বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চলনবিলে বৃষ্টি ও ঢল গড়া পানি আসার সাথে সাথে শুরু হয়েছে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ নিধনের মহোৎসব। জানা গেছে, চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, তাড়াশ,উল্লাপাড়া, পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় কয়েকদিনের ভারি বর্ষন ও উজান থেকে নেমে পাহাড়ি ঢলে খালবিলে পানিতে ভরে উঠছে। সেই সাথে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ডিমওয়ালা মা মাছের দেখা মিলছে বিলের পানিতে। আর এই সব মাছ শিকার করতে জেলেরা হুমরি খেয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যে তারা মাছ শিকারের উপকরণ যেমন- বেড়জাল, খোরা জাল, কারেন্ট জাল, সুতিজালসহ নানা ধরনের উপকরণ দিয়ে দিনরাত মা মাছ নিধন শুরু করছেন। সরেজমিনে চলবিলে ঘুরে দেখা গেছে, যেখানে পানি এসেছে সেখানেই ডিমওয়ালা মা মাছ ধরার জন্য সবাই হুমরি খেয়ে পড়ছেন। গত এক সপ্তাহে চলনবিলের হাট-বাজারে প্রকাশ্যে ডিমওয়ালা মা মাছ চড়া দামে বিক্রিও করতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় জেলে সাইফুল আলম জানান, বছরে ৭-৮ মাস বিলে পানি না থাকায় চলনবিলের জেলেদের মানবতার জীবনযাপন করতে হয়। এ কারণে এখন পরিবার চালাতে তাদেরকে ডিমওয়ালা মাছই শিকার করতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) মৎস্য কর্মকর্তা হাসান মাহমুদুল হক জানান, চলনবিল একটি বৃহৎ এলাকা। এখানে সমন্বিতভাবে কাজ করলে পোনা মাছ নিধন বন্ধ সম্ভব। তিনি আরও জানান, তার এলাকায় ডিমওয়ালা মা মাছ নিধন বন্ধ করতে জেলেদেরকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

মৌসুমের শুরুতেই সিলভার চোট

খেলাধুলা

মৌসুমের শুরুতেই সিলভার চোট

‘প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়; সম্পদ’ - ড. এম এ মুহিত

দিনের বিশেষ নিউজ

‘প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়; সম্পদ’ - ড. এম এ মুহিত

‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। আমরা যারা সুস্থ্য মানুষ তাদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে প্রতিবন্ধীরা...

মহানবী (সা.) পশুর যেসব অঙ্গ খেতেন না

ধর্ম

মহানবী (সা.) পশুর যেসব অঙ্গ খেতেন না

এসব অঙ্গ ছাড়া হালাল পশুর বাকি সবকিছু খাওয়া জায়েজ।

সাংবাদিক নাদিম হত্যা: খুনীদের সর্বোচ্চ  শাস্তির দাবিতে শাহজাদপুরে মানববন্ধন

শাহজাদপুর

সাংবাদিক নাদিম হত্যা: খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহজাদপুরে মানববন্ধন

জামালপুর জেলার বকসীগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শ...

৬ বছর ৮ মাসে লেখা কোরআন শরিফের দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনী চলছে সাতক্ষীরায়

বাংলাদেশ

৬ বছর ৮ মাসে লেখা কোরআন শরিফের দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনী চলছে সাতক্ষীরায়

৪০৫ কেজি ওজনের কোরআন শরিফটি লিখতে হাবিবুর রহমান ৪০৮টি আর্টপেপার ও ৬৬০টি কলম ব্যবহার করেছেন