যমুনার দুর্গম চরে আলোর ছোয়া

যেখানে মানুষের চলাচলের জন্য নেই ভাল যাতায়াত ব্যবস্তা, নেই চিকিৎসা ব্যবস্তা, সেখানে সোলার বিদ্যুৎ এর আলোয় আলোকিত হয়েছে যমুনা চরবাসী। এই অসাধ্য সাধন করেছে রহিম আফরোজ রিনিউএবল এনার্জি লিমিটেড। তাদের এই মহৎ উদ্দেগের কারনে চরবাসী আজ আলোকিত হতে পেরেছে। অন্ধকার আচ্ছন্ন চরবাসী পেয়েছে আলোর দেখা।

রাতের অন্ধকার কাটাতে এক সময় কুপি কিংবা হারিকেনের আলোই ছিল চরবাসীর মূল ভরসা। কিন্তু এখন তা অতীত হয়েছে। কারণ, দুর্গম চরে পৌঁছে গেছে সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ সংযোগ। আর সেই সংযোগে ঘরে ঘরে জ্বলছে আলো। ছাত্র-ছাত্রীতাছারা লেখা পড়া করতে আরো বেশি উৎসাহ পাচ্ছে। চর বাসী ডাকাতের ভয়ে থাকত এখন সোলার বিদ্যুৎ এর কারণে গ্রামে গ্রামে বাতি হওয়ায় আলোকিত চরে পরিণত হয়েছে ফলে চোর ডাকাতের উপদ্রুপ অনেকটাই কমেছে।

এ বিষয়ে প্রজেক্টট ইনচার্জ মুজাম্মেল হক জানান আমাদের এই প্রজেক্টটি ৮০ কিলো ওয়াট পিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম।এখানে ২৫০ টি প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় এবং তিনটি ফেজের মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ৬ কিলো মিটার বিস্তৃত ২২০ টি পরিবার এই সেবার আওতায় রয়েছে এবং ২৫ বছরের প্রজেক্ট নিয়ে কোম্পানিটি কাজ করছে।সেবার আওতার গ্রাম গুলো হলো বাইনতিয়ার চর,গোরজান,নওহাটা।গ্রাহকদের প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হয় এবং প্রিপেইড মিটারের আওতাদিন সকল সংযোগ।

নওহাটার গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা মোল্লা বলেন এই বিদ্যুৎ আমাদের এলাকার মানুষের জীবন যাত্রার মান আমুল পরিবর্তন এনেছে। আগে আমরা মোবাইল ফোন চার্জ দিতে পারতাম না,চার্জের জন্য নদীপার দিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে হতো।এখন মোবাইল চার্জ টিভি,ফ্রিজ সব চালাতে পারি কোন সমস্যা হয় না।আমাদের অনেক উপকার হয়েছে এবং এলাকার মানুষ খুবই আনন্দিত।