব ধরণের আইনগত সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।অন্যদিকে, এলাকাবাসী এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার মূল হোতা লম্পট আলমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধের ঘটনার পুনরাবৃতি না ঘটে।