শাহজাদপুরের চা দোকানী হত্যার রহস্য উদঘাটিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহজাদপুর গালা ইউনিয়নের ভেড়াখোলা গ্রামে এবছর ১৯মার্চে ডোবা থেকে জামাত আলী নামের এক চা দোকানীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ।সেই চা দোকানীর হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।
হত্যাকান্ডে জড়িত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই নওজেস আলী।
আজ ১২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্সক এস আই নওজেশ আলী মামলায় একজনকে গ্রেফতার করে শাহজাদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির করে।
গ্রেফতার কৃত আসামী উপজেলার ভেড়াখোলা খোকা মোল্লার পুত্র আবুল কাশেম পাশু (৫৫)
।আজ ১২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গ্রেফতার কৃত আসামীর ১৬৪ ধারামতে স্বীকারক্তিমুলক জবান বন্দি রেকর্ড করেন শাহজাদপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ হাসিবুল হক।প্রায় এক ঘন্টা আসামীর স্বীকারোক্তিমুলক জবান বন্দি রেকর্ড করেন বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট।এ জবানবন্দিতে ঐ চা দোকানিকে হত্যার কথা স্বীকার করে এ জবান বন্দি প্রদান করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই নওজেস আলী জানান, হত্যান্ডের দিন শ্রীলংকায় নিদাহাস ট্রফিতে বাংলাদেশ ভারত ক্রিকেট ম্যাচ চলছিলো।ভিকটিম কে হত্যা করে ডোবার গর্তে ভিতর লাশ পুতে কচুরী পানা দিয়ে ঢেকে রাখে। হত্যাকান্ডের আরো কারা কারা জড়িত আছে তদন্তের স্বার্থে এই মুহুর্থে তাদের নাম বলা যাবে না।ভিকটিম চা দোকানীর চাচার সাথে ঘাতকের মাঝে ডিসলাইনের ব্যবসা নিয়ে কোন্দল ছিলো। তিনি আরও জানান যে,হত্যা কান্ডের পর থেকেই আসামীর আচরন অস্বাভাবিক মনে হয়। তাকে আমরা নজরদারীতে রাখি।হত্যা কান্ডের পরদিন থেকে এই আসামী নামাজ পড়া শুরু করে,এমনকি দিনের বেশিরভাগ সময় একাকী সময় কাটাতো।খাওয়া দাওয়া ছিল অনিয়মিত।তার এই অস্বাভাবিক আচরন দেখে পুলিশ তার উপড় নজরদারী বাড়ায়।গ্রেফতার হওয়ার আগে বিষ পান করে আত্নহত্যার চেষ্টাও করেছিলো ।
উল্লেখ্য এবছর ১৯ মার্চ সোমবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের বেড়াখোলা গ্রামের একটি ডোবা তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জামাত আলী ওই গ্রামের বিশা মোল্লার ছেলে। তিনি স্থানীয় ভেড়াখোলা বাজারের চা দোকানদার।হত্যাকান্ডের পর ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে অজ্ঞাত