দুঃসময়ে আইনি সহায়তা দিয়ে শাহজাদপুরে আ.লীগ নেতাকর্মীদের রক্ষা করেছেন এ্যাড. এসএ হামিদ লাবলু

শামছুর রহমান শিশির, বিশেষ প্রতিবেদক : স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও ২য় মেয়াদে বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের ১০ বছরের শাষণামলে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের ত্যাগী, নির্যাতিত, বলিষ্ঠ প্রতিবাদী নন্দিত নেতা হলেন মিল্কভিটার ভাইস চেয়ারম্যান, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটির (নারী ও শিশু) নন্দিত নেতা এ্যাড. শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আর বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের ২ টার্ম শাষণামলে একের ওপর এক খড়গ নেমে এসেছে তার ও তার পরিবারের ওপর। শাহজাদপুর পৌরসদরের শেরখালী মহল্লাস্থ তার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও বোমা মেরে পুরো পরিবারের সদস্যদের হত্যা করারও অপচেষ্টা করা হয়েছে। তার পরেও তিনি মুজিবীয় আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হননি। সর্বশেষ মিল্কভিটার বাঘাবাড়ী কারখানায় আরেক দফা তাকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়। এ্যাড. এসএ হামিদ লাবলু স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, বিএনপি জামায়াতের ১৯৯১-১৯৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ সালের শাষণামলে শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী প্রতিবাদী নেতাকর্মীদের ওপর ডজন ডজন মামলা দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তিকে দুর্বল করার অপচেষ্টাও সফল হতে দেননি ত্যাগী ওই নেতা। এ্যাড. এস এ হামিদ লাবলু আওয়ামী লীগের ওই দীর্ঘ সময়ের চরম দুঃসময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে যাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়েছে এ্যাড. শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু ওইসব মামলার দলীয় আসামীদের বিনামূল্যে আইনী সহায়তা দিয়ে তাদের রক্ষা করেছেন বছরের পর বছর। শুধু তাই নয়, যেসব নেতাকর্মীদের মামলায় হাজিরা দেয়ারও পয়সা ছিলোনা পকেটে, শেখ আব্দুল হামিদ লাবলু নিজের কষ্টার্জিত পকেটের টাকা দিয়েও তাদের বছরের পর বছর সহায়তা করে গেছেন এবং অধ্যবধি করে চলেছেন। শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মুখে এসব কথা উঠে এসেছে।
আওয়ামী লীগের চরম দুঃসময়ে যারা শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছিলেন তাদের মধ্যে রহমতুল্লাহ সরকার, ড. মযহারুল ইসলাম, এ্যাড. আব্দুর রহমান সাবেক এমসিএ, আব্দুল মতিন মোহন, মজিবর রহমান, নিহার নন্দী, সূতা হাকিম, আয়নুল হক, আলতাব হোসেন, আবু জাহিদ শাহু, মোজাফফর হোসেনসহ অনেকেই মারা গেছেন। আর যারা এখনও বেঁচে রয়েছেন,দলের সুসময়ে তাদের সিংহভাগ নেতাকর্মীর অবস্থা দেশে প্রচলিত প্রবাদ ‘কেউ মরে বিল সেঁচে’ এর মতোই। শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের চরম দুঃসময়ে যারা দলকে টিকিয়ে রেখেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু, মহাদেব সাহা, কাংলাকান্দির আব্দুল জব্বার, কাকীলামারির আব্দুল কাদের, সাইদুল ইসলাম, পাড়কোলার উৎপল নন্দী ও তানু আজমল, দ্বারিয়াপুরের নারায়ন সূত্রধর, চেনি, রেজাউল করিম রেজা, চাইনিজ লতিফ, আব্দুল লতিফ, তরু লোদী, রিপন, চন্দন, পলাশ, রাজীব শেখ, দিলরুবার শামীম (চেয়ারম্যান শামীম), সাবেক ভিপি আব্দুর রহিম, আসাদ কমিশনার, কোরবান কমিশনার, মণিরামপুরের রোকনুজ্জামান রোকন, হাবিব, ইয়ামিন, আলম, নিল, চন্দন, দরগাহপাড়ার জামিল, রূপপুরের হায়দার হাজী, আবু সাত্তার ওরফে শেখ সাত্তার, শেরখালীর ইউনুস আলী, নিজাম উদ্দিন, মুস্তাক আহমেদ, আলতাব সরকার, টেন্নু সরকার, শক্তিপুরের কোরবান আলী (বিআরডিবির চেয়ারম্যান),  মনি, খবির, আফছার, পুকুরপাড়ের নূর ইসলাম, ইসলামপুর রামবাড়ীর হোসেন, হায়দার, এজাজ, সোহেল, কৈজুরীর এ্যাড. মশিউর রহমান। ওইসব নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন,‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও বিএনপি জাময়াত জোট সরকারের ২ টার্মের শাষণামলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিএনপি পার্টি অফিস ভাংচুর, টিন বক্কারের দোকান ভাংচুর, মিছিলে হামলা, চাঁদাবাজী, হত্যা মামলাসহ ত্যাগী নেতাকর্মীদের ডজন, ডজন এমনকি প্রতিটি নেতাকর্মীদের ৫০/৫৫ টি পর্যন্তও মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামী করা হয়। লাবলু ভাই পার্টি অফিসে এসে তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে নাম লিখে নিতেন ও বিনা পয়সায় নিজেই আইনজীবী হয়ে আওয়ামী লীগের স্বার্থে নেতাকর্মীদের বাঁচাতে মামলা পরিচালনা করতেন। এমনকি সিরাজগঞ্জ কোর্টে হাজিরা দেয়ার জন্য যাদের যাতায়াত ভাড়া ছিলোনা তাদের ভাড়াও দিয়ে দিতেন। এভাবেই আইনী সহায়তা ও অর্থ সহায়তা দিয়ে দলের সেবা করেছেন লাবলু ভাই।
শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, রুপপুরের আব্দুস সামাদসহ বেশ কয়েকজন ত্যাগী নেতা জানান,‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও বিএনপি জামায়াত হটাও আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী শাহজাদপুরের প্রায় ৫’শ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে নানা ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামী করা হয়। বিনা পয়সায় সেইসব মামলার দায়িত্বভার গ্রহণ করে নেতাকর্মীদের পক্ষের আইনজীবী হয়ে তাদের রক্ষা করেন এ্যাড. এসএ হামিদ লাবলু। তিনি আরও জানান,‘শুধুমাত্র রেজাসহ দিলরুবার শামীম, রিপন, সাইদুল, আশরাফুল, শাহীনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গঙ্গাপ্রসাদে যাত্রাপ্যান্ডেলে বোমাঘাতে ১ জন নিহত হবার মামলা, দ্বারিয়াপুরে বোমা বানাতে গিয়ে নিহত আলমাছ ও হালিম হত্যা মামলাসহ প্রায় ৫০/৫২ টি মামলায় তাদের আসামী করা হয়। এসব মামলা চালাতে গিয়ে নেতাকর্মীরা দিশেহারা হয়ে পড়েন। সেখানেও নন্দিত নেতা শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ লাবলু তাদের পাশে দাঁড়িয়ে বিনা পয়সায় মামলাগুলো পরিচালনা করে তাদেরসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওইসব মামলা থেকে নির্দোষ প্রমাণ করে তাদের রক্ষা করেন। এখনও সেভাবেই এক খাঁটি মুজিব সৈনিক হিসেবে লাবলু ভাই দলীয় নেতাকর্মীদের নিঃস্বার্থভাবে আইনী সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন এবং সাধ্যমতো অর্থ সহায়তাও দিয়ে যাচ্ছেন।’