শাহজাদপুরে আটক হওয়া ভুয়া র্যাব অফিসার একদিনের রিমান্ডে

ফারুক হাসান কাহারঃ শাহজাদপুরে ৮ জানুয়ারী র্যাব অফিসার পরিচয়ে চাঁদাবাজীর সময় আটক হওয়া আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম (৪৮) ভুয়া র্যাব কে একদিনের সতর্কমুলক রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার সকাল সাড়ে ১২টার সময় শাহজাদপুর আমলী আদালতের বিচারক মোঃ হাসিবুল হক এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক এস আই নুরুল হুদা ভুয়া র্যাব কে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করে।আদালত আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানী অন্তে একদিনের সতর্ক রিমান্ড মনজুর করেন।

রিমান্ড মনজুরের তথ্য নিশ্চিত করে এস আই নুরুল হুদা জানান মামলাটি সঠিক তদন্তের স্বার্থে আসামী আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম(৪৮) কে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করলে আদালত একদিনের সতর্ক রিমান্ড মনজুর করে।

এদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবি মোঃ ওয়াজেদ আলী জানান আদালতে আসামী আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম(৪৮) এর জামিনের আবেদন করিলে আদালত জামিনের আবেদন নামনজুর করে একদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
ভুয়া র্যাব অফিসার আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার চন্ডিপুর গ্রামের এরশাদ আলী মোস্তফার ছেলে।
এদিন শাহজাদপুর কোর্ট চত্ত্বরে প্রতারণার স্বীকার সাঁথিয়ার মিয়াপুর গ্রামের আবু মোল্লার ছেলে মাছ ব্যাবসায়ী আহসান হাবীব জানান সাথিয়া বনগ্রাম বাজার থেকে আমার কাছ থেকে এই ভুয়া র্যাব সাতাশ হাজার টাকার মাছ নিয়ে টাকা দেইনি।ভুয়া র্যাব কে শাহজাদপুর কোর্টে হাজির করার খবর পেয়ে আমি এসেছি।

জানা যায় উপজেলার তালগাছি বাজারে এই মামলার বাদী মোঃ বাবু সরকারের মাংসের দোকান আছে।৮জানুয়ারী সকালে আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম(৪৮) র্যাব ১২ সিরাজগঞ্জ অফিসার পরিচয় দিয়ে ১৪ কেজি গরুর মাংস ও ২৮কেজি খাসির মাংস নিয়ে মাংসের সর্বমোট মুল্যের আটাশ হাজার টাকা র্রাব-১২ সিরাজগঞ্জ অফিস গিয়ে নিয়ে আসতে বলে! বাদী তাতে মাংস দিতে অস্বীকৃতি জানালে মোটর সাইকেল চালু করে মাংসের টাকা না দিয়ে চলে যেতে থাকলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আফজাল মিনহাজ সংগ্রাম (ভুয়া র্যাব)কে আটক রেখে থানায় খবর দেন।

পরবর্তিতে থানার এস/আই নুরুল হুদা তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার পর উপজেলার মশিপুর গ্রামের শামসুল হক মেম্বরের পুত্র মাংসের দোকানদার বাবলু সরকার বাদী হয়ে উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-০৭, তারিখ-০৮/০১/১৮ইং, ধারা-১৭০/৪০৬/৪১৯/৪২০ পেনাল কোড। মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা এস/আই নুরুল হুদা জানান মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে।