মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই-২০১৭ স্থগিত : একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা’র আংশিক বিজয়

প্র্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিগত ২০১৭ সালের গোঁজামিল ও বাণিজ্যনির্ভর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের ফলাফল নানা তালবাহানায় জায়েজ করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধার হুমকির মুখে পিছু হটে অবশেষে জামুকা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা’র আহ্বায়ক ও লেখক গবেষক আবীর আহাদ।

সোমবার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিততে তিনি বলেন, এটি একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনা ও দৃঢ়তার আংশিক বিজয়।

অদ্য এক বিবৃতিতে আবীর আহাদ বলেন, আমি জানতে পেরেছিলাম, অত্যাসন্ন স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী তাঁর সাঙ্গাতদের ২০১৭ সালের সুপারিশকৃত হাজার হাজার অ-মুক্তিযোদ্ধা, এমনকি রাজাকারদের বিশাল অর্থের বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে দেয়ার বাণিজ্যিক মিশনটি জায়েজ করার পাঁয়তারা করছেন। এ চক্রান্তের বিরুদ্ধে দু’দিন পূর্বে বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে এই বলে হুমকি দিয়েছিলাম যে, যদি ২০১৭ সালের বাণিজ্যনির্ভর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে সুপারিশকৃত হাজার হাজার অ-মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শৌর্য বীর্য ত্যাগ বীরত্ব ও মর্যাদাকে ওদের কপালে তুলে দেয়া হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। আমি এক্ষণে স্বস্তি পাচ্ছি যে, আমাদের চাপের মুখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের কুপরিকল্পনা স্থগিত করতে বাধ্য হলো।

আবীর আহাদ বলেন, ২০১৭ সালের মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই স্থগিত করাতে আমরা পরিপূর্ণ সন্তুষ্ট নই । বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলসহ লাল মুক্তিবার্তায় ইতোপূর্বের মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় যে ৫০/৬০ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে তাও বাতিল করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত সংজ্ঞার আলোকে একটি উচ্চপর্যায়ের যাচাই বাছাই কমিশন গঠন করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল তালিকা প্রণয়নই জাতির মূল দাবি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিলে সব সমস্যার সমাধান ঘটবে বলেই আমরা একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে এ দাবিটিও তুলেছি। আশা করি সরকার আমাদের দাবির বাস্তবায়ন ঘটাবেন।