বঙ্গবন্ধু যে লক্ষ্য নিয়ে মিল্কভিটা স্থাপন করেছিলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি- এ্যাড. শেখ আব্দুল হামিদ লাবলু


দুগ্ধশিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে ঘটাতে পারে বিপ্লব!

শামছুর রহমান শিশির, শাহজাদপুর থেকে : স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান, দেশের সর্ববৃহৎ সমবায় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিমিটেড (মিল্কভিটা) কর্তৃক দেশের বৃহত্তর ২২ টি জেলায় বিনামূল্যে উন্নতজাতের সিমেন (বীজ) সরবরাহের পর থেকে দুগ্ধশিল্পের কেন্দবিন্দু শাহজাদপুরসহ পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোরের বিভিন্ন গ্রামের বতসবাড়ি ও বাথান এলাকায় লক্ষাধিক উন্নতজাতের গাভী পালনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে। দুগ্ধ সমৃদ্ধ এ অঞ্চলে উন্নতজাতের গাভী পালন করে করে হাজার হাজার গো-চাষী স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। অনেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আবার অনেকে শখের বশে গো-খামারে গবাদী পশু লালন পালনের মাধ্যমে আবার অনেকে বাথানে উন্নতজাতের গাভী পালন করে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। বিজ্ঞমহলের মতে, ‘দেশের গো-খামারীদের মধ্যে অধিকহারে সহজশর্তে ঋণদান কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ, স্বল্পমূল্যে অধিকহারে উন্নতমানের গো-খাদ্য সরবরাহ অধিকতর বৃদ্ধিকরণ ও সমবায়ীদের সুষম গো-খাদ্য ক্রয়, গাভীকে সুষম দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর মাত্রা বৃদ্ধিতে উদ্বুদ্ধকরণ, বিদেশী গুঁড়োদুধের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি ও দেশের প্রাপ্তিক পর্যায়ে মিল্কভিটার গুঁড়োদুধসহ সকল প্রকার দুগ্ধজাত সামগ্রীর অধিকতর ভোক্তা নিশ্চিতে সরকারিভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সরকারি উদ্যোগে প্রতিটি গো-খামারেই বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে লক্ষ্য নিয়ে মিল্কভিটা স্থাপন করেছিলেন, সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে এবং দুগ্ধশিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।’
জনশ্রুতি রয়েছে, উনিশ শতকের গোড়ার দিকে প্রথমে এক ইংরেজী শাষক লর্ড লিন লিথদো ও পরবর্তী সময়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ অঞ্চলে গবাদী পশু প্রতিপালনের সম্ভাবনা আঁচ করেন। সর্বপ্রথম লর্ড লিন লিথদো উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উন্নতজাতের বেশকিছু গাভী এখানে নিয়ে আসেন। পরবর্তী সময়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শাহজাদপুরের জমিদারী তদারকি করতে এসে এ অঞ্চলে গাভী পালনের সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে উপ-মহাদেশের হরিয়ানা ও মুলতান থেকে বেশকিছু উন্নতজাতের ষাঁড় ও গাভী শাহজাদপুরে নিয়ে আসেন। মূলতঃ সেই সময় থেকেই শাহজাদপুরের বিভিন্ন বসতবাড়ি ও বাথানে দেশি উন্নতজাতের গরুর মধ্যে শংকরায়ন (ক্রস) ঘটানো শুরু হয়। পরে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ অঞ্চলের গো -সম্পদের ওপর ভিত্তি করে বাঘাবাড়ীতে গড়ে ওঠে মিল্কভিটার বিশাল কারখানা।
১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে ঠাকুর পরিবারের যৌথ জমিদারী বিভক্ত হওয়ায় শাহজাদপুর অংশ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেঝ কাকা গিরীন্দ্রনাথের বংশধরদের হাতে চলে গেলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শাহজাদপুরে আসা ছেড়ে দেন। ফলে কৃষক সমবায় সমিতিগুলি এবং খাদি প্রতিষ্ঠান অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খাদি প্রতিষ্ঠানর নিকট থেকে খাদির ভিটায় পরিচালিত দুগ্ধ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানটি কোলকাতার প্রবর্তক নামক এক কোম্পানী কিনে নেয়। প্রবর্তক কোম্পানী ব্যাবসা পরিচালনা করা অবস্থায় ভারত বিভাগ পূর্ব প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেন জনৈক মোখলেছুর রহমান। পরবর্তীতে তিনি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরন যন্ত্রপাতি আধুনিকরনের মাধ্যমে ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দে তৎকালীন অবিভক্ত ভারতবর্ষে লাহিড়ী মোহনপুর (বর্তমানে উল্লাপাড়া উপজেলার অন্তর্র্ভূক্ত) রেল ষ্টেশনের পাশে ‘অষ্ট্রমিল্ক’ নামে কারখানাটি স্থাপন করেন। যার উৎপাদিত পন্য ‘অষ্টার মিল্ক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল। ভারতবিভক্ত পরবর্তী ১৯৬৫ খৃষ্টাব্দে কারখানাটির দুগ্ধ উৎপাদন ও পরিচালন প্রক্রিয়ায় ইষ্টার্ন মিল্ক প্রডিউসার্স কোপারেটিভ ইউনিয়ন লিঃ প্রতিষ্ঠাকরনের মাধ্যমে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরন ও উৎপাদনে সমবায় অঙ্গন প্রতিস্থাপন করা হয়। পাকিস্থান শাসনামলে পূর্ব-পাকিস্থানের গভর্নর আজমখান এলাকার গবাদি পশু পরিদর্শনে এসে গো-সম্পদের জাত উন্নয়নে সরকারের তরফ থেকে এলাকার কৃষকদের মাঝে শাহিওয়াল ও মন্টোকুমারী নামের উন্নতজাতের ষাঢ় বিতরন করেন। প্রত্যেকটি ষাঢ়ের জন্য বাৎসরিক ১৫ টাকা হারে সরকারী ভাতা প্রদানের মাধ্যমে কেয়ারটেকার নির্বাচন করে ষাঢ়গুলো বিতরন করা হয়েছিল। বিতরনের শর্তছিল ষাঢ়গুলো বিভিন্ন এলাকার গো-চারন ভূমিতে সার্বক্ষনিক ছেড়ে দেয়া থাকবে । তারা গো-পালের সাথে স্বাধীনভাবে মিলে মিশে স্বাভাবিক প্রজনন ও জাত বিকাশে কাজ করে যাবে। বিভিন্ন সময়ে আনীত উন্নতজাতের গরু হারিয়ানা, মুলতানী, সিন্ধি, শাহিওয়াল, মন্টোকুমারী দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় জাতের গাভীর সাথে স্বাভাবিক প্রজননের মাধ্যমে এ দেশের আবহাওয়ার সাথে তাল মিলিযে একটি নতুন জাত সৃষ্টি হয়।এ অঞ্চলে ওই জাতটি পাবনা ব্রীড-পাবনা ক্রস হিসেবে পরিচিতি বহন করছে। এ জাতের গাভীর দুধ উৎকৃষ্ট মানের। পৃথিবীর যে কোন অঞ্চলের গাভীর চেয়ে এ জাতের গাভীর দুধে ফ্যাট সর্বাধিক লক্ষ করা যেতো। কারখানাটি কো-অপারেটিভভুক্ত করার পর থেকে ওই কারখানায় ক্রমাগত লোকসান হতে থাকে । এক পর্যায়ে ১৯৬৯-৭০ সালে কারখানাটিকে লে-আউট ঘোষনা করা হয়। ১৯৭১ সালে মহান মক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন দেশে মোখলেছুর রহমান বন্ধ কারখানাটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। সে সময় ৫ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালক নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচালক মেনহাজ মির্জাকে সভাপতি ও সাবেক গণপরিষদ সদস্য মরহুম আব্দুর রহমানকে পরিচালক সদস্য সচিব করে কো-অপারেটিভ ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় কারখানাটি পুনরায় চালু করা হয়। ওই কারখানার ব্যাবস্থাপকের দায়িত্ব দেয়া হয় জনাব আবু সায়েমকে। কারখানা চালু হওয়ার কিছুদিন পরেই মোখলেছুর রহমান মৃত্যুবরণ করেন। এর পর থেকে প্রতি মাসেই করাখানাটিতে লোকসান হতে থাকে। পরে কারখানা লে-আউট ঘোষনা করা হয়। এরপর সরকার দেশের গো-সম্পদ ও দুগ্ধজাত প্রকল্প প্রস্তাবনার জন্য ডেনমার্কের একটি টিমকে গবেষনার দায়িত্ব দেয়। গবেষনাটিম দীর্ঘদিন গবেষনার পর বৃহত্তর পাবনা এলাকাকে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ গো-সম্পদ এলাকা এবং এলাকার গাভীর দুধে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তূলনায় সর্বাধিক ফ্যাটযুক্ত বলে গবেষনা রিপোর্টে উল্লেখ করে তারা ৬ কোটি ক্রোনার ব্যয়ে টার্ন-কি ব্যাসিসে একটি দুগ্ধ কারখানা স্থাপন করে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রকল্প প্রস্তাব দেয় ডেনমার্ক। তৎকালীন সময়ে ফাও এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ভারতীয় নাগরিক ডাঃএস কে সাহার সহযোগিতায় সরকার প্রস্তাবটি সাদরে গ্রহন করে এবং অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে পোতাজিয়ার রাউতারার পাশে বগুড়া-নগড়বাড়ী মহাসড়ক সংলগ্ন বড়াল নদীর তীরে অবস্থিত বাঘাবাড়ীতে মূল কারখানা স্থাপনের স্থান নির্ধারন করা হয়। এরপর লাহিড়ী মোহনপুরে স্থাপিত কারখানাটি বাঘাবাড়ীতে স্থানান্তর করা হয়। নির্ধারিত ওই স্থানে ১৯৭৩ সালে স্বাধীনতার স্বপতি, জতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রয়াত প্রধান মন্ত্রী ক্যাপটেন মনছুর আলী। সে সময় উপ-সচিব সাহেদ লতিফকে জেনারেল ম্যানেজারের দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে প্রস্তাবিত স্থানে ডেনমার্ক কর্তৃপক্ষ কারখানা স্থাপন করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ খৃষ্টাব্দে এ সমবায় প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্কভিটা) নামে নামকরণ করা হয়। এরপর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পন্যসূমহ মিল্কভিটা ব্রান্ড নামে বাজারজাতকরন শুরু করে।
১৯৮৭ সালে মিল্কভিটার বাঘাবাড়ী কারখানায় দেশের এক মাত্র বুল ষ্টেশন স্থাপন করা হয়। মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় অষ্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উন্নতজাতের ষাঁঢ়ের সঙ্গে স্থানীয় জাতের গাভীর শংকরায়ন ঘটিয়ে উন্নত সংকর জাতের গাভীর জন্ম দেয়া হয়। দেশের সর্ববৃহৎ সমবায়ী প্রতিষ্ঠান ‘মিল্কভিটা’র বাঘাবাড়ীস্থ বুল ষ্টেশনে উন্নত জাতের হলিফ্রিজিয়ান ও জার্সি ষাঢ় থেকে প্রতি সপ্তাহে একবার ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ডোজ সিমেন (বীজ) সংগ্রহ করা হয়। লিকুইড নাইট্রোজেন গ্যাসের মধ্যে ওই বিপুল পরিমান ডোজ সিমেন (বীজ) জীবিতভাবে সংরক্ষণ করা হয়। ওই বিপুল পরিমান সিমেন (বীজ) দেশের বৃহত্তর ২২ জেলার সমবায়ী গো-খামারীদের মধ্যে বিনামূল্যে সরবরাহ করায় দেশে উন্নতজাতের শংকর গাভীর সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পায় যা দেশে দুগ্ধ উৎপন্নের হারও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করে। সেইসাথে গো-খামারীদের মধ্যে উন্নতমানের গো-খাদ্য সরবরাহের লক্ষে উল্লাপাড়ার লাহিড়ী মোহনপুর এলাকায় সরকারি ২৭ কোটি টাকা অর্থ সহায়তা ও মিল্কভিটার অর্থায়নে একটি গো-খাদ্য প্লান্ট চালু হয়েছে। ফলে এ অঞ্চলের সমবায়ী গো-খামারীরা ন্যায্য মূল্যে সুষম গো-খাদ্য ক্রয় করে সার্বিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। মিল্কভিটা চালুর পর থেকে র্দীঘ সময় বছরের পর বছর লোকসানে থাকলেও বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই শেখ নাদির হোসেন লিপু চেয়ারম্যান হিসেবে ও এ্যাড. শেখ মো: আব্দুল হামিদ লাবলু ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
দেশের দুগ্ধশিল্পের কেন্দবিন্দু সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের রাউতারা গ্রামে ‘মিসেস এলিজা খান মডেল গো-খামার ও বায়োগ্যাস প্লান্ট’ স্থাপনের পর থেকেই গবাদী পশু লালন পালনে আর্থিকভাবে অধিকহারে লাভবান হওয়ার আরেক নবদিগন্তের সম্ভাবনাময়ী দ্বার উম্মোচিত হয়। একটি গো-খামারে দৈনিক উৎপন্ন দুধের চেয়েও গবাদীপশুর মল (গোবর) থেকে বহুগুণ বেশী অর্থ আয় করা সম্ভব। ওই গো-খামার ও বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের পর থেকে সেখানে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে উৎপন্ন হচ্ছে বায়োগ্যাস (মিথাইল গ্যাস)। উৎপন্ন ওই বায়োগ্যাসকে কাজে লাগিয়ে গ্যাসচালিত জেনারেটরের মাধ্যমে ৫ হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বায়োগ্যাস প্লান্টে উৎপন্ন মিথাইল বায়োগ্যাসে চলছে পারিবারিক রান্নার কাজ। তদপুরি, উৎপন্ন বাড়তি বায়োগ্যাসের রিজার্ভার থেকে প্রতি সপ্তাহে এক ট্যাংকার বায়োগ্যাস বিক্রি করা হয়। বায়োগ্যাসচালিত একটি ৫ কে:ভি: জেনারেটর থেকে ৫ হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেই বিদ্যুৎ দিয়ে পুরো গো-খামারের যাবতীয় বৈদ্যুতিক প্রয়োজন মিটিয়েও বাড়তি হিসাবে মিসেস এলিজা খানের বাড়ির টেলিভিশন, ফ্রিজ, শক্তিশালী একটি সাবমেরিন বৈদ্যুতিক মোটর, বৈদ্যুতিক ভাল্ব জ্বানানোসহ বাড়ির বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ চালনায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো হচ্ছে।
এসব বিষয়ে মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. শেখ মো: আব্দুল হামিদ লাবলু বলেন, ‘ গাভী লালন পালন করে গ্রামীণ কৃষকেরা যেনো আর্থিকভাবে অধিকতর লাভবান হতে পারেন এবং শহরের শিশুরা যেনো পুষ্টিকর দুধের অভাবে পুষ্টিহীনতায় না ভোগে সেই লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিল্কভিটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই লক্ষ্য পূরণে ও দেশের সকল স্থানে মিল্কভিটার সব ধরনের দুগ্ধজাত সামগ্রী সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে মিল্কভিটার সুযোগ্য চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু দক্ষ ও বলিষ্ঠ হাতে মিল্কভিটা পরিচালনা করছেন। বঙ্গবন্ধু যে লক্ষ্য নিয়ে মিল্কভিটা স্থাপন করেছিলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’