বেলকুচিসিরাজগঞ্জ

বেলকুচির হাট-বাজারে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব

অন্যতম জনবহুল অঞ্চল বেলকুচি। ১৬৪.৩১ বর্গ কিলোমিটার আয়তনে জেলার ২য় ক্ষুদ্রতম উপজেলা বেলকুচি। যেখানো প্রায় জনসংখ্যা ৩,৫২,৮৩৫ জন। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২২২১ জন মানুষের বসবাস।

করোনা মহামারিতে এই উপজেলার অবস্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আক্রান্তের সংখ্যায় কিছুদিন জেলার ১ম স্থানে থাকলে ও বর্তমানে ১৪৩ জন করোনা পজিটিভ নিয়ে ২য় অবস্থানে আছে।

এই উপজেলাতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের বক্তব্য এরকম।

বেলকুচিতে শিক্ষার হার ৪০.৪ শতাংশ। যার ফলে গণসচেতনতার অভাব রয়েছে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ার সুবাধে সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মানা হয় না। এইজন্য আক্রান্ত তুলনামূলক বেশি।

বেলকুচির জনপ্রিয় হাট/ বাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় খুব কম সংখ্যক মানুষের মুখে মাস্ক রয়েছে এবং স্বাস্থ্যবিধি/ শারীরিক দূরত্বের একদম নাজেহাল অবস্থা!

এখন করোনা টেস্টের জন্য যেহেতু ফি নির্ধারিত হয়েছে সেক্ষেত্রে নিম্নআয়ের, দুস্থ, অসহায় মানুষগুলো করোনা পরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। তাই ঝুঁকি দিন দিন প্রবল হচ্ছে।

আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বসবে গবাদি পশুর হাট। সেক্ষেত্রে হাটগুলো সঠিকভাবে নজরদারি না করা গেলে বিপর্যয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে নেই উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা। হাট কমিটির সতর্কতামূলক কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে বেলকুচির সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মী খন্দকার মোহাম্মদ আলী বলেন, বেলকুচিতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্যবিধি/ শারীরিক দূরত্ব জনগণ মানছে না।কোরবানির পশুর হাটের আগেই যদি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়। তাহলে বেলকুচিবাসীদের কে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

এই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সময়ের দাবী।

একই বিভাগের সংবাদ

Back to top button
x
Close
Close
%d bloggers like this: